Class 10 Bengali MIL Important Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 10 Bengali MIL Important Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া Solutions and select need one. Class 10 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 10 Bengali MIL Important Notes.
Class 10 Bengali MIL Important Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 10 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
উজান গাঙ বাইয়া
Chapter: 19
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘উজান গাঙ বাইয়া’ প্রবন্ধটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘উজান গাঙ বাইয়া’ প্রবন্ধটি লোকসঙ্গীত গবেষক ও শিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের রচনা।
২। লেখক হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জীবনকাল কত বছর ছিল?
উত্তরঃ লেখক হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জীবনকাল ছিল ১৯১২-১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ।
৩। লেখক হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম কোন গ্রামে হয়েছিল?
উত্তরঃ লেখক হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম মিরাশী নামক গ্রামে হয়েছিল।
৪। লেখকের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম কী?
উত্তরঃ লেখকের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম খোয়াই।
৫। খোয়াই নদীকে বর্ষাকালে কী নামে ডাকা হতো?
উত্তরঃ খোয়াই নদীকে বর্ষাকালে ‘পাগলা গাঙ’ নামে ডাকা হতো।
৬। লেখকের বাবার নাম এবং মায়ের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ লেখকের বাবার নাম ছিল হরকুমার বিশ্বাস এবং মায়ের নাম ছিল সরোজিনী বিশ্বাস।
৭। সিলেটের মানুষের কাছে কোন কবুতর অত্যন্ত পবিত্র ছিল?
উত্তরঃ সিলেটের মানুষের কাছে ‘জালালী কইতর’ বা জালালী কবুতর অত্যন্ত পবিত্র ছিল।
৮। কে চতুর্দশ শতাব্দীতে ইয়েমেন থেকে সিলেটে জালালী কবুতর নিয়ে এসেছিলেন?
উত্তরঃ আরব বিজয়ী পীর শাহ জালাল চতুর্দশ শতাব্দীতে ইয়েমেন থেকে সিলেটে জালালী কবুতর নিয়ে এসেছিলেন।
৯। লেখকের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ লেখকের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম ছিল দ্বারকানাথ চক্রবর্তী।
১০। শ্রীচৈতন্যদেবের মাতা শচীদেবীর পিতৃগৃহ কার বাড়ি ছিল?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যদেবের মাতা শচীদেবীর পিতৃগৃহ ছিল নীলাম্বর চক্রবর্তীর বাড়ি।
১১। কাকে দেখে বাঘ ও ভালুকও ভয় পেত না এবং লোকে তাকে কী বলে ডাকত?
উত্তরঃ ছমীর মিঞাকে দেখে বাঘ-ভালুক ভয় পেত না এবং লোকে তাকে ‘বাঘে-খাওয়া-ছমীর’ বলে ডাকত।
১২। লেখকের বি.এ. পাস দাদাকে কে গরু দোয়ানো নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন?
উত্তরঃ লেখকের বি.এ. পাস দাদাকে চন্দাদ্ধা বা চন্দ্রনাথ গরু দোয়ানো নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।
১৩। দ্বীননাথ শীল কে ছিলেন?
উত্তরঃ দ্বীননাথ শীল ছিলেন লেখকের অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ যাত্রাভিনেতা এবং ‘দ্বীননাথ শীলের দল’-এর অধিকারী।
১৪। হেমাঙ্গ বিশ্বাসকে প্রথম রবীন্দ্রসঙ্গীত কে গাইয়েছিলেন?
