Class 11 Political Science MCQ Chapter 17 জাতীয়তাবাদ

Class 11 Political Science MCQ Chapter 17 জাতীয়তাবাদ Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science MCQ Chapter 17 জাতীয়তাবাদ Solutions and select need one. Class 11 Political Science Objective Type Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Multiple Choice Questions Bengali Medium.

Class 11 Political Science MCQ Chapter 17 জাতীয়তাবাদ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science MCQs in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science MCQ in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 17

Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব
MCQ

১। ‘জাতি’ ধারণার মূল ভিত্তি কোনটি?

(ক) কেবল একটি যৌথ ভাষা ও ধর্ম।

(খ) ভৌগোলিক সীমানা, যৌথ ইতিহাস, সাধারণ রাজনৈতিক আদর্শ ও ভাগ করে নেওয়া বিশ্বাসের ওপর গড়ে ওঠা রাজনৈতিক সম্প্রদায়।

(গ) কোনো বিশেষ সামরিক চুক্তি।

(ঘ) কেবল একটি রাজপরিবারের অনুগত্য।

উত্তরঃ (খ) ভৌগোলিক সীমানা, যৌথ ইতিহাস, সাধারণ রাজনৈতিক আদর্শ ও ভাগ করে নেওয়া বিশ্বাসের ওপর গড়ে ওঠা রাজনৈতিক সম্প্রদায়।

২। জাতি এবং সাধারণ সামাজিক গোষ্ঠী বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?

(ক) জাতি কেবল একটি নির্দিষ্ট বংশের মানুষের সমষ্টি।

(খ) জাতির মধ্যে একটি রাজনৈতিক অস্তিত্ব বা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান থাকে।

(গ) সামাজিক গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট কোনো ভাষা থাকে না।

(ঘ) এদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

উত্তরঃ (খ) জাতির মধ্যে একটি রাজনৈতিক অস্তিত্ব বা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান থাকে।

৩। জাতীয়তাবাদের বিকাশে ‘ভাগ করে নেওয়া ইতিহাস’ কীভাবে সাহায্য করে?

(ক) অতীত ইতিহাস সম্পূর্ণ ভুলে যেতে শেখায়।

(খ) সাধারণ অতীত স্মৃতি, যৌথ সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য মানুষকে একসূত্রে বাঁধতে সাহায্য করে।

(গ) কেবল প্রাচীন রাজাদের তালিকা তৈরি করে।

(ঘ) অতীতের যুদ্ধকে উদ্দীপিত করে।

উত্তরঃ (খ) সাধারণ অতীত স্মৃতি, যৌথ সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য মানুষকে একসূত্রে বাঁধতে সাহায্য করে।

৪। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা মাতৃভূমি-র প্রতি ভালোবাসা কীভাবে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলে?

(ক) নির্দিষ্ট ভূমির সাথে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক আত্মিক পরিচয় গড়ে ওঠার মাধ্যমে।

(খ) ভূখণ্ডের জমি বিক্রি করার মাধ্যমে।

(গ) কেবল কৃষিকাজ করার মাধ্যমে।

(ঘ) বিদেশের জমি দখলের মাধ্যমে।

উত্তরঃ (ক) নির্দিষ্ট ভূমির সাথে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক আত্মিক পরিচয় গড়ে ওঠার মাধ্যমে।

৫। বিশ্ববিখ্যাত ভারতীয় কবি ও চিন্তাবিদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয়তাবাদের কোন রূপটির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন?

(ক) উগ্র,সংকীর্ণ ও হিংসাত্মক জাতীয়তাবাদ।

(খ) জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ।

(গ) স্বাধীন চিন্তাধারা।

(ঘ) বিশ্ব শান্তি।

উত্তরঃ (ক) উগ্র,সংকীর্ণ ও হিংসাত্মক জাতীয়তাবাদ।

৬। ‘জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার’ বলতে কী বোঝায়?

(ক) জাতিসংঘের নির্দেশ মানা।

(খ) একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার।

(গ) কেবল অর্থনৈতিক ঋণ পাওয়ার অধিকার।

(ঘ) এক দেশের ওপর অন্য দেশের শাসন প্রতিষ্ঠা।

উত্তরঃ (খ) একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার।

৭। ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন কিসের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছিলেন?

(ক) ইউরোপীয় সাম্রাজ্য বিস্তার।

(খ) জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও নতুন জাতীয় রাষ্ট্র পুনর্গঠন।

(গ) একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।

(ঘ) বাণিজ্য বন্ধের প্রস্তাব।

উত্তরঃ (খ) জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও নতুন জাতীয় রাষ্ট্র পুনর্গঠন।

৮। ‘এক সংস্কৃতি, এক রাষ্ট্র’ নীতির মূল সমস্যা বা সীমাবদ্ধতা কী?

