Class 10 Bengali MIL Important Chapter 10 তোতা কাহিনী Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 10 তোতা কাহিনী Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 10 তোতা কাহিনী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
তোতা কাহিনী
Chapter: 10
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘তোতা কাহিনী’ গল্পটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘তোতা কাহিনী’ গল্পটি লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা।
২। লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলীর জীবনকাল ছিল ১৯০৪-১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ।
৩। সৈয়দ মুজতবা আলী কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। সৈয়দ মুজতবা আলীর পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলীর পিতার নাম ছিল সৈয়দ সিকন্দর আলী।
৫। সৈয়দ মুজতবা আলী কত সালে শান্তিনিকেতন থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯২৬ সালে শান্তিনিকেতন থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।
৬। সৈয়দ মুজতবা আলী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট উপাধি লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট উপাধি লাভ করেছিলেন।
৭। বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলী মোট কতগুলি ভাষা জানতেন?
উত্তরঃ বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলী আরবি, ফারসি, জার্মান ও ফরাসিসহ মোট ১৫টি ভাষা জানতেন।
৮। সৈয়দ মুজতবা আলীর দুটি বিখ্যাত রম্যরচনা বা গ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলীর দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘দেশে বিদেশে’ এবং ‘চাচা কাহিনী’।
৯। ‘তোতা কাহিনী’ গল্পে সওদাগর কোন দেশের লোক ছিলেন?
উত্তরঃ ‘তোতা কাহিনী’ গল্পে সওদাগর ইরান দেশের লোক ছিলেন।
১০। সওদাগরের কাছে থাকা ভারতীয় তোতা পাখিটি পাণ্ডিত্যে কার মতো ছিল?
উত্তরঃ সওদাগরের কাছে থাকা ভারতীয় তোতা পাখিটি পাণ্ডিত্যে ম্যাক্সমুলারের মতো ছিল।
১১। সওদাগর ব্যবসা করার জন্য ভারতবর্ষে কী বিক্রি করতে এসেছিলেন?
উত্তরঃ সওদাগর ব্যবসা করার জন্য ভারতবর্ষে কার্পেট বা গালিচা বিক্রি করতে এসেছিলেন।
১২। সওদাগর ভারতবর্ষে যাওয়ার সময় তাঁর তোতা পাখিটি কী উপহার চেয়েছিল?
উত্তরঃ তোতা পাখিটি উপহার হিসেবে ভারতবর্ষে তার জাতভাইদের কাছে নিজের বন্দী অবস্থার বিবরণ দিয়ে মুক্তির উপায় জেনে আসার অনুরোধ করেছিল।
১৩। সওদাগরের মুখে খাঁচাবন্দী তোতার খবর শুনে বনের একটি তোতা পাখি কী করেছিল?
উত্তরঃ সওদাগরের মুখে এই বন্দীদশার খবর শোনার সাথে সাথে বনের তোতা পাখিটি তৎক্ষণাৎ মরে গিয়ে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল।
১৪। সওদাগর যখন তাঁর ঘরের তোতাকে ভারতের তোতাটির মৃত্যুর খবর জানান, তখন খাঁচাবন্দী তোতাটি কী করল?
উত্তরঃ ভারতের তোতাটির মৃত্যুর খবর শোনা মাত্রই খাঁচাবন্দী তোতাটি খাঁচার ভেতরেই ধপ করে পড়ে মরে গেল।
১৫। খাঁচা থেকে মুক্ত হওয়ার পর তোতাটি উড়ে গিয়ে কোথায় বসেছিল?
উত্তরঃ খাঁচা থেকে মুক্ত হওয়ার পর তোতাটি উড়ে গিয়ে সওদাগরের বাড়ির ছাদে বসেছিল।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘তোতা কাহিনী’ গল্প অবলম্বনে সওদাগরের তোতা পাখিটির রূপ, গুণ এবং তার অসাধারণ পাণ্ডিত্যের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘তোতা কাহিনী’ গল্পের তোতা পাখিটি ছিল অনন্য গুণ ও অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী। লেখক তাকে জ্ঞানে দেবগুরু বৃহস্পতি এবং রসাত্মক জ্ঞানে মহাকবি কালিদাসের সাথে তুলনা করেছেন। তার বাহ্যিক রূপ ও সৌন্দর্য ছিল হলিউড অভিনেতা রুডলফ ভ্যালেন্টিনোর মতো এবং তার গভীর জ্ঞান ছিল বিখ্যাত পণ্ডিত ম্যাক্সমুলারের মতো। সওদাগর যখনই অবসর পেতেন, তখনই এই তোতা পাখিটির সাথে নানারকম জ্ঞানগর্ভ তত্ত্বালোচনা এবং রসাল গল্পগুজব করে সময় কাটাতেন। পাখিটি খাঁচায় বন্দী থাকলেও তার বুদ্ধি এবং পাণ্ডিত্য ছিল সাধারণ মানুষের চেয়েও অনেক বেশি উন্নত।
২। খাঁচাবন্দী তোতা পাখিটি মুক্তি পাওয়ার জন্য সওদাগরের মাধ্যমে তার ভারতীয় জাতভাইদের কাছে কী বার্তা পাঠিয়েছিল?
