Class 11 Political Science MCQ Chapter 14 সামাজিক ন্যায়

Class 11 Political Science MCQ Chapter 14 সামাজিক ন্যায় Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science MCQ Chapter 14 সামাজিক ন্যায় Solutions and select need one. Class 11 Political Science Objective Type Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Multiple Choice Questions Bengali Medium.

Class 11 Political Science MCQ Chapter 14 সামাজিক ন্যায়

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science MCQs in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science MCQ in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 14

Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব
MCQ

১। প্রাচীন চীনে খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে কোন দার্শনিক ন্যায়বিচার ও সঠিক শাসন পরিচালনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন?

(ক) কনফুসিয়াস।

(খ) প্লেটো।

(গ) মেট্রিচ।

(ঘ) সান ইয়াৎ সেন।

উত্তরঃ (ক) কনফুসিয়াস।

২। কনফুসিয়াসের মতে ন্যায়বিচার বজায় রাখার জন্য রাজাদের প্রাথমিক দায়িত্ব কী হওয়া উচিত?

(ক) কেবল কর সংগ্রহ করা।

(খ) অন্যায়কারীদের শাস্তি দেওয়া এবং সৎ মানুষদের পুরস্কৃত করা।

(গ) সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা।

(ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ রাখা।

উত্তরঃ (খ) অন্যায়কারীদের শাস্তি দেওয়া এবং সৎ মানুষদের পুরস্কৃত করা।

৩। গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর কোন বিখ্যাত গ্রন্থে ন্যায়বিচারের প্রকৃত অর্থ ও রূপ নিয়ে আলোচনা পাওয়া যায়?

(ক) পলিটিক্স।

(খ) দ্য রিপাবলিক।

(গ) অন লিবার্টি।

(ঘ) দ্য লজ।

উত্তরঃ (খ) দ্য রিপাবলিক।

৪। ‘দ্য রিপাবলিক’ গ্রন্থে বর্ণিত সক্রেটিসের মতে ‘ন্যায়বিচার’ বলতে মূলত কী বোঝায়?

(ক) শত্রুর ক্ষতি করা আর বন্ধুর উপকার করা।

(খ) সমাজের সমস্ত মানুষের হিত বা কল্যাণ সাধন করা এবং প্রতিটি মানুষকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া।

(গ) কেবল বিচারকদের সিদ্ধান্ত মেনে চলা।

(ঘ) ক্ষমতাবানদের কথা অনুযায়ী চলা।

উত্তরঃ (খ) সমাজের সমস্ত মানুষের হিত বা কল্যাণ সাধন করা এবং প্রতিটি মানুষকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া।

৫। জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের মতে মানুষের প্রতি কেমন আচরণ করা ন্যায়সঙ্গত?

(ক) মানুষকে সম্পদ তৈরির যন্ত্র হিসেবে দেখা।

(খ) প্রতিটি মানুষের নিজস্ব মর্যাদা স্বীকার করা এবং সকল মানুষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া।

(গ) কেবল ধনীদের বিশেষ সম্মান দেওয়া।

(ঘ) অনগ্রসরদের সুযোগ রদ করা।

উত্তরঃ (খ) প্রতিটি মানুষের নিজস্ব মর্যাদা স্বীকার করা এবং সকল মানুষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া।

৬। সমশ্রেণিভুক্ত সকল মানুষের প্রতি ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য না করে সমান আচরণ করাকে ন্যায়বিচারের কোন নীতি বলা হয়?

(ক) বিশেষ চাহিদার নীতি।

(খ) সম-আচরণের নীতি।

(গ) মুক্ত বাজারের নীতি।

(ঘ) যোগ্যতার অসাম্যের নীতি।

উত্তরঃ (খ) সম-আচরণের নীতি।

৭। কঠিন, বিপজ্জনক কিংবা বিশেষ দক্ষতামূলক কাজের ক্ষেত্রে বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া ন্যায়বিচারের কোন নীতির অন্তর্ভুক্ত?

(ক) সম-আচরণের নীতি।

(খ) সমানুপাতিক বিচার বা আনুপাতিক ন্যায়ের নীতি।

(গ) লিঙ্গ বৈষম্যের নীতি।

(ঘ) একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের নীতি।

উত্তরঃ (খ) সমানুপাতিক বিচার বা আনুপাতিক ন্যায়ের নীতি।

৮। অসুস্থ, শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া ন্যায়বিচারের কোন নীতিকে সমর্থন করে?