(ক) এটি কোনো রাষ্ট্র গঠন করতে পারে না।

(খ) এটি বহুসংস্কৃতি সম্পন্ন সমাজে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে উৎখাত, নিপীড়ন বা জোরপূর্বক বিতাড়নের ঝুঁকি তৈরি করে।

(গ) এটি সরকারের খরচ কমায়।

(ঘ) এটি বৈদেশিক বাণিজ্য বাড়ায়।

উত্তরঃ (খ) এটি বহুসংস্কৃতি সম্পন্ন সমাজে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে উৎখাত, নিপীড়ন বা জোরপূর্বক বিতাড়নের ঝুঁকি তৈরি করে।

৯। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার সেরা উপায় কোনটি?

(ক) একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা ভাষা সকলের ওপর চাপিয়ে দেওয়া।

(খ) সমস্ত গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষকে সমান নাগরিক অধিকার প্রদান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি দেওয়া।

(গ) রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা।

(ঘ) কেবল একটিমাত্র জাতিকে প্রাধান্য দেওয়া।

উত্তরঃ (খ) সমস্ত গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষকে সমান নাগরিক অধিকার প্রদান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি দেওয়া।

১০। জাতীয়তাবাদ কীভাবে মানুষের মধ্যে দ্বিমুখী ভূমিকা পালন করে?

(ক) এটি মানুষকে কেবল অর্থনৈতিকভাবে ধনী করে।

(খ) এটি একদিকে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ও স্বাধীনতার আনন্দ দেয়, অন্যদিকে জাতিগত সংঘাত ও বিভেদ তৈরি করতে পারে।

(গ) এটি বিচার ব্যবস্থার কাজ বন্ধ করে।

(ঘ) এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রদ করে।

উত্তরঃ (খ) এটি একদিকে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ও স্বাধীনতার আনন্দ দেয়, অন্যদিকে জাতিগত সংঘাত ও বিভেদ তৈরি করতে পারে।

১১। কেন কেবল একটিমাত্র ভাষা, ধর্ম বা বংশগত পরিচয় জাতীয়তাবাদের সর্বজনীন ভিত্তি হতে পারে না?

(ক) কারণ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই বহুভাষিক, বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক।

(খ) কারণ ব্যাকরণ আলাদা হয়।

(গ) কারণ ভাষা পরিবর্তন করা যায় না।

(ঘ) কারণ ধর্ম কেবল ব্যক্তিগত বিষয়।

উত্তরঃ (ক) কারণ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই বহুভাষিক, বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক।

১২। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে গঠিত নতুন জাতীয় রাষ্ট্রগুলিতে কোন প্রধান সমস্যা দেখা দিয়েছিল?

(ক) চরম অর্থ সংকট।

(খ) সীমান্ত পরিবর্তনের ফলে বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রহীনতার সমস্যা।

(গ) খাদ্যাভাব।

(ঘ) যোগাযোগের অভাব।

উত্তরঃ (খ) সীমান্ত পরিবর্তনের ফলে বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রহীনতার সমস্যা।

১৩। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

(ক) একটি একক ভাষা ও একক ধর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

(খ) ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’এবং বহুধর্মীয়-বহুসাংস্কৃতিক চেতনা।

(গ) স্বৈরাচারী শাসন সমর্থন।

(ঘ) একদলীয় প্রাধান্য।

উত্তরঃ (খ) ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’ এবং বহুধর্মীয়-বহুসাংস্কৃতিক চেতনা।

১৪। জাতীয়তাবাদী ধারণার ফলে ১৯ শতক ও ২০ শতকে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলিতে কোন আন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল?

(ক) শিল্প বিপ্লব।

(খ) ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রাম ও জাতীয় মুক্তি আন্দোলন।

(গ) প্রযুক্তিগত আন্দোলন।

(ঘ) সামন্ততান্ত্রিক সংস্কার আন্দোলন।

উত্তরঃ (খ) ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রাম ও জাতীয় মুক্তি আন্দোলন।

১৫। রাষ্ট্র বা দেশ অর্জনের জন্য কেবল যৌথ ভৌগোলিক অবস্থানের চেয়ে কিসের গুরুত্ব বেশি?

(ক) যৌথ রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, রাজনৈতিক আদর্শ এবং একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশ।

(খ) কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা।

(গ) জনসংখ্যার বেশি থাকা।

(ঘ) জলবায়ু অনুকূল থাকা।

উত্তরঃ (ক) যৌথ রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, রাজনৈতিক আদর্শ এবং একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top