Class 11 Bengali MIL Important Chapter 1 বৈষ্ণবী মায়া

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 1 বৈষ্ণবী মায়া Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 1 বৈষ্ণবী মায়া Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 1 বৈষ্ণবী মায়া

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘বৈষ্ণবী মায়া’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তরঃ কবিতাটি কবি বৃন্দাবন দাসের লেখা।

২। বৃন্দাবন দাস কোন যুগের কবি ছিলেন?  

উত্তরঃ কবি বৃন্দাবন দাস মধ্যযুগের চৈতন্য-পরবর্তী সময়ের কবি ছিলেন।

৩। বাংলা ভাষায় প্রথম চৈতন্য-জীবনী গ্রন্থটির নাম কী? 

উত্তরঃ বাংলা ভাষায় প্রথম চৈতন্য-জীবনী গ্রন্থটির নাম হলো ‘চৈতন্য-ভাগবত’।

৪। বৃন্দাবন দাসের মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ বৃন্দাবন দাসের মাতার নাম ছিল নারায়ণী দেবী।

৫। নারায়ণী দেবী কার ভ্রাতুষ্পুত্রী ছিলেন? 

উত্তরঃ নারায়ণী দেবী বিখ্যাত বৈষ্ণব পণ্ডিত শ্রীবাস পণ্ডিতের ভ্রাতুষ্পুত্রী ছিলেন।

৬। বৃন্দাবন দাসের শৈশব কোথায় অতিবাহিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ বৃন্দাবন দাসের শৈশব নবদ্বীপের কাছে মামগাছি গ্রামে বাসুদেব দত্তের ঘরে কেটেছিল।

৭। বৃন্দাবন দাস কার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন? 

উত্তরঃ বৃন্দাবন দাস চৈতন্যদেবের অন্যতম প্রধান পার্ষদ নিত্যানন্দ প্রভুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

৮। বৃন্দাবন দাসকে ‘চৈতন্য-লীলার ব্যাস’ উপাধি কে দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ পরবর্তীকালের জীবনীকার কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন।

৯। ‘চৈতন্য-ভাগবত’ গ্রন্থে মোট কয়টি খণ্ড আছে? 

উত্তরঃ এই গ্রন্থে মোট তিনটি খণ্ড আছে, যথা— আদি খণ্ড,মধ্য খণ্ড ও অন্ত্য খণ্ড।

১০। ‘বৈষ্ণবী মায়া’ কবিতাটি কোন খণ্ড থেকে সংকলিত হয়েছে?

উত্তরঃ কবিতাটি ‘চৈতন্য-ভাগবত’ গ্রন্থের আদি খণ্ড থেকে সংকলিত হয়েছে।

১১। চোরেরা নিমাইকে কেন অপহরণ করেছিল? 

উত্তরঃ নিমাইয়ের অঙ্গে থাকা দামী স্বর্ণালঙ্কার চুরি করার উদ্দেশ্যে চোরেরা তাকে অপহরণ করেছিল।

১২। চোরেরা কেন পথ চিনতে ভুল করেছিল?

উত্তরঃ ভগবানের ‘বৈষ্ণবী মায়া’র প্রভাবে চোরেরা মোহগ্রস্ত হয়ে পথ চিনতে ভুল করেছিল।

১৩। চোরেরা নিজেদের অজান্তেই কার বাড়িতে পৌঁছেছিল?  

উত্তরঃ চোরেরা নিজেদের অজান্তেই নিমাইয়ের পিতা জগন্নাথ মিশ্রের বাড়িতে পৌঁছেছিল।

১৪। ‘জল বিনু যেন হয় মৎস্যের জীবন’—এখানে কাদের কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ এখানে নিমাইকে হারিয়ে নবদ্বীপের ব্যাকুল মানুষদের কথা বলা হয়েছে।

১৫। নিমাই কার কোলে চড়ে বাড়িতে ফিরেছিলেন? 

উত্তরঃ নিমাই চোরের কাঁধে চড়ে এবং শেষে জগন্নাথ মিশ্রের কোলে ফিরেছিলেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।

১। বৃন্দাবন দাসকে কেন ‘চৈতন্য-লীলার ব্যাস’ বলা হয়? পাঠের আলোকে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে বৃন্দাবন দাস এক অসাধারণ মর্যাদার অধিকারী। তিনি প্রথম কবি যিনি বাংলা ভাষায় চৈতন্যদেবের জীবন ও লীলা নিয়ে ‘চৈতন্য-ভাগবত’ রচনা করেন। ব্যাসদেব যেমন ভগবানের লীলা বর্ণনা করেছিলেন, বৃন্দাবন দাসও তেমনি চৈতন্যদেবের দিব্য জীবনকে সাধারণ মানুষের কাছে কাব্যিক রূপে পৌঁছে দেন। তাঁর গুরু নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপায় তিনি এই মহান কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর বর্ণনার গভীরতা এবং চৈতন্য-নিষ্ঠার কারণে পরবর্তীকালের শ্রেষ্ঠ জীবনীকার কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী তাঁকে ‘চৈতন্য-লীলার ব্যাস’ বলে সম্মান জানিয়েছেন। তাঁর এই রচনা কেবল কাব্য নয়, এটি বৈষ্ণব সমাজের এক অমূল্য দলিল।

