Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 কৃপণ Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 কৃপণ Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes in Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 4 কৃপণ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
কৃপণ
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘কৃপণ’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
২। ‘কৃপণ’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৩। ‘কৃপণ’ কবিতাটি বাংলা কত সালে রচিত হয়?
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতাটি ১৩১২ বঙ্গাব্দের ৮ চৈত্র রচিত হয়।
৪। ইংরেজি অনুবাদে ‘কৃপণ’ কবিতাটি ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের কত সংখ্যক কবিতা হিসেবে সংকলিত হয়?
উত্তরঃ কবিতাটি ইংরেজি অনুবাদে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ৫০ সংখ্যক কবিতা হিসেবে সংকলিত হয়।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর সুবিখ্যাত ঠাকুর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
৬। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা ও মাতার নাম কী?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম সারদা দেবী।
৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য বিশ্বসেরা নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৮। ‘কৃপণ’ কবিতায় রাজাধিরাজ কিসে চেপে যাচ্ছিলেন?
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতায় রাজাধিরাজ স্বর্ণরথে চেপে যাচ্ছিলেন।
৯। কবিতার ‘আমি’ বা ভিখারি গ্রামের পথে পথে কী উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন?
উত্তরঃ কবিতার ‘আমি’ বা ভিখারি গ্রামের পথে পথে ভিক্ষা করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।
১০। রথ থেকে নেমে রাজাধিরাজ ভিখারিকে দেখে কী করেছিলেন?
উত্তরঃ রথ থেকে নেমে রাজাধিরাজ ভিখারির মুখ-পানে চেয়ে হেসেছিলেন।
১১। রাজাধিরাজ ভিখারির কাছে কী প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ ভিখারির কাছে ‘আমায় কিছু দাও গো’ বলে হাত বাড়িয়ে ভিক্ষা প্রার্থনা করেছিলেন।
১২। ভিখারি রাজাধিরাজকে তার ঝুলি থেকে কী তুলে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ ভিখারি রাজাধিরাজকে তার ঝুলি থেকে একটি ছোটো ধান্যের কণা তুলে দিয়েছিলেন।
১৩। দিনান্তে ঘরে ফিরে ভিক্ষার পাত্র উজাড় করে ভিখারি কী দেখতে পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ দিনান্তে ঘরে ফিরে ভিক্ষার পাত্র উজাড় করে ভিখারি ভিক্ষান্নের মধ্যে একটি ছোটো সোনার কণা দেখতে পেয়েছিলেন।
১৪। ‘কৃপণ’ কবিতায় ‘রাজ-ভিখারি’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতায় ‘রাজ-ভিখারি’ বলতে স্বয়ং ঈশ্বরকে বোঝানো হয়েছে।
১৫। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে দেহত্যাগ করেন?
উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট দেহত্যাগ করেন।
দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘কৃপণ’ কবিতার কাহিনি অংশটি সংক্ষেপে নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কৃপণ’ কবিতায় এক ভিখারির পথচলার অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে। ভিখারিটি গ্রামের পথে পথে ভিক্ষা করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এমন সময় সে দূর থেকে এক অপূর্ব স্বর্ণরথে চেপে এক রাজাধিরাজকে আসতে দেখে। রাজাধিরাজের বিচিত্র শোভা ও সাজ দেখে ভিখারির মনে আশা জাগে যে আজ তার সমস্ত দারিদ্র্যের অবসান ঘটবে; রাজাধিরাজ পথের দু-পাশে প্রচুর ধনধান্য ছড়িয়ে দেবেন এবং সে তা মুঠা মুঠা কুড়িয়ে নেবে।
কিন্তু রথটি হঠাৎ ভিখারির কাছে এসে থেমে যায় এবং রাজাধিরাজ হেসে রথ থেকে নেমে ভিখারির সামনে হাত বাড়িয়ে বলেন— “আমায় কিছু দাও গো”। রাজার এই অভূতপূর্ব আহ্বানে ভিখারি বিস্মিত ও ক্ষণকালের জন্য স্তম্ভিত হয়ে পড়ে। সে রাজার এই আচরণকে পরিহাস বা প্রতারণা মনে করে ইতস্তত করে। অবশেষে চরম কৃপণতা বশত নিজের ভিক্ষার ঝুলি থেকে একটি মাত্র ছোট ধান্যের কণা তুলে রাজাধিরাজের হাতে দেয়।
দিনশেষে ঘরে ফিরে ভিখারি যখন তার ভিক্ষার পাত্রটি উজাড় করে, তখন সে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখে। ভিক্ষান্নের মাঝে সে একটি ছোট সোনার কণা দেখতে পায়। রাজাধিরাজকে দেওয়া সেই ক্ষুদ্র ধান্য কণাটিই সোনা হয়ে ফিরে এসেছে দেখে ভিখারির ভুল ভাঙে। সে বুঝতে পারে যে রাজাধিরাজ আসলে ঈশ্বর ছিলেন। নিজের ক্ষুদ্রতা ও কৃপণতার অনুশোচনায় তার চোখ জলে ভরে ওঠে এবং সে আক্ষেপ করে ভাবতে থাকে যে, সে কেন রাজাকে তার সমস্ত কিছু উজাড় করে দিল না।
২। “কৃপণের সঞ্চয়ে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন না”— পাঠবোধ অবলম্বনে ‘কৃপণ’ কবিতার মূল ভাবার্থ বা ঈশ্বর চেতনার স্বরূপ আলোচনা করো।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কৃপণ’ কবিতাটি একটি গভীর রূপকের আড়ালে ঈশ্বর চেতনার স্বরূপ প্রকাশ করে। কবিতায় বর্ণিত রাজ-ভিখারি মূলত স্বয়ং পরমেশ্বর। মহামহিম ঈশ্বর কোনো জাগতিক ধনে ধনী নন, তিনি ভক্তের ভক্তি, প্রেম ও আত্মনিবেদনের মুখাপেক্ষী। মানুষ চিরকাল ঈশ্বরের কাছে নিজের অভাব পূরণের জন্য চেয়ে এসেছে, কিন্তু এই কবিতায় কবি দেখিয়েছেন কীভাবে ঈশ্বর নিজেই ভিখারি সেজে ভক্তের দ্বারে এসে হাত পাতেন।
পাঠবোধ অনুসারে, নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উজাড় করে পরমেশ্বরের চরণে নিঃশেষ না করলে তাঁর কৃপা বা দাক্ষিণ্য লাভ করা যায় না। যে ব্যক্তি হিসাব করে বা পাওয়ার প্রত্যাশায় দান করে, তার সেই কৃপণতার সঞ্চয়ে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন না। ভিখারিটি মাত্র একটি ছোট কণা দান করেছিল বলে সে বিনিময়ে মাত্র একটিই সোনার কণা ফেরত পেয়েছিল। যদি সে সমস্ত ঝুলি উজাড় করে দান করত, তবে তার সমগ্র ভিক্ষান্নই সোনায় রূপান্তরিত হতো। অর্থাৎ, ঈশ্বরের অসীম দাক্ষিণ্য ও কৃপা লাভের জন্য মানুষকে কৃপণতা ও পার্থিব মোহ ত্যাগ করে নিজের সর্বস্ব নিবেদন করতে হয়।
৩। “তোমায় কেন দিই নি আমার সকল শূন্য করে?”— বক্তা কে? তিনি কেন এই আক্ষেপ করেছেন?
