Class 12 Bengali MIL Important Chapter 7 ফুলের বিবাহ Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 7 ফুলের বিবাহ Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 7 ফুলের বিবাহ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
ফুলের বিবাহ
Chapter: 7
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘ফুলের বিবাহ’ পাঠটির লেখক কে?
উত্তরঃ ‘ফুলের বিবাহ’ পাঠটির লেখক হলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
২। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম কবে হয়েছিল?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৩৮ সালের ২৬শে জুন হয়েছিল।
৩। লেখকের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতার নাম ছিল যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৪। ‘ফুলের বিবাহ’ পাঠটি কোন মূল গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তরঃ এই পাঠটি বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত রম্যরচনা ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ থেকে সংকলিত হয়েছে।
৫। বিবাহের দিনটি বাংলার কোন মাসের কত তারিখ ছিল?
উত্তরঃ বিবাহের দিনটি ছিল ১লা বৈশাখ।
৬। এই বিবাহের ঘটকালি কে করেছিল?
উত্তরঃ ভ্রমররাজ ঘটক হয়ে এই বিবাহের ঘটকালি করেছিল।
৭। বিবাহের পাত্রী বা কন্যা কে ছিল?
উত্তরঃ বিবাহের পাত্রী বা কন্যা ছিল মল্লিকা ফুল।
৮। বিবাহের পাত্র বা বরের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ বরের নাম ছিল গোলাপলাল গন্দোপাধ্যায়।
৯। বরের পদবি কী ছিল?
উত্তরঃ বরের পদবি ছিল গন্দোপাধ্যায়।
১০। বরের ‘নীত-বর’ কে হয়েছিল?
উত্তরঃ বরের ‘নীত-বর’ হয়েছিল সেউতি ফুল।
১১। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের নাম কী?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের নাম ‘দুর্গেশনন্দিনী’,যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
১২। বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকাটির নাম কী?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকাটির নাম ছিল ‘বঙ্গদর্শন’।
১৩। লেখককে কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘সাহিত্য সম্রাট’ ও ‘ঋষি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
১৪। মল্লিকার বিয়ের জন্য কোন সুপাত্রের কথা বিবেচনা করা হয়েছিল কিন্তু তিনি নামেননি?
উত্তরঃ উদ্যানের রাজা স্থলপদ্মকে বিবেচনা করা হয়েছিল,কিন্তু ঘর উঁচু হওয়ায় তিনি নামেননি।
১৫। বিবাহের শেষে কে এসে লেখকের স্বপ্ন বা চমক ভেঙে দিয়েছিল?
উত্তরঃ নসীবাবুর কন্যা কুসুমলতা লেখকের গায়ে হাত দিয়ে চমক ভেঙে দিয়েছিল।
দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।
১। মল্লিকা কন্যার বিবাহের জন্য প্রথমে কোন কোন পাত্রের কথা ভাবা হয়েছিল এবং কেন তাদের সাথে বিবাহ হয়নি?
