🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 2 অন্নদার আত্মপরিচয়

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 2 অন্নদার আত্মপরিচয় Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 2 অন্নদার আত্মপরিচয় Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 2 অন্নদার আত্মপরিচয়

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘অন্নদার আত্মপরিচয়’ কবিতাটি কার লেখা? 

উত্তরঃ কবিতাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের লেখা। 

২। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের জন্ম কত খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল?

উত্তরঃ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭১২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। 

৩। ভারতচন্দ্র রায় কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

 উত্তরঃ তিনি হুগলি জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। 

৪। কবির পিতার নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল নরেন্দ্রনারায়ণ রায়। 

৫। ভারতচন্দ্র রায়ের মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ ভারতচন্দ্র রায়ের মাতার নাম ছিল ভবানী। 

৬। ভারতচন্দ্র রায় কোন মহারাজার রাজসভার কবি ছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন। 

৭। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র কবিকে কী উপাধি দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র কবিকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দিয়েছিলেন। 

৮। ভারতচন্দ্র রায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ রচনার নাম কী? 

উত্তরঃ ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য কবির সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা। 

৯। ‘অন্নদার আত্মপরিচয়’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?

উত্তরঃ এটি কবি ভারতচন্দ্র রায়ের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্গত।

১০। ভারতচন্দ্র রায় কোন কোন ভাষায় দক্ষ ছিলেন? 

উত্তরঃ কবি সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় বিশেষ দক্ষ ছিলেন। 

১১। ঈশ্বরী পাটুনি কোন নদীর তীরে খেয়া পারাপার করতেন? 

উত্তরঃ ঈশ্বরী পাটুনি গাঙিনী নদীর তীরে খেয়া পারাপার করতেন। 

১২। ‘সেউতি’ শব্দটির অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘সেউতি’ শব্দের অর্থ হলো নৌকার জল সেঁচার পাত্র। 

১৩। দেবীর পায়ের স্পর্শে কাঠের সেউতি কিসে পরিণত হয়েছিল? 

উত্তরঃ দেবীর পায়ের স্পর্শে কাঠের সেউতিটি সোনায় পরিণত হয়েছিল। 

১৪। ‘অষ্টাপদ’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘অষ্টাপদ’ শব্দের অর্থ হলো সোনা। 

১৫। ঈশ্বরী পাটুনি দেবীর কাছে কী বর চেয়েছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি বর চেয়েছিলেন যেন তাঁর সন্তানরা ‘দুধে-ভাতে’ থাকে। 

দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।  

১। দেবী অন্নদা কেন হরিহোড়োর বাড়ি ত্যাগ করেছিলেন এবং তিনি পরবর্তীতে কার নিবাসে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ দেবী অন্নদা দীর্ঘকাল হরিহোড়োর নিবাসে অবস্থান করেছিলেন। কিন্তু সেই বাড়িতে ক্রমাগত কোন্দল বা ঝগড়া-বিবাদ হওয়ার কারণে তিনি সেখানে শান্তি পাননি। কোন্দলের ত্রাস বা ভয়েই তিনি শেষ পর্যন্ত হরিহোড়োর বাড়ি ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই স্থান ত্যাগ করে তিনি ভবানীন্দ (ভবানী প্রসাদ) মজুমদারের নিবাসে থাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন এবং সেখানেই তাঁর মাহাত্ম্য প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

২। “ইহাতে বুঝিনু তুমি দেবতা নিশ্চয়” – ঈশ্বরী পাটুনি কীভাবে বুঝতে পারলেন যে তাঁর নৌকার যাত্রীটি আসলে কোনো দেবী? 

উত্তরঃ ঈশ্বরী পাটুনি যখন দেবীকে নৌকায় পার করে তীরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি এক অলৌকিক দৃশ্য দেখতে পান। তিনি দেখেন যে দেবীর বাম চরণের স্পর্শে তাঁর নৌকার সামান্য কাঠের সেউতিটি (জল সেঁচার পাত্র) হঠাৎ মূল্যবান সোনায় পরিণত হয়েছে। কাঠের বস্তুকে সোনায় রূপান্তরিত হতে দেখে তিনি অত্যন্ত ভীত ও বিস্মিত হন। এই অলৌকিক ঘটনা দেখেই তিনি নিশ্চিত হন যে তাঁর নৌকার যাত্রী কোনো সাধারণ নারী নন,বরং তিনি স্বয়ং একজন দেবী। 

৩। ‘অন্নদার আত্মপরিচয়’ পাঠটিতে তৎকালীন সমাজের যে বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ ‘অন্নদার আত্মপরিচয়’ কবিতাটির মাধ্যমে কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগীয় সমাজের একটি বাস্তব প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছেন। দেবীর আত্মপরিচয় দেওয়ার আবহে তৎকালীন কুলীন সমাজব্যবস্থা,একাধিক বিবাহের ফলে পারিবারিক অশান্তি এবং স্বামী-স্ত্রীর কলহের চিত্র ফুটে উঠেছে। কুলীন বংশের অহংকার এবং একই সঙ্গে দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত মানুষের জীবনের ইঙ্গিতও এখানে পাওয়া যায়।এছাড়াও পাটনীর বরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অতি সাধারণ কিন্তু মৌলিক চাহিদার কথা অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

৪। ঈশ্বরী পাটুনি চরিত্রটি কতটুকু সার্থকতা লাভ করেছে তা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ঈশ্বরী পাটুনি চরিত্রটি ভারতচন্দ্র রায়ের এক অনন্য সৃষ্টি যা সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। সে অত্যন্ত বিনয়ী, বুদ্ধিমতী এবং ভক্তিমতী।দেবীকে চিনে নেওয়ার পর সে নিজের জন্য কোনো ধন-সম্পদ বা ব্যক্তিগত বৈভব প্রার্থনা করেনি। বরং একজন আদর্শ মাতার মতো সে তাঁর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অন্ন সংস্থানের নিশ্চয়তা চেয়েছে। তাঁর এই ত্যাগ এবং সাধারণ জীবনমুখী চাওয়া চরিত্রটিকে অত্যন্ত মানবিক ও সার্থক করে তুলেছে।

৫। “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে” – এই উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ ঈশ্বরী পাটুনি যখন বুঝতে পারেন যে তাঁর নৌকায় স্বয়ং দেবী অন্নদা আসীন, তখন দেবী তাঁকে বর প্রার্থনা করতে বলেন। পাটুনি তখন নিজের সুখের কথা না ভেবে তাঁর সন্তানদের মঙ্গলের জন্য বর চান যে তাঁর সন্তানরা যেন সারা জীবন ‘দুধে-ভাতে’ থাকে। এখানে ‘দুধে-ভাতে’ থাকা বলতে কোনো ঐশ্বর্য বা বিলাসবহুল জীবনকে বোঝানো হয়নি,বরং দুবেলা পেটভরে অন্নের নিশ্চয়তা বা ন্যূনতম সচ্ছলতাকে বোঝানো হয়েছে। তৎকালীন অভাবী এবং দুর্ভিক্ষপীড়িত সমাজে সাধারণ মানুষের কাছে এটাই ছিল সবথেকে বড় প্রার্থনা,যা চিরন্তন বাঙালি মাতৃত্বের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রকাশ করে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top