২। শিশু নিমাইকে অপহরণের ঘটনাটি সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ একদিন শিশু নিমাই নবদ্বীপে একাকী খেলছিলেন। তাঁর গায়ে দামী সোনার গয়না দেখে দুজন চোর লোভে পড়ে যায়। তারা তাঁকে মিষ্টি বা সন্দেশ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাঁধে তুলে নেয়। চোরেরা ভেবেছিল নির্জন আস্তানায় নিয়ে গিয়ে গয়নাগুলো খুলে নেবে। কিন্তু নিমাই ছিলেন স্বয়ং ভগবান। তাঁর দিব্য ‘বৈষ্ণবী মায়া’র প্রভাবে চোরেরা দিগভ্রান্ত হয়ে পড়ে। তারা মনে করছিল তারা তাদের আস্তানার দিকে যাচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা বারবার ঘুরে ফিরে নিমাইয়ের বাড়ি অর্থাৎ জগন্নাথ মিশ্রের ঘরের সামনেই এসে উপস্থিত হয়। এইভাবে শিশু নিমাই নিরাপদে নিজের ঘরে ফিরে আসেন।

৩। “জল বিনু যেন হয় মৎস্যের জীবন” – পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি বৃন্দাবন দাস নবদ্বীপের ভক্তদের এবং নিমাইয়ের আত্মীয়স্বজনের গভীর শোক ও ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছেন। নিমাই যখন চোরদের দ্বারা অপহৃত হয়েছিলেন, তখন দীর্ঘক্ষণ তাঁকে না পেয়ে পুরো নবদ্বীপবাসী অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে পড়েছিলেন। মাছ যেমন জল ছাড়া এক মুহূর্তও বাঁচতে পারে না এবং প্রাণ হারানোর জন্য ছটফট করে, নবদ্বীপের মানুষের কাছে নিমাই ছিলেন ঠিক সেই জলের মতো। নিমাইকে ছাড়া তাঁদের জীবন ছিল অসহ্য এবং যন্ত্রণাদায়ক। এই উপমাটি শ্রীচৈতন্যের প্রতি সাধারণ মানুষের নিঃস্বার্থ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

৪। ‘বৈষ্ণবী মায়া’ কবিতাটিতে চোরদের মানসিকতা কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল?

উত্তরঃ চোরেরা শুরুতে অত্যন্ত লোভী ও ধূর্ত মানসিকতা নিয়ে নিমাইকে অপহরণ করেছিল। তারা তাঁকে প্রবঞ্চনা করার জন্য ‘বাপ বাপ’ বলে আদর করছিল এবং দামী অলঙ্কারগুলো হস্তগত করার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু যখন তারা মায়ার প্রভাবে পথ হারিয়ে জগন্নাথ মিশ্রের বাড়ির সামনে চলে আসে এবং দেখে যে অসংখ্য মানুষ সেখানে নিমাইকে খুঁজছে, তখন তাদের মনে তীব্র ভয়ের সৃষ্টি হয়। তারা বুঝতে পারে তারা কোনো সাধারণ শিশুকে নয়,বরং অলৌকিক শক্তি সম্পন্ন কাউকে চুরি করেছে। শেষ পর্যন্ত তারা গয়নার লোভ ত্যাগ করে নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

৫। ‘বৈষ্ণবী মায়া’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।  

উত্তরঃ ‘বৈষ্ণবী মায়া’ হলো ভগবানের সেই শক্তি যা মানুষকে মোহগ্রস্ত করে বা তাঁর অলৌকিক লীলা সম্পন্ন করে। এই কবিতায় দেখা যায়, দুজন চোর তাদের চতুরতা দিয়ে নিমাইকে হরণ করলেও শেষ পর্যন্ত ভগবানের মায়ার কাছে হেরে যায়। তারা পথ চিনতে ভুল করে এবং নিজেদের আস্তানার বদলে নিমাইয়ের বাবার বাড়িতেই হাজির হয়। এই অলৌকিক বিভ্রমই হলো ‘বৈষ্ণবী মায়া’, যা দুষ্টকে শাস্তি না দিয়েও তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এবং ভক্তদের আনন্দ দেয়। যেহেতু সম্পূর্ণ ঘটনাটি এই দিব্য মায়ার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে,তাই কবিতার নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top