Class 10 Bengali MIL Important Chapter 9 আদরিণী

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 9 আদরিণী Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 9 আদরিণী Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 9 আদরিণী

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘আদরিণী’ গল্পটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘আদরিণী’ গল্পটি কথাশিল্পী প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের রচনা। 

২। লেখক প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের জীবনকাল কত ছিল?

উত্তরঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের জীবনকাল ছিল ১৮৭৩-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ। 

৩। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান ছিল বর্ধমান জেলার ধাত্রীগ্রামে। 

৪। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় পেশাগত জীবনে কী করতেন?

উত্তরঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় পেশায় একজন ব্যারিস্টার ছিলেন এবং হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতেন। 

৫। ‘আদরিণী’ গল্পের প্রধান চরিত্রের নাম কী?

উত্তরঃ ‘আদরিণী’ গল্পের প্রধান চরিত্রের নাম জয়রাম মুখোপাধ্যায়। 

৬। জয়রাম মুখোপাধ্যায় পেশায় কী ছিলেন?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায় পেশায় একজন মোক্তার ছিলেন। 

৭। জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের আদি বাসস্থান ছিল যশোহর জেলায়। 

৮। জয়রাম মুখোপাধ্যায় কার কাছ থেকে হাতিটি কিনেছিলেন?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায় বীরপুরের উমাচরণ লাহিড়ীর কাছ থেকে হাতিটি কিনেছিলেন। 

৯। জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কেনা হাতিটির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কেনা হাতিটির নাম ছিল ‘আদরিণী’।

১০। জয়রাম মুখোপাধ্যায় কত টাকা দিয়ে হাতিটি কিনেছিলেন?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায় দুই হাজার টাকা দিয়ে হাতিটি কিনেছিলেন। 

১১। জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ নাতনির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ নাতনির নাম ছিল কল্যাণী।

১২। কল্যাণীর বিয়ের জন্য পাত্রপক্ষ কত টাকা দাবি করেছিল?

উত্তরঃ কল্যাণীর বিয়ের জন্য পাত্রপক্ষ আড়াই হাজার টাকা দাবি করেছিল। 

১৩। জয়রাম মুখোপাধ্যায় প্রথমবার হাতিটি বিক্রির জন্য কোন মেলায় পাঠিয়েছিলেন?

উত্তরঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায় প্রথমবার হাতিটি বিক্রির জন্য বাতুমনহাটের চৈত্র সংক্রান্তির মেলায় পাঠিয়েছিলেন। 

১৪। প্রথম মেলায় বিক্রি না হয়ে যখন আভরণী ফিরে আসে, তখন দ্বিতীয়বার তাকে কোন মেলায় পাঠানো হয়েছিল?

উত্তরঃ প্রথম মেলায় বিক্রি না হওয়ায় তাকে দ্বিতীয়বার রসুলগঞ্জের মেলায় পাঠানো হয়েছিল। 

১৫। প্রিয় হাতি আভরণীর মৃত্যুর পর জয়রাম মুখোপাধ্যায় কতদিন বেঁচেছিলেন?

উত্তরঃ আদরিণীর মৃত্যুর পর জয়রাম মুখোপাধ্যায় মাত্র দুই মাস বেঁচেছিলেন। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘আদরিণী’ গল্পে জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের মোক্তারি জীবনের শুরু এবং তাঁর অর্থনৈতিক উন্নতির বিবরণ দাও।

উত্তরঃ শুরুতে জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত সাধারণ ছিল এবং যশোহর জেলা থেকে আসার সময় সঙ্গে কেবল একটি ক্যানভাসের ব্যাগ ও একটি পিতলের ঘটি ছিল। তিনি মাসিক তেরো সিকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে নিজে রান্না করে মোক্তারি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু নিজের দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমের জোরে পরবর্তীতে তিনি পাকা দালানকোঠা, বাগান ও পুকুর তৈরি করেন এবং কোম্পানির কাগজ কেনেন। ইংরেজি না জানলেও তিনি তাঁর সময়ে জেলার অন্যতম প্রধান মোক্তার হিসেবে পরিগণিত হতেন। 

২। জয়রাম মুখোপাধ্যায় কেন এবং কীভাবে বীরপুরের উমাচরণ লাহিড়ীর কাছ থেকে আদরিণী’ নামক হাতিটি কিনেছিলেন?