(ক) সম-আচরণের নীতি।

(খ) বিশেষ চাহিদার স্বীকৃতি নীতি।

(গ) সম্পূর্ণ মুক্ত বাজারের নীতি।

(ঘ) আয়ের পরম সমতার নীতি।

উত্তরঃ (খ) বিশেষ চাহিদার স্বীকৃতি নীতি।

৯। ভারতীয় সংবিধানে সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে তফসিলি জাতি ও জনজাতির জন্য কোন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে?

(ক) বিশেষ কর আরোপ।

(খ) আসন ও চাকরির ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বা বিশেষ সুবিধা প্রদান।

(গ) ভোটাধিকার রদ।

(ঘ) পৃথক আদালত গঠন।

উত্তরঃ (খ) আসন ও চাকরির ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বা বিশেষ সুবিধা প্রদান।

১০। সমাজে সম্পদ, পণ্য, সুযোগ ও সুবিধার ন্যায়সঙ্গত বণ্টনকে রাজনৈতিক তত্ত্বে কী বলা হয়?

(ক) আইনি বিচার।

(খ) বণ্টনমূলক ন্যায়।

(গ) বিচার বিভাগীয় পর্যবেক্ষণ।

(ঘ) রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা।

উত্তরঃ (খ) বণ্টনমূলক ন্যায়।

১১। মার্কিন দার্শনিক জন রলস তাঁর বিখ্যাত ন্যায়বিচার সংক্রান্ত তত্ত্বটি কোন গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন?

(ক) এ থিওরি অব জাস্টিস।

(খ) অন লিবার্টি।

(গ) দ্য রিপাবলিক।

(ঘ) দাস ক্যাপিটাল।

উত্তরঃ (ক) এ থিওরি অব জাস্টিস।

১২। জন রলস নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত নিয়ম নির্ধারণের জন্য কোন কাল্পনিক ধারণাটির অবতারণা করেছিলেন?

(ক) রাজ্যহীন সমাজ।

(খ) ‘অজ্ঞানতার অবগুন্ঠন’।

(গ) একদলীয় শাসন।

(ঘ) চূড়ান্ত একনায়কতন্ত্র।

উত্তরঃ (খ) ‘অজ্ঞানতার অবগুন্ঠন’।

১৩। ‘অজ্ঞানতার অবগুন্ঠন’- এর পেছনে থাকা একজন ব্যক্তি নিজ সম্পর্কে কোনটি জানতে পারেন না?

(ক) তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ সামাজিক অবস্থান, শ্রেণি, জাতি বা ক্ষমতা।

(খ) তাঁর নিজের নাম।

(গ) দেশের আইনকানুনের অস্তিত্ব।

(ঘ) গণিতের নিয়মাবলী।

উত্তরঃ (ক) তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ সামাজিক অবস্থান, শ্রেণি, জাতি বা ক্ষমতা।

১৪। জন রলসের মতে ‘অজ্ঞানতার অবগুন্ঠনে’ থাকা বিবেকবান ব্যক্তি সমাজ গঠনের সময় কার স্বার্থের কথা অগ্রাধিকার দিয়ে ভাববে?

(ক) কেবল ধনীদের স্বার্থ।

(খ) সমাজের সবচেয়ে দুর্বল বা বঞ্চিত শ্রেণির স্বার্থ।

(গ) বিচারকদের স্বার্থ।

(ঘ) রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থ।

উত্তরঃ (খ) সমাজের সবচেয়ে দুর্বল বা বঞ্চিত শ্রেণির স্বার্থ।

১৫। জন রলসের মতে নিরপেক্ষ ন্যায়বিচারের পৌঁছানোর জন্য প্রধানত কিসের ওপর নির্ভর করা উচিত?

(ক) অন্ধ ধর্মবিশ্বাস।

(খ) যুক্তিসঙ্গত বা বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ চিন্তাধারা।

(গ) কেবল আবেগের ওপর।

(ঘ) জনসভার স্লোগানের ওপর।

উত্তরঃ (খ) যুক্তিসঙ্গত বা বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ চিন্তাধারা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top