Class 10 Bengali MIL Important Chapter 17 অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 17 অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 17 অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 17 অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 17

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘অরণ্যপ্রেমিক ও লবটুলিয়ার কাহিনী’ প্রবন্ধটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘অরণ্যপ্রেমিক ও লবটুলিয়ার কাহিনী’ প্রবন্ধটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা। 

২। লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল কত ছিল?

উত্তরঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল ছিল ১৮৯৫-১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ। 

৩। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার ঘোষপাড়া মুরাতিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। 

৪। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় কী কাজ করতেন?

উত্তরঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় জমিদারি এস্টেটের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। 

৫। ‘অরণ্যপ্রেমিক ও লবটুলিয়ার কাহিনী’ অংশটি লেখকের কোন বিখ্যাত উপন্যাসের অন্তর্গত?

উত্তরঃ এই অংশটি লেখকের বিখ্যাত ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের অন্তর্গত। 

৬। লবটুলিয়ার মাঠে মাঠে হলুদ রঙের নক্ষত্রাকৃতির কোন বুনো ফুল বসন্তের আগমন বার্তা জানায়?

উত্তরঃ লবটুলিয়ার মাঠে মাঠে হলুদ রঙের নক্ষত্রাকৃতির বুনো ঘাস ফুল বসন্তের আগমন বার্তা জানায়। 

৭। লেখকের সাথে রাতে ঘোড়ায় চড়ে পূর্ণিয়া যাওয়ার সময় কে গিয়েছিলেন?

উত্তরঃ লেখকের সাথে রাতে ঘোড়ায় চড়ে পূর্ণিয়া যাওয়ার সময় তহশিলদার সুজন সিং গিয়েছিলেন। 

৮। লবটুলিয়ার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত হ্রদের মতো জলাশয়টির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ লবটুলিয়ার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত হ্রদের মতো জলাশয়টির নাম ছিল সরস্বতী কুণ্ডী। 

৯। সরস্বতী কুণ্ডীর তীরে বনের মধ্যে লেখক প্রথম কোন বন্য প্রাণীটি সামনাসামনি দেখেছিলেন?

উত্তরঃ সরস্বতী কুণ্ডীর তীরে বনের মধ্যে লেখক প্রথম একটি বন্য হরিণশাবক সামনাসামনি দেখেছিলেন। 

১০। লেখক দুপুরের সময় সরস্বতী কুণ্ডীর তীরে কাকে একটি শাবল হাতে মাটি খুঁড়তে দেখেছিলেন?

উত্তরঃ লেখক দুপুরের সময় সরস্বতী কুণ্ডীর তীরে যুগলপ্রসাদ নামক এক অদ্ভুত লোককে মাটি খুঁড়তে দেখেছিলেন। 

১১। যুগলপ্রসাদ লবটুলিয়ার পাটোয়ারি বনোয়ারীলালের কে ছিলেন?

উত্তরঃ যুগলপ্রসাদ লবটুলিয়ার পাটোয়ারি বনোয়ারীলালের চাচাতো ভাই ছিলেন। 

১২। যুগলপ্রসাদ বনের মাটিতে কেন নানা গাছের ও ফুলের বীজ পুঁতছিলেন?

উত্তরঃ যুগলপ্রসাদ সম্পূর্ণ নিজের পয়সায় ও বিনা স্বার্থে বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বীজ পুঁতছিলেন।

১৩। যুগলপ্রসাদকে লেখক কত টাকা বেতনে আজমাবাদ কাছারিতে কী চাকরি দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ যুগলপ্রসাদকে লেখক দশ টাকা বেতনে আজমাবাদ কাছারিতে একটি মুহুরির চাকরি দিয়েছিলেন। 

১৪। লেখক কলকাতা এবং ডুয়ার্সের পাহাড় থেকে যুগলপ্রসাদের জন্য কী এনেছিলেন?

উত্তরঃ লেখক কলকাতা থেকে বিদেশি বন্য ফুলের বীজ এবং ডুয়ার্সের পাহাড় থেকে বন্য জুঁইয়ের লতার কাটিং এনেছিলেন। 

