Class 10 Bengali MIL Important Chapter 6 সাগর সঙ্গমে নবকুমার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 6 সাগর সঙ্গমে নবকুমার Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 6 সাগর সঙ্গমে নবকুমার
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
সাগর সঙ্গমে নবকুমার
Chapter: 6
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’ পাঠ্যাংশটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’ পাঠ্যাংশটি কালজয়ী ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা।
২। ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’ পাঠ্যাংশটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছে?
উত্তরঃ এই পাঠ্যাংশটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছে।
৩। সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
৪। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতার নাম ছিল যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৫। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাসের নাম কী এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাসের নাম ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
৬। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম ইংরেজি উপন্যাসের নাম কী?
উত্তরঃ তাঁর রচিত প্রথম ইংরেজি উপন্যাসের নাম ‘Rajmohan’s Wife’।
৭। মূল গল্পের নায়ক নবকুমার কোন স্থানের অধিবাসী ছিলেন?
উত্তরঃ নবকুমার সপ্তগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।
৮। নবকুমার কেন সমুদ্রতীরের গভীর বনে প্রবেশ করেছিলেন?
উত্তরঃ সহযাত্রীদের রান্নার জ্বালানির জন্য শুকনো কাঠ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নবকুমার হাতে একটি দা নিয়ে নদী তীরের ঘন বনে প্রবেশ করেছিলেন।
৯। সহযাত্রীরা নবকুমারকে নির্জন স্থানে ফেলে চলে গেল কেন?
উত্তরঃ বনে কাঠ সংগ্রহে নবকুমারের কিছুটা সময় লাগে, ইতিমধ্যে জোয়ার চলে আসায় প্রবল স্রোতের টানে নৌকা ভেসে যায় এবং বাধ্য হয়ে সহযাত্রীরা তাঁকে ফেলেই চলে যায়।
১০। গভীর রাতে আলো লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়ে নবকুমার কার দর্শন পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ গভীর রাতে বহুদূরে আলো দেখে এগিয়ে গিয়ে নবকুমার এক ভয়াল ও ধ্যানমগ্ন কাপালিকের দর্শন পেয়েছিলেন।
১১। কাপালিকের পর্ণকুটিরে নবকুমার কীভাবে ক্ষুধা ও তৃষ্ণা নিবারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ কাপালিকের পর্ণকুটিরে রাখা সামান্য ফলমূল খেয়ে এবং ঘটিতে রাখা জল পান করে নবকুমার ক্ষুধা ও তৃষ্ণা নিবারণ করেছিলেন।
১২। “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?”—উক্তিটি কার?
উত্তরঃ এই বিখ্যাত উক্তিটি কাপালিকের পালিত কন্যা কপালকুণ্ডলার।
১৩। নবকুমারের দেখা কাপালিকের আনুমানিক বয়স কত ছিল?
উত্তরঃ নবকুমারের বর্ণনানুসারে কাপালিকের বয়স ছিল প্রায় পঞ্চাশ বছর।
১৪। কপালকুণ্ডলা কীভাবে কাপালিকের হাত থেকে নবকুমারের প্রাণ রক্ষা করেছিলেন?
উত্তরঃ কপালকুণ্ডলা কৌশল অবলম্বন করে কাপালিকের খড়্গ চুরি করেন এবং নবকুমারকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে তাঁর প্রাণ রক্ষা করেন।
১৫। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ৮ এপ্রিল পরলোক গমন করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। নবকুমার কীভাবে নির্জন সমুদ্রতীরে একাকী পরিত্যক্ত হয়েছিলেন, তার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ নবকুমার গঙ্গাসাগরে স্নান সেরে যাত্রী দলের সঙ্গে নৌকায় করে দেশে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে রসুলপুরের কাছে ঘন কুয়াশার কারণে দিক নির্ণয় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং প্রবল স্রোতের টানে নৌকাটিকে তীরে ভেড়াতে হয়। নৌকায় রান্নার কাঠ না থাকায় সাহসী যুবক নবকুমার হাতে একটি দা নিয়ে নদী তীরের ঘন বনে প্রবেশ করেন। বনের গভীরে কাঠ সংগ্রহে তাঁর কিছুটা বিলম্ব ঘটে। ইতোমধ্যে নদীতে জোয়ার চলে এলে প্রবল স্রোতে নৌকা ভেসে যায় এবং সঙ্গীগণ তাঁকে রেখেই চলে যেতে বাধ্য হন। এইভাবে জনমানবহীন ও ভয়াল সমুদ্রতীরে নবকুমার একাকী ও অসহায় অবস্থায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়েন।
