Class 10 Bengali MIL Important Chapter 11 অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস এবং সাহসের অন্য নাম

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 11 অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস এবং সাহসের অন্য নাম Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 11 অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস এবং সাহসের অন্য নাম Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 11 অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস এবং সাহসের অন্য নাম

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 11

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘অরুণিমা সিনহা আত্মবিশ্বাস সাহসের অন্য এক নাম’ প্রবন্ধটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘অরুণিমা সিনহা আত্মবিশ্বাস সাহসের অন্য এক নাম’ প্রবন্ধটি ড. জয়দেব গোস্বামী মহন্তের রচনা।

২। অরুণিমা সিনহার জীবনাবলম্বনে লেখা এই প্রবন্ধটি অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলায় কে অনুবাদ করেছেন?

উত্তরঃ এই প্রবন্ধটি অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন মিলন উদ্দিন লস্কর।

৩। অরুণিমা সিনহার আদি বাসস্থান ভারতের কোন রাজ্যে ছিল এবং দুর্ঘটনার সময় তাঁর বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ অরুণিমা সিনহার আদি বাসস্থান ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে ছিল এবং দুর্ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল ছাব্বিশ বছর।

৪। অরুণিমা সিনহা খেলাধুলার ক্ষেত্রে কোন পর্যায়ে এবং কোন খেলায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছিলেন?

উত্তরঃ অরুণিমা সিনহা জাতীয় পর্যায়ে ভলিবল খেলায় অংশ নিয়ে ইতিমধ্যে সুনাম অর্জন করেছিলেন।

৫। কত সালে এবং কোন রেলপথে যাওয়ার সময় অরুণিমা সিনহা চলন্ত ট্রেনে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন?

উত্তরঃ ২০১১ সালে লখনউ থেকে দিল্লির অভিমুখে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেনে অরুণিমা সিনহা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন।

৬। চলন্ত ট্রেনে ডাকাতরা অরুণিমা সিনহার কাছ থেকে কী কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল?

উত্তরঃ চলন্ত ট্রেনে ডাকাতরা অরুণিমা সিনহার গলা থেকে তাঁর মায়ের দেওয়া ভালোবাসার আশীর্বাদী সোনার চেইনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

৭। ডাকাতদের অন্যায় দাবির কাছে মাথা নত না করে অরুণিমা সিনহা কী বলেছিলেন?

উত্তরঃ অরুণিমা সিনহা নির্ভীকভাবে বলেছিলেন যে, এই চেইনটি কেবল একটি সাধারণ চেইন নয়, এটি তাঁর মায়ের দেওয়া ভালোবাসার আশীর্বাদ, তাই তিনি এটি দেবেন না।

৮। ডাকাতদল ক্ষিপ্ত হয়ে অরুণিমা সিনহার সাথে কী অমানবিক আচরণ করেছিল?

উত্তরঃ ডাকাতদল ক্ষিপ্ত হয়ে অরুণিমাকে চলন্ত ট্রেনের দরজা খুলে বাইরের অন্ধকারে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল।

৯। রেললাইনের পাশে পড়ে থাকার সময় অরুণিমার শরীরের ওপর দিয়ে আনুমানিক কতগুলি ট্রেন চলে গিয়েছিল?

উত্তরঃ রেললাইনের পাশে পড়ে থাকার সময় অন্ধকারের মধ্যে অরুণিমার শরীরের ওপর দিয়ে প্রায় উনচল্লিশটি ট্রেন চলে গিয়েছিল।

১০। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর অরুণিমাকে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে কোন কোন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর অরুণিমাকে প্রথমে বরেলি হাসপাতালে এবং পরে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস- এ ভর্তি করা হয়েছিল।

১১। চিকিৎসার পর অরুণিমা সিনহার শারীরিক অবস্থা কেমন হয়েছিল?

উত্তরঃ চিকিৎসার পর তিনি চিরদিনের জন্য তাঁর একটি পা হারান এবং অন্য পায়ে লোহার রড ঢোকাতে হয়েছিল।

১২। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় অরুণিমার মনে কোন সুউচ্চ স্বপ্ন তীব্র হয়ে উঠেছিল?

উত্তরঃ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় অরুণিমার মনে মাউন্ট এভারেস্টের শিখরে চড়ার স্বপ্ন তীব্র হয়ে উঠেছিল।

১৩। এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অরুণিমা কার তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন?

উত্তরঃ এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে বাচেন্দ্রী পালের তত্ত্বাবধানে টাটা স্টিল অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন পরিচালিত ক্যাম্পে অরুণিমা প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন।

১৪। কর্কট রোগে আক্রান্ত কোন বিখ্যাত ক্রিকেটারের লড়াই অরুণিমাকে মানসিকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল?

উত্তরঃ কর্কট রোগে আক্রান্ত বিখ্যাত ক্রিকেটার যুবরাজ সিংহের মরণব্যাধিকে জয় করে জীবনের লক্ষ্যে সফল হওয়ার দৃষ্টান্ত অরুণিমাকে মানসিকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

১৫। কত তারিখে এবং কত মিটার উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্টের শিখরে অরুণিমা ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন?

