Class 10 Bengali MIL Important Chapter 13 এসো উদ্যোগক্তা হই Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 13 এসো উদ্যোগক্তা হই Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 13 এসো উদ্যোগক্তা হই
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
এসো উদ্যোগক্তা হই
Chapter: 13
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘এসো উদ্যোগক্তা হই’ পাঠটির লেখক কে?
উত্তরঃ ‘এসো উদ্যোগক্তা হই’ পাঠটির লেখক হলেন দেবজিৎ ভূঞা।
২। লেখক দেবজিৎ ভূঞা কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ লেখক দেবজিৎ ভূঞা ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ২৪ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৩। লেখক দেবজিৎ ভূঞা কোন বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন?
উত্তরঃ লেখক দেবজিৎ ভূঞা রহা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
৪। লেখক দেবজিৎ ভূঞা কর্মজীবন থেকে কত সালে অবসর গ্রহণ করেন?
উত্তরঃ লেখক দেবজিৎ ভূঞা ২০২১ সালে কর্মজীবন থেকে ব্যবস্থাপক পদে থাকাকালীন অবসর গ্রহণ করেন।
৫। ‘এসো উদ্যোক্তা হই’ গদ্যটিতে কোন শ্রেণীর শ্রেণীকক্ষের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘এসো উদ্যোগক্তা হই’ গদ্যটিতে দশম শ্রেণীর শ্রেণীকক্ষের কথা বলা হয়েছে।
৬। দশম শ্রেণীর শিক্ষক মহাশয়ের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ দশম শ্রেণীর শিক্ষক মহাশয়ের নাম ছিল প্রকাশ গোস্বামী।
৭। একজন উদ্যোক্তা এবং কর্মহীন বেকারের মধ্যে প্রধান ব্যবধান কী?
উত্তরঃ একজন উদ্যোগক্তা এবং কর্মহীন বেকারের মধ্যে প্রধান ব্যবধান হলো আলস্য।
৮। সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রাথমিক অবস্থায় কোন কোন গুণের প্রয়োজন?
উত্তরঃ সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ধৈর্য, নিয়মানুবর্তিতা, আত্মবিশ্বাস এবং অপরাজেয় মনোভাবের প্রয়োজন।
৯। ইনফোসিস কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ ইনফোসিস কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হলেন নারায়ণ মূর্তি।
১০। নারায়ণ মূর্তি কত টাকা প্রারম্ভিক মূলধন নিয়ে ইনফোসিস কোম্পানি শুরু করেছিলেন?
উত্তরঃ নারায়ণ মূর্তি তাঁর স্ত্রীর সঞ্চিত অর্থ থেকে নেওয়া দশ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে ইনফোসিস কোম্পানি শুরু করেছিলেন।
১১। বিল গেটসের মতে একজন উদ্যোক্তার পক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কোনটি?
উত্তরঃ বিল গেটসের মতে একজন উদ্যোগক্তার পক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংঘাতপূর্ণ অধ্যায় হলো উৎপাদিত জিনিস বিক্রি করা।
১২। ধীরুভাই আম্বানি প্রথম জীবনে কোথায় কাজ করতেন?
উত্তরঃ ধীরুভাই আম্বানি প্রথম জীবনে একটি পেট্রোল ডিপোতে তেল ভরার কাজ করতেন।
১৩। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল কত খ্রিস্টাব্দে টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলেন?
উত্তরঃ আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলেন।
১৪। চেস্টার কার্লসনের আবিষ্কৃত ফটোকপি পদ্ধতিটি পরবর্তীতে কোন নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে?
উত্তরঃ চেস্টার কার্লসনের আবিষ্কৃত ফটোকপি পদ্ধতিটি পরবর্তীতে ‘জেরক্স’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে।
১৫। বিনা বন্ধকিতে ব্যাংক ঋণের সুবিধার জন্য ভারত সরকারের কোন প্রকল্প রয়েছে?
