SEBA Class 10 Geography Chapter 1 ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়া

SEBA Class 10 Geography Chapter 1 ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়া Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Geography Chapter 1 ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়া Solutions and select need one. Class 10 Elective Geography Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Geography Question Answer.

SEBA Class 10 Geography Chapter 1 ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়া

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 10 Geography Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Geography in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

Textual Question Answer

১। স্থলাকৃতি বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ সব জায়গায় সমান নয়। মহাদেশগুলোতে যেমন পাহাড়,পর্বত, মালভূমি, নদী-উপত্যকা ইত্যাদি নানা প্রকারের অবয়ব রয়েছে, ঠিক তেমনই মহাসাগরেও জলের নিচে বিভিন্ন আকার ও আকৃতির উচ্চভূমি ও নিম্নভূমি অবস্থান করছে। ভূপৃষ্ঠের এই বিভিন্ন আকৃতির অবয়বসমূহকে স্থলাকৃতি বলা হয়।

২। ভূ-আকৃতিক বিজ্ঞানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তরঃ ভূগোলের যে বিশেষ শাখায় ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থলাকৃতির উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ আকার-আকৃতি এবং তাদের ভৌগোলিক বিতরণ সম্বন্ধে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও অধ্যয়ন করা হয়, তাকে ভূ-আকৃতিক বিজ্ঞান বলা হয়।

৩। ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়ার অর্থ লেখো।

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থলাকৃতির সৃষ্টি এবং তাদের প্রতিনিয়ত বিকাশ বা পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত প্রাকৃতিক কার্য বা প্রক্রিয়াগুলোকে ভূ-আকৃতিক প্রক্রিয়া বলা হয়।

৪। বাহ্যিক প্রক্রিয়া বা কারকের ভিতর কী কী পরে লেখো।

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের বাইরের অংশে সক্রিয় থাকা বাহ্যিক প্রক্রিয়া বা কারকগুলোর মধ্যে প্রধান হলো— বাতাস, বৃষ্টি, নদ-নদী, হিমবাহ এবং সাগরের ঢেউ।

৫। অবনমন বললে কী বোঝ?

উত্তরঃ অবনমন: মরুভূমিতে উদ্ভিদের আবরণ অত্যন্ত পাতলা এবং উপরিভাগ শুকনো ও বালিময় হওয়ার কারণে প্রবল বাতাস ধুলো-বালি ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিলাখণ্ডকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অনেক দূর পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে। এভাবে মরুভূমির কোনো একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে বালি ও ধুলিকণা উড়িয়ে নিয়ে সেই অংশটিকে আপেক্ষিকভাবে ফাঁকা ও নিচু করে তোলার প্রক্রিয়াকে অবনমন বলা হয়। এর ফলে মরুভূমির কোনো কোনো অংশের উচ্চতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

৬। ইনসেলবার্গ কী ছবি একে দেখাও।

উত্তরঃ মরুভূমিতে শক্তিশালী বাতাস দ্বারা বাহিত শিলা ও বালিকণা যখন তার গতিপথে থাকা কোনো উচ্চভূমিতে আঘাত করে, তখন সেখানে ঘর্ষণের ফলে অবক্ষয় বা ক্ষয়সাধন ঘটে। ঘর্ষণের দ্বারা মাটিতে ঘটা এই ক্ষয়কার্যকে অপঘর্ষণ বলা হয়। এই অপঘর্ষণ প্রক্রিয়ার ফলেই মরু অঞ্চলে ইনসেলবার্গ সৃষ্টি হয়।

ইনসেলবার্গের চিত্র:

৭। মরুদ্যান কাকে বলে? এর তাৎপর্য কী?

