Class 12 Bengali Chapter 5 কৃপণ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Class 12 Bengali Question Answer to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Assam Board HS 2nd Year Bengali Chapter 5 কৃপণ Notes and select needs one.
Class 12 Bengali Chapter 5 কৃপণ
Also, you can read the AHSEC book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per AHSEC (CBSE) Book guidelines. These solutions are part of AHSEC All Subject Solutions. Here we have given Assam Board Class 12 Bengali Chapter 5 কৃপণ Solutions for All Subject, You can practice these here.
কৃপণ
Chapter: 5
বাংলা (MIL)
গোট : ১ নির্বাচিত পদ্যাংশ
১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) ‘ কৃপণ ‘ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত ?
উত্তরঃ কৃপণ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ গীতাঞ্জলি ’ কাব্য গ্রন্থের অন্তর্গত ।
( খ ) কবিতার ‘ আমি ’ গ্রামের পথে কী উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ?
উত্তরঃ কবিতার আমি গ্রামের পথে ভিক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ।
( গ ) রথ থেকে নেমে রাজাধিরাজ ভিখারিকে কী বলেছিলেন ?
উত্তরঃ রথ থেকে নেমে রাজাধিরাজ ভিখারির সামনে হাত বাড়িয়ে বলেছিলেন তাঁকে কিছু দেওয়ার জন্য ।
( ঘ ) ভিখারি রাজাধিরাজকে কী দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ ভিখারি রাজাধিরাজকে একটি ছোট শস্য কনা দিয়েছিলেন ।
( ঙ ) দিনান্তে ঘরে ফিরে ভিখারি তাঁর ভিক্ষান্নের মধ্যে কী দেখেছিলেন ?
উত্তরঃ দিনান্তে ঘরে ফিরে ভিখারি তাঁর ভিক্ষান্নের মধ্যে একটি ছোট স্বর্ণ কনা দেখেছিলেন ।
২। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) রাজাধিরাজ রথ থেকে পথের দুধারে কী ছড়িয়ে দেবেন এবং তা নিয়ে ভিখারি কী করবেন বলে ভেবেছিলেন ?
উত্তরঃ ভিখারি ভেবেছিলেন রাজাধিরাজ রথ থেকে পথের দুধারে অনেক ধন – ধান্য টাকা পয়সা ছড়িয়ে দেবেন । আর ভিখারি দুহাত ভরে সমস্ত ধন – ধান্য কুড়িয়ে নিয়ে তার ঝুলি ভর্তি করবেন ।
( খ ) রথ থামার পর রাজাধিরাজ কী করেছিলেন ?
উত্তরঃ রথ থামার পর রাজাধিরাজ রথ থেকে নেমে সেই ভিখারির সামনে এসে দাড়িয়ে হাত পেতে কিছু ভিক্ষা চাইছিলেন ভিখারি থেকে ।
( গ ) রাজাধিরাজের কথা শুনে ভিখারির কী মনে হয়েছিল ?
উত্তরঃ রাজাধিরাজের কথা শুনে ভিখারি কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন । তারপর ভিখারি ভাবতে লাগলেন রাজাধিরাজ তার সঙ্গে প্রবঞ্চনা করেছেন কারণ একজন রাজাধিরাজের ভিখারির কাছে কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না । তার কোনো অভাব থাকতে পারে না । তাই ভিখারি ভেবেছিলেন তাকে রাজাধিরাজ প্রবঞ্চনা করেছেন ।
( ঘ ) ভিক্ষান্নের মধ্যে সোনার কণা দেখে ভিখারি কেন আক্ষেপ করেছিলেন ?
উত্তরঃ ভিক্ষান্নের মধ্যে সোনার কণা দেখে ভিখারির মনে আক্ষেপ হয়েছিল এই ভেবে যে , তিনি একটি মাত্র শস্য কণা রাজাধিরাজকে দিয়ে একটি স্বর্ণ কণা পেয়েছেন , যদি তিনি তার সম্পূর্ণ ঝুলি উজার করে সমস্ত শস্য রাজাধিরাজকে দিয়ে দিতেন তাহলে তিনি প্রচুর সোনার কণা বিনিময়ে পেতে পারতেন ।
( ঙ ) ‘ রাজভিখারি ’ বলতে কাকে চিহ্নিত করা হয়েছে ?
