SEBA Class 10 Geography Important Chapter 6 ভাৰতবর্ষের আঞ্চলিক ভূগোল

SEBA Class 10 Geography Important Chapter 6 ভাৰতবর্ষের আঞ্চলিক ভূগোল Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Geography Important Chapter 6 ভাৰতবর্ষের আঞ্চলিক ভূগোল Solutions and select need one. Class 10 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Elective Geography Additional Question Answer.

SEBA Class 10 Geography Important Chapter 6 ভাৰতবর্ষের আঞ্চলিক ভূগোল

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 10 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ভারতবর্ষ পৃথিবীর কোন গোলার্ধে অবস্থিত?

উত্তরঃ ভারতবর্ষ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। 

২। আকারের দিক থেকে পৃথিবীর দেশসমূহের মধ্যে ভারতের স্থান কত তম?

উত্তরঃ আকারের দিক থেকে পৃথিবীর দেশসমূহের মধ্যে ভারতের স্থান সপ্তম। 

৩। ভারতের মোট ক্ষেত্রফল বা মটিকালি কত?

উত্তরঃ ভারতের মোট মটিকালি ৩,২৮,৭,২৬৩ বর্গ কিলোমিটার। 

৪। পৃথিবীর মোট মটিকালির কত শতাংশ ভারত জুড়ে রয়েছে?

উত্তরঃ পৃথিবীর মোট মটিকালির ২.২ শতাংশ ভারত জুড়ে রয়েছে। 

৫। উত্তর-দক্ষিণে ভারতের ভূখণ্ডের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?

উত্তরঃ উত্তর-দক্ষিণে ভারতের ভূখণ্ডের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,২১৪ কিলোমিটার। 

৬। পূর্ব-পশ্চিমে ভারতের ভূখণ্ডের বিস্তার কত কিলোমিটার?

উত্তরঃ পূর্ব-পশ্চিমে ভারতের ভূখণ্ডের বিস্তার প্রায় ২,৯৩৩ কিলোমিটার। 

৭। ভারতের মূল ভূখণ্ডের উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?

উত্তরঃ ভারতের মূল ভূখণ্ডের উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,১০০ কিলোমিটার।

৮। ভারতের মোট স্থলসীমার দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?

উত্তরঃ ভারতের মোট স্থলসীমার দৈর্ঘ্য ১৫,২০০ কিলোমিটার। 

৯। কোন অক্ষরেখা ভারতের মধ্যভাগ দিয়ে গেছে?

উত্তরঃ ২৩ ১/২° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা ভারতের মধ্যভাগ দিয়ে গেছে। 

১০। ভারতের পূর্বে অবস্থিত একটি উপসাগর এবং একটি প্রতিবেশী দেশের নাম লেখো।

উত্তরঃ ভারতের পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মায়ানমার ও বাংলাদেশ অবস্থিত। 

১১। ভারতের ভূপ্রকৃতির কত শতাংশ অংশ সমভূমি দ্বারা আবৃত?

উত্তরঃ ভারতের ভূপ্রকৃতির প্রায় ৪৩.৩ শতাংশ অংশ সমভূমি দ্বারা আবৃত। 

১২। ভারতের প্রধান চারটি ভূ-প্রাকৃতিক বিভাগ কী কী?

উত্তরঃ ভারতের প্রধান চারটি ভূ-প্রাকৃতিক বিভাগ হলো— উত্তরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চল, দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চল এবং উপকূল অঞ্চল। 

১৩। উড়িষ্যা এবং মণিপুরের প্রধান দুটি হ্রদের নাম কী কী?

উত্তরঃ উড়িষ্যার প্রধান হ্রদ হলো চিল্কা এবং মণিপুরের প্রধান হ্রদ হলো লকটক। 

১৪। ভারতের পশ্চিমের শুষ্ক ও বালিময় মরু অঞ্চলটি কী নামে পরিচিত?

উত্তরঃ ভারতের পশ্চিমের শুষ্ক ও বালিময় মরু অঞ্চলটি ‘থর মরুভূমি’ নামে পরিচিত। 

১৫। নদীমাতৃক দেশ ভারতের প্রধান দুটি নদীর নাম কী কী?