২। সমুদ্রতীরে আলো দেখে এগিয়ে গিয়ে নবকুমার কাপালিককে কী অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ গভীর রাতে নির্জন বালিয়াড়িতে শুয়ে থাকা অবস্থায় নবকুমার বহুদূরে একটি আলোকবিন্দু দেখতে পান এবং আশার আলো দেখে সেদিকে ধাবিত হন। সেখানে পৌছে উঁচু বালিয়াড়ির চূড়ায় তিনি এক ভয়ঙ্কর চেহারার কাপালিককে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় দেখতে পান। কাপালিকের বয়স ছিল প্রায় পঞ্চাশ বছর, কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত ব্যাঘ্রচর্মে আবৃত এবং গলায় রুদ্রাক্ষের মালা পরা ছিল। তিনি একটি গলিত ছিন্নশীর্ষ শবদেহের ওপর বসে যোগাসনে ধ্যান করছিলেন। তাঁর সামনে একটি নরকপাল এবং তাতে রক্তবর্ণ তরল পদার্থ রাখা ছিল, আর চারপাশে ছড়ানো ছিল মানুষের হাড়। এই ভীতিপ্রদ দৃশ্য দেখে নবকুমার স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।
৩। কাপালিকের পর্ণকুটিরে কাটানো নবকুমারের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
উত্তরঃ কাপালিকের আদেশে নবকুমার তাঁর অনুগামী হয়ে গহন বনের ভেতর অবস্থিত একটি পর্ণকুটিরে উপস্থিত হন। কলাপাতা ও গাছের পাতায় তৈরি সেই কুটিরে আগুন জ্বালানো ছিল এবং ভেতরে কিছু ব্যাঘ্রচর্ম, এক কলস জল ও সামান্য ফলমূল রাখা ছিল। চরম ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কাতর নবকুমার কাপালিকের অনুমতি পেয়ে সেখানে রাখা ফলমূল আহার করেন এবং ঘটির জল পান করে প্রাণ বাঁচান। সারাদিনের অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমে কাতর নবকুমার এরপর একটি ব্যাঘ্রচর্মের ওপর শয়ন করতেই দ্রুত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। পরদিন প্রভাতে উঠে তিনি সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথ খোঁজার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন।
৪। সমুদ্রতীরে নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার প্রথম সাক্ষাতের দৃশ্যটি আলোচনা করো।
উত্তরঃ দ্বিতীয় দিন অপরাহ্ণে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে নবকুমার পথ হারিয়ে ফেলেন এবং সন্ধ্যার অন্ধকারে সমুদ্রতীরে ঘুরে বেড়াতে থাকেন। সূর্যাস্তের অমলিন আলোয় সমুদ্রের অপার রূপ দেখতে দেখতে হঠাৎ তিনি পিছন ফিরে এক অলৌকিক সৌন্দর্যময়ী তরুণীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। সেই নবযুবতীর অসংযত ঘন কৃষ্ণ কেশরাশি হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং তাঁর মুখমণ্ডলে অপূর্ব শোভা পাচ্ছিল। নির্জন সাগরকূলে সেই রূপসী নারী নিস্পন্দ চোখে চেয়ে অতীব মৃদুস্বরে বলে ওঠেন, “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?”। এই সুমধুর বাণী নবকুমারের হৃদয়ে গভীরভাবে রেখাপাত করে এবং তিনি মন্ত্রমুগ্ধের মতো সেই সুন্দরি নারীর অনুসরণ করে পুনরায় কুটিরে ফিরে আসেন।
৫। ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’ পাঠ্যাংশের কাহিনি অবলম্বনে কাপালিক ও কপালকুণ্ডলার চরিত্রগত বৈপরীত্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’ পাঠ্যাংশে কাপালিক হলেন এক নিষ্ঠুর, তান্ত্রিক ও ভয়াল প্রকৃতির সাধক। তিনি নির্জন বনে নরকপাল ও শবদেহের ওপর বসে বামাচারী সাধনা করতেন এবং নবকুমারকে দেবীর উদ্দেশ্যে বলি দেওয়ার ঘৃণ্য চক্রান্ত করেছিলেন। তাঁর আচরণে কোনো দয়া বা মানবিকতার স্থান ছিল না। অন্যদিকে, কাপালিকের পালিত কন্যা কপালকুণ্ডলা হলেন দয়াবতী, সরল ও মানবিক গুণসম্পন্ন এক বনচারিনী নারী। কাপালিকের নৃশংস পরিকল্পনার কথা বুঝতে পেরে তিনি কৌশলে কাপালিকের খড়্গ চুরি করেন এবং নিজের প্রাণ বিপন্ন করে নবকুমারকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যান। এইভাবেই তান্ত্রিক কাপালিকের হিংস্রতা ও কপালকুণ্ডলার করুণাময় মানবিক রূপের এক স্পষ্ট বৈপরীত্য গল্পটিতে ফুটে উঠেছে।