উত্তরঃ রাজভিখারি বলতে এখানে স্বয়ং ঈশ্বরকে বোঝানো হয়েছে । মানুষ চিরকাল ঈশ্বরের কাছে চেয়ে এসেছে । কিন্তু কবি এখানে দেখিয়েছেন যে ঈশ্বর ভিখারির কাছে পাত পেতে চেয়েছেন । অর্থাৎ ঈশ্বরের নিকট মানুষ যদি নিজেকে সম্পূর্ণ উজার করে নিজেকে বিলিয়ে দিতে না পারলে ঈশ্বরের থেকে কিছুই পাওয়া যায় না ।
৩। দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) ‘ কৃপণ ‘ কবিতার কাহিনি অংশ নিজের ভাষায় লেখো ।
উত্তরঃ কৃপণ কবিতাটিতে কবি একটি পরম সত্যকে রূপকের আড়ালে উৎঘাটিত করেছেন । এক ভিখারি গ্রামের পথে ভিক্ষা করে ফিরছিল । আর তখন রাজাধিরাজ সোনার রথে চড়ে গ্রাম পরিক্রমা করতে বেড়িয়েছেন । সোনার রথে রাজাধিরাজকে অপূর্ব সুন্দর লাগছিল । ভিখারি তখন মনে মনে ভাবতে লাগল কার মুখ দেখে তার প্রভাত হয়েছে যে পথে রাজাধিরাজের সাক্ষাৎ পেল । ভিখারি ভাবল রাজাধিরাজ পথের দুধারে ধন – ধান্য ছড়িয়ে ছড়িয়ে যাবেন আর ভিখারি দুহাত ভরে মুঠো মুঠো করে কুড়িয়ে নিয়ে তার ভিক্ষার ঝুলি পূর্ণ করবে । কিন্তু দেখা যায় রাজাধিরাজ ভিখারির সামনে এসে ‘ আমায় কিছু দাও গো ’ বলে ভিখারিকে অবাক করে দেয় । ভিখারি ভেবে নেয় রাজাধিরাজ তার সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছেন কারণ একজন রাজা , যিনি সাম্রাজ্যের অধিকারী , তার তো কোনো অভাব থাকার কথা নয় , তার ভিখারির কাছে হাত পাতার কোনো কারণ থাকতে পারে না । তবুও ভিখারি তার ভিক্ষার ঝুলি থেকে এক কণা শস্য রাজাধিরাজকে ভিক্ষা দেয় ।
এরপর ভিখারি যখন বাড়ি ফিরে আসে তখন সে তার ভিক্ষার ঝুলি উজার করে দেখে যে ভিক্ষালব্ধ জিনিসের মধ্যে এক কণা সোনা । তখন ভিখারি বুঝতে পারে যে রথে চড়ে রাজাধিরাজ যিনি এসেছিলেন তিনি আসলে স্বয়ং ঈশ্বর । ভিখারি ঈশ্বরকে চিনতে পারেনি । এরপর ভিখারি চোখের জল ফেলতে ফেলতে আক্ষেপ করে যে সে তার সমস্ত শূণ্য করে রাজাধিরাজকে কেন দিল না ।
( খ ) ‘ কৃপণ ’ কবিতায় কৃপণ কে – ভিখারি না রাজ ভিখারি ? তোমার মন্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
উত্তরঃ ‘ কৃপণ ’ কবিতায় কৃপণ হচ্ছে ভিখারি । কৃপণ কবিতাটিতে দেখা যায় রাজধিরাজ , সোনার রথে চড়ে নগর পরিভ্রমন কালে ভিখারির কাছে এসে দাঁড়ায় । রাজাধিরাজের ধন – দৌলত অর্থের অভাব নেই , তবুও তিনি ভিখারির কাছে ভিক্ষা চাইলেন । রাজাধিরাজ স্বয়ং ঈশ্বর তিনি ভিখারির মানসিকতা ও হৃদয়ের গভীরতা পরীক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছেন । কিন্তু ভিখারি তার ঝুলিতে থাকা ভিক্ষালব্ধ সামগ্রী থেকে এক কণা শস্যই রাজভিখারিকে দান করেছে । আর এর থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে , রাজা তার ঐশ্বর্য ত্যাগ করতে পেরেছেন কিন্তু ভিখারি তার ভিক্ষালব্ধ সামগ্রী সম্পূর্ণ উজার করে দিতে পারেনি , ভিখারি সামান্য ক্ষুদ্র কণাটুকু দিতে রাজি হয়েছে । তাই এখানে ভিখারিই ‘ কৃপণ ’ পরিচয়ের অধিকারী ।
