Class 10 Bengali MIL Important Chapter 4 প্রতিনিধি Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 4 প্রতিনিধি Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 4 প্রতিনিধি
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
প্রতিনিধি
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘প্রতিনিধি’ কবিতাটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘প্রতিনিধি’ কবিতাটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
২। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল ছিল ১৮৬১-১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ।
৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম ছিল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাতার নাম ছিল সারদা দেবী।
৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ইংরেজি ‘গীতাঞ্জলি’ গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
৮। শিবাজীর গুরুর নাম কী ছিল?
উত্তরঃ শিবাজীর গুরুর নাম ছিল রামদাস।
৯। ‘প্রতিনিধি’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘প্রতিনিধি’ কবিতাটি কবির ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
১০। শিবাজী দুর্গের শিখরে দাঁড়িয়ে সকালবেলায় কী দেখতে পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ শিবাজী দুর্গের শিখরে দাঁড়িয়ে সকালবেলায় তাঁর গুরু রামদাসকে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে দেখতে পেয়েছিলেন।
১১। শিবাজী তাঁর গুরুকে কী দান করেছিলেন?
উত্তরঃ শিবাজী একটি পত্রে লিখে তাঁর গুরুকে নিজের সমগ্র রাজ্য ও রাজধানী দান করেছিলেন।
১২। গুরু রামদাস শিবাজীর দান করা রাজ্য কীভাবে ফেরত দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ গুরু রামদাস শিবাজীকে নিজের প্রতিনিধি বানিয়ে তাঁর নামে রাজ্য শাসন করার আদেশ দিয়ে রাজ্য ফেরত দিয়েছিলেন।
১৩। শিবাজীর গুরুর পতাকার রং কেমন ছিল?
উত্তরঃ শিবাজীর গুরুর আশীর্বাদী গেরুয়া বস্ত্রের অনুকরণে শিবাজীর পতাকার রং ছিল গেরুয়া।
১৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বোলপুরে যে আশ্রম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বোলপুরে যে আশ্রম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা বর্তমানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত।
১৫। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘প্রতিনিধি’ কবিতার মূল কাহিনি বা সারাংশ সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ একদিন সকালে মারাঠা বীর শিবাজী দুর্গের ওপর থেকে দেখতে পান তাঁর গুরু রামদাস দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছেন। গুরুর এই দশা দেখে শিবাজী অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং একটি পত্রে নিজের সমস্ত রাজ্য গুরুকে দান করে তাঁর পায়ে সঁপে দেন। গুরু রামদাস পরদিন শিবাজীর কাছে এসে তাঁর এই ত্যাগে সন্তুষ্ট হন এবং তাঁকে নিজের ঝুলি দিয়ে সাথে নিয়ে ভিক্ষা করতে বের হন। দিনশেষে গুরু রামদাস শিবাজীকে বলেন যে এই রাজ্য ঈশ্বরের এবং শিবাজী কেবল ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে গেরুয়া পতাকা ধারণ করে তা শাসন করবেন।
২। গুরু রামদাস কীভাবে শিবাজীকে পরীক্ষা করেছিলেন এবং তার ফলাফল কী হয়েছিল?
উত্তরঃ গুরু রামদাস শিবাজীর ত্যাগ ও ভক্তির গভীরতা পরীক্ষা করার জন্য তাঁকে সাথে নিয়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে বের হন। রাজবেশ ত্যাগ করে শিবাজী গুরুর আদেশ পালন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষার পাত্র হাতে ঘোরেন। রাজার এই অবস্থা দেখে প্রজারা লজ্জিত হয়ে কাঁপতে কাঁপতে ভিক্ষা দান করে। শিবাজী কোনো দ্বিধা না করে অত্যন্ত নম্রতার সাথে গুরুর সেবক হিসেবে এই কঠিন পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। শিবাজীর এই গভীর ত্যাগে প্রীত হয়ে গুরু রামদাস তাঁকে পুনরায় রাজ্য শাসনভার অর্পণ করেন।
৩। ‘প্রতিনিধি’ কবিতা অবলম্বনে শিবাজীর গুরুভক্তি এবং ত্যাগ স্বীকারের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ মারাঠা অধিপতি শিবাজী তাঁর গুরু রামদাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ও অনুগত ছিলেন। গুরুকে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে দেখে তিনি নিজের রাজকীয় অহংকার বিসর্জন দিয়ে সমস্ত রাজ্য গুরুর চরণে দান করেন। গুরুর আদেশে তিনি মুহূর্তের মধ্যে রাজকীয় গৌরব ভুলে ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে নিয়ে পথে বের হতে দ্বিধা করেননি। তিনি স্পষ্ট জানান যে গুরুর দাসত্ব করতে পারলে তাঁর জীবন ধন্য হবে এবং তিনি পরম আনন্দ লাভ করবেন। শিবাজীর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও গুরুভক্তি ভারতীয় সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল আদর্শকে তুলে ধরে।
৪। প্রকৃত রাজধর্ম বলতে কী বোঝায় এবং গুরু রামদাস শিবাজীকে কীভাবে তা বুঝিয়েছিলেন?
উত্তরঃ প্রকৃত রাজধর্ম হলো প্রজাদের শাসন করা নিজের স্বার্থ বা ভোগের জন্য নয়, বরং ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে। গুরু রামদাস শিবাজীকে বুঝিয়েছিলেন যে রাজ্যটি আসলে রাজার নিজের নয়, তা ঈশ্বরের সম্পত্তি। রাজাকে হতে হবে আসক্তিহীন এবং চরম ভোগবিলাস থেকে দূরে থাকা এক রাজর্ষি সদৃশ ব্যক্তি। শিবাজীকে তিনি তাঁর প্রতিনিধি বানিয়ে গেরুয়া পতাকা দিয়ে রাজ্য পুনরায় শাসন করার নির্দেশ দেন। এইভাবে গুরু রামদাস শিবাজীকে বুঝিয়েছিলেন যে নিষ্কামভাবে প্রজাকল্যাণ করাই হলো প্রকৃত রাজধর্ম।
৫। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক অবদান এবং তাঁর বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বিস্তারিত লেখো।
উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং বহু গুণে গুণান্বিত এক মহান পুরুষ। তিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক এবং অনন্য চিত্রশিল্পী ছিলেন। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি তাঁর ইংরেজি ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য এশিয়ার মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯০১ সালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে তিনি যে আশ্রম বিদ্যালয় গড়ে তুলেছিলেন তা আজ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় নামে বিখ্যাত। তাঁর সুবিপুল সাহিত্যসম্ভার এবং শিক্ষাভাবনা সমগ্র বিশ্বকে আজও গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