উত্তরঃ বিনা বন্ধকিতে ব্যাংক ঋণের সুবিধার জন্য ভারত সরকারের ‘মুদ্রা ঋণ প্রকল্প’ রয়েছে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘এসো উদ্যোগক্তা হই’ পাঠে সাইকেল চালানোর উদাহরণের মাধ্যমে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার লড়াইটি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘এসো উদ্যোগক্তা হই’ পাঠে শিক্ষক মহাশয় সাইকেল চালানোর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, কেউ এক দিনে সাইকেল চালানো শেখে না। প্রথমে সবাই নিচে পড়ে যায়, অনেকে আঘাত পায় এবং হাত-পা ছড়ে যায়। যারা ভয়ে চেষ্টা ছেড়ে দেয়, তারা আর কোনোদিন সাইকেল চালানো শিখতে পারে পারে না, কিন্তু যারা বারবার পড়ে গিয়েও চেষ্টা বজায় রাখে, তারা প্রথমে হাফ প্যাডেল এবং পরে ফুল-প্যাডেল করে সাইকেল চালানো শিখে যায়। একইভাবে, একজন সফল উদ্যোগক্তা হয়ে ওঠাও সাইকেল চালানোর মতোই এক কঠিন লড়াই, যেখানে প্রথম ব্যর্থতাতেই হাল ছেড়ে না দিয়ে একাগ্র মনে লেগে থাকলে তবেই একদিন সফল উদ্যোগক্তা হিসেবে নিজের প্রতিষ্ঠা লাভ করা সম্ভব হয়।
২। ইনফোসিস কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার যাত্রাপথের প্রতিবন্ধকতা ও সাফল্যের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ নারায়ণ মূর্তি কর্ণাটকের এক নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর মনে ছোটবেলা থেকেই উদ্যোগক্তা হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। তিনি কারিগরি শিক্ষা সমাপ্ত করার পর চাকরি ছেড়ে ‘সফটোনিক্স’ নামক একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, কিন্তু দেড় বছরের মধ্যেই তা ঋণগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তিনি পুনরায় চাকরিতে যোগ দিলেও হাল ছাড়েননি এবং পরবর্তীতে বন্ধুদের সাথে মিলে ‘ইনহোসিস’ কোম্পানি খোলেন, যার জন্য তাঁর স্ত্রী নিজের জমানো টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা মূলধন দিয়েছিলেন। প্রথম দিকে নানা বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়ে কোম্পানিটি ভেঙে পড়ার উপক্রম হলেও নব্বইয়ের দশকে ভারত সরকারের মুক্ত অর্থনীতি ঘোষণার সাথে সাথে ইনফোসিসের সাফল্যের পথ উন্মুক্ত হয় এবং আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম সফল উদ্যোগক্তা হিসেবে পরিচিত।
৩। ধীরুভাই আম্বানির জীবন কীভাবে প্রমাণ করে যে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রচুর মূলধন বা উচ্চশিক্ষার চেয়ে ইচ্ছাশক্তি বেশি জরুরি?
উত্তরঃ সাধারণত মানুষের ধারণা থাকে যে উদ্যোগক্তা হতে গেলে প্রচুর মূলধন এবং ভালো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন, কিন্তু সফল ব্যবসায়ী ধীরুভাই আম্বানির জীবন এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করেছে। তাঁর কোনো ভালো শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বংশগত মূলধন ছিল না। তিনি কেবল মেট্রিক পাস করে প্রথমে একটি পেট্রোল ডিপোতে তেল ভরার কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে নিজের তীব্র আকাঙ্ক্ষায় চাকরি ছেড়ে মাত্র ৩৫০ বর্গফুটের একটি ছোট ঘরে একটি টেবিল, তিনটি চেয়ার ও একটি টেলিফোন নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। তিনি মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাপড় তৈরি করে এবং তা বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন করার মাধ্যমে নিজের মূলধন গড়ে তোলেন এবং ‘রিলায়েন্স কমার্শিয়াল কর্পোরেশন’ স্থাপন করেন, যা আজ ‘রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ’ নামে পরিচিত।
৪। টমাস আলভা এডিসন, স্টিভ জাবস এবং চেস্টার কার্লসনের জীবনের উদাহরণ দিয়ে পাঠে ধৈর্যের গুরুত্ব কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?
উত্তরঃ পাঠ অনুসারে, একজন সফল এবং ব্যর্থ উদ্যোক্তার মধ্যে প্রধান ব্যবধান হলো চরম ধৈর্য। বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরি করতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হয়েও ধৈর্য হারাননি, বরং বলেছিলেন যে তিনি ব্যর্থ হননি, কেবল ১০,০০০টি এমন উপায় আবিষ্কার করেছেন যা কাজ করে না। স্টিভ জাবসের মতেও সফল ও ব্যর্থ উদ্যোক্তার মাঝে ধৈর্যের ব্যবধানই প্রধান। চেস্টার কার্লসন তাঁর ফটোকপি মেশিনের আবিষ্কার নিয়ে ২০টি কোম্পানির কাছে ঘুরে প্রত্যাখ্যানের পর দীর্ঘ সাত বছর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছিলেন এবং অবশেষে একটি ছোট কোম্পানি তাঁর আবিষ্কারের স্বত্ব কেনে, যা আজ বিশ্বখ্যাত ‘জেরক্স’ নামে পরিচিত।
৫। শিক্ষার্থীদের মনে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি প্রকল্পগুলির ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ বর্তমান সময়ে তীব্র জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সরকারের পক্ষে প্রত্যেককে চাকরি দেওয়া অসম্ভব, তাই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে স্বাবলম্বী করতে ছাত্রজীবন থেকেই উদ্যোগক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি করা আবশ্যক। এই উদ্দেশ্যে ভারত সরকারের ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ এন্টারপ্রেনারশিপ’ দেশের প্রতিটি রাজ্যে শাখা খুলেছে এবং ‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে কারিগরি ও আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে। এছাড়াও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘মুদ্রা ঋণ প্রকল্প’ রয়েছে, যার অধীনে কোনো বন্ধকি ছাড়াই অত্যন্ত কম সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে ‘উদ্যোক্তা কোষ’ গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তুলছে।

