Class 10 Bengali MIL Important Chapter 5 আবার আসিব ফিরে

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 5 আবার আসিব ফিরে Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 5 আবার আসিব ফিরে Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.

Class 10 Bengali MIL Important Chapter 5 আবার আসিব ফিরে

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশের রচনা। 

২। কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনকাল কত ছিল?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনকাল ছিল ১৮৯৯-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ। 

৩। জীবনানন্দ দাশ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। 

৪। কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান ছিল পূর্ববঙ্গের বরিশাল শহরে। 

৫। কবি জীবনানন্দ দাশ জীবিকার জন্য কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ জীবিকার জন্য বিভিন্ন কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপনা করতেন। 

৬। জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘ঝরা পালক’।

৭। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে জীবনানন্দ দাশের কোন গ্রন্থটিকে গণ্য করা হয়?

উত্তরঃ ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটিকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।

৮। ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি কবির ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

৯। কবি জীবনানন্দ দাশ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ২২ অক্টোবর একটি ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। 

১০। কবিতায় ‘ধানসিঁড়ি’ এবং ‘শঙ্খচিল’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ কবিতায় ‘ধানসিঁড়ি’ হলো বাংলাদেশের একটি নদী এবং ‘শঙ্খচিল’ হলো শঙ্খের মতো সাদা বুকবিশিষ্ট এক প্রকার চিল।

১১। ‘ঘুঙুর’ এবং ‘নীড়’ শব্দ দুটির আভিধানিক অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘ঘুঙুর’ শব্দের অর্থ হলো নূপুর বা পায়েল এবং ‘নীড়’ শব্দের অর্থ হলো পাখির বাসা। 

১২। ‘সুদর্শন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ ‘সুদর্শন’ বলতে দেখতে খুব সুন্দর এক প্রকার পাখি অথবা আকাশে উড়ন্ত ঘুড়ি, ফড়িং বা উইপোকা জাতীয় এক প্রকার পতঙ্গকে বোঝানো হয়েছে।

১৩। নবান্ন উৎসব সাধারণত বাংলার কোন মাসে পালিত হয়?

উত্তরঃ নবান্ন উৎসব সাধারণত বাংলার অগ্রহায়ণ মাসে পালিত হয়। 

১৪। নবান্ন উৎসবে সমাগত আত্মীয়দের কী পরিবেশন করা হয়?

উত্তরঃ নবান্ন উৎসবে সমাগত আত্মীয়দের নতুন চালের ভাত ও নতুন গুড়ের মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়।

১৫। কার ডানা বেয়ে রাঙা মেঘ সন্ধ্যায় নীড়ে ফিরে আসে?

উত্তরঃ ধবল বকের ডানা বেয়ে রাঙা মেঘ সন্ধ্যায় নীড়ে ফিরে আসে।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার মূল ভাব বা সারসংক্ষেপ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশের দেশমাতৃকা বাংলার প্রতি গভীর ও নিবিড় ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। কবি বিশ্বাস করেন যে মৃত্যুর পরও মানুষের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায় না, বরং পুনর্জন্মের মাধ্যমে তিনি আবার এই বাংলার বুকেই ফিরে আসবেন। তিনি হয়তো মানুষ হয়ে ফিরবেন না, কিন্তু শঙ্খচিল, শালিক, ভোরের কাক, হাঁস বা কিশোরের ডিঙি নৌকার রূপ ধরে এই বাংলার সবুজ মাঠ, ঘাট ও নদীকে ভালোবেসে ফিরে আসবেন। বাংলার জল, বাতাস, কুয়াশা আর প্রকৃতির রূপের মাঝে নিজেকে বিলীন করে দেওয়াই কবির একমাত্র চরম আকাঙ্ক্ষা। মৃত্যুর পরও বাংলার প্রকৃতির সাথে তাঁর এই অবিচ্ছেদ্য আত্মিক বন্ধনই কবিতার মূল কথা। 

২। কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ কীভাবে পুনর্জন্মের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন তা নিজের ভাষায় বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ কবি অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে মৃত্যুর পর মানুষের আরেকটি জন্ম বা পরজন্ম রয়েছে। তাই তিনি মৃত্যুর পর পুনরায় এই পৃথিবীর বুকেই, বিশেষ করে তাঁর জন্মভূমি বাংলায় ফিরে আসতে চান। কবি মৃত্যুর পর মানুষ হিসেবে ফিরে না এলেও বাংলার পক্ষীকুল বা অন্য কোনো প্রাণীরূপে ফিরে আসার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি হয়তো শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে, ভোরের কাক হয়ে কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে আসবেন। অথবা কোনো কিশোরীর পায়ের লাল ঘুঙুর হয়ে সারাদিন কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে বেড়াবেন। এভাবে বাংলার প্রতিটি উপাদানের মাঝে কবি বারবার ফিরে আসার ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছেন। 

৩। “আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে— এই বাংলায়” — উক্তিটির তাৎপর্য কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তরঃ এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি জীবনানন্দ দাশের তাঁর জন্মভূমি বাংলার প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ এবং টান প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলার ধানসিঁড়ি নদীর তীরবর্তী রূপসী প্রকৃতিকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। তিনি মনে করেন যে মৃত্যুর পর তাঁর জীবনাবসান ঘটলেও বাংলার নদী, মাঠ ও ফসলের ক্ষেতের মায়া তিনি ত্যাগ করতে পারবেন না। তাই তিনি মৃত্যুর পরেও পুনর্জন্মের মাধ্যমে পুনরায় এই বাংলার বুকেই এবং ধানসিঁড়ি নদীর তীরে ফিরে আসতে চান। বাংলার সাধারণ নদী ও মাঠের প্রতি কবির এই আত্মিক টান এবং মরণোত্তর ফিরে আসার আকুলতাই এই চরণে চমৎকারভাবে ব্যক্ত হয়েছে। 

৪। কবি জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থের পরিচয় দাও এবং তাঁর কবি-প্রকৃতির বিশেষত্ব আলোচনা করো।

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ রবীন্দ্র-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত বিশিষ্ট এবং মৌলিক ভাবনার কবি ছিলেন। তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘ঝরা পালক’। এছাড়াও তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘রূপসী বাংলা’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘সাতটি তারার তিমির’ এবং তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ‘বনলতা সেন’। জীবনানন্দ দাশের কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গভীর চিত্ররূপময়তা, যেখানে প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ অত্যন্ত সার্থকভাবে ফুটে ওঠে। তাঁর কবিতায় যেমন গভীর ইতিহাস-চেতনা ও বিপন্ন মানবতার বেদনা রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রকৃতির প্রতি এক নিবিড় ও মরমী আকর্ষণ। 

৫। ‘নবান্ন উৎসব’ বলতে কী বোঝায় এবং এই উৎসবের সামাজিক গুরুত্ব সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ নবান্ন উৎসব হলো বাংলার এক প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী কৃষি-উৎসব। হেমন্তকালে বাংলার কৃষকেরা তাদের প্রধান ফসল আমন বা শালি ধান কাটার পর অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই উৎসবের আয়োজন করে থাকে। সাধারণত বাংলার অগ্রহায়ণ মাসে গ্রামের মানুষেরা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে এই উৎসব পালন করে। এই উৎসবের অন্যতম প্রধান সামাজিক গুরুত্ব হলো এটি গ্রামীণ জীবনে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলার সৃষ্টি করে। উৎসবে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিমন্ত্রণ করা হয় এবং তাদের নতুন ধানের চালের ভাত ও নতুন খেজুর গুড়ের হরেক রকম মিষ্টান্ন বা পিঠেপুলি পরিবেশন করা হয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top