Class 10 Bengali MIL Important Chapter 8 বলাই Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 8 বলাই Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 8 বলাই
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
বলাই
Chapter: 8
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘বলাই’ গল্পটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘বলাই’ গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
২। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল ছিল ১৮৬১-১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ।
৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম সারদা দেবী।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্যে বিশ্ববিশ্রুত নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
৬। গল্পে বলাই ও লেখকের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক কী ছিল?
উত্তরঃ গল্পে বলাই ছিল লেখকের নিজের ভাইপো বা ভ্রাতুষ্পুত্র।
৭। বলাইয়ের প্রকৃতি কেমন ছিল?
উত্তরঃ বলাই শৈশব থেকেই খুব চুপচাপ প্রকৃতির ছিল এবং গাছপালার প্রতি তার এক নিবিড় আকর্ষণ ছিল।
৮। অতি পুরনো বটের কোটরে কোন পাখি বাসা বেঁধেছিল বলে বলাইয়ের মনে হতো?
উত্তরঃ অতি পুরনো বটের কোটরে একজোড়া অতি পুরনো পাখি ‘বেহুমা-বেহুমি’ বাসা বেঁধেছিল বলে বলাই মনে করত।
৯। বলাইয়ের কাছে তার জীবনের সবচেয়ে বিপদের দিন কোনটি ছিল?
উত্তরঃ বলাইয়ের কাছে সবচেয়ে বিপদের দিন ছিল যেদিন ঘাসিয়ারা বাগানের ঘাস ও লতাগুল্ম কাটতে আসত।
১০। বাগানের খোয়া-দেওয়া রাস্তার মাঝখানে কিসের চারা গজিয়ে উঠেছিল?
উত্তরঃ বাগানের খোয়া-দেওয়া রাস্তার মাঝখানে একটি শিমুল গাছের চারা গজিয়ে উঠেছিল।
১১। বলাই কার কাছে মানুষ হয়েছিল?
উত্তরঃ বলাই তার মা মারা যাওয়ার পর নিঃসন্তান কাকীমার স্নেহের কোলে মানুষ হয়েছিল।
১২। বলাইয়ের বাবা তাকে পড়াশোনার জন্য প্রথমে কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ বলাইয়ের বাবা তাকে বিলাতি কায়দায় শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রথমে সিমলাতে নিয়ে গিয়েছিলেন।
১৩। সিমলা থেকে বলাই তার কাকীমার কাছে চিঠিতে কী চেয়ে পাঠিয়েছিল?
উত্তরঃ সিমলা থেকে বলাই তার প্রিয় শিমুল গাছটির একটি ফোটোগ্রাফ বা ছবি চেয়ে পাঠিয়েছিল।
১৪। বলাইয়ের প্রিয় শিমুল গাছটির শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
উত্তরঃ বলাইয়ের প্রিয় শিমুল গাছটিকে লেখক শেষ পর্যন্ত কুড়াল দিয়ে কেটে ফেলেছিলেন।
১৫। শিমুল গাছটি কেটে ফেলার পর বলাইয়ের কাকীমা কী করেছিলেন?
উত্তরঃ শিমুল গাছটি কেটে ফেলার পর ব্যথিত হয়ে কাকীমা সেদিন অন্ন গ্রহণ করেননি এবং লেখকের সঙ্গে অনেকদিন পর্যন্ত কোনো কথা বলেননি।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘বলাই’ গল্পে বলাইয়ের প্রকৃতি-প্রেমের স্বরূপ নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘বলাই’ গল্পে বলাই ছিল অত্যন্ত নিবিড় ও সংবেদনশীল এক প্রকৃতি-প্রেমিক বালক। শৈশব থেকেই সে চারপাশের গাছপালা, লতাগুল্ম ও প্রকৃতির সাথে এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক অনুভব করত। শান্ত দুপুরে ঘাসের ঢালু জমিতে শুয়ে সে নিজের সর্বাঙ্গ দিয়ে ঘাসের স্পর্শ অনুভব করত এবং খিলখিল করে হেসে উঠত। গাছের সবুজ কচি পাতা গজানো দেখলে তার মনে সীমাহীন কৌতুহল ও আনন্দের সৃষ্টি হতো। কেউ ফুল তুললে বা গাছে ঢিল মেরে ফল পাড়লে তার বুকে আঘাত লাগত, যা সে সচরাচর সবার কাছে লুকিয়ে রাখত। ঘাসিয়ারা যখন বুনো লতা ও ছোট ছোট চারা কেটে সাফ করতে আসত, তখন সে তার কাকীমার কাছে গিয়ে ঘাসিয়াদের বারণ করার জন্য ব্যাকুল অনুরোধ জানাত। গাছপালাকে সে নিজের প্রকৃত সহচর ও বন্ধু মনে করত।