উত্তরঃ বায়ুর অবনমন প্রক্রিয়ার ফলে মরুভূমির কোনো অংশের ধুলোবালি উড়তে উড়তে একসময় সেই অংশের গভীরতা ও উচ্চতা কমে ভূগর্ভস্থ জলপৃষ্ঠের কাছাকাছি চলে যায়। তখন সেখানে জল নির্গত হয়ে জলাশয় বা হ্রদের সৃষ্টি হয় এবং আশেপাশের অঞ্চল সবুজ হয়ে ওঠে, একে মরুদ্যান বলা হয়।

তাৎপর্য: মরুদ্যানে জলের উপস্থিতির কারণে কিছু উদ্ভিদ বা গাছপালা জন্মায় এবং সেখানে স্থানীয় মানুষরা বসবাস করার পাশাপাশি কিছু পরিমাণে চাষবাস বা কৃষিকার্যও করতে পারে।

৮। বালিয়ারি কী এবং এর সৃষ্টি কীভাবে হয় লেখো।

উত্তরঃ বায়ুর অবক্ষেপণ বা সঞ্চয় কার্যের ফলে মরুভূমিতে বালি জমে যে পাহাড় তৈরি হয়, তাকে বালিয়ারি বলা হয়।

সৃষ্টির প্রক্রিয়া: বাতাস যখন মরুভূমি থেকে প্রচুর ধুলোবালি ও শিলাখণ্ড উড়িয়ে নিয়ে আসে, তখন গতিপথে বাধা পেয়ে বা বাতাসের শক্তি কমে গেলে সেই ধুলোবালি কোনো স্থানে জমা বা সঞ্চিত হতে শুরু করে। এভাবে বছরের পর বছর বালি জমতে জমতে একসময় তা উঁচু হয়ে বালির পাহাড় বা বালিয়ারি গঠন করে। বালিয়ারির আকার ও আকৃতি মূলত বায়ু প্রবাহের দিক, বেগ, উদ্ভিদের আবরণ ও ভূভাগের গঠনের ওপর নির্ভর করে।

৯। অপঘর্ষণ কী? এর ফলে কী ধরণের অবয়বের সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ মরুভূমিতে শক্তিশালী বাতাসের সাথে বাহিত শিলা ও বালুকণা যখন বায়ুর গতিপথে অবস্থিত কোনো উচ্চভূমি বা শিলাস্তূপের গায়ে সজোরে আঘাত করে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে এবং তার অবক্ষয় ঘটায়, তখন সেই প্রাকৃতিক ক্ষয় প্রক্রিয়াকে অপঘর্ষণ বলা হয়।

সৃষ্ট অবয়ব: অপঘর্ষণ প্রক্রিয়ার ফলে মরুভূমিতে ইনসেলবার্গ এবং ইয়ারদাং এর মতো অবক্ষয়জনিত অবয়ব বা ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়।

১০। ওবং নিঘর্ষণের অর্থ লেখো।

উত্তরঃ মরুভূমিতে বায়ুপ্রবাহের দ্বারা বাহিত হওয়ার সময় শিলাখণ্ড ও বালিকণাগুলোর নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ধাক্কা লেগে যে ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়, তাকে সংনিঘর্ষণ বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার ফলে পরিবাহিত বড় শিলাখণ্ডগুলো ভেঙে ছোট ছোট টুকরোতে পরিণত হয় এবং ক্ষয়ে গিয়ে ক্রমে আরও ছোট ও মসৃণ হয়ে আসে।

১১। হিমবাহ কাকে বলে? এর গতি অতি ধীর হওয়ার কারণ কী?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে বা মেরু অঞ্চলে জমা হওয়া বিশাল বরফস্তূপ যখন অভিকর্ষজ টানে বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এবং নিজস্ব ওজনের চাপে অতি ধীর গতিতে ঢাল বরাবর নিচে নেমে আসে, তাকে হিমবাহ বলা হয়।

গতি অতি ধীর হওয়ার কারণ: হিমবাহ অত্যন্ত বিশাল, ভারী ও কঠিন বরফের স্তূপ হওয়ায় এবং এর নিচে থাকা ভূভাগের শিলাস্তরের সাথে প্রচণ্ড ঘর্ষণ বল ক্রিয়া করার কারণে এর গতিবেগ অত্যন্ত কম হয়। এটি দিনের মধ্যে মাত্র কয়েক মিলিমিটার থেকে সামান্য কিছু দূরত্ব অতিক্রম করে। 

