Class 10 Bengali MIL Important Chapter 15 কাণ্ডারী হুশিয়ার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 15 কাণ্ডারী হুশিয়ার Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 15 কাণ্ডারী হুশিয়ার
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
কাণ্ডারী হুশিয়ার
Chapter: 15
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতাটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতাটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
২। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল ছিল ১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ।
৩। কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান কোথায় ছিল?
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান ছিল বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে।
৫। কবি কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম ছিল কাজী ফকির আহমদ।
৬। স্কুলের শিক্ষা শেষ হওয়ার আগে নজরুল কোথায় যোগ দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ স্কুলের শিক্ষা শেষ হওয়ার আগে নজরুল সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।
৭। নজরুল কত খ্রিস্টাব্দে করাচি থেকে ফিরে এসে পুরোপুরি কাব্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন?
উত্তরঃ নজরুল ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে করাচি থেকে ফিরে এসে পুরোপুরি কাব্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন।
৮। বাংলা সাহিত্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম কী নামে বিখ্যাত?
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে বিখ্যাত।
৯। কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দুটি পত্রিকার নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দুটি পত্রিকা হলো ‘ধূমকেতু’ এবং ‘লাঙল’।
১০। ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতাটি কবির ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
১১। ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতায় কোন ঐতিহাসিক যুদ্ধের প্রান্তরের কথা উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতায় পলাশীর যুদ্ধের প্রান্তরের কথা উল্লেখ আছে।
১২। কবিতায় ‘হিম্মত’ এবং ‘পারাবার’ শব্দ দুটির অর্থ কী?
উত্তরঃ কবিতায় ‘হিম্মত’ শব্দের অর্থ হলো সাহস এবং ‘পারাবার’ শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র।
১৩। পলাশীর প্রান্তরে কার রক্তের বিনিময়ে ভারতবাসীর ভাগ্য সূর্য ডুবে গিয়েছিল?
উত্তরঃ পলাশীর প্রান্তরে বাঙালির রক্তের বিনিময়ে ভারতবাসীর ভাগ্য সূর্য ডুবে গিয়েছিল।
১৪। রবার্ট ক্লাইভ কে ছিলেন?
উত্তরঃ রবার্ট ক্লাইভ ছিলেন একজন ব্রিটিশ কর্মাধ্যক্ষ যিনি বাংলায় ইংরেজ শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
১৫। কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতার মূল বিষয়বস্তু বা সারসংক্ষেপ নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতায় কবি পরাধীন ভারতবাসীকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কবি পরাধীনতার অন্ধকার রাত ও দুর্গম গিরি-মরু পার হওয়ার কঠিন পথের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। দেশের নিপীড়িত ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ ও বেদনা আজ বিদ্রোহের রূপ ধারণ করেছে। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে আপামর সাধারণ মানুষকে রক্ষা করাই এই স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল লক্ষ্য। ফাঁসির মঞ্চে যারা জীবনের জয়গান গেয়ে গেছে, তাদের আদর্শকে বুকে নিয়ে বিপ্লবীদের নির্ভীকভাবে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে।
২। কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কেন ‘বিদ্রোহী কবি’ বলা হয় তা তাঁর জীবন ও সাহিত্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম পরাধীন ভারতে অন্যায়, অত্যাচার ও ব্রিটিশ সরকারের শোষণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত তীব্র ভাষায় কবিতা রচনা করেছিলেন। তাঁর কবিতায় দেশের নিপীড়িত, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতি এবং বিদেশী ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবাদের কারণে তিনি ব্রিটিশ সরকারের বিরাগভাজন হন এবং কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরাধীনতার বিরুদ্ধে এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর এই আপসহীন সংগ্রামী মনোভাবের কারণে তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
৩। “হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন্ জন?”— উক্তিটির তাৎপর্য কবিতা অবলম্বনে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে কবির গভীর অসাম্প্রদায়িক মনোভাব এবং মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম বা কঠিন সংকটের মুহূর্তে যখন মানুষ বিপন্ন হয়, তখন তাদের ধর্মীয় পরিচয় খোঁজা অত্যন্ত অর্থহীন ও কাপুরুষতার লক্ষণ। কান্ডারী বা নেতার প্রধান ধর্ম হলো ডুবন্ত মানুষকে রক্ষা করা, কারণ তারা সবাই আমাদের দেশমাতৃকার সন্তান। কবি সমস্ত সংকীর্ণ ধর্মীয় ও জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের মুক্তির জন্য এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
৪। ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ কবিতায় পলাশীর যুদ্ধের পটভূমি এবং কবি কীভাবে তার প্রতিশোধ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ পলাশীর যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলার স্বাধীনতা সূর্যাস্ত গিয়েছিল এবং ক্লাইভের নির্মম ষড়যন্ত্রের কারণে ভারতবাসী পরাধীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে বহু বীর বাঙালির রক্তে পলাশীর মাটি লাল হয়ে উঠেছিল। কবি বিশ্বাস করেন যে,পলাশীর সেই রক্তরঞ্জিত ইতিহাস আজ বিপ্লবীদের মনে নতুন করে স্বাধীনতার প্রেরণা জোগাচ্ছে। পলাশীর সেই প্রান্তরে নতুন করে সূর্যের আলো উদিত হবে এবং বিপ্লবীদের রক্তের বিনিময়ে ভারতবাসী পুনরায় তাদের স্বাধীনতা ফিরে পাবে।
৫। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্যিক কীর্তির একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তরঃ কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবেই পিতৃহীন হয়ে তিনি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবন কাটান এবং পরবর্তীতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন। ১৯২০ সাল থেকে তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা শুরু করেন এবং তাঁর প্রতিবাদের ভাষায় বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা তৈরি করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘অগ্নিবীণা’, ‘বিষের বাঁশী’, ‘দোলনচাঁপা’ এবং ‘সর্বহারা’। এছাড়াও তিনি ‘ধূমকেতু’ ও ‘লাঙল’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট এই যুগান্তকারী কবি মৃত্যুবরণ করেন।

