Class 12 Bengali MIL Important Chapter 5 পূর্ব-পশ্চিম Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 5 পূর্ব-পশ্চিম Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes in Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 5 পূর্ব-পশ্চিম
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
পূর্ব-পশ্চিম
Chapter: 5
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘পূর্ব-পশ্চিম’ কবিতাটির কবির নাম কী?
উত্তরঃ ‘পূর্ব-পশ্চিম’ কবিতাটির কবির নাম অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত।
২। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ কবি ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। কবি প্রথম জীবনে কোন ছদ্মনামে লেখালেখি শুরু করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি প্রথম জীবনে ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনামে লেখালেখি শুরু করেছিলেন।
৪। কবি অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কোন বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার সঙ্গে জড়িত ছিলেন?
উত্তরঃ কবি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন।
৫। কবিতাটিতে উল্লিখিত পূর্ব ও পশ্চিম বাংলার দুটি নদীর নাম লেখো।
উত্তরঃ কবিতাটিতে পূর্ব বাংলার শীতলক্ষা এবং পশ্চিম বাংলার ময়ূরাক্ষী নদীর নাম উল্লিখিত হয়েছে।
৬। ‘পূর্ব-পশ্চিম’ কবিতায় উল্লিখিত দুটি লোকসংগীতের নাম কী?
উত্তরঃ কবিতায় উল্লিখিত দুটি লোকসংগীত হলো ভাটিয়ালি এবং গম্ভীরা।
৭। ‘টাঙ্গাইল’ এবং ‘ধনেখালি’ শব্দ দুটি দিয়ে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘টাঙ্গাইল’ এবং ‘ধনেখালি’ শব্দ দুটি দিয়ে যথাক্রমে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলার বিখ্যাত শাড়ির পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
৮। কবি কার দরগায় চেরাগ জ্বালেন?
উত্তরঃ কবি তাঁর পড়শির অর্থাৎ মুসলিম ভ্রাতৃবৃন্দের পীরের দরগায় চেরাগ জ্বালেন।
৯। “আমরা এক বৃন্তে দুই ফুল” — এখানে ‘দুই ফুল’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে ‘দুই ফুল’ বলতে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলার মানুষকে বা হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়েছে।
১০। বাঙালির ঐক্য ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কবি কোন দুই মহৎ কবির নাম উল্লেখ করেছেন?
উত্তরঃ বাঙালির ঐক্য ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কবি রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুলের নাম উল্লেখ করেছেন।
১১। ‘আরশি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘আরশি’ শব্দের অর্থ হলো আয়না বা দর্পণ।
১২। কবির মতে আমাদের পরম শত্রু কারা?
উত্তরঃ যারা আমাদের সোনার দেশকে খণ্ড-খণ্ড করেছে এবং আমাদের বিচ্ছিন্ন রাখতে চায়,তারাই আমাদের শত্রু।
১৩। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি ১৯৭৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।
১৪। কবির লেখা একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ তাঁর একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ হলো ‘পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ’।
১৫। ‘কুশলসাধক’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘কুশলসাধক’ শব্দের অর্থ হলো মঙ্গলসাধক বা যারা জনকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন।
দীঘল প্রশ্ন উত্তর।
১। “পূর্ব-পশ্চিম” কবিতায় কবি কীভাবে দুই বাংলার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের চিত্র তুলে ধরেছেন?
