Class 11 Political Science MCQ Chapter 18 ধর্মনিরপেক্ষতা Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science MCQ Chapter 18 ধর্মনিরপেক্ষতা Solutions and select need one. Class 11 Political Science Objective Type Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Multiple Choice Questions Bengali Medium.
Class 11 Political Science MCQ Chapter 18 ধর্মনিরপেক্ষতা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science MCQs in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science MCQ in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
ধর্মনিরপেক্ষতা
Chapter: 18
| Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব |
| MCQ |
১। রাজনৈতিক তত্ত্বে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ ধারণার মূল লক্ষ্য কী?
(ক) সমাজ থেকে সমস্ত ধর্মকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা।
(খ) আন্তঃধর্মীয় ও অন্তঃধর্মীয় আধিপত্যের অবসান ঘটানো এবং সকল ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
(গ) একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঘোষণা করা।
(ঘ) কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অধিকার রক্ষা করা।
উত্তরঃ (খ) আন্তঃধর্মীয় ও অন্তঃধর্মীয় আধিপত্যের অবসান ঘটানো এবং সকল ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
২। একটি ধর্মীয় সম্প্রদায় কর্তৃক অন্য একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ওপর আধিপত্য বিস্তারকে কী বলা হয়?
(ক) অন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
(খ) আন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
(গ) অর্থনৈতিক আধিপত্য।
(ঘ) সাংস্কৃতিক সুসংহতি।
উত্তরঃ (খ) আন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
৩। একই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভেতরে এক গোষ্ঠী কর্তৃক অন্য গোষ্ঠীর ওপর আধিপত্যকে কী বলা হয়?
(ক) আন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
(খ) অন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
(গ) আন্তর্জাতিক সংঘাত।
(ঘ) রাজনৈতিক জোট।
উত্তরঃ (খ) অন্তঃধর্মীয় আধিপত্য।
৪। পাশ্চাত্য ধর্মনিরপেক্ষতার মূল ভিত্তি কোনটি?
(ক) ধর্ম ও রাষ্ট্রের পারস্পরিক কঠোর পৃথকীকরণ বা দূরত্ব।
(খ) ধর্মে রাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ।
(গ) রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্ম প্রচার করা।
(ঘ) কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে অনুদান দেওয়া।
উত্তরঃ (ক) ধর্ম ও রাষ্ট্রের পারস্পরিক কঠোর পৃথকীকরণ বা দূরত্ব।
৫। আমেরিকান ধর্মনিরপেক্ষতার মডেলে রাষ্ট্র ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক কেমন?
(ক) রাষ্ট্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত হস্তক্ষেপ করে।
(খ) রাষ্ট্র এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান একে অপরের বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ বা সাহায্য করতে পারে না।
(গ) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করে।
(ঘ) রাষ্ট্র কেবল চার্চের প্রতিনিধি নিয়োগ করে।
উত্তরঃ (খ) রাষ্ট্র এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান একে অপরের বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ বা সাহায্য করতে পারে না।
৬। ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার মডেলের সাথে পাশ্চাত্য মডেলের প্রধান পার্থক্য কী?
(ক) ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতা কেবল রাজতন্ত্র সমর্থন করে।
(খ) ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতায় রাষ্ট্র ধর্মে ‘নীতি নির্ধারিত দূরত্ব’ বজায় রেখে প্রয়োজনমতো হস্তক্ষেপ করতে পারে।
(গ) ভারতে কোনো ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই।
(ঘ) পাশ্চাত্য মডেলে বেশি ধর্মীয় উৎসব পালন হয়।
উত্তরঃ (খ) ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতায় রাষ্ট্র ধর্মে ‘নীতি নির্ধারিত দূরত্ব’ বজায় রেখে প্রয়োজনমতো হস্তক্ষেপ করতে পারে।
৭। ‘নীতি নির্ধারিত দূরত্ব’ বলতে ভারতীয় সংবিধানের ক্ষেত্রে কী বোঝায়?
(ক) রাষ্ট্র সমস্ত ধর্ম থেকে সমান দূরত্ব বজায় রাখবে, কিন্তু সামাজিক ন্যায় ও সমতা রক্ষায় প্রয়োজন অনুসারে ধর্মে সংস্কারমূলক হস্তক্ষেপ করতে পারবে।
(খ) রাষ্ট্র ধর্মকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করবে।
(গ) রাষ্ট্র কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের কথা শুনবে।
(ঘ) রাষ্ট্র কোনো আইন তৈরি করবে না।
উত্তরঃ (ক) রাষ্ট্র সমস্ত ধর্ম থেকে সমান দূরত্ব বজায় রাখবে, কিন্তু সামাজিক ন্যায় ও সমতা রক্ষায় প্রয়োজন অনুসারে ধর্মে সংস্কারমূলক হস্তক্ষেপ করতে পারবে।
৮। ভারতীয় রাষ্ট্র কোন সামাজিক ব্যভিচার ও বৈষম্য দূর করতে হিন্দু ধর্মের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপ করেছিল?
