SEBA Class 10 Geography Important Chapter 3 অঞ্চল বা আঞ্চলিক ভূগোলের ধারণা

SEBA Class 10 Geography Important Chapter 3 অঞ্চল বা আঞ্চলিক ভূগোলের ধারণা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Geography Important Chapter 3 অঞ্চল বা আঞ্চলিক ভূগোলের ধারণা Solutions and select need one. Class 10 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Elective Geography Additional Question Answer.

SEBA Class 10 Geography Important Chapter 3 অঞ্চল বা আঞ্চলিক ভূগোলের ধারণা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 10 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। আঞ্চলিক ভূগোল বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ আঞ্চলিক ভূগোল হলো পৃথিবীর একটি অঞ্চলের দেশ বা মহাদেশের সামগ্রিক ভৌগোলিক চিত্রের পূর্ণাঙ্গ অধ্যয়ন।

২। আঞ্চলিক ভূগোল সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভেতরের কোন পার্থক্যের আভাস দেয়?

উত্তরঃ আঞ্চলিক ভূগোল সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভেতরের স্থানিক পার্থক্যেরও আভাস দেয়।

৩। ভৌগোলিক উপাদানের ওপর ভিত্তি করে অঞ্চল বিভক্তিকরণকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তরঃ ভৌগোলিক উপাদানের ওপর ভিত্তি করে অঞ্চল বিভক্তিকরণকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা— ভৌগোলিক উপাদানের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে এবং উপাদানসমূহের ক্রিয়াত্মক সম্পর্কের ভিত্তিতে।

৪। সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সনাক্ত করা একেকটি অঞ্চলকে কী বলা হয়?

উত্তরঃ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সনাক্ত করা একেকটি অংশকে সমধর্মী অঞ্চল বলা হয়।

৫। ক্রিয়াত্মক সম্পর্কের ভিত্তিতে সনাক্ত করা একেকটি অঞ্চলকে কী বলা হয়?

উত্তরঃ ক্রিয়াত্মক সম্পর্কের ভিত্তিতে সনাক্ত করা একেকটি অংশকে ক্রিয়াত্মক অঞ্চল বলা হয়।

৬। ভাষিক অঞ্চল কোন ধরনের অঞ্চলের উদাহরণ?

উত্তরঃ ভাষিক অঞ্চল হলো একটিমাত্র উপাদানের ওপর ভিত্তি করে নিরূপণ করা সমধর্মী অঞ্চলের উদাহরণ।

৭। নগর বা বাজার কেন্দ্রকে ভিত্তি করে প্রধানত কোন ধরনের অঞ্চল গড়ে ওঠে?

উত্তরঃ নগর বা বাজার কেন্দ্রকে ভিত্তি করে প্রধানত ক্রিয়াত্মক অঞ্চল গড়ে ওঠে।

৮। পৃথিবীর কত শতাংশ অংশ স্থলভাগ এবং কত শতাংশ জলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত?

উত্তরঃ পৃথিবীর প্রায় ২৯ শতাংশ অংশ স্থলভাগ এবং প্রায় ৭১ শতাংশ অংশ জলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত।

৯। এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর স্থলমণ্ডলের প্রায় কত শতাংশ জুড়ে রয়েছে?

উত্তরঃ এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর স্থলমণ্ডলের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ জুড়ে রয়েছে।

১০। ২০০৭ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা কত ছিল?

উত্তরঃ ২০০৭ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৬২ কোটি।

১১। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ এশিয়া মহাদেশে বাস করে?

উত্তরঃ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০.৫০ শতাংশ মানুষ এশিয়া মহাদেশে বাস করে।

১২। পৃথিবীর কত শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বাস করে?

উত্তরঃ পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বাস করে।

১৩। ভূগোলবিদ এ জে হার্বটসনের মতে ‘প্রাকৃতিক অঞ্চল’ কী?

উত্তরঃ ভূগোলবিদ এ জে হার্বটসনের মতে, পৃথিবীর যে অংশে একই ধরনের প্রাকৃতিক প্রণালীসমূহের প্রভাব অনুভূত হয় এবং তার ফলে মানুষের কার্যাবলীও একইভাবে গড়ে ওঠে, তাকে প্রাকৃতিক অঞ্চল বলা হয়।

১৪। নিরক্ষীয় অঞ্চলের জলবায়ু কেমন প্রকৃতির হয়ে থাকে?

উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলের জলবায়ু সারা বছরই সাধারণত অত্যন্ত উষ্ণ এবং আর্দ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।

১৫। কঙ্গো অববাহিকায় বসবাসকারী বন্য আদিবাসীরা কী নামে পরিচিত?

