Class 10 Bengali MIL Important Chapter 2 বিজয়া দশমী Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 2 বিজয়া দশমী Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 2 বিজয়া দশমী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
বিজয়া দশমী
Chapter: 2
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘বিজয়া দশমী’ কবিতাটি কার রচনা।
উত্তরঃ ‘বিজয়া দশমী’ কবিতাটি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা।
২। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের আনুমানিক জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল ছিল ১৮২৪-১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দ।
৩। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায় ছিল?
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান বর্তমান বাংলাদেশের কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী যশোহর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে।
৫। কবি মধুসূদন দত্তের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবি মধুসূদন দত্তের পিতার নাম ছিল রাজনারায়ণ দত্ত।
৬। কবি মধুসূদন দত্তের মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবি মধুসূদন দত্তের মাতার নাম ছিল জাহ্নবী দেবী।
৭। শৈশবে মধুসূদন কার কাছ থেকে রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন গল্প শুনেছিলেন?
উত্তরঃ শৈশবে কবি মধুসূদন তাঁর মায়ের কাছ থেকে রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন গল্প শুনেছিলেন।
৮। কবি কত সালে সপরিবারে কলকাতার খিদিরপুরে চলে আসেন?
উত্তরঃ কবি ১৮৩৩ সালে সপরিবারে কলকাতার খিদিরপুরে চলে আসেন।
৯। কবি কত বছর বয়সে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন?
উত্তরঃ কবি ১৯ বছর বয়সে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।
১০। কবি মধুসূদন কবে এবং কাকে প্রথম বিবাহ করেন?
উত্তরঃ কবি মধুসূদন ১৮৪৮ সালের ৩১ জুলাই রেবেকা ম্যাকটাভিশকে বিবাহ করেন।
১১। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের দ্বিতীয় পত্নীর নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের দ্বিতীয় পত্নীর নাম ছিল মিলি হেনরিয়েটা।
১২। মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত দুটি নাটকের নাম লেখো।
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত দুটি নাটক হলো ‘শর্মিষ্ঠা’ এবং ‘কৃষ্ণকুমারী’।
১৩। মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি রচিত বিখ্যাত কাব্যগুলি হলো ‘মেঘনাদবধ-কাব্য’, ‘ব্রজাঙ্গনা-কাব্য’ এবং ‘বীরাঙ্গনা-কাব্য’।
১৪। ‘বিজয়া দশমী’ কবিতাটি কবির কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘বিজয়া দশমী’ কবিতাটি কবির ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থের অন্তর্গত।
১৫। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘বিজয়া দশমী’ কবিতায় কবির বিদায়ের করুণ সুর এবং রজনীর কাছে মায়ের ব্যাকুল আকুতি নিজের ভাষায় বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ ‘বিজয়া দশমী’ কবিতায় কবি রজনী বা রাতকে অনুরোধ করেছেন যেন সে তারাদের দলকে নিয়ে চলে না যায়। কারণ রাত্রি শেষ হয়ে সূর্য উদিত হলে কবি তাঁর নয়নের মণি উমাকে হারাবেন। দীর্ঘ বারোটি মাস অশ্রুজলে কাটানোর পর মা তাঁর উমাকে শান্তিদায়কভাবে মাত্র তিন দিনের জন্য কাছে পেয়েছিলেন। তাই নবমীর নিশি শেষ হওয়ার মুহূর্তে মায়ের মন বিদায়ের আশঙ্কায় কেঁদে উঠেছে। নির্দয় ভোরের সূর্য উদিত হলে উমাকে পুনরায় কৈলাসে ফিরে যেতে হবে, যা মায়ের ব্যাকুল প্রাণ সহ্য করতে পারছে না।
২। ‘বিজয়া দশমী’ কবিতায় উমাকে কাছে পাওয়ার আনন্দ এবং পুনরায় হারানোর যে গভীর বিষাদ প্রকাশ পেয়েছে, তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।
উত্তরঃ দীর্ঘ বারো মাস চোখের জলে কাটানোর পর মা উমাকে মাত্র তিন দিনের জন্য নিজের ঘরে অত্যন্ত সান্ত্বনা-ভাবে কাছে পেয়েছিলেন। এই তিন দিন মায়ের ভাঙা ঘরে যেন সোনার প্রদীপ বা স্বর্ণদীপ জ্বলছিল এবং মায়ের দীর্ঘ বিরহ-জ্বালা শান্ত হয়েছিল। কিন্তু নবমীর নিশা শেষে বিজয়া দশমীর আগমনে মায়ের মনে পুনরায় উমাকে হারানোর বিষাদ নেমে আসে। উমা বিদায় নিলে তাঁর এই স্বর্ণদীপ নিভে যাবে এবং তাঁর গৃহ পুনরায় দ্বিগুণ অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে—এই গভীর আশঙ্কায় মায়ের মন চরম বিষাদে ভেঙে পড়েছে।
৩। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শৈশব, শিক্ষা জীবন এবং ধর্ম পরিবর্তন সম্পর্কে যা জানা যায় বিস্তারিত লেখো।
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী যশোহর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে তিনি গ্রামের পাঠশালায় পড়াশোনা শুরু করেন এবং মায়ের কাছ থেকে রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন বীরত্বগাথা শোনেন। ১৮৩৩ সালে তিনি সপরিবারে কলকাতার খিদিরপুরে চলে আসেন এবং তাঁর পিতা রাজনারায়ণ দত্ত তাঁকে হিন্দু কলেজের জুনিয়র ক্লাসে ভর্তি করান। হিন্দু কলেজে একজন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসেবে তাঁর দারুণ সুনাম ছিল। পরবর্তীতে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।
৪। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যিক অবদান এবং তাঁর বিখ্যাত নাট্য ও কাব্যগ্রন্থগুলির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন বাংলা কাব্যে আধুনিকতার প্রধান পথিকৃৎ। ১৮৫৬ সালে তিনি তাঁর দ্বিতীয় পত্নী মিলি হেনরিয়েটাকে নিয়ে কলকাতায় ফিরে আসার পর তাঁর সাহিত্যিক জীবন পুরোদমে শুরু হয়। তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে রয়েছে ‘শর্মিষ্ঠা’ এবং ‘কৃষ্ণকুমারী’। কাব্যগ্রন্থের ক্ষেত্রে তিনি এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো ‘মেঘনাদবধ-কাব্য’, ‘ব্রজাঙ্গনা-কাব্য’, ‘বীরাঙ্গনা-কাব্য’ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’। তাঁর এই সাহিত্যকর্মগুলি বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
৫। সনেট বা ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ বলতে কী বোঝো? এর মূল বৈশিষ্ট্য এবং বাংলা সাহিত্যে এর প্রবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘সনেট’ মূলত একটি ইতালীয় শব্দ, যা বাংলায় ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ নামে পরিচিত। ইতালীয় কবি পেত্রার্ক সর্বপ্রথম সনেট রচনা করেছিলেন। এই কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি চৌদ্দটি লাইনে বা পঙক্তিতে বিন্যস্ত থাকে এবং এর প্রতিটি পঙক্তি চৌদ্দটি অক্ষরে সীমাবদ্ধ থাকে। এই চৌদ্দটি পঙক্তির পরিমিত কাঠামোর মধ্য দিয়ে কবির আবেগ ও অনুভূতি সুসংহতভাবে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত সর্বপ্রথম সনেটের প্রবর্তন করেন। তাঁর রচিত ‘বিজয়া দশমী’ কবিতাটি এই সনেট রীতিরই একটি সার্থক উদাহরণ, যা তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থের অন্তর্গত।