উত্তরঃ হেমাঙ্গ বিশ্বাসকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দ্বারকানাথ চক্রবর্তী প্রথম রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইয়েছিলেন।
১৫। জয়নাথ নন্দী কে ছিলেন এবং তিনি কোন ব্রিটিশ উপাধি পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ জয়নাথ নন্দী ছিলেন একজন কবিয়াল ও সফল কৃষক, যিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ‘রায়সাহেব’ উপাধি পেয়েছিলেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘উজান গাঙ বাইয়া’ প্রবন্ধ অবলম্বনে লেখকের আদিগ্রাম মিরাশী এবং তার প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ লেখকের জন্মগ্রাম মিরাশী সুরমা উপত্যকার সিলেট জেলায় অবস্থিত। গ্রামটি পূব মিরাশী ও পশ্চিম মিরাশী— এই দুই ভাগে বিভক্ত ছিল এবং মাঝখানে ছিল ধানের সুবিশাল হাওর। অগ্রহায়ণ মাসে ধান কাটার পর মাঠ জুড়ে ছোট ছোট খড় বা নাড়া শুকাত, যার ওপর দিয়ে ছেলেরা খালি পায়ে হেঁটে স্কুলে যেত। গ্রামের পূর্ব দিকে আঠারোমুড়া পাহাড়ের চূড়া এবং ‘কাইল্যাছাডি’-র টিলা দেখা যেত, যা লেখকের কিশোর মনকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করত। এছাড়াও গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা খোয়াই নদী বর্ষায় ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করলেও শীতে তা শান্ত ও লাজুক মেয়ের মতো হয়ে যেত।
২। লেখকের বাড়ির কাঠের স্থাপত্য এবং তা তৈরিতে মণিপুরি মিস্ত্রিদের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ লেখকের আসল বাসভবনটি ছিল সম্পূর্ণ কাঠ, সেগুন ও শালের খুঁটি দিয়ে তৈরি একটি অসাধারণ স্থাপত্য। এই বাড়িটি এত সুন্দর ছিল যে পাঁচ গ্রামের মানুষ তা দেখতে আসত। বাড়িটি নির্মাণে ঘনশ্যামপুরের দুই মণিপুরি মিস্ত্রি ভীম সিংহ এবং খাওজাও সিংহ প্রথম দিকে কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রমোদ মিস্ত্রি নামক অন্য এক কারিগরের অবদানও ছিল মুখ্য। বাড়ির কাঠের দেয়ালে লতা ও ফুলগাছ বেয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে লাল গোলাপ ও মাধবীলতা লেখক নিজে রোপণ করেছিলেন।
৩। ‘বাঘে-খাওয়া-ছমীর’ চরিত্রের পরিচয় দাও এবং তাঁর দুঃসাহসিক জীবনযাত্রার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ ছমীর মিঞা ছিলেন একজন ভূমিহীন চাষী, যাকে গ্রামের মানুষেরা’বাঘে খাওয়া ছমীর’ বলে ডাকত। পাহাড় থেকে মৌচাক ভেঙে মধু বিক্রি করাই ছিল তাঁর প্রধান জীবিকা। মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বনের মধ্যে ভালুকের সাথে তিনবার এবং একবার চিতাবাঘের সাথে তাঁর মারাত্মক লড়াই হয়েছিল। বাঘের থাবায় তাঁর মুখ ও ঘাড় ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছিল এবং কাঁধও নুয়ে পড়েছিল, যার ফলে তিনি লেংচে লেংচে হাঁটতেন। এত শারীরিক কষ্ট ও বনের ভয় সত্ত্বেও তিনি হাসিমুখে বগলে দা এবং হাতে আগুন ধরানোর খড় নিয়ে নির্ভয়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতেন।
৪। দ্বীননাথ শীল এবং গোবর্ধন চরিত্রের মাধ্যমে লেখকের নাট্য ও যাত্রাভিনয়ের স্মৃতি কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে তা লেখো।
উত্তরঃ লেখকের শৈশব স্মৃতির সাথে দ্বীননাথ শীল ও গোবর্ধন—এই দুই গুণী শিল্পী গভীরভাবে জড়িয়ে ছিলেন। দ্বীননাথ শীল ছিলেন এলাকার শ্রেষ্ঠ যাত্রাভিনেতা ও দলপতি, যিনি শেষ জীবনে চরম দারিদ্র্যের শিকার হয়েছিলেন। অন্যদিকে গোবর্ধন ছিলেন একজন নিরক্ষর ভাগচাষী, কিন্তু যাত্রাভিনয়ের মঞ্চে উঠলে তাঁর অসাধারণ অভিনয় ও রসবোধ দর্শকদের মুগ্ধ করত। লেখক গোবর্ধনকে একজন সহজাত প্রতিভাবান হিসেবে গণ্য করতেন। পরবর্তীতে গোবর্ধন মাঠে হাল চাষ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান, যা লেখকের মনে এক গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে রয়ে যায়।
৫। কবিয়াল জয়নাথ নন্দীর বহুমুখী প্রতিভা এবং তাঁর রচিত কৃষকজীবনের গানটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ জয়নাথ নন্দী ছিলেন একাধারে একজন শিক্ষিত কবিয়াল এবং প্রথিতযশা প্রগতিশীল কৃষক। তাঁর উৎপাদিত গোল আলু সিলেটের কৃষি প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান লাভ করায় তৎকালীন আসামের গভর্নর বিটসন বেল তাঁকে ‘রায়সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত সরল জীবনযাপন করতেন এবং দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করেও বহু স্মরণীয় গান রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত কবিগানে ভারতের সাধারণ চাষী ও কৃষকদের শীত-ঝড়-তুফানের কষ্ট এবং মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান ফলানোর পরেও ঘরে চাল না থাকার বাস্তব দুঃখ ও নির্মম শোষণের করুণ ছবি ফুটে উঠেছে।