উত্তরঃ কবি দেখিয়েছেন যে সীমানা বা ভূগোল দুই বাংলাকে আলাদা করলেও তাদের প্রকৃতি ও সংস্কৃতি অভিন্ন। শীতলক্ষা ও ময়ূরাক্ষী বা কর্ণফুলি ও শিলাবতীর জল একই শীতলতা প্রদান করে। দুই বাংলার বাতাস, ফুল, এবং বৃক্ষরাজিও (নারকেল, সুপুরি, শাল, মহুয়া) একই মায়ার বাঁধনে বাঁধা। সংস্কৃতিগতভাবে ভাটিয়ালি, গম্ভীরা, জারি-সারি বা বাউল গান একই আকুলতা প্রকাশ করে। এমনকি তাঁতের শাড়ির বুননেও একই লাবণ্যের টানাপোড়েন কাজ করে, যা দুই বাংলার মানুষের হৃদয়ের অবিচ্ছেদ্য রূপ ফুটিয়ে তোলে।
২। “আমরা এক বৃন্তে দুই ফুল, এক মাঠে দুই ফসল” — উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি দুই বাংলার মানুষের নাড়ির টান এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলেছেন। রাজনৈতিক কারণে দেশ ভাগ হলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং আবেগ একই সূত্রে গাঁথা। ‘এক বৃন্ত’ বলতে এখানে অখণ্ড বাংলা বা বাঙালি সত্তাকে বোঝানো হয়েছে, আর ‘দুই ফুল’ হলো দুই বাংলার মানুষ। যেমন একই মাঠে নানা ফসল ফলে, তেমনি একই বাংলার মাটিতে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায় মিলেমিশে বাস করে। তাদের সুখ-দুঃখ, তৃষ্ণা এবং মমত্ববোধও অভিন্ন।
৩। দুই বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উদারতা সম্পর্কে কবির ভাবনা আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবি ‘পূর্ব-পশ্চিম’ কবিতায় এক গভীর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি এঁকেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে ধর্মের পার্থক্য মনের মিলনে বাধা হতে পারে না। হিন্দু পড়শি যখন মুসলিম পীরের দরগায় চেরাগ জ্বালে, আবার মুসলিম পড়শি যখন বটতলায় সুতো বাঁধে, তখন সেখানে ধর্মের সংকীর্ণতা ঘুচে যায়। কবির ‘স্তোত্রপাঠ’ যেমন পড়শিকে ডাকে, তেমনি পড়শির ‘আজান’ কবিকে খুঁজে বেড়ায়। এই সমন্বয়বাদী ভাবনাই বাঙালির আসল পরিচয়, যা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আদর্শে প্রতিফলিত।
৪। “পরস্পর আমরা পর নই / আমরা পড়শি” — কবির এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ‘পড়শি’ ও ‘আরশি’র সম্পর্ক বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ কবি বিশ্বাস করেন যে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলার মানুষ একে অপরের থেকে আলাদা নয়, বরং তারা নিকটতম প্রতিবেশী বা পড়শি। লালন ফকিরের গানকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে কবি বলেছেন, পড়শি হলো আরশির (আয়নার) মতো। আয়নায় যেমন নিজের প্রতিবিম্ব দেখা যায়,তেমনি এক বাংলার মানুষের সুখ-দুঃখে অন্য বাংলার মানুষের প্রতিফলন ঘটে। তারা একে অপরের হৃদয়ের অনুবাদ এবং মঙ্গলের বার্তাবাহক। রাজনীতির কাঁটাতার তাদের ভৌগোলিকভাবে ভাগ করলেও হৃদয়ের আয়নায় তারা সবসময় একে অপরের পরিপূরক।
৫। দেশভাগের প্রেক্ষাপটে কবি কাদের ‘শত্রু’ বলেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তাঁর আশাবাদ কী?
উত্তরঃ কবি তাদেরই শত্রু বলেছেন যারা রাজনৈতিক স্বার্থে বা ষড়যন্ত্র করে অখণ্ড বাংলাকে খণ্ড-খণ্ড করেছে এবং মানুষের মনে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। এই অশুভ শক্তি বাঙালি জাতিকে বিচ্ছিন্ন ও বিমুখ রাখতে চায়। তবে কবির দৃঢ় বিশ্বাস,নদীর দুর্বার গতিকে যেমন কেউ বাঁধতে পারে না, তেমনি বাতাসের প্রবাহ বা মানুষের মুখের ভাষাকেও কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের দেওয়া আদর্শ এবং রক্তের বন্ধন কোনো রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বাঙালিরাই শেষ পর্যন্ত একে অপরের হৃদয়ের ঐক্য বজায় রাখবে।

