SEBA Class 10 Geography Important Chapter 4 আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ভূগোল Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Geography Important Chapter 4 আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ভূগোল Solutions and select need one. Class 10 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Elective Geography Additional Question Answer.
SEBA Class 10 Geography Important Chapter 4 আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ভূগোল
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ভূগোল
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র মোট কয়টি রাজ্য নিয়ে গঠিত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কা এবং হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জকে ধরে মোট ৫০টি রাজ্য নিয়ে গঠিত।
২। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী কলোম্বিয়া জেলার ওয়াশিংটন ডি সি-তে অবস্থিত।
৩। কত খ্রীষ্টাব্দে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৭৭৬ খ্রীষ্টাব্দে ১৩টি রাজ্য একত্রিত হয়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল।
৪। মূল ভূখণ্ডে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের অক্ষাংশীয় বিস্তার কত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ২৫° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
৫। ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধানত কয়টি প্রাকৃতিক বিভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধানত তিনটি প্রাকৃতিক বিভাগে ভাগ করা যায়।
৬। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব অংশের প্রধান উচ্চভূমি অঞ্চলটির নাম কী?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব অংশের প্রধান উচ্চভূমি অঞ্চলটির নাম আপেলেসিয়ান উচ্চভূমি অঞ্চল।
৭। পৃথিবী বিখ্যাত নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি কোন হ্রদের কাছে অবস্থিত?
উত্তরঃ পৃথিবী বিখ্যাত নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি আপেলেসিয়ান উচ্চভূমির উত্তর সীমায় ইরি হ্রদের কাছে অবস্থিত।
৮। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য সমভূমি অঞ্চলটি প্রধানত কোন নদী অববাহিকার অন্তর্গত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য সমভূমি অঞ্চলটি প্রধানত মিসিসিপি-মিসৌরি নদী অববাহিকার অন্তর্গত।
৯। রকি পর্বতমালা কী ধরনের পর্বত?
উত্তরঃ রকি পর্বতমালা হলো এশিয়ার হিমালয়ের মতো একটি নবীন ভঙ্গিল পর্বত।
১০। কর্ডিলেরা অঞ্চলের বিখ্যাত ‘মৃত উপত্যকা’ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত নিচে অবস্থিত?
উত্তরঃ কর্ডিলেরা অঞ্চলের বিখ্যাত ‘মৃত উপত্যকা’ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮৬ মিটার নিচে অবস্থিত।
১১। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মোটরগাড়ি নির্মাণ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ডেট্রয়েট শিল্পাঞ্চলে বৃহত্তম মোটরগাড়ি নির্মাণ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
১২। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে কোন ধরনের জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়।
১৩। ২০০৭ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ ২০০৭ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩০২ নিযুত।
১৪। ডেড ভ্যালির উত্তর দিকে অবস্থিত বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের বিখ্যাত লবণাক্ত হ্রদটির নাম কী?
উত্তরঃ ডেড ভ্যালির উত্তর দিকে অবস্থিত বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের বিখ্যাত লবণাক্ত হ্রদটির নাম গ্রেট সল্ট লেক।
১৫। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মাংস বাণিজ্য কেন্দ্রটি কোন শহরে অবস্থিত?
