SEBA Class 10 Geography Chapter 7 ৭.০১ ব্যবহারিক ভূগোলের কার্যাবলী Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Geography Chapter 7 ৭.০১ ব্যবহারিক ভূগোলের কার্যাবলী Solutions and select need one. Class 10 Elective Geography Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Geography Question Answer.
SEBA Class 10 Geography Chapter 7 ৭.০১ ব্যবহারিক ভূগোলের কার্যাবলী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 10 Geography Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Geography in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
৭.০১ ব্যবহারিক ভূগোলের কার্যাবলী
Chapter: 7
| Textual Question Answer |
১। মাপনী কাকে বলে? মাপনী কতো প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ সাধারণ ভাষায় বলতে গেলে, যে অনুপাতে পৃথিবীর উপরিভাগের আসল দূরত্বকে মানচিত্রে অল্প বা ছোটো করে নেওয়া হয়, তাকে মানচিত্র বিদ্যায় মাপনী বা স্কেল বলা হয়। সহজ অর্থে, মানচিত্রে দুটি জায়গার মধ্যকার দূরত্ব এবং ভূ-পৃষ্ঠে সেই একই দুটি জায়গার মধ্যকার প্রকৃত বা আসল দূরত্বের অনুপাতই হলো সেই মানচিত্রটির স্কেল বা মাপনী।
মানচিত্রে ব্যবহৃত মাপনী বা স্কেল প্রধানত তিনটি উপায়ে বা তিন প্রকারের প্রকাশ করা হয়ে থাকে:
(i) ভাষার স্কেল বা মাপনী।
(ii) নিরূপক ভগ্নাংশের স্কেল বা মাপনী।
(iii) রৈখিক মাপনী বা রেখাত্মক মাপনী।
২। মানচিত্র আঁকতে গেলে মাপনী কী ভূমিকা গ্রহণ করে উদাহরণ দিয়ে লেখো।
উত্তরঃ মানচিত্র আঁকতে গেলে স্কেল বা মাপনী অপরিহার্য ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর সাহায্যে মানচিত্রটি ভূ-পৃষ্ঠের কতো মাটিকালি জুড়ে আঁকা হয়েছে এবং মানচিত্রের বিভিন্ন স্থানের পারস্পরিক দূরত্ব কতটুকু তা সহজেই ও সঠিকভাবে নিরূপণ করা যায়।
বিশাল পৃথিবীর কোনো দেশের বা অঞ্চলের বিশাল আকৃতিকে সমানুপাতিক হারে ছোট করে একটি সীমিত কাগজের পাতায় ফুটিয়ে তুলতে মাপনী সাহায্য করে। স্কেল ছাড়া অঙ্কিত কোনো চিত্র সঠিক ভৌগোলিক জ্ঞান দিতে পারে না।
উদাহরণ: ধরা যাক, ভূ-পৃষ্ঠে ‘ক’ ও ‘খ’ নামক দুটি জায়গার মধ্যকার আসল বা প্রকৃত দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার। মানচিত্র অঙ্কন করার সময় এই ৫০ কিলোমিটার দূরত্বকে কাগজের পাতায় ৪ সেন্টিমিটার রেখা দ্বারা দেখানো হলো। এখানে মানচিত্রের দূরত্ব (৪ সেমি) এবং ভূ-পৃষ্ঠের দূরত্বের (৫০ কিমি) অনুপাতই হলো উক্ত মানচিত্রের স্কেল বা মাপনী। অর্থাৎ, ১ সেন্টিমিটার মানচিত্রের দূরত্ব = ১২.৫ কিলোমিটার ভূ-পৃষ্ঠের দূরত্ব। এই মাপনীর সাহায্যেই মানচিত্রটি সঠিকভাবে আঁকা সম্ভব হয়েছে।
৩। ভাষার মাপনী কাকে বলে? উদাহরণসহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ মানচিত্রে দুটি জায়গার মধ্যে যে দূরত্ব এবং ভূ-পৃষ্ঠে সেই একই জায়গা দুটির মধ্যে যে প্রকৃত বা আসল দূরত্ব, সেটাকে যখন ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে ভাষার মাপনী বা উক্তির মাপনী বলা হয়। এটি অত্যন্ত সহজবোধ্য একটি পদ্ধতি।
