Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 মাতৃ-হৃদয়

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 মাতৃ-হৃদয় Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 মাতৃ-হৃদয় Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes in Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 মাতৃ-হৃদয়

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 4

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। প্রিয়ংবদা দেবীর জন্ম কোথায়? 

উত্তরঃ প্রিয়ংবদা দেবীর জন্ম মাতামহের কর্মক্ষেত্র পাবনা জেলার গুনাইগাছায়।

২। কবির পিতার নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল কৃষ্ণকুমার বাগচী।

৩। প্রিয়ংবদা দেবীর মাতার নাম কী? 

উত্তরঃ তাঁর মাতার নাম প্রসন্নময়ী।

৪। আশুতোষ চৌধুরী ও প্রমথ চৌধুরী কবির কে ছিলেন? 

উত্তরঃ আশুতোষ চৌধুরী ও প্রমথ চৌধুরী ছিলেন প্রিয়ংবদা দেবীর মামা।

৫। কবি কত সালে বেথুন স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে বেথুন স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন।

৬। প্রিয়ংবদা দেবী কত সালে বি.এ.পাশ করেন? 

উত্তরঃ তিনি ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে বি.এ. পাশ করেন।

৭। কবির স্বামীর নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ তাঁর স্বামীর নাম ছিল তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।

৮। প্রিয়ংবদা দেবী কত সালে বিধবা হন? 

উত্তরঃ ১৮৯৫ সালে তিনি বিধবা হন।

৯। কবির একমাত্র পুত্রের মৃত্যু কত সালে হয়েছিল?

 উত্তরঃ তাঁর একমাত্র পুত্রের মৃত্যু হয়েছিল ১৯০৬ সালে।

১০। প্রিয়ংবদা দেবীর দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো। 

উত্তরঃ তাঁর দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রেণু’ এবং ‘তারা’।

১১। কবি ভাস রচিত কোন নাটকের অনুবাদ করেছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি ভাস রচিত ‘স্বপ্নবাসবদত্তা’ নাটকের অনুবাদ করেছিলেন।

১২। ‘ভক্তিবাণী’ গ্রন্থটি আসলে কিসের অনুবাদ? 

উত্তরঃ ‘ভক্তিবাণী’ গ্রন্থটি বাইবেলের বেশ কিছু অংশের অনুবাদ।

১৩। জাপানের গেয়শা রমণীদের জীবন নিয়ে লেখা কবির গল্পের নাম কী? 

উত্তরঃ সেই বড় গল্পের নাম হলো ‘রেণুকা’।

১৪। ‘ভারত-স্ত্রী-মহামণ্ডল’-এ প্রিয়ংবদা দেবী কোন পদে ছিলেন?

উত্তরঃ তিনি দীর্ঘকাল ‘ভারত-স্ত্রী-মহামণ্ডলে’র কর্মাধ্যক্ষা ছিলেন।

১৫। কবি কত সালে ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে শিক্ষকতা করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে শিক্ষকতা করেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। প্রিয়ংবদা দেবীর জীবন ও শিক্ষা জীবনের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 

উত্তরঃ প্রিয়ংবদা দেবীর জন্ম ১৮৭১ সালে পাবনা জেলায় এবং তাঁর বাল্যকাল কেটেছে মূলত মামাবাড়িতে। তিনি একজন মেধাবী ছাত্রী ছিলেন এবং ১৮৮৮ সালে বেথুন স্কুল থেকে এন্ট্রান্স ও ১৮৯২ সালে বেথুন কলেজ থেকে বি.এ.পাশ করেন। ওই বছরই তাঁর বিবাহ হয় রায়পুরের আইনজীবী তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে, কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী ছিল না। ১৮৯৫ সালে তিনি বিধবা হন এবং ১৯০৬ সালে তাঁর একমাত্র পুত্রের মৃত্যু হলে তিনি গভীরভাবে শোকাতুর হয়ে পড়েন।

২। সাহিত্যিক হিসেবে প্রিয়ংবদা দেবীর অবদানের মূল্যায়ন করো। 

উত্তরঃ প্রিয়ংবদা দেবী উনিশ শতকের অন্যতম নারী গীতি-কবি ছিলেন এবং তাঁর রচনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহযোগিতার প্রভাব ছিল। তিনি ‘রেণু’, ‘তারা’, ‘পত্রলেখা’, ‘অংশু’ এবং ‘চম্পা ও পাটল’ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। অনুবাদের ক্ষেত্রেও তাঁর বিশেষ দক্ষতা ছিল, যা তাঁর ‘স্বপ্নবাসবদত্তা’ এবং বাইবেলের অনুবাদ ‘ভক্তিবাণী’তে লক্ষ্য করা যায়। এ ছাড়াও তিনি ‘অনাথ’, ‘পঙ্কুলাল’ এবং ‘কথা ও উপকথা’র মতো গদ্যগ্রন্থ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।