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মাংস বাণিজ্য কেন্দ্রটি শিকাগো শহরে অবস্থিত।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি অত্যন্ত উন্নত এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
এর ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশগত অবস্থান: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ২৫° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৬৬° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ থেকে ১২৫° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বিস্তৃতির কারণে সমগ্র দেশটির জলবায়ু মূলত নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির।
সীমানা: এই দেশটির চারদিকের সীমানা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট। দেশটির উত্তরে রয়েছে কানাডা দেশ, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে মেক্সিকো দেশ ও মেক্সিকো উপসাগর এবং পশ্চিমে রয়েছে বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর।
আকার ও আয়তন: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট আয়তন প্রায় ৯৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা সমগ্র পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ৬.৩৭ শতাংশ। আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এটি ভারতের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বড়।
২। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক বিভাগ কয়টি ও কী কী? যেকোনো একটি বিভাগ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূ-প্রাকৃতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধানত তিনটি প্রাকৃতিক বিভাগে ভাগ করা যায়।
এই বিভাগগুলো হলো:
(i) আপেলেসিয়ান উচ্চভূমি অঞ্চল।
(ii) মধ্য সমভূমি অঞ্চল।
(iii) রকি পার্বত্য অঞ্চল বা কর্ডিলেরা অঞ্চল।
আপেলেসিয়ান উচ্চভূমি অঞ্চল সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
(i) অবস্থান ও বিস্তৃতি: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব অংশে আটলান্টিক উপকূলের প্রায় সমান্তরালভাবে এই অঞ্চলটি অবস্থিত। এটি উত্তরে হাডসন উপত্যকা ও ইরি হ্রদ থেকে শুরু করে দক্ষিণে অ্যালাবামা রাজ্য পর্যন্ত বিস্তৃত।
(ii) ভূ-প্রকৃতি: এই অঞ্চলটি মূলত পাহাড়-পর্বত, মালভূমি ও সমভূমি উপত্যকার সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় এর ভূ-প্রকৃতি বেশ জটিল। ওহিও, টেনিসি, হাডসন ও অ্যালাবামা এখানকার প্রধান নদী। উত্তর সীমান্তে বিখ্যাত নায়াগ্রা জলপ্রপাত অবস্থিত।
(iii) অর্থনৈতিক গুরুত্ব: আপেলেসিয়ান উচ্চভূমি অঞ্চলটি কয়লা, লোহা ও পেট্রোলিয়ামের মতো অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এই কারণে এখানে অনেক বড় বড় শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে। এছাড়া নিউ ইয়র্ক, বোস্টন, ওয়াশিংটন ডি সি, ফিলাডেলফিয়া ও আটলান্টার মতো বিখ্যাত মহানগরগুলো এই অঞ্চলেই অবস্থিত।
৩। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত যেকোনো তিনটি কৃষি বলয় সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কৃষির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিভিন্ন প্রকার কৃষি বলয়। ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু এবং মাটির ওপর নির্ভর করে দেশকে কয়েকটি কৃষি বলয়ে ভাগ করা হয়েছে।
এর মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বলয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
(i) ভুট্টা বলয়: শীতকালীন গম বলয়ের উত্তর দিকে মধ্য ওহিও থেকে মধ্য নেব্রাস্কা রাজ্য পর্যন্ত এই বলয়টি বিস্তৃত। আইওয়া, ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, মিনেসোটা ও পেনসিলভেনিয়া রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়।