(ক) ব্যবসায়িক লেনদেন।
(খ) অস্পৃশ্যতা রদ ও দলিতদের মন্দিরে প্রবেশের অধিকার প্রদান।
(গ) উৎসবে গান গাওয়া।
(ঘ) পোশাকের রঙ নির্ধারণ।
উত্তরঃ (খ) অস্পৃশ্যতা রদ ও দলিতদের মন্দিরে প্রবেশের অধিকার প্রদান।
৯। সমালোচকরা ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রায়শই ‘পাশ্চাত্যের আমদানি’ বলে অভিযোগ করেন কেন?
(ক) কারণ এটি মূলত ইউরোপীয় গির্জা ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণের ইতিহাস থেকে এসেছে বলে মনে করা হয়।
(খ) কারণ এটি সংস্কৃতি নষ্ট করে।
(গ) কারণ এটি কেবল ইংরেজি ভাষায় লেখা।
(ঘ) কারণ এটি ভারতে সফল হয়নি।
উত্তরঃ (ক) কারণ এটি মূলত ইউরোপীয় গির্জা ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণের ইতিহাস থেকে এসেছে বলে মনে করা হয়।
১০। ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতাকে কেন সম্পূর্ণ ‘পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ’ বলা যায় না?
(ক) কারণ এটি ভারতের বহুসাংস্কৃতিক ও বহুধর্মীয় বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং ধর্মীয় সহাবস্থান ও সংখ্যালঘু অধিকারকে গুরুত্ব দেয়।
(খ) কারণ এটি ইউরোপে চালু ছিল না।
(গ) কারণ এটি কেবল প্রাচীন ভারতের আইন।
(ঘ) কারণ এটি কোনো সংবিধানে নেই।
উত্তরঃ (ক) কারণ এটি ভারতের বহুসাংস্কৃতিক ও বহুধর্মীয় বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং ধর্মীয় সহাবস্থান ও সংখ্যালঘু অধিকারকে গুরুত্ব দেয়।
১১। ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একটি প্রধান অভিযোগ হলো এটি ‘সংখ্যালঘুবাদ’-কে প্রশ্রয় দেয়। এই অভিযোগের মূল বক্তব্য কী?
(ক) এটি কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠদের সুবিধা দেয়।
(খ) এটি সংখ্যালঘুদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি বৈষম্য করে বলে দাবি করা হয়।
(গ) এটি নির্বাচন বন্ধ করে দেয়।
(ঘ) এটি বৈদেশিক নীতিতে প্রভাব ফেলে।
উত্তরঃ (খ) এটি সংখ্যালঘুদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি বৈষম্য করে বলে দাবি করা হয়।
১২। ‘সংখ্যালঘুবাদ’-এর জবাব হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে কী বলা হয়েছে?
(ক) সংখ্যালঘু অধিকার কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং এটি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও অস্তিত্ব রক্ষার এক ন্যায্য অধিকার।
(খ) এটি সংখ্যাগরিষ্ঠদের ক্ষতি করার জন্য দেওয়া হয়।
(গ) এটি কেবল ভোটের কৌশল।
(ঘ) এটি সংবিধানের বিরোধী।
উত্তরঃ (ক) সংখ্যালঘু অধিকার কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং এটি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও অস্তিত্ব রক্ষার এক ন্যায্য অধিকার।
১৩। ভারতীয় সংবিধানে সংখ্যালঘুদের নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার অধিকার দেওয়া হয়েছে কেন?
(ক) যাতে তারা সমাজে একঘরে হতে পারে।
(খ) যাতে তারা তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় পরিচয় বজায় রাখতে ও চর্চা করতে পারে।
(গ) যাতে তারা সরকারি সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
(ঘ) যাতে তারা কর দেওয়া বন্ধ করে।
উত্তরঃ (খ) যাতে তারা তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় পরিচয় বজায় রাখতে ও চর্চা করতে পারে।
১৪। ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে ‘হস্তক্ষেপকারী’ হওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়, তার উত্তর কী?
(ক) রাষ্ট্র ধর্মে হস্তক্ষেপ করে কেবল শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক কুপ্রথা রোধের উদ্দেশ্যে, কোনো ধর্মকে দমন করতে নয়।
(খ) রাষ্ট্র কেবল ধর্মীয় সম্পত্তি দখলের জন্য হস্তক্ষেপ করে।
(গ) রাষ্ট্র ধর্মে কখনোই হস্তক্ষেপ করে না।
(ঘ) রাষ্ট্র কেবল প্রধানদের নিয়োগ করতে হস্তক্ষেপ করে।
উত্তরঃ (ক) রাষ্ট্র ধর্মে হস্তক্ষেপ করে কেবল শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক কুপ্রথা রোধের উদ্দেশ্যে, কোনো ধর্মকে দমন করতে নয়।
১৫। ভারতীয় রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রায়শই কিসের সাথে যুক্ত করে সমালোচনা করা হয়?
(ক) সামরিক শাসনের সাথে।
(খ) ‘ভোট ব্যাংক রাজনীতি’-র সাথে।
(গ) বিশ্বায়নের সাথে।
(ঘ) শিল্পায়নের সাথে।
উত্তরঃ (খ) ‘ভোট ব্যাংক রাজনীতি’-র সাথে।


