Class 12 Bengali MIL Important Chapter 3 বঙ্গভাষা

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 3 বঙ্গভাষা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 3 বঙ্গভাষা Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 3 বঙ্গভাষা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি কার লেখা? 

উত্তরঃ কবিতাটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা।

২। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি প্রথম কী নামে রচিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ কবিতাটি প্রথমে ‘মাতৃভাষা’ নামে রচিত হয়েছিল।

৩। মধুসূদন দত্ত কোন কাব্যগ্রন্থে ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত করেছেন?

উত্তরঃ কবিতাটি কবির ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

৪। কবি মধুসূদন দত্ত কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তরঃ তিনি ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

৫। মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তরঃ বর্তমান বাংলাদেশের অন্তর্গত যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে।

৬। কবির পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত এবং মাতার নাম জাহ্নবী দেবী।

৭। মধুসূদন দত্তের প্রথম সার্থক বাংলা নাটকের নাম কী? 

উত্তরঃ তাঁর প্রথম সার্থক বাংলা নাটক হলো ‘শর্মিষ্ঠা’।

৮। মধুসূদন দত্ত কী হওয়ার জন্য বিলেত গিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে বিলেত গিয়েছিলেন।

৯। বাংলা সাহিত্যে ‘মধু কবি’ নামে কে পরিচিত? 

উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘মধু কবি’ নামে পরিচিত।

১০। কবি কোথায় থাকাকালীন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ রচনা করেন? 

উত্তরঃ ফ্রান্সে থাকাকালীন তিনি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।

১১। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতায় ‘পর-ধন-লোভ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তরঃ এখানে পর-ধন-লোভ বলতে কবি বিদেশি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি তাঁর মোহের কথা বুঝিয়েছেন।

১২। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতায় কবি নিজেকে ‘অবোধ’ বলেছেন কেন?

উত্তরঃ নিজের মাতৃভাষার অমূল্য রত্নভাণ্ডারকে অবহেলা করে বিদেশি ভাষার পেছনে ছোটার কারণে তিনি নিজেকে ‘অবোধ’ বলেছেন।

১৩। ‘কুললক্ষ্মী’ শব্দটির অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘কুললক্ষ্মী’ বলতে বংশের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বা এখানে বাংলা ভাষার অধিষ্ঠাত্রী দেবীকে বোঝানো হয়েছে।

১৪। মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম লেখো। 

উত্তরঃ তাঁর একটি বিখ্যাত মহাকাব্য হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।

১৫। কবি মধুসূদন দত্ত কত সালে পরলোকগমন করেন? 

উত্তরঃ তিনি ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জুন পরলোকগমন করেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে কীভাবে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন? 

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত। তিনি পাশ্চাত্য সাহিত্যের আদর্শে বাংলা সাহিত্যে নতুন নতুন আঙ্গিক ও শৈলীর প্রবর্তন করেন। তিনি প্রথম সার্থক বাংলা নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ রচনার মাধ্যমে নাট্যসাহিত্যে আধুনিকতা আনেন। এ ছাড়াও তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করে বাংলা কাব্যের গণ্ডিকে বিস্তৃত করেন। তাঁর লেখায় প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সংস্কার ভেঙে মানবতাবাদ এবং ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবোধের প্রকাশ ঘটে,যা বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দেয়।

২। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতায় কবির আত্ম-অনুশোচনার কারণগুলি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ অনুশোচনার প্রধান কারণগুলি নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) মাতৃভাষার অবজ্ঞা ও অবহেলা: কবি স্বীকার করেছেন যে তাঁর নিজের মাতৃভাষা বাংলার ভাণ্ডারে অসংখ্য ‘বিবিধ রতন’ বা অমূল্য সাহিত্য সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তিনি ‘অবোধ’ বা মূর্খের মতো তাকে অবহেলা করেছিলেন। তিনি এই রত্নভাণ্ডারকে উপেক্ষা করে বাইরের জগতের দিকে হাত বাড়িয়েছিলেন।

(ii) বিদেশি সাহিত্যের প্রতি মোহ (পর-ধন-লোভ): কবির প্রথম জীবনে বিদেশি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি এক তীব্র আকর্ষণ ছিল। তিনি মিলটন বা বায়রনের মতো মহান কবি হওয়ার উচ্চাশা নিয়ে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। এই ‘পর-ধন-লোভ’ অর্থাৎ বিদেশি সাহিত্যের মোহে মত্ত হয়ে তিনি নিজ গৃহের সম্পদ ত্যাগ করে পরদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

(iii) বৃথা শ্রম ও কষ্টের অপচয়: কবি তাঁর জীবনের বহু মূল্যবান সময় বিদেশি সাহিত্যের সাধনায় ব্যয় করেছিলেন। তিনি ‘সুখ পরিহরি’ অর্থাৎ নিজের জীবনের শান্তি ও সুখ বিসর্জন দিয়ে, অনিদ্রায় ও অনাহারে থেকে কায়মনোবাক্যে বিদেশি ভাষার সাধনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি অনুভব করেন যে এই সমস্ত শ্রম ছিল ‘বিফল তপস্যা’র মতো।