উত্তরঃ নদীমাতৃক দেশ ভারতের প্রধান দুটি নদী হলো গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। ভারতের ভৌগোলিক অবস্থিতি, সীমানা এবং আকার বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতের ভৌগোলিক অবস্থিতি: ভারতবর্ষ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়ার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। এটি অক্ষরেখাগতভাবে ৮°৪’২৮” উত্তর থেকে ৩৭°১৭’৫৩” উত্তর অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমারেখাগতভাবে ৬৮°৭’৩৩” পূর্ব থেকে ৯৭°২৫’৪৭” পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। ২৩ ১/২° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা ভারতের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে গেছে এবং দেশকে উত্তর ও দক্ষিণ দুটি সমান ভাগে বিভক্ত করেছে।

সীমানা: ভারতের উত্তরে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা ও চীন দেশ, নেপাল এবং ভুটান অবস্থিত।  দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও শ্রীলঙ্কা,পূর্বে বঙ্গোপসাগর ও মায়ানমার এবং বাংলাদেশ এবং পশ্চিমে আরব সাগর ও পাকিস্তান অবস্থিত। 

আকার ও বিস্তার: উত্তর-দক্ষিণে কাশ্মীরের থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত ভারতের ভূখণ্ডের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,২১৪ কিলোমিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব প্রান্ত থেকে সৌরাষ্ট্র পর্যন্ত বিস্তার প্রায় ২,৯৩৩ কিলোমিটার। ভারতের মোট স্থলসীমার দৈর্ঘ্য ১৫,২০০ কিলোমিটার এবং উপকূলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,১০০ কিলোমিটার। 

২। উত্তর ভারতের নদী এবং দক্ষিণ ভারতের নদীসমূহের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ উত্তর ভারতের নদী এবং দক্ষিণ ভারতের নদীসমূহের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি:

                      ভারতের নদী                      দক্ষিণ ভারতের নদী
এই নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল বরফাবৃত উঁচু পর্বত হওয়ায় নদীগুলোতে সারা বছরই জলের স্রোত থাকে (নিত্যবহ)। এই নদীগুলো তুলনামূলকভাবে নিম্ন পর্বত বা মালভূমি থেকে বয়ে আসায় খরার সময় প্রায়ই শুকিয়ে যায় (অনিত্যবহ)।
এই নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিনটি গতিই (উচ্চগতি, মধ্যগতি এবং নিম্নগতি) স্পষ্ট করে চোখে পড়ে।এই নদীগুলোর ক্ষেত্রে এই তিনটি গতি স্পষ্ট করে দেখা যায় না।
এদের উপত্যকা চওড়া এবং বহুদূর সমতলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে গতি ধীর ও নাব্য (চলাচলের উপযোগী)। এদের উপত্যকা কিছুটা সংকীর্ণ, সাধারণত খরস্রোতা এবং নাব্য নয়।
সৃষ্টির দিক থেকে এগুলো তুলনামূলকভাবে নতুন। এই নদীগুলো প্রায়ই গতিপথ পরিবর্তন করে এবং এদের প্লাবনভূমিও প্রশস্ত। এগুলো বহু প্রাচীন এবং কঠিন শিলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এদের গতিপথ সর্বদা অপরিবর্তনীয় এবং প্লাবনভূমিও সংকীর্ণ।

৩। ভূ-প্রাকৃতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভারতবর্ষকে কয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়? উত্তরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

উত্তরঃ ভূ-প্রাকৃতিক গঠন এবং বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে ভারতবর্ষকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়—

(ক) উত্তরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল।  

(খ) উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চল। 

(গ) দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চল, এবং।  

(ঘ) উপকূল অঞ্চল। 

উত্তরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের বিবরণ:

(i) অবস্থান ও বিস্তার: এই অঞ্চলটি ভারতের উত্তর সীমার সঙ্গে সংলগ্ন হয়ে কাশ্মীরের নগ্ন পর্বত থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব সীমা পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত। এটি প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৪০ কিমি থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত প্রশস্ত। এই পার্বত্য

অঞ্চলটি প্রায় ৫,০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এবং এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮,০০০ মিটারেরও বেশি।

(ii) উৎপত্তি: ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে হিমালয় পর্বতমালা টারসিয়ারি যুগে টেথিস নামক সাগরের জমা হওয়া পলিরাশিতে চাপ পড়ার ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে। 

