Class 10 Bengali MIL Important Chapter 1 প্রার্থনা

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 1 প্রার্থনা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 1 প্রার্থনা Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 1 প্রার্থনা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কবি বিদ্যাপতির রচনা।

২। কবি বিদ্যাপতির আনুমানিক জীবনকাল কত ছিল?

উত্তরঃ কবি বিদ্যাপতির আনুমানিক জীবনকাল ছিল ১৩৫২-১৪৪৮ খ্রিস্টাব্দ।

৩। কবি বিদ্যাপতি কোন বংশের সন্তান ছিলেন?

উত্তরঃ কবি বিদ্যাপতি বিজ্ঞ ব্রাহ্মণ বংশের সন্তান ছিলেন।

৪। বিদ্যাপতির পিতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ বিদ্যাপতির পিতার নাম ছিল গণপতি ঠাকুর।

৫। বিদ্যাপতি কোন রাজ দরবারের সভাকবি ছিলেন?

উত্তরঃ বিদ্যাপতি মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি ছিলেন।

৬। বিদ্যাপতি কোন শতকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ বিদ্যাপতি চতুর্দশ শতকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

৭। ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি কার চরণে নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন?

উত্তরঃ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি মাধব বা শ্রীকৃষ্ণের চরণে নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন।

৮। ‘মাধব’ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘মাধব’ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ হলো পৃথিবীর স্বামী।

৯। ‘নিধুবন’ বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ‘নিধুবন’ বলতে বৃন্দাবনে অবস্থিত রাধাকৃষ্ণের প্রমোদ বিহারের উদ্যানকে বোঝায়।

১০। বিদ্যাপতির পদাবলির প্রধান ভাষা কী ছিল?

উত্তরঃ বিদ্যাপতির পদাবলির প্রধান ভাষা ছিল মৈথিলি।

১১। ব্রজবুলি কী ধরনের ভাষা?

উত্তরঃ ব্রজবুলি হলো একটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।

১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রজবুলি ভাষায় কোন কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রজবুলি ভাষায় ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রচনা করেছিলেন।

১৩। ‘তাতল’ শব্দের গদ্যরূপ বা অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘তাতল’ শব্দের গদ্যরূপ বা অর্থ হলো উত্তপ্ত।

১৪। ‘নিদে’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘নিদে’ শব্দের অর্থ হলো নিদ্রায়।

১৫। ‘প্রার্থনা’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘সুত’ এবং ‘মিত’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘সুত’ শব্দের অর্থ পুত্র এবং ‘মিত’ শব্দের অর্থ মিত্র।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘প্রার্থনা’ কবিতার মূলভাব সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি বিদ্যাপতি পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের চরণে ভক্তি ও আত্মনিবেদনের এক আকুল আর্তি ব্যক্ত করেছেন। কবি তাঁর জীবনের অর্ধেক সময় নিদ্রায় এবং বাকি সময় শৈশব ও বার্ধক্যের অসারতায় অতিবাহিত করেছেন। যৌবনে তিনি নিধুবনে প্রমোদ বিহারে মত্ত থেকে ঈশ্বরকে ভুলে মায়াময় সংসারের মোহেই নিমজ্জিত ছিলেন। কিন্তু জীবনের অন্তিম লগ্নে এসে তিনি অনুধাবন করেছেন যে স্ত্রী, পুত্র ও পরিবেষ্টিত এই সংসার তপ্ত বালুকণার ওপর জলবিন্দুর মতোই ক্ষণস্থায়ী। তাই উদ্ধারকর্তা পরমেশ্বর ছাড়া তাঁর মুক্তির আর কোনো উপায় নেই— এই সত্য উপলব্ধি করে কবি ঈশ্বরের কৃপা ভিক্ষা করেছেন।