(iv) উত্তম ত্যাগ করে অধমের সাধনা: কবি অত্যন্ত পরিতাপের সাথে জানিয়েছেন যে, তিনি ‘কমল-কানন’ বা পদ্মবনের মতো সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলা ভাষাকে ভুলে ‘শৈবাল’ বা শ্যাওলাতুল্য বিদেশি সাহিত্যের তুচ্ছ সাধনায় মেতেছিলেন। অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ সম্পদ হাতের কাছে থাকা সত্ত্বেও তিনি নিকৃষ্ট জিনিসের পেছনে ছুটে নিজের সময় নষ্ট করেছিলেন।

৩। “কেলিনু শৈবালে, ভুলি কমল-কানন” — পঙক্তিটির অন্তর্নিহিত অর্থ বিশ্লেষণ করো। 

উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি তাঁর জীবনের একটি বড় ভুলের কথা তুলে ধরেছেন। এখানে ‘কমল-কানন’ বা পদ্মবন বলতে সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে,আর ‘শৈবাল’ বা শ্যাওলা বলতে বিদেশি সাহিত্যকে তুচ্ছ জ্ঞান করা হয়েছে। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে,তাঁর নিজের ভাষারূপী পদ্মবনে মণি-মানিক্যের অভাব ছিল না, কিন্তু তিনি সেই অমূল্য সম্পদ ত্যাগ করে শৈবালরূপী বিদেশি সাহিত্যের পেছনে সময় নষ্ট করেছেন। অর্থাৎ,শ্রেষ্ঠ সম্পদ হাতের কাছে থাকতেও তিনি নিকৃষ্ট বস্তুর সাধনা করেছিলেন।

৪। ‘বঙ্গভাষা’ কবিতায় ‘কুললক্ষ্মী’র ভূমিকা বা তাঁর দেওয়া উপদেশের গুরুত্ব আলোচনা করো। 

উত্তরঃ কুললক্ষ্মীর উপদেশের বিষয়বস্তু: কুললক্ষ্মী কবিকে ‘বাছা’ বলে সম্বোধন করে পরম মমতায় তাঁর ভুল ধরিয়ে দেন। তাঁর উপদেশের প্রধান দিকগুলি হলো:

(i) ঐশ্বর্যের পরিচয়: তিনি কবিকে জানান যে তাঁর নিজের মাতৃভাষারূপ রত্নভাণ্ডারে (মাতৃ-কোষে) প্রচুর মণি-মাণিক্য বা রত্নরাজি সঞ্চিত আছে।

(ii) ভিখারী-দশার সমালোচনা: ঘরের কোণে অমূল্য রত্ন থাকা সত্ত্বেও কবি কেন অন্যের দ্বারে ‘ভিখারী-বৃত্তি’ অবলম্বন করেছেন,কুললক্ষ্মী সেই প্রশ্ন তুলে কবির আত্মসম্মানবোধকে জাগিয়ে তোলেন।

(iii) প্রত্যাবর্তনের আদেশ: তিনি কবিকে ‘অজ্ঞান’ বলে অভিহিত করেন এবং অবিলম্বে তাঁকে নিজের ‘ঘরে’ অর্থাৎ মাতৃভাষার সেবায় ফিরে যাওয়ার আদেশ দেন।

উপদেশের গুরুত্ব ও প্রভাব: কুললক্ষ্মীর এই উপদেশের গুরুত্ব কবির জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল: 

(i) চেতনার জাগরণ: এই উপদেশ কবিকে তাঁর বিদেশি সাহিত্যের প্রতি অন্ধ মোহ থেকে মুক্ত করে এবং নিজের ভাষার ঐশ্বর্য সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

(ii) সাহিত্যিক রূপান্তর: দেবীর আদেশ শিরোধার্য করে কবি অত্যন্ত সুখে মাতৃভাষায় সাহিত্য সাধনায় মনোনিবেশ করেন। এর ফলেই তিনি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর মতো মহাকাব্য এবং ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’র মতো অমর সৃষ্টি উপহার দিতে পেরেছেন। 

(iii) সাফল্য লাভ: কুললক্ষ্মীর দেখানো পথে চলেই কবি শেষ পর্যন্ত বাংলা ভাষারূপ ‘খনি’র সন্ধান পান, যা ‘পূর্ণ মণিজালে’ বা অমূল্য সাহিত্য সম্পদে ভরা ছিল।

৫। “মাতৃ-ভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে” — এই উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। 

উত্তরঃ এই উক্তিটির মাধ্যমে কবি বাংলা ভাষার অপরিসীম সমৃদ্ধি ও বৈভবকে বর্ণনা করেছেন। খনিতে যেমন মণি-মুক্তো লুকিয়ে থাকে, তেমনি বাংলা ভাষারূপ খনিতেও সাহিত্যের অগণিত মূল্যবান রত্ন বিদ্যমান। কবি যখন তাঁর ভুল বুঝতে পেরে মাতৃভাষার চর্চা শুরু করেন, তখন তিনি অনুভব করেন যে এই ভাষা কতখানি ঐশ্বর্যশালী। যে সম্পদের খোঁজে তিনি বিদেশে ঘুরেছিলেন,সেই পরম ঐশ্বর্য আসলে তাঁর নিজের ভাষার মধ্যেই নিহিত ছিল। মাতৃভাষার এই সম্পদ কবিকে প্রকৃত সাহিত্যিক তৃপ্তি ও সম্মান এনে দিয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top