৩। সমাজসেবা ও নারীশিক্ষা প্রসারে প্রিয়ংবদা দেবীর ভূমিকা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ উনিশ শতকের অন্যতম বিদুষী নারী ও কবি প্রিয়ংবদা দেবী কেবল সাহিত্যচর্চায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না,বরং সমাজসেবা ও নারীশিক্ষার প্রসারেও তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৮৯৫ সালে অকাল বৈধব্য এবং ১৯০৬ সালে একমাত্র পুত্রের মৃত্যুর পর তিনি ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করেন এবং সমাজসেবা ও সাহিত্যচর্চাকে জীবনের মূল ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন।

নারীশিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল বহুমুখী:

(i) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকা: নিজে বেথুন কলেজ থেকে স্নাতক (বি.এ.) ডিগ্রি অর্জন করার সুবাদে তিনি শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন এবং নারীদের শিক্ষিত করার লক্ষ্যে একাধিক মহিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

(ii) শিক্ষকতা: ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে শিক্ষকতা করেন,যেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেছেন।

(iii) প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব: তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ‘ভারত-স্ত্রী-মহামণ্ডলে’র কর্মাধ্যক্ষা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি নারী সমাজের সার্বিক উন্নতি এবং তাঁদের অধিকার সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন।

৪। ‘মাতৃ-হৃদয়’ কবিতায় কবির ব্যক্তিগত শোক কীভাবে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে গেছে তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ ‘‘মাতৃ-হৃদয়’ কবিতায় ব্যক্তিগত শোক ও প্রকৃতির মিলন:

(i) ব্যক্তিগত শোকের পটভূমি: কবি প্রিয়ংবদা দেবীর জীবন ছিল শোকাবহ। ১৮৯৫ সালে তিনি বিধবা হন এবং ১৯০৬ সালে তাঁর একমাত্র পুত্রের মৃত্যু ঘটে। এই মর্মান্তিক পুত্রশোক তাঁর কবিমানসকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল, যা ‘মাতৃ-হৃদয়’ কবিতার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

(ii) ধরিত্রীকে মা হিসেবে কল্পনা: কবিতায় কবি ধরণী বা পৃথিবীকে কেবল জড় প্রকৃতি হিসেবে দেখেননি, বরং তাঁকে ‘মা’ এবং ‘জীবনধাত্রী’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তিনি তাঁর শোকাতুর হৃদয়ের ‘ব্যাকুল স্পন্দন’ এবং মৃত সন্তানের জন্য ‘নিয়ত ক্রন্দন’ নিয়ে ধরিত্রীর বিশাল বক্ষে আশ্রয় খুঁজেছেন। 

(iii) ব্যক্তিগত শোকের বিশ্বজনীন রূপ: কবি লক্ষ্য করেছেন যে, পৃথিবী বা মা-ধরণী প্রতি মুহূর্তে তাঁর অগণিত সন্তানের বিয়োগ-বেদনা শান্ত মুখে সহ্য করেন। কবির ব্যক্তিগত শোক এখানে প্রকৃতির বিশাল শোকের সঙ্গে মিলেমিশে এক হয়ে গেছে। পৃথিবী যেমন তাঁর লক্ষ কোটি সন্তানের মৃত্যুশোক বুকে চেপেও স্থির থাকেন,কবিও তাঁর নিজের হৃদয়ের হাহাকারকে সেই বিশাল শোকের মাঝে মিলিয়ে দিতে চেয়েছেন।

(iv) ধৈর্য ও সৃষ্টির প্রেরণা: কবি ধরিত্রীর এক অদ্ভুত বৈপরীত্য দেখে বিস্মিত হয়েছেন। পৃথিবী একদিকে যেমন বিয়োগ-ব্যথা সহ্য করছেন, অন্যদিকে তেমনি নিয়মিত ফুল ফোটাচ্ছেন এবং আলোকে বিশ্ব আলোকিত করছেন। প্রকৃতির এই যে শোকের মাঝেও সৃষ্টিশীল থাকা এবং অবিচল ধৈর্য, কবি তাকেই ‘পুণ্য-রহস্যমন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। 

৫। ‘মাতৃ-হৃদয়’ কবিতায় ধরণীকে ‘জীবনধাত্রী’ ও ‘মা’ বলার সার্থকতা বিচার করো। 

উত্তরঃ কবিতায় কবি ধরণী বা পৃথিবীকে ‘জীবনধাত্রী’ বলে সম্বোধন করেছেন কারণ পৃথিবী সমস্ত জীবকুলকে ধারণ করে আছে। মা যেমন সন্তানের শত আবদার ও কষ্ট সহ্য করেন,ধরণীও তেমনি প্রতি মুহূর্তে অগণিত সন্তানের বিয়োগ-বেদনা শান্তভাবে সহ্য করেন। এত শোক থাকা সত্ত্বেও পৃথিবী কখনো থেমে থাকে না,সে নিয়মিত ফুল ফোটায় এবং আলোকে বিশ্ব আলোকিত করে রাখে। ধরণীর এই ধৈর্যশীল ও সৃষ্টিশীল রূপটিই একজন পরম মমতাময়ী মায়ের হৃদয়ের মতো, তাই কবি তাঁকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top