Class 10 Bengali MIL Important Chapter 16 পিতা ও পুত্র Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 16 পিতা ও পুত্র Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 16 পিতা ও পুত্র
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
পিতা ও পুত্র
Chapter: 16
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশটি নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচনা।
২। নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জীবনকাল ছিল ১৮৬৩-১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ।
৩। নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পিতামাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পিতার নাম কার্তিকেয়চন্দ্র রায় এবং মাতার নাম প্রসন্নময়ী দেবী।
৫। ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কোন বিখ্যাত নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত ‘সাজাহান’ নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে।
৬। মোঘল সম্রাট সাজাহানের জ্যেষ্ঠ বা বড় পুত্রের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ মোঘল সম্রাট সাজাহানের জ্যেষ্ঠ পুত্রের নাম ছিল দারা।
৭। সাজাহানের চার পুত্রের নাম কী কী ছিল?
উত্তরঃ সাজাহানের চার পুত্রের নাম ছিল দারা, সুজা, মোরাদ এবং ঔরংজীব।
৮। সাজাহানের একমাত্র কন্যার নাম কী ছিল, যিনি আগ্রা দুর্গে পিতার তত্ত্বাবধান করছিলেন?
উত্তরঃ সাজাহানের একমাত্র কন্যার নাম ছিল জাহানারা।
৯। সুজা ও মোরাদ ভারতের কোন কোন অঞ্চলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন?
উত্তরঃ সুজা বাংলাদেশে এবং মোরাদ গুজরাটে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন।
১০। দারা তাঁর পুত্র সোলেমানকে কার বিরুদ্ধে এবং কাদের সাথে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তরঃ দারা তাঁর পুত্র সোলেমানকে সুজার বিরুদ্ধে মির্জা জয়সিংহ এবং দিলীর খাঁর সাথে পাঠিয়েছিলেন।
১১। দারা মোরাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে কাকে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তরঃ দারা মোরাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ওড়িষ্যার বা মাড়োয়ারের অধিপতি মহারাজা যশবন্ত সিংহকে পাঠিয়েছিলেন।
১২। দারা কিসের জ্ঞান লাভ করে মোঘল সাম্রাজ্যের চেয়েও বড় সাম্রাজ্য পেয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন?
উত্তরঃ দারা দর্শনে উপনিষদ পাঠ করে মোঘল সাম্রাজ্যের চেয়েও অনেক বড় সাম্রাজ্য লাভ করেছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন।
১৩। দারা কার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে তাঁর অবাধ্য হতে পারেননি?
উত্তরঃ দারা তাঁর বৃদ্ধ পিতা সম্রাট সাজাহানের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে তাঁর আদেশ লঙ্ঘন করতে পারেননি।
১৪। দারার স্ত্রীর নাম কী ছিল?
উত্তরঃ দারার স্ত্রীর নাম ছিল নাদিরা।
১৫। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন?
উত্তরঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশ অবলম্বনে সম্রাট সাজাহানের অন্ধ পুত্রস্নেহ ও মানসিক দ্বন্দ্বের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ মোঘল সম্রাট সাজাহান ছিলেন তাঁর সন্তানদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও দুর্বল চিত্তের অধিকারী এক পিতা। যখন তাঁর পুত্ররা সিংহাসনের লোভে একে অপরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল,তখনও সাজাহান তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে স্নেহের দ্বারা বোঝাতে চেয়েছিলেন। জাহানারা যখন বিদ্রোহীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি তোলেন, তখন সাজাহান বলেন যে তাঁর হৃদয় কেবল স্নেহের শাসন জানে এবং এই মাতৃহীন সন্তানদের তিনি কঠোর হৃদয়ে শাসন করতে পারবেন না। যুদ্ধক্ষেত্রে যে পক্ষেরই পরাজয় হোক না কেন, সন্তানের মলিন মুখ দেখার আশঙ্কায় তাঁর পিতা-হৃদয় কেঁদে উঠেছিল। তাঁর এই অন্ধ পুত্রস্নেহ ও সম্রাটসুলভ কর্তব্যের মধ্যকার দ্বন্দ্বই নাট্যাংশে সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
২। ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশে জ্যেষ্ঠ পুত্র দারার চরিত্র ও আদর্শবাদী মানসিকতা কীভাবে ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশে দারা মোঘল সাম্রাজ্যের জ্যেষ্ঠ পুত্র হওয়া সত্ত্বেও সিংহাসন বা ক্ষমতার লোভী ছিলেন না। তিনি দর্শনে উপনিষদ পাঠ করে আধ্যাত্মিকতার মাঝে মোঘল সাম্রাজ্যের চেয়েও বড় এক সাম্রাজ্য খুঁজে পেয়েছিলেন। পিতার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও অনুগত মনোভাবের কারণে তিনি পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং পিতাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে তিনি সিংহাসনের প্রত্যাশী নন। তবুও ন্যায়ের শাসন বজায় রাখতে এবং সাম্রাজ্যের নিরীহ প্রজাদের রক্ষা করতে তিনি পিতার প্রতিনিধি হিসেবে যুদ্ধে যেতে রাজি হন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে যুদ্ধে নিজের ভাইদের কোনো ক্ষতি বা বধ না করে তাদের বন্দি করে পিতার চরণে এনে হাজির করবেন।
৩। জাহানারা কীভাবে পিতা সাজাহানকে তাঁর সম্রাটসুলভ কর্তব্য ও রাজধর্মের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন তা বর্ণনা করো।
উত্তরঃ সাজাহানের কন্যা জাহানারা ছিলেন অত্যন্ত তেজস্বী এবং রাজকর্তব্যের প্রতি অত্যন্ত সচেতন এক নারী। যখন সম্রাট সাজাহান বিদ্রোহী পুত্রদের প্রতি অন্ধ স্নেহের বশে তাদের ক্ষমা করার কথা ভাবছিলেন, তখন জাহানারা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি পিতাকে প্রশ্ন করেন যে এই দুর্বলতা কি ভারত সম্রাট সাজাহানকে মানায় এবং সাম্রাজ্য কি কোনো অন্তপুরের ছেলেখেলা। তিনি মনে করিয়ে দেন যে যখন প্রজারা রাজার বিরুদ্ধে অস্ত্র তোলে, তখন স্নেহের চেয়ে রাজধর্ম ও কর্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি হওয়া উচিত। জাহানারার এই বলিষ্ঠ ও যুক্তিপূর্ণ কথার জেরেই অবশেষে সম্রাট সাজাহান তাঁর দুর্বলতা কাটিয়ে দারাকে বিদ্রোহীদের দমনের আদেশ দেন।
৪। দারার স্ত্রী নাদিরার স্বপ্ন এবং তাঁর যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের কারণ নাট্যাংশ অবলম্বনে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ দারার স্ত্রী নাদিরা ছিলেন যুদ্ধবিরোধী এবং অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের এক নারী। তিনি দারাকে এই আসন্ন ভাইয়ে-ভাইয়ে ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্য ব্যাকুল অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান যে গত রাতে তিনি একটি অত্যন্ত ভয়ানক ও অমঙ্গলজনক দুঃস্বপ্ন দেখেছিলেন। যদিও তিনি পরভেজের কন্যা ছিলেন, তবুও প্রিয়তম স্বামীর অমঙ্গলের আশঙ্কায় তাঁর হৃদয় কেঁপে উঠেছিল। জাহানারার মতো কর্তব্যের চেয়ে নাদিরার কাছে তাঁর স্বামীর জীবন ও সংসার রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই তিনি চোখের জল ফেলে দারাকে যুদ্ধে যেতে বারণ করেছিলেন।
৫। ”পিতা-পুত্র’ নাট্যাংশের নামকরণ এবং এর মধ্য দিয়ে নাট্যকার কী বার্তা দিতে চেয়েছেন তা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ নাট্যাংশটির নামকরণ ‘পিতৃ-পুত্র’ অত্যন্ত সার্থক এবং তাৎপর্যপূর্ণ। পুরো নাটক জুড়েই পিতা সম্রাট সাজাহান এবং তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র দারার মধ্যকার গভীর স্নেহ, শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক সম্পর্কের রসায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বৃদ্ধ সাজাহান তাঁর পুত্রদের অবাধ্যতা সত্ত্বেও তাদের প্রতি গভীর পিতৃস্নেহ দেখিয়েছেন, অন্যদিকে দারাও সাম্রাজ্যের মোহ ত্যাগ করে পিতার সম্মান ও সিংহাসন রক্ষার্থে নিজের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত হয়েছেন। নাট্যকার এই কাহিনীর মধ্য দিয়ে দেখিয়েছেন যে ক্ষমতার লড়াইয়ে মোঘল দরবার কলুষিত হলেও পিতা ও পুত্রের মধ্যকার আত্মিক টান ও স্নেহ চিরকাল পবিত্র ও অমলিন থাকে।