উদাহরণ ও আলোচনা: যেমন— “১ সেন্টিমিটার = ৫ কিলোমিটার” অথবা “১ ইঞ্চি = ১০ মাইল” বা “২ সেন্টিমিটার = ১ কিলোমিটার” ইত্যাদি হলো ভাষার মাপনীর উদাহরণ।
যদি কোনো মানচিত্রে লেখা থাকে ১ সেন্টিমিটার = ৫ কিলোমিটার, তার অর্থ হলো— আমরা যদি মানচিত্রে স্কেল বা রুলার দিয়ে মেপে ১ সেন্টিমিটার দূরত্ব পাই, তবে ভূ-পৃষ্ঠে তার প্রকৃত দূরত্ব হবে ৫ কিলোমিটার। সাধারণ পাঠক বা মানচিত্র ব্যবহারকারীদের জন্য এই স্কেলটি সবচেয়ে সহজে বোঝা যায়।
৪। নিরূপক ভগ্নাংশের মাপনী রলতে কী বোঝ? এর বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ নিরূপক ভগ্নাংশের মাপনী: মানচিত্রে দুটি জায়গার মধ্যের দূরত্ব এবং ভূ-পৃষ্ঠে সেই একই দুটি জায়গার মধ্যকার প্রকৃত বা আসল দূরত্বের অনুপাতকে যখন একটি বিশেষ ভগ্নাংশের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়, তখন সেই মাপনীকে নিরূপক ভগ্নাংশের মাপনী বা সংক্ষেপে আর.এফ বলা হয়। একে সাধারণত ১ : ১০০০ বা হিসেবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এখানে লব মানচিত্রের এক একক দূরত্বকে এবং হর (১০০০) ভূ-পৃষ্ঠের আসল ১০০০ একক দূরত্বকে নির্দেশ করে।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
(i) লবের মান সর্বদা এক (১) একক: এই ভগ্নাংশের লব সবসময় ১ একক থাকে, যা মানচিত্রের দূরত্ব বোঝায়।
(ii) হরের মান দ্বারা মাপনী নির্ধারণ: ভগ্নাংশে থাকা হরের মানই মূলত মাপনীর আকার নির্ধারণ করে। হরের মান যত বেশি বা বড় হয়, মানচিত্রটি আকারে তত ছোট হয়।
(iii) এককহীনতা: এই মাপনীর লব ও হর উভয় ক্ষেত্রে কোনো ধরণের একক (যেমন— সেন্টিমিটার, ইঞ্চি,মিটার, কিলোমিটার,মাইল ইত্যাদি) ব্যবহার বা উল্লেখ করা হয় না।
(iv) আন্তর্জাতিক বা বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা: এককহীনতার কারণে মানচিত্র ব্যবহারকারী বা অঙ্কনকারী নিজের সুবিধে মতো যেকোনো একক বসিয়ে হিসাব করতে পারেন।
৫। রৈখিক মাপনীর বৈশিষ্ট্যও প্রয়োজনীয়তাসমূহ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ রৈখিক মাপনীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
(i) সরলরেখার সাহায্যে উপস্থাপন: এই মাপনীটি একটি অনুভূমিক সরলরেখা বা দণ্ডের সাহায্যে দৃশ্যমান করা হয়, যার কোনো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য থাকে না (সাধারণত ৮ থেকে ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে রাখা হয়)।
(ii) মুখ্য ও গৌণ ভাগে বিভাজন: সরলরেখাটিকে নির্দিষ্ট দূরত্ব অনুযায়ী কতগুলি সমান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রধান ভাগগুলিকে ‘মুখ্য বিভাগ’এবং একেবারে বাঁদিকের মুখ্য ভাগটিকে পুনরায় ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ‘গৌণ বিভাগ’ তৈরি করা হয়।
(iii) শূণ্যের অবস্থান: রেখাটির একেবারে বাঁদিকের একটি মুখ্য বিভাগ বাদ দিয়ে ‘০’ (শূণ্য) বসানো হয়। শূণ্যের ডানদিকে মুখ্য ভাগের মান এবং বাঁদিকে গৌণ ভাগের মানগুলি বসানো থাকে।
রৈখিক মাপনীর প্রয়োজনীয়তাসমূহ:
(i) সহজে প্রকৃত দূরত্ব নির্ণয়: এই মাপনীর সাহায্যে মানচিত্রে থাকা যেকোনো দুটি জায়গার মধ্যবর্তী প্রকৃত বা আসল দূরত্ব অত্যন্ত সহজে ও সরাসরি মেপে নির্ণয় করা যায়।