উত্তরঃ মল্লিকার বিবাহের জন্য প্রথমে উদ্যানের রাজা স্থলপদ্মের কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু তার ঘর অনেক উঁচু হওয়ায় তিনি নিচে নামতে রাজি হননি। এরপর জবার কথা ভাবা হলেও তার অতিরিক্ত রাগের কারণে মল্লিকার পিতা পিছিয়ে যান। সুপাত্র হিসেবে গন্ধরাজ ভালো হলেও তার অনেক দেমাগ ছিল,তাই তার নাগাল পাওয়া যেত না। এই কারণে ঘটক ভ্রমর শেষ পর্যন্ত গোলাপলালের সম্বন্ধ নিয়ে আসে।
২। বরযাত্রী হিসেবে কোন কোন ফুলের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘ফুলের বিবাহ’ রচনায় বরযাত্রীদের বর্ণনা অত্যন্ত সরস ও রূপকধর্মী। লেখক মানুষের বিবাহের অনুকরণে ফুলের জগতের যে বরযাত্রী দলের বর্ণনা দিয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) জবা গোষ্ঠী: বরযাত্রীদের মধ্যে জবা ফুলের পরিবারের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। এদের মধ্যে শেত জবা, রক্ত জবা এবং জরদ জবা (হলুদ জবা) বংশানুক্রমে বিবাহে অংশগ্রহণ করেছিল।
(ii) করবী দল: করবী ফুলগুলো সেকালের বনেদি রাজাদের মতো উঁচু ডালে চড়ে আভিজাত্যের সাথে বিবাহ আসরে উপস্থিত হয়েছিল।
(iii) চাঁপা: চাঁপা ফুল হলুদ রঙের পোশাক (গরদের জোড়) পরে এসেছিল। তার গা থেকে অত্যন্ত তীব্র সুগন্ধ বের হচ্ছিল। লেখক রসিকতা করে বলেছেন যে, সে যেন ব্র্যান্ডি টেনে এসেছে, তাই তার গায়ের গন্ধে চারিদিক ম-ম করছিল।
(iv) গন্ধরাজ: গন্ধরাজরা বরযাত্রী হিসেবে দলে দলে এসেছিল। তারা তাদের সুগন্ধ বিলিয়ে দিয়ে পুরো এলাকাকে আমোদিত করে তুলেছিল।
(v) অশোক ও পিঁপড়ে মোসাহেব: অশোক ফুল তার স্বাভাবিক লাল রঙের কারণে এমনভাবে উপস্থিত হয়েছিল যেন সে নেশায় লাল হয়ে আছে। তার সাথে চাটুকার বা মোসাহেব হিসেবে এসেছিল একপাল পিঁপড়ে। এই পিঁপড়েদের কোনো নিজস্ব গুণ বা সুগন্ধ নেই, কিন্তু তাদের দাঁতের জ্বালা খুব বেশি। তারা বিয়ের আসরে হুল ফুটিয়ে বিবাদ বা গোলমাল সৃষ্টি করছিল।
৩। বিবাহের বাসর ঘরের পরিবেশ লেখক কীভাবে বর্ণনা করেছেন?
উত্তরঃ বিবাহের বাসর ঘরের পরিবেশ লেখক বর্ণনা করেছেনবাসর ঘরে অনেক রসময়ী ও মধুময়ী ফুল বরকে ঘিরে বসেছিল। প্রাচীন ঠাকুরানি টগর সাদা প্রাণে রসিকতা করতে করতে শুকিয়ে উঠছিলেন। কনের সই জুঁই রজনীগন্ধাকে অনেক তামাশা করেছিল। বকুল বালিকা হলেও খুব রূপবতী ছিল এবং ঝুমকা ফুল কোনো বড় মানুষের গৃহিণীর মতো নীল শাড়ি ছড়িয়ে বসেছিল।
৪। ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার শেষে লেখকের যে জীবনবোধ ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ বিবাহের উৎসব শেষে যখন কুসুমলতা লেখককে ডেকে তোলে, তখন লেখক দেখেন যে সেই পুষ্প-বাসর কোথাও নেই। এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে লেখক উপলব্ধি করেন যে এই সংসার অনিত্য। যেমন বিবাহের রূপ ও হাসি চিরকাল থাকে না, তেমনি জগতের সব সুখ ও ঐশ্বর্য একসময় স্মৃতিতে বা ভূত-সাগরে বিলীন হয়ে যায়। সবকিছু শেষ পর্যন্ত ধ্বংসপুরীতে বা শূন্যে মিশে যায়।
৫। ‘ফুলের বিবাহ’ পাঠের মাধ্যমে বাঙালির সমাজ ও বিবাহের কোন ছবি লেখক ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র ‘ফুলের বিবাহ’ রচনায় রূপক ও হাস্যরসের আড়ালে বাঙালির তৎকালীন সামাজিক বিবাহের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে ঘটকের চাতুরি, বরের আভিজাত্য (গোলাপের বংশ), বরযাত্রীদের বিশৃঙ্খলা এবং বাসর ঘরের রসিকতা সব কিছুই মানুষের জগতের আদলে তৈরি। হালকা হাসির আড়ালে লেখক সমাজের বিভিন্ন চরিত্রের ভণ্ডামি ও ক্ষণস্থায়ী আনন্দকে বিদ্রূপ করেছেন।