১৫। পাঠে উল্লিখিত দুজন বিখ্যাত ইউরোপীয় অভিযাত্রীর নাম লেখো।

উত্তরঃ পাঠে উল্লিখিত দুজন বিখ্যাত ইউরোপীয় অভিযাত্রীর নাম হলো মার্কো পোলো এবং হেনরি হাডসন। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। ‘অরণ্যপ্রেমিক ও লবটুলিয়ার কাহিনী’ পাঠ অবলম্বনে যুগলপ্রসাদের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম ও নিঃস্বার্থ কাজের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ যুগলপ্রসাদ ছিলেন একজন অসাধারণ এবং নিঃস্বার্থ অরণ্যপ্রেমিক। তিনি নিজের পয়সা ও সময় ব্যয় করে লবটুলিয়া ও সরস্বতী কুণ্ডীর বন্য অঞ্চলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য দূর-দূরান্ত থেকে নানা রকম বুনো ফুল ও লতার বীজ সংগ্রহ করে নিয়ে আসতেন এবং বনের মাটিতে রোপণ করতেন। তিনি প্রায় দশ-বারো বছর ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে বুনো গাছ এনে এখানে লাগিয়েছিলেন, যার ফলে আজ সেখানে ফুলের জঙ্গল তৈরি হয়েছে। বনের প্রতি তাঁর এই গভীর ভালোবাসা ও অক্লান্ত পরিশ্রম দেখে লেখক তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠেছিলেন। 

২। সরস্বতী কুণ্ডীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ সরস্বতী কুণ্ডী ছিল লবটুলিয়ার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি গভীর ও নিবিড় বনবেষ্টিত হ্রদের মতো বিশাল জলাশয়। এর তিন দিকে বিশাল বনস্পতি, বিচিত্র লতাপাতা এবং বন্য পুষ্পের নিবিড় সমাবেশ ছিল, যা কুণ্ডীর নীল জলকে অর্ধচন্দ্রাকারে ঘিরে রেখেছিল। দুপুরের শান্ত পরিবেশে এখানে নানা পাখির কুজন শোনা যেত এবং বাতাসে বন্য নিমফুলের সুবাস ছড়াত। রাতে পূর্ণিমার আলোয় সরস্বতী কুণ্ডীর জলরাশি এবং বনের রূপ এক অপার্থিব ও শান্ত স্বপ্নজগতের সৃষ্টি করত।

৩। লেখক এবং সুজন সিং-এর রাতেই ঘোড়ায় চড়ে পূর্ণিয়া যাত্রার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাটি কেমন ছিল তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ একদিন সকালে পূর্ণিয়া কোর্ট থেকে জরুরি তার টেলিগ্রাম পাওয়ার পর লেখককে তহশিলদার সুজন সিংকে সাথে নিয়ে রাতেই ঘোড়ায় চড়ে রওনা হতে হয়। রাতের অন্ধকারে কৃষ্ণপক্ষের আবছা জোছনায় লবটুলিয়া ও মোহনপুরা রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম এবং নির্জন পথ দিয়ে তাঁরা যাচ্ছিলেন। পথে এক জায়গায় বুনো শুয়োর পার হতে দেখে তাঁরা বুনো মোষের ভয়ে শঙ্কিত হন এবং এক পর্যায়ে পথও হারিয়ে ফেলেন। সবশেষে সপ্তর্ষি মণ্ডল ও ধ্রুবতারা দেখে দিক ঠিক করে তাঁরা ভোরে পূর্ণিয়া শহরে পৌঁছান। 

৪। বনের গভীরে হরিণশাবকের সাথে লেখকের সাক্ষাতের সেই মনোরম দৃশ্যটি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ একদিন দুপুরে লেখক সরস্বতী কুণ্ডীর নিবিড় বনের ঝোপের তলায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ পায়ের শব্দ পেয়ে তিনি উঠে বসতেই দেখতে পান লতাপাতার আড়াল থেকে একটি বন্য হরিণশাবক বেরিয়ে এসেছে। হরিণশাবকটি লেখককে দেখে ভয় না পেয়ে বরং গভীর কৌতূহল ও বিস্ময় ভরা চোখ নিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিল এবং আরও একটু এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু হঠাৎ লেখকের ঘোড়াটি পা নাড়া দিলে হরিণশাবকটি চমকে উঠে ঝোপের মধ্য দিয়ে তার মায়ের কাছে ছুটে পালায়। 

৫। “বিদেশের মাটিতে গিয়ে আমি নিজের দেশকে ভালো করে চিনতে পারলাম”— লেখকের এই উপলব্ধির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ লেখক যখন বিহারের লবটুলিয়া ও সরস্বতী কুণ্ডীর রুক্ষ ও জনহীন বন্য পরিবেশে জীবন কাটাচ্ছিলেন, তখন তাঁর মন হঠাৎ বাংলার শান্ত ও সুমধুর রূপের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠত। তিনি দূর প্রবাসে বসেই কল্পনা করতেন বাংলার বাঁধানো পুকুরঘাট, স্নান সেরে ভেজা কাপড়ে বাড়ি ফেরা বধূ, ধারে ঘেঁটুঝোপ এবং বাতাবি লেবুফুলের সুবাসে ভরা অপরাহ্ণ। দেশে থাকার সময় তিনি বাংলার এই অতি সাধারণ রূপের সৌন্দর্য ও গভীরতা কখনো অনুভব করেননি, যা প্রবাসে এসে তাঁর অন্তরে তীব্র দেশপ্রেম ও গভীর অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top