Class 10 Bengali MIL Important Chapter 12 কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 12 কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 12 কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 12 কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 12

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা’ প্রবন্ধটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা’ প্রবন্ধটি সঞ্জীব দেববর্মার রচনা। 

২। লেখক সঞ্জীব দেববর্মা কোন অঞ্চলের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ছিলেন?

উত্তরঃ লেখক সঞ্জীব দেববর্মা বরাক উপত্যকার একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। 

৩। ল্যাটিন কোন শব্দ থেকে ‘কম্পিউটার’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?

উত্তরঃ ল্যাটিন শব্দ ‘computare’ থেকে কম্পিউটার শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। 

৪। কম্পিউটার শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?

উত্তরঃ কম্পিউটার শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রগণক। 

৫। কাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়?

উত্তরঃ ব্রিটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। 

৬। চার্লস ব্যাবেজ কত সালে এবং কোন যন্ত্রের পরিকল্পনা করেছিলেন?

উত্তরঃ চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৪ সালে ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’ নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটারের পরিকল্পনা করেছিলেন। 

৭। কত বছর আগে এবং কোথায় ‘অ্যাবাকাস’ নামক যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তরঃ প্রায় তিন হাজার বছর আগে ব্যাবিলনে ‘অ্যাবাকাস’ নামক যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল। 

৮। কম্পিউটারের প্রাক-পুরাতন প্রপিতামহ হিসেবে কোন যন্ত্রকে গণ্য করা হয়?

উত্তরঃ অ্যাবাকাস যন্ত্রকে কম্পিউটারের প্রাক-পুরাতন প্রপিতামহ হিসেবে গণ্য করা হয়। 

৯। ইন্টারনেটকে বাংলায় কী নামে অভিহিত করা হয়?

উত্তরঃ ইন্টারনেটকে বাংলায় ‘আন্তর্জাল’ নামে অভিহিত করা হয়। 

১০। ইন্টারনেটের স্পর্শ পেয়ে কম্পিউটার কীভাবে ‘পক্ষীরাজ ঘোড়া’ হয়ে উঠেছে?

উত্তরঃ আগে কম্পিউটার কেবল মাটিতে সীমাবদ্ধ থাকলেও ইন্টারনেটের ডানায় ভর করে তা জল, স্থল ও আকাশে মুক্ত বিচরণকারী পক্ষীরাজ ঘোড়া হয়ে উঠেছে। 

১১। কম্পিউটারের পরিভাষায় ‘ভাইরাস’ শব্দের সম্পূর্ণ অর্থ কী?

উত্তরঃ ভাইরাস শব্দের সম্পূর্ণ অর্থ হলো Vital Information Resources Under Seize.

১২। কম্পিউটারের ক্ষতিকারক ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 

১৩। বাংলা লেখার প্রথম টাইপরাইটার কি-বোর্ড ‘মুনীর অপ্টিমা’ কত সালে এবং কে তৈরি করেছিলেন?

উত্তরঃ ১৯৬৫ সালে ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ‘মুনীর অপ্টিমা’ কি-বোর্ড তৈরি করেছিলেন। 

১৪। অধ্যাপক মোস্তফা জব্বার কত সালে এবং কোন বাংলা কি-বোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন?

উত্তরঃ ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর অধ্যাপক মোস্তফা জব্বার ‘বিজয় বাংলা’ কি-বোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন। 

১৫। কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যবহার-বান্ধব ‘অভ্র’ কি-বোর্ড কে তৈরি করেছেন?

উত্তরঃ মেহেদি হাসান খান কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যবহার-বান্ধব ‘অভ্র’ কি-বোর্ড তৈরি করেছেন। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা’ প্রবন্ধ অবলম্বনে কম্পিউটারের আদি ইতিহাস এবং চার্লস ব্যাবেজের অবদান আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রায় তিন হাজার বছর আগে ব্যাবিলনে আবিষ্কৃত ‘অ্যাবাকাস’ নামক চারকোনা কাঠের যন্ত্রটিকে আধুনিক কম্পিউটারের আদি রূপ বা প্রাক-পুরাতন প্রপিতামহ বলা হয়। এরপর ১৮৩৪ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতো নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক ও যৌক্তিক অংশ এবং স্মৃতি অংশ সংবলিত ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’ নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটারের পরিকল্পনা করেন। তাঁর এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কম্পিউটার গড়ে উঠেছে বলে চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। 