( গ ) কোন যুক্তিতে ভিখারি রাজাকে ক্ষুদ্র কণা ভিক্ষা দিয়েছিলেন এবং পরিশেষে কেনই বা তার জন্য আক্ষেপ করেছিলেন – বিস্তৃত করো ।
উত্তরঃ ভিখারি যখন ভিক্ষার জন্য পথে বেড়িয়েছে তখন স্বর্ণরথে রাজাধিরাজকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় । ভিখারি মনে মনে খুশি হয় এবং তার মনে আশা জাগে যে , তার দিনটা ভালো যাবে , সে রাজাধিরাজের দর্শন পেয়েছে । রাজধিরাজ তার স্বর্ণরথ থেকে মূল্যবান সব ধন রত্ন পথের দুধারে ছড়িয়ে দেবে আর ভিখারি তার দুহাতে মুঠো মুঠো করে জুড়িয়ে নিয়ে তার ভিক্ষার ঝুলি পূর্ণ করবে । কিন্তু পরিস্থিতি ভিখারির ভাবনা অনুযায়ী বিপরীত হয় । দেখা যায় রাজভিখারি ভিখারির সামনে এসে তার কাছে হাত পেতে ভিক্ষা চায় । তখন ভিখারি খুব অবাক হয়ে যায় , কারণ একজন রাজা ভিখারির কাছে ভিক্ষা চাইছে । ভিখারি তখন মনে মনে ভাবে যে রাজাধিরাজ নিশ্চয় তাকে প্রবঞ্চনা করেছেন । তাই নিয়ম রক্ষার্থে সামান্য একটি শস্য কণা ঝুলি থেকে বের করে ভিখারি রাজভিখারিকে ভিক্ষা দেয় ।
পরিশেষে ভিখারি আক্ষেপ করেছিলেন কারণ বাড়িতে ফিরে এসে ভিখারি যখন তার ভিক্ষালব্ধ ঝুলি উজার করেন তখন দেখতে পান , ভিক্ষার সামগ্রীর সঙ্গে এক ক্ষুদ্র স্বর্ণ কণা । যে শস্য কণা ভিখারি রাজভিখারিকে দান করেছিলেন সেটাই স্বর্ণকণা হয়ে তার কাছে ফিরে এসেছে । তাই ভিখারি আক্ষেপ করেছিলেন যে একটি ক্ষুদ্র কণা শস্যের বিনিময়ে যদি স্বর্ণ পাওয়া যায় । তবে তাকে যদি ভিখারি সর্বস্ব উদার করে দিত তবে তার ঝুলি আজ স্বর্ণ কণায় ভর্তি হয়ে যেত । এই ভেবেই ভিখারি আক্ষেপ করেছিলেন ।
( ঘ ) ‘ কৃপণ ’ কবিতায় বর্ণিত কাহিনি অনুসারে কবির চরিত্র চিত্রণ দক্ষতার পরিচয় দাও ।
উত্তরঃ কৃপণ কবিতায় কবি কাহিনির মধ্য দিয়ে এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে ঈশ্বরকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা উচিত । ঈশ্বরকে সংশয়হীন ভাবে দান করতে পারলেই ঈশ্বর লাভ করা যায় । ঈশ্বর কোনো দান চান না , কিন্তু কোনো কিছু চিন্তা না করেই , সর্বান্তকরণে ঈশ্বরকে যা দান করা যায় ঈশ্বর তার দ্বিগুন ফিরিয়ে দেন ।