উত্তরঃ কঙ্গো অববাহিকায় বসবাসকারী বন্য আদিবাসীরা মূলত পিগমি নামে পরিচিত।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। সমধর্মী অঞ্চল এবং ক্রিয়াত্মক অঞ্চল বলতে কী বোঝায়? এদের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ সমধর্মী অঞ্চল: ভৌগোলিক উপাদানের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা একেকটি অংশকে সমধর্মী অঞ্চল বলা হয়। এই ধরনের অঞ্চল নির্বাচিত প্রাকৃতিক বা সামাজিক উপাদানসমূহের একরূপতা বা মিলের ওপর ভিত্তি করে নিরূপণ করা হয়ে থাকে।

ক্রিয়াত্মক অঞ্চল: ভৌগোলিক উপাদানসমূহের মধ্যকার পারস্পরিক ক্রিয়াত্মক সম্পর্কের ভিত্তিতে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা একেকটি অংশকে ক্রিয়াত্মক অঞ্চল বলা হয়। এই ধরনের অঞ্চল সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট নগর বা বাজারকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে,যার সাথে চারপাশের সংযুক্ত অঞ্চলগুলি কার্যগতভাবে জড়িয়ে থাকে।

এদের মধ্যে পার্থক্য হলো:

                        সমধর্মী অঞ্চল                         ক্রিয়াত্মক অঞ্চল
ভৌগোলিক উপাদানের সাদৃশ্যের বা মিলের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা একেকটি ভৌগোলিক অংশকে সমধর্মী অঞ্চল বলে।ভৌগোলিক উপাদানসমূহের পারস্পরিক ক্রিয়াত্মক সম্পর্কের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা একেকটি অংশকে ক্রিয়াত্মক অঞ্চল বলে।
এটি নির্বাচিত উপাদানগুলোর একরূপতা বা সমধর্মিতার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।এটি উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক ক্রিয়াকর্ম বা সংযোগের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।
এই ধরনের অঞ্চলে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় স্থান বা নোডাল পয়েন্টের প্রয়োজন হয় না।এই অঞ্চলটি মূলত কোনো একটি নির্দিষ্ট নগর বা বাজারকেন্দ্রকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
অঞ্চলের ভেতরের উপাদানগুলোর মধ্যে বাহ্যিক বা গুণগত মিল লক্ষ্য করা যায়।অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলো সদৃশ না হলেও পারস্পরিক সম্পর্কের দিক থেকে গভীরভাবে সংযুক্ত থাকে।

২। নিরক্ষীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু এবং এই অঞ্চলের মানব জীবনযাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলের অবস্থান: বিষুব বা নিরক্ষরেখার দুই পাশে ১০ ডিগ্রি উত্তর থেকে ১০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকা, আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা, পশ্চিম আফ্রিকার গিনি উপকূল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া উপদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ এই অঞ্চলের অন্তর্গত।

নিরক্ষীয় অঞ্চলের জলবায়ু: এই অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত উষ্ণ এবং আর্দ্র প্রকৃতির। সূর্যের রশ্মি সারা বছর লম্বভাবে পড়ে বলে দিন ও রাতের এবং গ্রীষ্ম ও শীতকালের তাপমাত্রার তারতম্য খুব কম থাকে। এখানে বছরে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ সেন্টিমিটার।

(i) মানুষের জীবনযাত্রা: প্রতিকূল পরিবেশ: অতিরিক্ত গরম ও স্যাঁতসেঁতে জলবায়ুর কারণে এই অঞ্চল মানুষের বসবাসের জন্য তেমন উপযোগী নয়। আমাজন অববাহিকার গভীর অরণ্যে ‘সেলভা’ গড়ে উঠেছে, যেখানে নানা ক্ষতিকর কীট-পতঙ্গ ও মশার উপদ্বব বেশি।

(ii) আদিবাসীদের জীবনযাপন: কঙ্গো অববাহিকার আদিবাসীরা ‘পিগমি’ নামে পরিচিত, যারা মূলত শিকার এবং অরণ্য থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে জীবনধারণ করে।

(iii) উন্নত অঞ্চল: তবে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় উর্বর লাভার মাটির উপস্থিতির কারণে এবং উন্নত রোপণ কৃষির মাধ্যমে রবার, চা ও কফি চাষ করা হয় এবং সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে।

৩। মৌসুমী অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তরঃ মৌসুমী অঞ্চলের অবস্থান: নিরক্ষীয় অঞ্চলের উত্তরে ১০ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণে ১০ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত মৌসুমী অঞ্চল বিস্তৃত। ভারত, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশ, আফ্রিকার পূর্ব অংশ এবং ব্রাজিলের পূর্ব অংশ এই অঞ্চলের অন্তর্গত।

(i) জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঋতু পরিবর্তন। এখানে গ্রীষ্মকাল অত্যন্ত উষ্ণ ও আর্দ্র এবং শীতকাল ঠান্ডা ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ গড়ে প্রায় ২০০ সেন্টিমিটার। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বৃষ্টিপাতের তারতম্য ঘটে বলে এখানে পাতাজাতীয় বা পর্ণমোচী উদ্ভিদের আধিক্য দেখা যায়।