(iii) শ্রেণিবিভাগ সমান্তরালভাবে হিমালয় পর্বতমালাকে তিনটি সারিতে বিভক্ত করা যায়—

(ক) উচ্চ হিমালয়: উত্তরের সবচেয়ে উঁচু অংশ, যা সর্বদা বরফাবৃত থাকে এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৬,০০০ মিটার।

(খ) নিম্ন হিমালয়: উচ্চ হিমালয়ের দক্ষিণে অবস্থিত, যার গড় উচ্চতা প্রায় ৪,০০০ মিটার এবং চওড়ায় ৬০-৮০ কিলোমিটার। 

(গ) বহিঃহিমালয় বা শিবালিক: সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত তুলনামূলক ছোট পর্বতশ্রেণি, যার গড় উচ্চতা প্রায় ১,০০০ মিটার। 

৪। ভারতের জলবায়ুর ওপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতের জলবায়ুর ওপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব: 

(i) গ্রীষ্মকালীন বা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাব: আরব সাগরীয় শাখা, গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আরব সাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে প্রচুর জলীয় বাষ্প বহন করে ভারতে প্রবেশ করে। এই আর্দ্র বায়ু প্রথমে পশ্চিমঘাট পর্বতে বাধা পেয়ে ওপরে ওঠে এবং শীতল হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এর প্রভাবে ভারতের পশ্চিম উপকূলের কঙ্কণ এবং মালাবার উপকূলে বছরে ৩০০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়।

(ii) শীতকালীন বা উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাব: তীব্র শীত থেকে রক্ষা: শীতকালে মধ্য এশিয়া থেকে উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে শীতল বায়ু ভারতের দিকে প্রবাহিত হয়। কিন্তু উত্তরের সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা এই শীতল বায়ুকে বাধা দেওয়ার কারণে ভারতে প্রচণ্ড তীব্র শীত অনুভূত হয় না। 

(iii) ভারতের কৃষিকাজে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব: ভারত একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং এদেশের কৃষির উন্নতি মৌসুমী বায়ুর ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টিপাতের জন্য ভারতে প্রধান প্রধান শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং কৃষিকাজ ভালো হয়। তবে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর চেয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অনেক বেশি,কারণ এই বায়ুর প্রভাবেই দেশটিতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। 

৫। ভারতের জনসংখ্যার বন্টন সব জায়গায় সমান নয় কেন? এর কারণসমূহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতের সব স্থানে জনবসতি বা জনসংখ্যার ঘনত্ব সমান নয়। ২০০১ সালের লোক গণনা অনুযায়ী ভারতের গড় জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩২৪ জন হলেও স্থানভেদে এর প্রচুর তারতম্য লক্ষ করা যায়। 

অসমান বন্টনের কারণসমূহ:

(i) প্রাকৃতিক পরিবেশ: যেসব অঞ্চলের प्राकृतिक পরিবেশ অনুকূল নয়, সেখানে জনবসতি পাতলা হয়। যেমন— রাজস্থানের থর মরুভূমি অত্যন্ত শুষ্ক ও উষ্ণ হওয়ায় এবং হিমালয়ের অতি শীতল পর্বত অঞ্চলে মানুষের বসবাসের প্রতিকূল অবস্থার জন্য জনবসতি অত্যন্ত কম। 

(ii) মাটির উর্বরতা ও কৃষিকাজ: নদী উপত্যকার উর্বর পলিময় সমভূমি অঞ্চলে কৃষিকাজের বিশেষ সুবিধা থাকায় সেখানে জনবসতি অত্যন্ত ঘন হয়। যেমন— গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি অঞ্চলে মাটির উর্বরতার কারণে জনসংখ্যার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। 

(iii) শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন: যেসব রাজ্য যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিল্প উদ্যোগে এগিয়ে, সেসব রাজ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সাধারণত বেশি হয়। 

(iv) যোগাযোগ ও উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা: উন্নত যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পন্ন সমতল ভূখণ্ডে ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার সুযোগ বেশি থাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। যেমন— দিল্লির উন্নত অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারণে এর জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে গড়ে ৬,৩৫২ জন), পক্ষান্তরে অরুণাচল প্রদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে মাত্র ১৩ জন লোক বাস করে। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top