২। বলাইয়ের প্রিয় শিমুল গাছটির জন্ম এবং তার প্রতি বলাইয়ের যত্নের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ একদিন সকালে বলাই তার কাকার হাত ধরে বাগানের রাস্তার মাঝখানে গজিয়ে ওঠা একটি ছোট্ট শিমুল চারা দেখায়। চারাটি যখন মাত্র অঙ্কুরিত হয়েছিল, তখন থেকেই তা বলাইয়ের নজরে পড়েছিল। বলাই প্রতিদিন নিজে হাতে সেই চারায় জল দিত এবং চারাটি কতটুকু বড় হলো তা গভীর ব্যাকুলতা নিয়ে প্রতিদিন সকাল-বিকাল পর্যবেক্ষণ করত। গাছটি যখন হাত-দুয়েক উঁচু হয়ে সুন্দর পাতা মেলল, তখন বলাই তাকে এক আশ্চর্য গাছ বলে মনে করল। লেখক যখন রাস্তার মাঝখানে থাকায় চারাটিকে উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন, তখন বলাই কাকার পায়ে ধরে তা কাটতে বারণ করে। কাকার কাছে কোনো সাহায্য না পেয়ে সে কেঁদে কেঁদে তার কাকীমার কাছে যায় এবং কাকীমার হস্তক্ষেপে গাছটি সাময়িকভাবে রক্ষা পায়।
৩। বলাই সিমলায় চলে যাওয়ার পর তাঁর কাকীমার মনের অবস্থা এবং শূন্য ঘরের বেদনা কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ বলাইয়ের মা শৈশবেই মারা যাওয়ায় সে তার নিঃসন্তান কাকীমার পরম যত্নে ও স্নেহে মানুষ হয়েছিল। দীর্ঘ দশ বছর পর বলাইয়ের বাবা বিলাত থেকে ফিরে এসে তাকে বিলাতি কায়দায় শিক্ষা দেওয়ার জন্য সিমলায় নিয়ে যান। স্নেহের বলাইকে হারিয়ে কাকীমার ঘর একেবারে শূন্য হয়ে যায়। তিনি গোপনে চোখের জল মুছতেন এবং বলাইয়ের ফেলে যাওয়া ভাঙা খেলনা, ছেঁড়া একপাটি জুতো, রাবারের ফাটা বল ও ছবিওয়ালা বই নেড়েচেড়ে সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করতেন। বলাই বড় হয়ে যাচ্ছে এবং তাঁর কোল থেকে চিরতরে দূরে চলে গেছে—এই চিন্তা করে তিনি দিন কাটাতেন। বলাইয়ের অনুপস্থিতিতে ঘরের শূন্যতা এবং কাকীমার মাতৃত্বের তীব্র বেদনা বলাইয়ের চলে যাওয়ার পর অত্যন্ত করুণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৪। শিমুল গাছটি কেটে ফেলার পর বলাইয়ের কাকীমার প্রতিক্রিয়া এবং তাঁর নীরব প্রতিবাদের চিত্রটি বর্ণনা করো।
উত্তরঃ সিমলা থেকে বলাই তার প্রিয় শিমুল গাছের একটি ফোটোগ্রাফ চেয়ে কাকীমাকে চিঠি লিখেছিল। কাকীমা যখন লেখককে একজন ফোটোগ্রাফার ডেকে আনতে বলেন, তখন লেখক জানান যে গাছটি আগেই কেটে ফেলা হয়েছে। এই নির্মম সত্যটি শোনার পর কাকীমার বুক ভেঙে যায় এবং তিনি গভীর শোকে সেদিন অন্ন গ্রহণ করেননি। বলাইকে যখন তার বাবা নিয়ে চলে গিয়েছিল, তখন তাঁর মনে হয়েছিল যেন তাঁর নাড়ি ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে; আর এখন লেখক বলাইয়ের প্রিয় শিমুল গাছটিকে কেটে ফেলে কাকীমার বুকে চিরকালের মতো এক গভীর ক্ষত করে দিলেন। এই শোকে ও ক্ষোভে কাকীমা লেখকের সাথে দীর্ঘকাল একটি কথাও বলেননি, যা ছিল তাঁর অন্তরের এক তীব্র ও নীরব প্রতিবাদ।
৫। “ওই গাছ যে ছিল তার বলাইয়ের প্রতিরূপ, তারই প্রাণের দোসর।”— উক্তিটির তাৎপর্য গল্প অবলম্বনে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে লেখক বলাইয়ের সাথে শিমুল গাছটির নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য আত্মিক সম্পর্ককে প্রকাশ করেছেন। বলাইয়ের মা ছিল না, সে ছিল অত্যন্ত নিঃসঙ্গ ও স্পর্শকাতর এক শিশু, যার মনের ব্যথা বোঝার মতো চারপাশের জগতে কেউ ছিল না। কিন্তু বাগানের এই অবাধ্য শিমুল গাছটি ছিল বলাইয়ের মতোই আপন মনে বেড়ে ওঠা এক বুনো ও সরল প্রাণ। বলাই প্রতিদিন গাছটির যত্ন নিত, তার সাথে মনে মনে কথা বলত এবং তাকে নিজের হৃদয়ের দোসর বা চিরসঙ্গী করে তুলেছিল। গাছটি কেটে ফেলার অর্থ ছিল বলাইয়ের শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকুও চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া। তাই শিমুল গাছটির বিলুপ্তি কেবল একটি উদ্ভিদের মৃত্যু ছিল না, তা ছিল বলাইয়ের প্রাণসত্তারই এক অংশকে চিরতরে ধূলিসাৎ করে দেওয়া।