সমগ্র কৃপণ কবিতাটির আখ্যান একটি রূপকের আড়ালে বর্ণিত হয়েছে । কবিতাটিতে একজন ভিখারির চরিত্রের মানুষের চাওয়ার অন্ত থাকে না। কিন্তু মানুষের এই চাহিদার মাঝ থেকে কেউ কিছু ফিরিয়ে চাইলে মানুষ তা দিতে দ্বিধা বোধ করে । সাধারণ দৃষ্টিতে মানুষ আজ ভিখারির সমতুল্য কারণ পরম ঈশ্বর সামনে এসে কিছু চাইলে মানুষ দ্বিধায় বিভক্ত হয় । আর কবিতাটিতে কবি এই সাধারণ মানুষ ঈশ্বরের চরিত্র ধর্ম আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন । কবি এখানে রাজাধিরাজ অর্থাৎ রাজভিখারিকে ঈশ্বর এবং ভিখারি চরিত্রের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন । সাধারণ মানুষের প্রকৃত প্রকাশ কৃপণতা , তাই ভিখারিকে দেখা যায় রাজাধিরাজকে ভিক্ষা দিতে সে দ্বিধা বোধ করেছে তাই ঝুলি থেকে সামান্য শস্য কণাই সে দিয়েছে আর স্বয়ং ঈশ্বর রাজাধিরাজ কিন্তু সেই শস্য কণাই স্বর্ণ রূপে ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই ভিখারিকে । ভিখারি তার সর্বস্ব দিয়ে ঈশ্বরকে দান করতে পারেনি তার ঈশ্বরের দানও সে কিঞ্চিতই পেয়েছে । সে ঈশ্বরকে লাভ করতে পারেনি ।
( ঙ ) ‘ কৃপণ ’ কবিতা অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বর চেতনার স্বরূপ বিশ্লেষণ করো ।
উত্তরঃ কৃপণ কবিতা অবলম্বনে রূপকের আড়ালে রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বর চেতনাই প্রকাশিত হয়েছে । কবিতাটিতে এক ভিখারির রাজদর্শনের রূপকের আড়ালে এক চিরন্তন সত্য প্রকাশিত হয়েছে । যে সত্যটি হল ঈশ্বরের সান্নিধ্যলাভ সহজ কথা নয় , ঈশ্বরকে লাভ করতে হলে নিজেকে ঈশ্বরের নিকট সম্পূর্ণরূপে উৎসর্গ করতে হয় । রবীন্দ্রনাথ এই মর্মবাণীই কবিতাটির মধ্যে প্রকাশ করেছেন ।
স্বয়ং ঈশ্বর রাজভিখারির রূপে পথে পথে বেড়িয়েছেন । পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়ানো ভিখারির কাছে এসে রাজভিখারি যখন ‘ আমায় কিছু দাও গো ’ বলে হাত বাড়িয়েছেন তখন ভিখারি এই ঘটনাকে রাজভিখারির প্রবঞ্চনা ভেবে তার কৃপণ স্বভাব বৈশিষ্ট্যে ক্ষুদ্র এক শস্য কণা তুলে দেয় । পরবর্তীতে রাজভিখারি অর্থাৎ স্বয়ং ঈশ্বর ভিখারির দান ফিরিয়ে দেন স্বর্ণ কণা দিয়ে । তখন ভিখারি বুঝতে পারে ঈশ্বরের মহিমা । ভিখারি আক্ষেপ করে ঈশ্বরকে সম্পূর্ণ উদার করে না দেওয়ার জন্য । অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ এখানে এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে ঈশ্বরের কাছে নিঃস্বার্থভাবে জাগতিক মোহ – মায়া ত্যাগ করে নিজেকে সমর্পিত করতে পারলেই ঈশ্বর ধরা দেন । ঈশ্বর তখন ভক্তকে দ্বিগুন ফিরিয়ে দেন । ঈশ্বর চেতনার স্বরূপ যেন মূর্ত হয়ে উঠেছে রাজভিখারি চরিত্রের মধ্যে । ঈশ্বর লাভের একমাত্র পথ হল ঈশ্বরের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে উৎসর্গ করা ।

Hi, I’m Dev Kirtonia, Founder & CEO of Dev Library. A website that provides all SCERT, NCERT 3 to 12, and BA, B.com, B.Sc, and Computer Science with Post Graduate Notes & Suggestions, Novel, eBooks, Biography, Quotes, Study Materials, and more.