(ii) অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও মানব জীবনযাত্রা: কৃষির প্রাধান্য: মৌসুমী অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি হলো কৃষিকাজ। এখানকার উর্বর নদী উপত্যকা ও পলি মাটিতে ধান, গম, আখ, কার্পাস, পাট, তৈলবীজ এবং চা প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়।

(iii) জনবসতির ঘনত্ব: পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ লোক এই মৌসুমী অঞ্চলেই বসবাস করে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নও দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত হচ্ছে।

৪। ক্রান্তীয় তৃণভূমি (সাভানা) অঞ্চলের অবস্থান, জলবায়ু এবং এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনধারণের পদ্ধতি আলোচনা করো।

উত্তরঃ সাভানা অঞ্চলের অবস্থান: মহাদেশগুলোর অভ্যন্তরে নিরক্ষীয় অরণ্য এবং ক্রান্তীয় মরুভূমির মধ্যবর্তী অংশে ১০ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ক্রান্তীয় তৃণভূমি অঞ্চল দেখা যায়। দক্ষিণ আমেরিকা (ব্রাজিল উচ্চভূমি ও ভেনিজুয়েলার অরিনোকো নদী অববাহিকা), আফ্রিকার জাইরে অববাহিকার উত্তর ও দক্ষিণ অংশ, পূর্ব আফ্রিকার উচ্চভূমি এবং উত্তর অস্ট্রেলিয়ার ক্রান্তীয় অঞ্চল এর অন্তর্গত। 

(i) জলবায়ু ও উদ্ভিদ: এই অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত উষ্ণ। এখানে গ্রীষ্মকাল অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং শীতকাল দীর্ঘ ও শুষ্ক হয়। বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাঝারি ধরনের। এই ধরনের জলবায়ুর কারণে এখানে ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা ঘাসযুক্ত সাভানা তৃণভূমি গড়ে উঠেছে। ভেনিজুয়েলায় এটি ‘লানোচ’ এবং ব্রাজিলে ‘কেম্পোস’ নামে পরিচিত।

জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনধারণ:

জীববৈচিত্র্য: এই তৃণভূমি অঞ্চলটি বন্য জীবজন্তুর চারণভূমি হিসেবে পরিচিত। এখানে বাঘ, সিংহ, হাতি, গণ্ডার, জেব্রা, জিরাফ ও হরিণ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

পশুপালন: এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা হলো পশুপালন এবং শিকার করা। তবে কোনো কোনো অঞ্চলে ভুট্টা, জোয়ার, কার্পাস ও চিনা বাদামের চাষও করা হয়ে থাকে।

৫। ক্রান্তীয় উষ্ণ মরু অঞ্চলের অবস্থান, জলবায়ু এবং এখানকার মানুষের জীবনধারণ প্রণালী আলোচনা করো।

উত্তরঃ ক্রান্তীয় উষ্ণ মরু অঞ্চলের অবস্থান, জলবায়ু এবং এখানকার মানুষের জীবনধারণ প্রণালী আলোচনা হলো:

(i) ক্রান্তীয় উষ্ণ মরু অঞ্চল: সাধারণত মহাদেশগুলোর পশ্চিম প্রান্তে কর্কটক্রান্তি (২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর) এবং মকরক্রান্তি রেখার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এশিয়ার আরব, ইরান, আফগানিস্তান, ভারতের থর মরুভূমি, আফ্রিকার সাহারা ও কালাহারি, দক্ষিণ আমেরিকার আটাকামা এবং অস্ট্রেলিয়ার বৃহৎ মরুভূমি এই অঞ্চলের অন্তর্গত।

(ii) জলবায়ু ও উদ্ভিদ: এই অঞ্চলের জলবায়ু সারা বছর অত্যন্ত উষ্ণ এবং শুষ্ক থাকে। গ্রীষ্মকালে দিনের তাপমাত্রা প্রায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাত্র ২০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার। বৃষ্টিপাতের অভাবে এখানে কেবল কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদ জন্মায় এবং অধিকাংশ স্থান বালিতে ঢাকা থাকে।

(iii) মানুষের জীবনধারণ প্রণালী: যাযাবর জীবন: অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশের কারণে মরু অঞ্চল প্রায় জনবসতিহীন। সাহারা ও আরব মরুভূমিতে যাযাবর বেদুইনরা উট, ভেড়া ও ছাগল পালন করে জীবনধারণ করে। কালাহারি মরুভূমির বুশম্যানরা এবং অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা শিকার ও খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে।

(iv) আধুনিক অর্থনৈতিক রূপান্তর: সম্প্রতি কুয়েত, সৌদি আরব, ইরান ও ইরাকের মতো দেশে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম আবিষ্কৃত হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের পেশা ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top