উত্তরঃ সওদাগর যখন কার্পেট বিক্রি করতে ভারতবর্ষে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি বিদায় নেওয়ার আগে তোতা পাখিটির কাছে জানতে চান সে ভারত থেকে কী উপহার বা সওগাত চায়। তোতা সওদাগরের কাছে কোনো জাগতিক বস্তু না চেয়ে জানায় যে, তার আসল উপহার হলো খাঁচা থেকে মুক্তি পাওয়া। সে সওদাগরকে অনুরোধ করে যে, ভারতবর্ষে যদি তার কোনো জাতভাইয়ের সাথে দেখা হয়, তবে তাকে যেন জানানো হয় যে তার এক ভাই ইরানে খাঁচায় বন্দী জীবন কাটাচ্ছে। তোতা তার ভারতীয় বন্ধুদের কাছ থেকে এই বন্দীদশা থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় বা কৌশল জেনে সওদাগরের মাধ্যমে তাকে জানাতে বলেছিল।
৩। ভারতবর্ষে বনের তোতার আচরণ দেখে সওদাগর কেন অনুশোচনা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে তিনি তোতার মুখোমুখি হতে কেন ইতস্তত করছিলেন?
উত্তরঃ ভারতবর্ষে একটি বনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সওদাগর এক ঝাঁক তোতা পাখি দেখে তাঁর খাঁচাবন্দী তোতার বার্তাটি পৌঁছে দেন। বার্তাটি শোনামাত্রই একটি তোতা পাখি গভীর বেদনায় তৎক্ষণাৎ মরে যাওয়ার মতো অভিনয় করে মাটিতে পড়ে যায়। এই দৃশ্য দেখে সওদাগর অত্যন্ত দুঃখিত ও অনুতপ্ত হন এবং ভাবেন যে একটি নিরীহ পাখিকে কুসংবাদ দিয়ে তিনি হয়তো মেরেই ফেললেন। এই ঘটনার পর তিনি নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্য চরম অনুশোচনা করেন এবং সিদ্ধান্ত নেন যে এই দুঃখজনক খবরটি তিনি তাঁর ঘরের তোতাকে জানাবেন না। তাই বাড়ি ফিরে তোতাটি যখন সওগাতের কথা জানতে চায়, তখন অপরাধবোধের কারণে সওদাগর সত্য গোপন করতে চান এবং তোতার ঘরের দিকে যেতে ইতস্তত করছিলেন।
৪। খাঁচাবন্দী তোতা পাখিটি কীভাবে সওদাগরের খাঁচা থেকে মুক্তি পেয়েছিল তা বিস্তারিত বর্ণনা করো।
উত্তরঃ সওদাগর যখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারতবর্ষে ঘটে যাওয়া তোতা পাখিটির মৃত্যুর ঘটনাটি নিজের তোতাকে শোনান, তখন খাঁচাবন্দী তোতাটি তৎক্ষণাৎ খাঁচার মেঝেতে ধপ করে পড়ে যায়। সওদাগর তাকে মৃত ভেবে অত্যন্ত বিলাপ করতে থাকেন এবং খাঁচার দরজা খুলে তাকে বাইরে উঠানে ছুড়ে ফেলে দেন। কিন্তু মাটিতে পড়ার সাথে সাথেই তোতাটি প্রাণ ফিরে পাওয়ার ভান ত্যাগ করে ফুরুৎ করে উড়ে গিয়ে বাড়ির ছাদে বসে। তোতা সওদাগরকে বুঝিয়ে বলে যে, ভারতের তোতাটি আসলে মরেনি, বরং সে ‘মরার ভান’ করার অভিনয় দেখিয়ে খাঁচা থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় বাতলে দিয়েছিল। এই চতুর অভিনয়ের মাধ্যমে খাঁচাবন্দী তোতাটি চিরতরে মুক্তি লাভ করে।
৫। “মরবার আগেই যদি মরতে পারো, তবেই মোক্ষ লাভ।”— ‘তোতা কাহিনী’ গল্প অবলম্বনে এই আধ্যাত্মিক তত্ত্বটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ গল্পের শেষভাগে তোতা পাখিটি সওদাগরকে বিদায় জানানোর আগে এই গভীর আধ্যাত্মিক তত্ত্বটি ব্যক্ত করে। এর অর্থ হলো পার্থিব জগতের লোভ, লালসা, অহংকার ও জাগতিক বন্ধন থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা। মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের অহংবোধ ও বাসনা ত্যাগ করতে পারে না, ততক্ষণ সে সংসারের খাঁচায় বন্দী থাকে। কিন্তু জীবিতাবস্থাতেই যদি কেউ জাগতিক বাসনাকে বিসর্জন দিয়ে নিজেকে আসক্তিহীন করতে পারে, তবেই সে প্রকৃত মুক্তি বা মোক্ষ লাভ করতে সক্ষম হয়। এই তত্ত্বটি ভারতীয় সাধনার এক চিরন্তন সত্য, যা তোতা পাখিটি সওদাগরকে তার মুক্তিপ্রদ অভিনয়ের মাধ্যমে পরম যত্নে বুঝিয়ে দিয়েছিল।

