Class 12 Bengali MIL Important Chapter 6 খরা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 6 খরা Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 6 খরা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
খরা
Chapter: 6
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। কবি শঙ্খ ঘোষের জন্ম কত তারিখে হয়েছিল?
উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষের জন্ম ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ সালে হয়েছিল।
২। কবি শঙ্খ ঘোষের জন্ম কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ ত্রিপুরা জেলার চাঁদপুর শহরে কবির মামার বাড়িতে তাঁর জন্ম হয়েছিল।
৩। কবির পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল শ্রী মণিভূষণ ঘোষ।
৪। কবির মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবির মাতার নাম ছিল শ্রীমতী অমলাবালা ঘোষ।
৫। কবি শঙ্খ ঘোষের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ কবির আদি নিবাস ছিল বরিশাল জেলার বানারিপাড়াতে।
৬। কবি কোন বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা (ম্যাট্রিকুলেশন) পরীক্ষা পাস করেন?
উত্তরঃ পাবনা জেলার পাকশির ‘চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ’ থেকে কবি প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করেন।
৭। কবি আই.এ. কোন কলেজ থেকে পাস করেন?
উত্তরঃ কবি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে আই.এ. পাস করেন।
৮। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘দিনগুলি রাতগুলি’।
৯। কবি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন?
উত্তরঃ কবি বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।
১০। কবির লেখা একটি প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবির লেখা একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো ‘শব্দ আর সত্য’।
১১। কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি নরসিংহ দাস পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ ‘মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয়’ কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি নরসিংহ দাস পুরস্কার লাভ করেন।
১২। কবি শঙ্খ ঘোষ কত সালে জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে সম্মানিত হন?
উত্তরঃ ২০১৬ সালে কবি শঙ্খ ঘোষ জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন।
১৩। ‘খরা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তরঃ ‘খরা’ কবিতাটি কবির ‘মূর্খ বড়ো,সামাজিক নয়’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
১৪। ‘খরা’ কবিতায় কী কী শুকিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতায় সব নদী, নালা এবং পুকুর শুকিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১৫। গাছের পাতা ঝরে যাওয়ার পর সামনে কী ঝলমল করছে?
উত্তরঃ গাছের পাতা ঝরে যাওয়ার পর সামনে কেবল বালি ঝলমল করছে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। কবি শঙ্খ ঘোষের কর্মজীবন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষের কর্মজীবন ছিল অত্যন্ত দীর্ঘ এবং বৈচিত্র্যময়। তিনি প্রধানত অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বঙ্গবাসী কলেজ, জটিপুর কলেজ, বহরমপুর গার্লস কলেজ এবং সিটি কলেজে পড়িয়েছেন। পরবর্তীকালে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। এছাড়াও তিনি শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনের অধ্যক্ষ ছিলেন এবং দেশ-বিদেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২। শঙ্খ ঘোষের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।
উত্তরঃ শঙ্খ ঘোষের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো ‘দিনগুলি রাতগুলি’। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্য ও প্রবন্ধ গ্রন্থগুলি হলো— ‘শব্দ আর সত্য’, ‘নিঃশব্দের তর্জনী’, ‘নির্মাণ আর সৃষ্টি’, ‘উর্বশীর হাসি’, ‘ঐতিহ্যের বিস্তার’ এবং ‘ছন্দের বারান্দা’ ইত্যাদি।
৩। কবি শঙ্খ ঘোষ কী কী পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর সাহিত্যকীর্তির জন্য অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নক্ষত্র পুরস্কার, নরসিংহ দাস পুরস্কার এবং রবীন্দ্র পুরস্কার। এছাড়াও তিনি টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি এবং ‘দেশিকোত্তম’ সম্মান লাভ করেন। ২০১৬ সালে তিনি সাহিত্যের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জ্ঞানপীঠ’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
৪। ‘খরা’ কবিতায় কবি কীভাবে প্রকৃতির রুক্ষতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন?
উত্তরঃ ‘খরা’ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন যে প্রকৃতির সব জলের উৎস যেমন নদী,নালা এবং পুকুর শুকিয়ে গেছে। যারা জল ভরতে এসেছিল,তারা দেখে যে গাছপালা সব পাতাহীন হয়ে গেছে। প্রকৃতির চারিদিকে কোনো সজীবতা নেই,বরং সামনে কেবল বালি ঝলমল করছে। এই দৃশ্যটি এক চরম রুক্ষতা ও শূন্যতার ইঙ্গিত দেয়।
৫। “বালি তুলে বালি তুলে বালি তুলে বালি / বালি তুলে বালি” — এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি বর্তমান সভ্যতার এক গভীর সংকট ও শূন্যতাকে প্রকাশ করেছেন। চারিদিকে যখন জলের অভাব এবং প্রকৃতি যখন রুক্ষ হয়ে পড়ে, তখন মানুষ শুধু হাহাকার আর শূন্যতাই খুঁজে পায়। ‘বালি তোলা’র পুনরাবৃত্তি দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে আমাদের সমস্ত প্রচেষ্টার শেষে কেবল রিক্ততা এবং প্রাণহীন বালির স্তূপ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