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশের বক্তা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কৃপণ’ কবিতার মূল চরিত্র ভিখারিটি। ভিখারিটি সারা দিন ভিক্ষা করে সন্ধ্যাবেলায় ঘরে ফিরে যখন তার ভিক্ষার পাত্রটি উজাড় করে ঢেলে দেয়, তখন সে দেখতে পায় যে ভিক্ষান্নের মধ্যে একটি ছোট ধান্যের কণা সোনা হয়ে গেছে। রাজ-ভিখারিকে সে নিজের ঝুলি থেকে যে একটি মাত্র ছোট কণা ভিক্ষা হিসেবে দিয়েছিল, সেটিই পরমেশ্বরের স্পর্শে স্বর্ণকণায় রূপান্তরিত হয়েছিল।
এই অলৌকিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করার পর ভিখারির মনে তীব্র অনুশোচনা ও অনুতাপের সৃষ্টি হয়। সে বুঝতে পারে যে রাজাধিরাজরূপী ঈশ্বর তাকে বঞ্চিত করতে আসেননি, বরং পরম ঐশ্বর্যে ভরিয়ে দিতে এসেছিলেন। কিন্তু নিজের সংকীর্ণতা ও কৃপণতার কারণে সে রাজাকে মাত্র একটি কণা দিয়েছিল, তাই সে বিনিময়ে কেবল একটিই সোনার কণা ফেরত পেয়েছে। সে যদি কৃপণতা না করে নিজের ঝুলির সমস্ত কিছু রাজাকে দান করে দিত, তবে তার পুরো পাত্রই সোনায় ভরে যেত। এই উপলব্ধি ও অনুশোচনার কারণেই ভিখারির দুটি নয়ন জলে ভেসে যায় এবং সে আক্ষেপ করে এই উক্তিটি করেছে।
৪। ‘কৃপণ’ কবিতায় ভিখারির মানসিকতার যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তা বর্ণনা করো।
উত্তরঃ ‘কৃপণ’ কবিতায় ভিখারির মানসিকতার এক তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন ফুটে উঠেছে।
প্রথম পর্যায় (পাওয়ার প্রত্যাশা): শুরুতে ভিখারিটি ছিল এক সাধারণ বস্তুকামী মানুষ। সে রাজাধিরাজের স্বর্ণরথ দেখে ভেবেছিল রাজা পথের দু-পাশে প্রচুর ধনধান্য ছড়িয়ে দেবেন এবং সে তা কুড়িয়ে নিয়ে নিজের দারিদ্র্য দূর করবে। তার মন কেবল পাওয়ার আশায় পূর্ণ ছিল।
দ্বিতীয় পর্যায় (দ্বিধা ও কৃপণতা): রাজাধিরাজ যখন রথ থেকে নেমে ভিখারির কাছেই হাত বাড়িয়ে ভিক্ষা চান, তখন ভিখারি দ্বিধা ও সংশয়ে পড়ে যায়। রাজার এই আচরণকে সে পরিহাস মনে করে এবং চরম কৃপণতা বশত ঝুলি থেকে মাত্র একটি ছোট ধান্যের কণা রাজাকে দেয়।
তৃতীয় পর্যায় (চেতনা লাভ ও অনুশোচনা): দিনশেষে ঘরে ফিরে ভিক্ষার চালের মধ্যে একটি সোনার কণা দেখে ভিখারির চেতনা জাগ্রত হয়। সে অনুধাবন করে যে পরমেশ্বরের কাছে আত্মনিবেদন না করলে তাঁর পূর্ণ কৃপা মেলে না। এই সত্য উপলব্ধি করে ভিখারি অশ্রুপাত করে এবং নিজের সর্বস্ব ঈশ্বরকে না দেওয়ার অনুশোচনায় দগ্ধ হয়।
৫। ‘কৃপণ’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ সাহিত্যে নামকরণের মাধ্যমে রচনার মূল ভাবনা বা অন্তর্নিহিত বার্তাটি প্রকাশ পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কৃপণ’ কবিতাটির নামকরণও অত্যন্ত অর্থবহ। বাহ্যিক দৃষ্টিতে কবিতায় ভিখারিটিকে কৃপণ বলে মনে হয়, কারণ পরমেশ্বর রাজ-ভিখারির বেশে তার কাছে এসে হাত পাতলেও সে নিজের ঝুলির সমস্ত কিছু না দিয়ে মাত্র একটি ছোট ধান্যের কণা তুলে দিয়েছিল। ভিখারির এই কৃপণ স্বভাবের জন্যই সে ঈশ্বরের পূর্ণ দাক্ষিণ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
তবে কবিতাটির গভীর রূপকার্থে ‘কৃপণ’ শব্দটি মানুষের জাগতিক সংকীর্ণ মানসিকতাকে নির্দেশ করে। মানুষ সারাজীবন ঈশ্বরের কাছে কেবল পাওয়ার আশা করে, কিন্তু নিজের অহংকার ও সর্বস্ব পরমেশ্বরের চরণে উজাড় করে দিতে কৃপণতা বোধ করে। সঞ্চয়ের মোহ ও কৃপণতার কারণে মানুষ ঈশ্বরের অসীম কৃপা লাভ করতে পারে না। কবিতাটিতে ভিখারির অনুশোচনার মাধ্যমে এই কৃপণতার শিক্ষাই দেওয়া হয়েছে। তাই বিষয়বস্তু ও ভাবাদর্শ উভয় দিক থেকেই ‘কৃপণ’ নামকরণটি সম্পূর্ণ সার্থক ও যথার্থ হয়েছে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

