Class 10 Bengali MIL Important Chapter 14 জীবন-সংগীত Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 14 জীবন-সংগীত Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 14 জীবন-সংগীত
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
জীবন-সংগীত
Chapter: 14
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা।
২। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল ছিল ১৮৩৮-১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ।
৩। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বল্লভবাটী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী ছিল?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল বি.এ. বি.এল.।
৫। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মজীবনের প্রথম দিকে কী করতেন?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মজীবনের প্রথম দিকে একজন প্রতিষ্ঠিত শিক্ষক ছিলেন।
৬। শিক্ষকতা ছাড়া কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় আর কোন কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তরঃ শিক্ষকতা ছাড়া তিনি মুন্সেফি এবং হাইকোর্টে ওকালতি পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৭। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিখ্যাত সাহিত্যিকের সমসাময়িক ছিলেন?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্য-সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমসাময়িক ছিলেন।
৮। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে নিজের ‘গুরু’ বলে মনে করতেন?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে নিজের গুরু বলে মনে করতেন।
৯। মাইকেল মধুসূদন দত্তের কোন কাব্যের দ্বিতীয় সংস্করণ সম্পাদনা করতে গিয়ে কবি হেমচন্দ্র তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হন?
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদনের বিখ্যাত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ সম্পাদনা করতে গিয়ে কবি তাঁর প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট হন।
১০। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘বৃত্রসংহার’, ‘ছায়াময়ী’, ‘চিন্তাতরঙ্গিণী’ এবং ‘দশমহাবিদ্যা’।
১১। ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি কোন ইংরেজি কবিতার বাংলা ভাবানুবাদ?
উত্তরঃ ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলোর বিখ্যাত ইংরেজি কবিতা ‘The Psalm of life’-এর বাংলা ভাবানুবাদ।
১২। ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতায় কবি মানুষের আয়ুকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ কবি মানুষের আয়ুকে ক্ষণস্থায়ী শৈবালের জলের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১৩। ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতায় ‘দারা’ এবং ‘নীর’ শব্দ দুটির অর্থ কী?
উত্তরঃ কবিতায় ‘দারা’ শব্দের অর্থ হলো স্ত্রী এবং ‘নীর’ শব্দের অর্থ হলো জল।
১৪। কবি কাকে ‘বীর্যবান’ বলেছেন এবং জগতে কোনটি অত্যন্ত দুর্লভ?
উত্তরঃ কবি সাহসী মানুষকে ‘বীর্যবান’ বলেছেন এবং জগতে মানুষের মহিমা লাভ করা অত্যন্ত দুর্লভ।
১৫। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতার মূল ভাব বা সারসংক্ষেপ নিজের ভাষায় সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতায় কবি মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সার্থকতা তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন যে মানুষের জীবন কেবল রাতের অলীক স্বপনের মতো অসার বা ব্যর্থ নয়। ঈশ্বর মানুষকে এক সুমহান উদ্দেশ্যে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এবং এই জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তাই কেবল অতীত সুখের স্মৃতি রোমন্থন করে বা বৃথা কান্নাকাটি করে জীবন নষ্ট করা উচিত নয়। সংসারে অলীক সুখের আশায় কালক্ষয় না করে প্রতিটি মানুষকে ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস রেখে নিজের স্বীয় কর্তব্যে নিয়োজিত হতে হবে। তবেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা অর্জন করা সম্ভব হবে।
২। “আয়ু যেন শৈবালের নীর”— উক্তিটির তাৎপর্য কবিতা অবলম্বনে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ এই উক্তিটির মাধ্যমে কবি মানবজীবনের চরম ক্ষণস্থায়িত্বকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। পুকুরের শৈবালের ওপর জমে থাকা জলের কণা যেমন অত্যন্ত অস্থির এবং যেকোনো মুহূর্তে ঝরে পড়ে যেতে পারে, মানুষের জীবনও ঠিক তেমনি ক্ষণস্থায়ী ও অনিশ্চিত। ধন-সম্পদ, শারীরিক বল, আয়ু এবং জাগতিক সমস্ত সহায়-সম্বলই সময়ের নিয়মে একদিন নিঃশেষ হয়ে যায়। সময় দ্রুত বয়ে চলে এবং কারোর জন্য অপেক্ষা করে স্থির থাকে না। তাই এই নশ্বর পৃথিবীতে অলসভাবে সময় নষ্ট না করে সময়ের সদ্ব্যবহার করা এবং সৎকর্মে লিপ্ত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৩। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন, শিক্ষা ও কর্মজীবনের বৈচিত্র্যের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে হুগলি জেলার বল্লভবাটী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্র এবং বি.এ. বি.এল. ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। তাঁর কর্মজীবন ছিল যথেষ্ট বৈচিত্র্যপূর্ণ। প্রথম জীবনে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীকালে তিনি মুন্সেফি এবং হাইকোর্টে ওকালতি পেশায় যুক্ত হন, যেখানে তাঁর বিপুল অর্থোপার্জন হয়েছিল। কিন্তু কাব্য রচনার প্রতি গভীর নেশা ও অনুরাগের কারণে তিনি কেবল অর্থ উপার্জনের পেছনে ছোটেননি। তিনি ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর দ্বিতীয় সংস্করণের সম্পাদনা করেছিলেন এবং ১৯০৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৪। “মহাজ্ঞানি মহাজন যে পথে করে গমন”— কবি কেন মহাজনদের পথ অনুসরণ করতে বলেছেন এবং এর ফলাফল কী হবে?
উত্তরঃ কবি মনে করেন যে মানবজীবনকে সার্থক ও স্মরণীয় করে তোলার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় হলো পূর্বসূরি মহাজ্ঞানী ও মহৎ ব্যক্তিদের প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করা। পৃথিবীর বুকে যাঁরা মহৎ কীর্তি স্থাপন করে গেছেন, তাঁরা চিরকাল মানুষের মনে প্রাতঃস্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁদের জীবনের আদর্শ এবং কর্মের পদাঙ্ক লক্ষ্য করে চললে আমরাও আমাদের জীবনে যশ ও গৌরব লাভ করতে পারব। মহৎ ব্যক্তিদের জীবন রূপী সময়-সাগরের তীরে যে কীর্তিচিহ্ন রেখে গেছেন, তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে এবং মানুষকে অন্ধকারের পথ থেকে আলোর দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
৫। কবি কেন ভবিষ্যৎ বা অতীতের ওপর নির্ভর করতে নিষেধ করেছেন এবং বর্তমান সময়ের গুরুত্ব কীভাবে প্রকাশ করেছেন?
উত্তরঃ কবি মানুষের জীবনকে একটি রণক্ষেত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাওয়া কাপুরুষতার লক্ষণ। তিনি অতীত সুখের দিনগুলির কথা ভেবে বিলাপ করতে এবং ভবিষ্যতের ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করতে নিষেধ করেছেন। কারণ ভবিষ্যৎ সর্বদা অনিশ্চিত এবং অতীতকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তাই অলীক কল্পনায় বা আশায় ভর করে বর্তমান সময় নষ্ট করা চরম বোকামি। একমাত্র বর্তমান সময়ই মানুষের হাতের মুঠোয় থাকে, যার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ নিজের ভাগ্য গড়ে তুলতে পারে। ঈশ্বরের প্রতি অবিচল বিশ্বাস রেখে এবং নিজের সংকল্পে দৃঢ় থেকে বর্তমানে কঠোর পরিশ্রম করাই জীবনের সার্থকতা এনে দেয়।