(ii) কার্পাস বলয়: মিসিসিপি নদী অববাহিকার দক্ষিণ অংশে এবং টেক্সাস, মিসিসিপি ও আরকানসাস রাজ্যে এই বলয়টি অবস্থিত। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট উৎপাদিত কার্পাসের প্রায় ৫০ শতাংশেরও বেশি এই অঞ্চল থেকে পাওয়া যায়। ৩৬° উত্তর অক্ষাংশ এই বলয়ের উত্তর সীমা নির্ধারণ করেছে।
(iii) বসন্তকালীন গম বলয়: প্রেইরী অঞ্চলের উত্তর অংশে অবস্থিত এই বলয়টি প্রধানত মন্টানা, উত্তর ডাকোটা, দক্ষিণ ডাকোটা ও মিনেসোটা রাজ্য নিয়ে গঠিত। এখানকার অত্যন্ত উৎকৃষ্ট মানের গম বিদেশে রপ্তানি করা হয়।
৪। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্ব শিল্পাঞ্চল এবং এর প্রধান শিল্প কেন্দ্রগুলির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্ব অংশে কয়লা, লোহা এবং পেট্রোলিয়ামের মতো খনিজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে। একে ‘উত্তর-পূর্ব উদ্যোগ অঞ্চল’ বলা হয়।
এই অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং কেন্দ্রগুলো নিম্নরূপ:
(i) অঞ্চলের গুরুত্ব: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট আয়তনের মাত্র ১০ শতাংশ জায়গা জুড়ে এই অঞ্চলটি অবস্থিত হলেও দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ লোক এখানে বসবাস করে এবং দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ শিল্প কলকারখানা এই অঞ্চলেই অবস্থিত।
(ii) পিটসবর্গ-হুইলিং-ক্লিভল্যান্ড উদ্যোগ কেন্দ্র: পেনসিলভেনিয়া ও ওহিও রাজ্যকে কেন্দ্র করে এটি গড়ে উঠেছে। এটি উৎকৃষ্ট মানের কয়লা ও লোহার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম লোহা-ইস্পাত শিল্প কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এছাড়া এই অঞ্চলের অ্যাক্রন হলো পৃথিবীর বৃহত্তম রবার শিল্প কেন্দ্র।
(iii) নিউ ইয়র্ক-ফিলাডেলফিয়া-বাল্টিমোর উদ্যোগ কেন্দ্র: এটি নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া ও বাল্টিমোর মহানগরকে কেন্দ্র করে গঠিত। এখানে লোহা-ইস্পাত শিল্প, বস্ত্রশিল্প, টিন এবং পেট্রোলিয়াম শোধনাকারের মতো বড় বড় শিল্প গড়ে উঠেছে।
৫। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং এর অসম বণ্টনের কারণসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতার সময় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৩ নিযুত (৩০ লক্ষ)। কিন্তু ইউরোপীয় দেশসমূহ থেকে মানুষের স্থানাস্তর এবং নতুন নতুন রাজ্যের অন্তর্ভুক্তির ফলে দেশের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ২০০৭ সালের আনুমানিক তথ্য অনুযায়ী এর জনসংখ্যা ৩০২ নিযুত (৩০.২ কোটি)।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল জনসংখ্যার বণ্টন সব জায়গায় সমান নয়, এর অসম বণ্টনের প্রধান কারণসমূহ আলোচনা করা হলো:
(i) পূর্ব ও উপকূলীয় অঞ্চলের ঘন বসতি: দেশের পূর্ব দিকে অবস্থিত আপেলেসিয়ান উচ্চভূমি এবং আটলান্টিক উপকূলীয় অঞ্চলে জনসংখ্যা অত্যন্ত ঘন। মিশিগান হ্রদের দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের মাত্র এক-চতুর্থাংশ জমিতে দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বাস করে। এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৮৫ জন। ম্যাসাচুসেটস, নিউ জার্সি এবং রোড আইল্যান্ডের মতো রাজ্যগুলোতে ঘনত্ব ৩০০ জনেরও বেশি।
(ii) পশ্চিম ও পার্বত্য অঞ্চলের পাতলা বসতি: এর বিপরীতে, পশ্চিমের মধ্য সমভূমি এবং কর্ডিলেরা বা রকি পার্বত্য অঞ্চলে জনসংখ্যা অত্যন্ত বিরল। খড়বড়ো পার্বত্য ভূমি এবং বৃষ্টির অভাবের কারণে এই অঞ্চল জীবনধারণের পক্ষে উপযোগী নয়। এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে মাত্র ১৫ জন এবং মন্টানা, নেভাডা, উত্তর ডাকোটা ও ওয়াইওমিং রাজ্যে এই ঘনত্ব ৫ জনেরও কম।
(iii) নগরায়ন ও শিল্পায়নের প্রভাব: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ শহরে বসবাস করে। নিউ ইয়র্ক (২২ নিযুত) এবং লস অ্যাঞ্জেলেস (১৮ নিযুত) হলো দেশের সবচেয়ে জনবহুল দুটি মহানগর।