২। “তাতল সৈকত বারি বিন্দু সম / সুত-মিত-রমণী-সমাজ” — চরণ দুটির নিহিতার্থ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ এই চরণের মাধ্যমে কবি জাগতিক মোহ ও সংসারের ক্ষণস্থায়িত্বের দিকটি অত্যন্ত চমৎকার উপমার সাহায্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। উত্তপ্ত মরুভূমির বালুর ওপর এক ফোঁটা জল পড়লে তা যেমন মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, তেমনি আমাদের এই সংসারের পুত্র, মিত্র ও স্ত্রীর সমাজও ক্ষণস্থায়ী ও বিনাশশীল। কবি যৌবনের অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে এই নশ্বর সংসারকে চির সত্য মনে করে সমস্ত জীবন নষ্ট করেছিলেন এবং পরমেশ্বরের কৃপাকে ভুলে ছিলেন। কিন্তু বার্ধক্যের শেষ সীমায় এসে তিনি বুঝতে পেরেছেন যে জাগতিক সম্পর্কের বন্ধন জীবনকে কেবল ব্যর্থতায় পর্যবসিত করে এবং একমাত্র ঈশ্বরের আশ্রয়ই শাশ্বত ও ধ্রুব সত্য।

৩। ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি বিদ্যাপতির অনুতাপ এবং আধ্যাত্মিক ব্যাকুলতা কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ কবি বিদ্যাপতি তাঁর জীবনের শেষ সীমায় এসে ঈশ্বরের উপাসনা না করার জন্য গভীর অনুশোচায় দগ্ধ হয়েছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন যে তাঁর মহামূল্যবান জীবনের অর্ধেক সময় কেবল ঘুমিয়েই কেটে গেছে এবং বাকি সময়টি নষ্ট হয়েছে খেলাধুলা ও জরাগ্রস্ততায়। যৌবনের উন্মাদনায় তিনি নিধুবনের আমোদ-প্রমোদে মেতেছিলেন এবং পরমেশ্বরের নাম স্মরণ করেননি। মৃত্যুর আসন্ন পদধ্বনি শুনে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন, কিন্তু পরমেশ্বরের পরম করুণাময় রূপের ওপর তাঁর অসীম বিশ্বাস রয়েছে। তাই তিনি নিজেকে অত্যন্ত দীন ও অসহায় মনে করে জগত্তারিণী কৃষ্ণের রাঙা চরণে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে উদ্ধার পেতে চেয়েছেন।

৪। বৈষ্ণব কবি বিদ্যাপতির সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ বিদ্যাপতি মধ্যযুগের মৈথিলি ও বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী কবি। আনুমানিক চতুর্দশ শতকে মিথিলার রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল অতুলনীয় এবং তিনি রাজা শিবসিংহের রাজসভার প্রধান সভাকবি ছিলেন। বিদ্যাপতির পদাবলির উপমা, সুরের ঝঙ্কার এবং ভাবের অভিনবত্ব বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর মৈথিলি ভাষায় রচিত পদের বিপুল জনপ্রিয়তার ফলেই বাংলায় ‘ব্রজবুলি’ নামক একটি কৃত্রিম অথচ অত্যন্ত সুমধুর সাহিত্যিক ভাষার সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীকালের বৈষ্ণব কবিদের প্রধান ভাব প্রকাশের বাহন হয়েছিল।

৫। ‘ব্রজবুলি’ ভাষার উৎপত্তি এবং বৈষ্ণব সাহিত্যে এর গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ব্রজবুলি হলো বৈষ্ণব পদাবলিতে ব্যবহৃত একটি বিশেষ কৃত্রিম সাহিত্যিক মিশ্র ভাষা, যা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রচলিত মুখের ভাষা নয়। মিথিলার কবি বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষায় রচিত সুমধুর পদের প্রভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলা, উড়িষ্যা এবং অসমের কবিরা এই মিশ্র ভাষার সৃষ্টি করেন। এই ভাষায় মৈথিলি, বাংলা, অসমীয়া, ওড়িয়া এবং হিন্দি শব্দের এক অদ্ভুত ও চমৎকার মেলবন্ধন ঘটেছে। বৈষ্ণব পদকর্তারা রাধাকৃষ্ণের লীলাকীর্তন এবং তাঁদের প্রেমলীলার গভীর ভাব প্রকাশের জন্য এই ভাষাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ বাহন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। এমনকি আধুনিক যুগের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই ভাষার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর বিখ্যাত ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ এই ব্রজবুলি ভাষাতেই রচনা করেছিলেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top