উত্তরঃ ২০১৩ সালের ২১ মে ৮৮৪৮ মিটার উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্টের শিখরে অরুণিমা ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। চলন্ত ট্রেনে ডাকাতদের সাথে লড়াই এবং অরুণিমা সিনহার পা হারানোর সেই মর্মান্তিক ঘটনাটি সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ ছাব্বিশ বছর বয়সী জাতীয় পর্যায়ের ভলিবল খেলোয়াড় অরুণিমা সিনহা ২০১১ সালে লখনউ থেকে ট্রেনে করে দিল্লির দিকে যাচ্ছিলেন। মাঝপথে ট্রেনের কামরায় একদল ডাকাত এসে যাত্রীদের ওপর চড়াও হয় এবং অরুণিমার গলা থেকে তাঁর মায়ের দেওয়া সোনার চেইনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু অন্য যাত্রীরা নীরব থাকলেও অরুণিমা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে রাজি হননি এবং ডাকাতদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুজন ডাকাত চলন্ত ট্রেনের দরজা খুলে অরুণিমাকে বাইরের অন্ধকারে ছুড়ে ফেলে দেয়। বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য একটি ট্রেনের সাথে ধাক্কা খেয়ে তিনি লাইনের পাশে ছিটকে পড়েন এবং সারারাত প্রায় সাত ঘণ্টা সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনি চিরতরে তাঁর একটি পা হারান।

২। হাসপাতালের বিছানা থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের স্বপ্ন কীভাবে অরুণিমার মনে দানা বেঁধেছিল এবং তা বাস্তবায়নে বাচেন্দ্রী পালের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তরঃ ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারিয়ে যখন অরুণিমা হাসপাতালের বিছানায় শুয়েছিলেন, তখন চারপাশের মানুষের নানা নেতিবাচক মন্তব্য ও করুণা তাঁকে ব্যথিত করত। কিন্তু এই শারীরিক ও মানসিক প্রতিকূলতাকে জয় করার জন্য তাঁর মনে এভারেস্ট জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগে ওঠে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই তিনি বাড়ি না গিয়ে সরাসরি এভারেস্ট বিজয়ী বাচেন্দ্রী পালের সাথে দেখা করেন। বাচেন্দ্রী পাল অরুণিমার অদম্য সাহস ও আত্মবিশ্বাস দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন এবং তাঁকে এভারেস্ট অভিযানের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা ও মানসিক শক্তি প্রদান করেন। বাচেন্দ্রী পালের তত্ত্বাবধানেই টাটা স্টিল অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের ক্যাম্পে অরুণিমা কঠোর অনুশীলন শুরু করেন।

৩। এভারেস্ট জয়ের পথে অরুণিমা সিনহাকে কী কী কঠিন শারীরিক ও মানসিক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল এবং তিনি কীভাবে তা অতিক্রম করেছিলেন?

উত্তরঃ অরুণিমা সিনহার একটি পা ছিল কৃত্রিম এবং অন্য পায়ে লোহার রড ঢোকানো ছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষের চেয়ে তাঁর পর্বতারোহণ ছিল বহু গুণ কঠিন। পর্বত আরোহণের সময় তাঁর ক্ষতবিক্ষত পা দিয়ে রক্ত ঝরত, কিন্তু তিনি রুমাল দিয়ে রক্ত মুছে এগিয়ে যেতেন। চার নম্বর ক্যাম্পে পৌঁছানোর পর তাঁর কৃত্রিম পা থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে এবং অক্সিজেনের পরিমাণও প্রায় শেষ হয়ে আসে। তাঁর সঙ্গী শেরপা তাঁকে বারবার ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও অরুণিমা পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানান। চরম শারীরিক যন্ত্রণা, তীব্র শীত এবং মৃত্যুর ভয়কে তুচ্ছ করে নিজের অদম্য ইচ্ছা ও ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের জোরে তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হন।

৪। ২০১৩ সালের ২১ মে মাউন্ট এভারেস্টের শিখরে অরুণিমা সিনহার পৌঁছানোর ঐতিহাসিক মুহূর্তটি নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।

উত্তরঃ কাঠমান্ডু থেকে যাত্রা শুরু করার দীর্ঘ ৫২ দিন পর ২০১৩ সালের ২১ মে সকাল ৮ টায় অরুণিমা সিনহা ৮৮৪৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মাউন্ট এভারেস্টের শিখরে পা রাখেন। সেখানে পৌঁছে তিনি অত্যন্ত গর্বের সাথে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এভারেস্টের চূড়ায় দাঁড়িয়ে বিশ্বের দরবারে নিজের এই বিরল কৃতিত্ব তুলে ধরার জন্য তিনি সাথে ক্যামেরা নিয়ে গিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে তিনি ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। অক্সিজেনের ঘাটতি থাকায় শেরপা তাঁকে দ্রুত নেমে আসার জন্য তাগাদা দিলেও অরুণিমা এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে ক্যামেরাবন্দী করে ভারতের গৌরব সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন।

৫। ভারত সরকার এবং সমাজের পক্ষ থেকে অরুণিমা সিনহা কী কী সম্মাননা লাভ করেছেন এবং সাধারণ নারীদের প্রতি তাঁর বার্তা কী?

উত্তরঃ অরুণিমা সিনহা তাঁর এই অবিশ্বাস্য সাফল্যের জন্য ২০১৫ সালে ভারত সরকারের কাছ থেকে সম্মানজনক ‘পদ্মশ্রী’ উপাধিতে ভূষিত হন। একই বছর তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ‘তেনজিং নরগে সম্মান’ লাভ করেন। এর পূর্বে ২০১৪ সালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালামের হাত থেকে তিনি ‘আমেজিং ইন্ডিয়ান্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর লেখা বইয়ের উন্মোচন করে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন। অরুণিমা বিশ্বাস করেন যে তাঁর মতো হাজার হাজার অরুণিমা দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছেন। সমাজের উচিত তাঁদের ভেতরের প্রতিভাকে চিনে নিয়ে তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার পথ মসৃণ করে দেওয়া।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top