১২। হিমবাহ ক’ত প্রকার? প্রত্যেকের বিষয়ে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ভৌগোলিক হিমবাহ প্রধানত তিন প্রকারের হতে পারে:

(ক) মহাদেশীয় হিমবাহ: এই হিমবাহগুলি মেরু অঞ্চলের অত্যন্ত বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। উত্তর কানাডা, গ্রীনল্যান্ড, স্ক্যান্ডিনেভিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকায় এ ধরনের হিমবাহ ছড়িয়ে রয়েছে এবং এগুলি অত্যন্ত ধীর গতিতে নেমে আসে।

(খ) পার্বত্য হিমবাহ বা উপত্যকা হিমবাহ: সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের পর্বত শৃঙ্গ থেকে বরফাবৃত অংশ যখন দুটি পর্বতের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ উপত্যকা দিয়ে বয়ে চলে, তাকে পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ বলা হয়। ইউরোপের আল্পস, উত্তর রকি এবং এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালায় এই হিমবাহ দেখা যায়। এর গতি মহাদেশীয় হিমবাহের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি।

(গ) গিরিপদ বা শৈলপদী হিমবাহ: যখন পার্বত্য অঞ্চল থেকে একাধিক উপত্যকা হিমবাহ পর্বতের পাদদেশে নেমে এসে মিলিত হয় এবং বিস্তৃত নিম্নভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে,তখন তাকে গিরিপদ হিমবাহ বলে। উত্তর আমেরিকার আলাস্কায় এ প্রকারের হিমবাহ দেখা যায়।

১৩। হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি ছবি একে দেখাও।

উত্তরঃ হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি:

১৪। ঝুলন্ত উপত্যকা কী লেখো।

উত্তরঃ সাধারণত প্রধান বা মূল নদীতে যেভাবে ছোট নদী এসে মেশে, তেমনি মূল হিমবাহের সঙ্গেও ছোট ছোট উপহিমবাহ এসে মিলিত হয়। মূল হিমবাহের উপত্যকাটি আকারে অনেক বড় এবং গভীর হয়, কিন্তু উপহিমবাহের উপত্যকাটি ছোট ও কম গভীর হয়। যখন এই উপহিমবাহটি এসে মূল হিমবাহের সঙ্গে মেলে, তখন দূর থেকে মনে হয় যেন ছোট উপহিমবাহ উপত্যকাটি মূল হিমবাহ উপত্যকার ওপর ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। একেই ঝুলন্ত উপত্যকা বলা হয়। পরবর্তী সময়ে হিমবাহ গলে গেলে এখান থেকে জল নিচে পড়ে জলপ্রপাতের সৃষ্টি করে।

১৫। গ্রাব কী? এটি কতপ্রকার? চিত্র এঁকে গ্রাবের অবস্থান দেখাও।

উত্তরঃ গ্রাব বা গ্রাবরেখা নদীর মতো হিমবাহও পরিবহণ ও অবক্ষেপণ কার্য করে থাকে। হিমবাহ যখন পার্বত্য উপত্যকা দিয়ে নিচের দিকে নেমে আসে, তখন বরফ ছাড়াও তার সঙ্গে বিভিন্ন আকৃতির পাথর, নুড়ি, কাঁকর, বালি ও মাটি ইত্যাদি বহন করে নিয়ে আসে। হিমবাহের গলনের ফলে এই বয়ে আনা শিলাস্তূপ বা ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থগুলি যখন হিমবাহ উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে সঞ্চিত বা জমা হয়, তখন সেগুলিকে সামগ্রিকভাবে গ্রাব বা গ্রাবরেখা বলা হয়।

গ্রাবের প্রকারভেদ ও অবস্থান:

হিমবাহ উপত্যকায় সঞ্চয়ের স্থান বা অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে গ্রাবরেখাকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়:

(i) পার্শ্বগ্রাব:

অবস্থান: এটি হিমবাহ উপত্যকার দুই পাশে বা খাড়া দেওয়ালের কিনারায় জমা হয়। হিমবাহের দুই কিনারা বরাবর সমান্তরালভাবে এই গ্রাব অবস্থান করে।

চিত্রে অবস্থান: হিমবাহের দুই ধারের কিনারা বরাবর প্যানেলের চিত্রে ‘Lateral Moraine’ দ্রষ্টব্য)।

(ii) ভূমিগ্রাব:

অবস্থান: যে সমস্ত নুড়ি-পাথর ও বালি হিমবাহের তলদেশ দিয়ে গড়িয়ে এসে উপত্যকার মেঝের ওপর সঞ্চিত হয়, তাকে ভূমিগ্রাব বলে।

চিত্রে অবস্থান: হিমবাহের বরফস্তূপের ঠিক নিচে উপত্যকার মেঝে জুড়ে এটি অবস্থান করে।

(iii) মধ্যগ্রাব:

অবস্থান: দুটি ভিন্ন উপত্যকা হিমবাহ যখন এসে পরস্পর মিলিত হয়, তখন তাদের ভেতরের দিকের দুটি পার্শ্বগ্রাব এক হয়ে যায়। এই সম্মিলিত অংশটি তখন বড় হিমবাহটির মাঝখান দিয়ে বয়ে চলে এবং মাঝখানে জমা হয়।

চিত্রে অবস্থান: হিমবাহের ঠিক মাঝখান বরাবর রেখার মতো বয়ে চলা অংশ।

(iv) প্রান্তগ্রাব বা অন্তিম গ্রাব:

অবস্থান: হিমবাহটি নামতে নামতে যেখানে এসে উষ্ণতার সংস্পর্শে সম্পূর্ণভাবে গলে শেষ হয়ে যায়, সেই শেষ সীমানায় বা প্রান্তে বয়ে আনা সমস্ত ভারী শিলাখণ্ড ও বালি অর্ধচন্দ্রাকারে জমা হয়।

চিত্রে অবস্থান: হিমবাহের গলন সীমানার একেবারে শেষ মুখে বা অগ্রভাগে।

১৬। গোলকীয় উত্তাপ বৃদ্ধি হিমবাহের ওপর কী ধরণের প্রভাব ফেলে সাধারণ জ্ঞানের ভিত্তিতে তার একটি আভাস দাও।

উত্তরঃ গোলকীয় উত্তাপ বৃদ্ধি হিমবাহের স্থিতি এবং কার্যাবলীর ওপর ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। 

সাধারণ ভূগোলের এবং বিজ্ঞানের জ্ঞানের ভিত্তিতে এর প্রভাবের একটি আভাস দেওয়া হলো: 

(i) হিমবাহের দ্রুত গলন: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চল এবং সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের বরফ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক দ্রুত গলে যাচ্ছে, যার ফলে হিমবাহগুলোর দৈর্ঘ্য হ্রাস বা পশ্চাদপসরণ ঘটছে। 

(ii) জলসংকট ও হড়পা বান: হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পার্বত্য হ্রদগুলি ফেটে বা উপচে আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের সৃষ্টি করছে। দীর্ঘমেয়াদে হিমবাহ সৃষ্ট নদীগুলোর (যেমন গঙ্গা, সিন্ধু ইত্যাদি) জলের প্রধান উৎস সংকুচিত হয়ে যাবে, যার ফলে তীব্র জলসংকট দেখা দিতে পারে। 

(iii) সমুদ্রপৃষ্ঠের জলস্তর বৃদ্ধি: অ্যান্টার্কটিকা ও গ্রীনল্যান্ডের মতো বিশাল মহাদেশীয় হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা উপকূলবর্তী বহু নিচু এলাকা প্লাবিত এবং জলমগ্ন হওয়ার বড় কারণ হয়ে উঠছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top