উত্তরঃ পীরগঞ্জের বাবুদের মেয়ের বিয়েতে যাওয়ার জন্য জয়রাম মুখোপাধ্যায় মহারাজ নরেন্দ্রচন্দ্রের কাছে হাতি চেয়ে পাঠান, কিন্তু মহারাজের কর্মচারী তা দিতে অস্বীকার করে এবং অপমানজনকভাবে গরুর গাড়িতে যেতে বলে। এই অপমানে ক্ষুব্ধ ও লজ্জিত হয়ে জয়রাম প্রতিজ্ঞা করেন যে হাতিতে চড়েই তিনি বিয়েতে যাবেন, নতুবা যাবেনই না। এরপর তিনি বীরপুরের উমাচরণ লাহিড়ীর কাছ থেকে দুই হাজার টাকায় একটি মাদী হাতি কেনেন এবং মহাসমারোহে তাঁর পুত্রবধূকে দিয়ে বরণ সম্পন্ন করান। হাতিটি ঘরে আসার পর জয়রামের অপমানের সমস্ত ক্ষোভ ও লজ্জা দূর হয়ে যায়। 

৩। জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের শেষ জীবনে অর্থনৈতিক সংকট কীভাবে ঘনীভূত হয়েছিল এবং তিনি কেন হাতিটি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন?

উত্তরঃ নতুন নিয়মে পাস করা ইংরেজি শিক্ষিত মোক্তারদের আগমনে জয়রামের মোক্তারি আয় প্রায় অর্ধেক কমে যায়, কিন্তু তাঁর পারিবারিক ব্যয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাঁর তিন ছেলের মধ্যে প্রথম দুজন অযোগ্য এবং কনিষ্ঠ ছেলেটি পরীক্ষায় ফেল করে। এদিকে তাঁর জ্যেষ্ঠ নাতনি কল্যাণীর বিয়ের জন্য পাত্রপক্ষ আড়াই হাজার টাকা দাবি করে, যা জোগাড় করা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই তীব্র আর্থিক অনটনের মুখে বন্ধুবান্ধবদের উপদেশে তিনি নিজের অত্যন্ত প্রিয় হাতি ‘আদরিণী’-কে চৈত্র সংক্রান্তির মেলায় বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। 

৪। মেলা থেকে আভরণীর প্রথমবার ফিরে আসার পর বাড়ির লোকজনের প্রতিক্রিয়া এবং তার চূড়ান্ত বিদায়ের করুণ চিত্রটি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ প্রথমবার উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় আভরণী যখন বাড়ি ফিরে আসে, তখন বাড়ির সকলের মধ্যে যেন হারানো ধন ফিরে পাওয়ার মতো আনন্দের কোলাহল পড়ে যায়। কিন্তু কল্যাণীর বিয়ের টাকা জোগাড়ের জন্য তাকে পুনরায় রসুলগঞ্জের মেলায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার বিদায় নেওয়ার সময় অন্তর্যামী আদরিণী বুঝতে পেরেছিল যে সে আর এ বাড়িতে ফিরবে না, তাই বিদায় বেলায় তার চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে থাকে। এই করুণ দৃশ্য দেখে বৃদ্ধ জয়রাম অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে ওঠেন এবং বিদায়ক্ষণে নিজের অপরাধবোধ লুকিয়ে রাখতে পারেননি।

৫। ‘আদরিণী’ গল্পের হৃদয়বিদারক পরিণতি নিজের ভাষায় সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ রসুলগঞ্জের মেলায় যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে সাত ক্রোশ দূরে আভরণী হঠাৎ তীব্র পেটের বেদনায় আক্রান্ত হয়ে রাস্তার পাশের আমবাগানে শুয়ে পড়ে। এই সংবাদ পেয়ে বৃদ্ধ জয়রাম অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে গাড়ি নিয়ে সেখানে ছুটে যান, কিন্তু তাঁর পৌঁছানোর আগেই আভরণী মারা যায়। প্রিয় হাতিটির নিস্পন্দ দেহ দেখে জয়রাম কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং অভিমানে বিদায় নেওয়া আভরণীর কাছে ক্ষমা চান। এই গভীর শোকে ও মানসিক আঘাতে জয়রাম মুখোপাধ্যায় নিজেও আর বেশিদিন বাঁচেননি এবং মাত্র দুই মাসের মধ্যে দেহত্যাগ করেন। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top