২। দৈনন্দিন জীবনে আমরা কম্পিউটারকে কীভাবে ব্যবহার করছি এবং এর কোন কোন নেতিবাচক দিক লেখক তুলে ধরেছেন তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ বর্তমানে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে কম্পিউটারের প্রভূত অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, গবেষণাগার থেকে শুরু করে পাড়ার মুদির দোকান পর্যন্ত সর্বত্র কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ একে চিঠি লেখা, ই-মেইল করা, গান শোনা, সিনেমা দেখা, ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটিং করা বা অনলাইন কেনাকাটার কাজে ব্যবহার করছে। তবে এর কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো, আত্মবিজ্ঞাপন এবং অস্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক আলোচনায় লিপ্ত হয়ে সমাজে অসহিষ্ণুতা তৈরি করছে। এছাড়াও কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থার মধ্যেও অফিসিয়াল কাজের বিলম্ব, পরীক্ষার মার্কশিটে নাম ও নম্বরের ভুল বা হাসপাতালের ল্যাব রিপোর্টে ভুলের মতো ঘটনা ঘটছে।

৩। “ইন্টারনেট লাগিয়ে কম্পিউটার এখন নিজেই একটি মুক্ত বিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয়”— উক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ ইন্টারনেটের সংযোগ থাকার ফলে কম্পিউটার আজ কেবল একটি সাধারণ হিসাবকারী যন্ত্র বা বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি জ্ঞানের এক বিশাল ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে। মাত্র একটি ক্লিকের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা ইতিহাস, বিজ্ঞান, ভূগোল, সাহিত্য এবং ভাষা চর্চার অফুরন্ত তথ্য নিজেদের ঘরে বসেই সংগ্রহ করতে পারছে। ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মুক্ত তথ্য ও গবেষণাপত্র খুব সহজেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতের মুঠোয় চলে আসে। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে যে কেউ ইন্টারনেটের সাহায্যে স্বশিক্ষা অর্জন করতে পারে বলেই লেখক একে একটি মুক্ত বিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

৪। কম্পিউটারের ক্ষতিকারক ‘ভাইরাস’ কী এবং এটি কীভাবে কম্পিউটারে ছড়ায় ও তার প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বিস্তারিত লেখো।

উত্তরঃ কম্পিউটারের ভাষায় ‘ভাইরাস’ (VIRUS)-এর পূর্ণ রূপ হলো Vital Information Resources Under Seize. এটি আসলে কোনো জৈবিক রোগজীবাণু নয়, বরং এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কোনো ভালো উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না। এই ক্ষতিকারক প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের সুস্থ ও সচল প্রোগ্রামগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে সেগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয় এবং বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটায়। সাধারণত বাইরের উৎস যেমন সিডি পেনড্রাইভ বা ই-মেইলের মাধ্যমে এই ভাইরাস সুস্থ কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কম্পিউটারে বিশেষ ধরনের প্রতিষেধক বা ‘অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার’ ব্যবহার করে কম্পিউটারকে পুনরায় সচল করা যায়। 

৫। কম্পিউটারে বাংলা ভাষার ব্যবহারের ক্রমবিকাশ এবং এই ক্ষেত্রে স্মরণীয় ব্যক্তিত্বদের অবদান আলোচনা করো।

উত্তরঃ কম্পিউটারে বাংলা ভাষার ব্যবহার সহজ করার পেছনে বেশ কয়েকজন দূরদর্শী মানুষের অবিস্মরণীয় অবদান রয়েছে। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ভাষাবিজ্ঞানী মুনীর চৌধুরী বাংলা লেখার প্রথম বৈজ্ঞানিক কি-বোর্ড ‘মুনীর অপ্টিমা’ তৈরি করেন, যিনি ১৯৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে শহীদ হন। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর অধ্যাপক মোস্তফা জব্বার ‘বিজয় বাংলা’ কি-বোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন, যা মুদ্রণ শিল্পে এক বিপ্লব এনেছিল। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে বাংলা টাইপ করার কাজকে অত্যন্ত সহজ ও ব্যবহার-বান্ধব করে তোলার জন্য মেহেদি হাসান খান ‘অভ্র’ নামক একটি চমৎকার সফটওয়্যার ও কি-বোর্ড লেআউট তৈরি করেছেন। তাঁদের এই সম্মিলিত অবদানের ফলেই আজ কম্পিউটারে মাতৃভাষার সম্মানজনক স্থান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top