(ii) যান্ত্রিক সংকোচনে নির্ভুলতা রক্ষা: এটি এই মাপনীর সবচেয়ে বড় সুবিধা। যান্ত্রিক বা আলোকচিত্র পদ্ধতির দ্বারা যখন কোনো মানচিত্রকে ছোট বা বড় করা হয়, তখন মানচিত্রের সাথে সাথে এই রৈখিক মাপনীর রেখাটিও সমান অনুপাতে ছোট বা বড় হয়ে যায়। ফলে মানচিত্রের আকার পরিবর্তন হলেও মাপনীর পরিমাপ একদম শুদ্ধ ও নির্ভুল থাকে।
(iii) ব্যবহারিক উপযোগিতা: মানচিত্র জুম বা রিডিউস করার সময় স্কেলের কোনো ভুলত্রুটি না হওয়ার সুবিধার জন্য আধুনিক মানচিত্র অঙ্কনে রৈখিক মাপনীর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৬। একটি মানচিত্রের নিরূপক ভগ্নাংশের মাপনী ১: ২৫০,০০০ একে ভাষার মাপনীতে রূপান্তরিত করো।
উত্তরঃ দেওয়া আছে, নিরূপক ভগ্নাংশের মাপনী = ১: ২,৫০,০০০
অর্থাৎ, মানচিত্রে ১ সেমি = ২,৫০,০০০ সেমি বাস্তবে।
আমরা জানি, ১ কিমি = ১,০০,০০০ সেমি সুতরাং,
২,৫০,০০০ সেমি = ২,৫০,০০০ ÷ ১,০০,০০০ কিমি।
= ২.৫ কিমি।
অতএব, ভাষার মাপনী = ১ সেমি = ২.৫ কিমি।
৭। একটি মানচিত্রের ভাষার মাপনী ২ সেন্টিমিটার ৩৫ কিলোমিটার। একে নিরূপক ভগ্নাংশে রূপান্তরিত করো।
উত্তরঃ সমাধান ভাষার মাপনী: ২ সেন্টিমিটার = ৩৫ কিলোমিটার।
(i) প্রথমে আমাদের উভয় পাশের একক সমান করতে হবে। এর জন্য ডানপাশের কিলোমিটারকে সেন্টিমিটারে পরিবর্তন করতে হবে।
(ii) আমরা জানি, ১ কিলোমিটার = ১,০০,০০০ সেন্টিমিটার।
সুতরাং, ৩৫ কিলোমিটার = ৩৫ × ১,০০,০০০ সেন্টিমিটার = ৩৫,০০,০০০ সেন্টিমিটার।
(iii) তাহলে ভাষার মাপনী অনুসারে আমরা লিখতে পারি, মানচিত্রের ২ সেন্টিমিটার = ভূ-পৃষ্ঠের ৩৫,০০,০০০ সেন্টিমিটার।
(iv) বা, মানচিত্রের ১ সেন্টিমিটার = ৩৫,০০,০০০ সেন্টিমিটার = ১৭,৫০,০০০ সেন্টিমিটার।
যেহেতু নিরূপক ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে লবের মান সর্বদা ১ একক হয় এবং এর কোনো একক থাকে না, তাই অনুপাতটি হবে ১: ১৭,৫০,০০০
নির্ণেয় নিরূপক ভগ্নাংশ হলো: ১: ১,৭৫০,০০০ (বা {১,৭৫০,০০০)।
৮। অতি কম করে হলেও ১ কিলোমিটার পর্যন্ত মাপ নেওয়া যেতে পারে এমন নিরূপক ভগ্নাংশ ১: ৫০০,০০০ এর একটি রৈখিক মাপনী অঙ্কন করো।
উত্তরঃ

৯। ২ ইঞ্চি = ৫ মাইল ভাষার মাপনী ব্যবহার করে কম করে হলেও ১ মাইল পর্যন্ত মাপ নেওয়া যেতে পারে এমন একটি রৈখিক মাপনী অঙ্কন করো।
উত্তরঃ

১০। টীকা লেখো।
(ক) বেকার সংখ্যা।
উত্তরঃ বেকার সংখ্যা:
উপাত্তের প্রকৃতি: ১৯৯২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জরিপকৃত বেকার সংখ্যার বার্ষিক পরিসংখ্যান নির্দেশ করে।
উপাত্ত বিশ্লেষণ: প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ১০ বছরে দেশে বেকার জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯২ সালে যেখানে বেকার সংখ্যা ছিল ৩,৫১২ জন, তা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০১ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৬,৮৮২ জনে।
উপযুক্ত উপস্থাপন পদ্ধতি: সময়ের সাথে সাথে জনসংখ্যা বা বেকারত্বের মতো ধারাবাহিক পরিবর্তনের হার দেখানোর জন্য রৈখিক লেখচিত্র সবচেয়ে আদর্শ মাধ্যম।

