Class 11 Advance Bengali Important Chapter 12 কাবুলিওয়ালা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Advance Bengali Important Chapter 12 কাবুলিওয়ালা Solutions and select need one. Class 11 Advance Bengali Additional Notes Download PDF.
Class 11 Advance Bengali Important Chapter 12 কাবুলিওয়ালা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Advance Bengali Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Advance Bengali Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
কাবুলিওয়ালা
Chapter: 12
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘কাবুলিওয়ালা’ গল্পটি কার লেখা?
উত্তরঃ গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। মিনির বয়স যখন গল্পটি শুরু হয় তখন কত ছিল?
উত্তরঃ মিনির বয়স তখন ছিল পাঁচ বছর।
৪। মিনির বাবা তখন কী লিখছিলেন যখন মিনি প্রথম ঘরে আসে?
উত্তরঃ মিনির বাবা তখন তাঁর উপন্যাসের সপ্তদশ পরিচ্ছেদ লিখছিলেন।
৫। কাবুলিওয়ালার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কাবুলিওয়ালার নাম ছিল রহমত।
৬। কাবুলিওয়ালা কী ধরনের পোশাক পরে আসত?
উত্তরঃ সে ময়লা ঢিলা কাপড় পরা, মাথায় পাগড়ি এবং পিঠে এক বিশাল ঝুলি নিয়ে আসত।
৭। কাবুলিওয়ালার ঝুলির ভেতর কী কী ফল থাকত?
উত্তরঃ তার ঝুলির মধ্যে কিশমিশ, বাদাম এবং খোবানি থাকত।
৮। রহমত ও মিনির মধ্যে কোন বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত কৌতুক চলত?
উত্তরঃ ‘শ্বশুরবাড়ি’ যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত কৌতুক বা পরিহাস চলত।
৯। রহমত কেন জেল খেটেছিল?
উত্তরঃ একজন প্রতিবেশীর সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়ার সময় তাকে ছুরি বসিয়ে দেওয়ার অপরাধে রহমতের কারাদণ্ড হয়েছিল।
১০। কত বছর পর রহমত জেল থেকে ফিরে আসে?
উত্তরঃ রহমত অনেক বছর পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ফিরে এসেছিল।
১১। রহমত ফিরে এসে দেখল বাড়িতে কিসের আয়োজন চলছে?
উত্তরঃ রহমত যখন ফিরে আসে তখন মিনির বিয়ের আয়োজন চলছিল।
১২। রহমতের কাছে তার মেয়ের কী স্মৃতি ছিল?
উত্তরঃ রহমতের কাছে তার মেয়ের হাতের ছাপ দেওয়া এক টুকরো ময়লা কাগজ ছিল।
১৩। বিয়ের দিন মিনির সাজ কেমন ছিল?
উত্তরঃ বিয়ের দিন মিনি লাল চেলিতে রাঙা হয়ে চন্দন-আঁকা কপালে বধূবেশিনী সেজেছিল।
১৪। লেখক রহমতকে কত টাকার নোট দিয়ে দেশে ফিরতে বলেছিলেন?
উত্তরঃ লেখক রহমতকে একটি একশ টাকার নোট দিয়ে দেশে ফিরতে বলেছিলেন।
১৫। রহমতকে টাকা দেওয়ার কারণে লেখককে কোন কোন খরচ কমাতে হয়েছিল?
উত্তরঃ রহমতকে টাকা দেওয়ার ফলে লেখককে বিজলি বাতি এবং বাদ্যযন্ত্রের উৎসবের আয়োজন কিছুটা কমাতে হয়েছিল।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। কাবুলিওয়ালা এবং মিনির সখ্যতার বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ কাবুলিওয়ালা রহমত যখন প্রথম মিনির বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল,তখন মিনি তাকে ভয় পেয়েছিল। কিন্তু রহমত যখন তাকে কিশমিশ ও বাদাম দিয়ে বশ করল,তখন তাদের মধ্যে এক অদ্ভুত সখ্যতা গড়ে ওঠে। প্রতিদিন রহমত আসত এবং মিনির সঙ্গে আড্ডা দিত। তাদের মধ্যে ‘শ্বশুরবাড়ি’ নিয়ে মজার কথা হতো এবং রহমত মিনির সব কথা হাসিমুখে শুনত। তাদের এই সম্পর্ক ছিল এক প্রৌঢ় পিতার সঙ্গে এক ক্ষুদ্র শিশুর সহজ ও সরল ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
২। মিনির মায়ের চরিত্র এবং তাঁর ভয় সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ মিনির মা ছিলেন অত্যন্ত শঙ্কিত ও রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ। তিনি মনে করতেন পৃথিবীটা চোর, ডাকাত,মাতাল এবং সাপে পূর্ণ। কাবুলিওয়ালার সঙ্গে মিনির সখ্যতা তিনি ভালো চোখে দেখতেন না। তাঁর মনে ভয় ছিল যে রহমত হয়তো মিনিকে চুরি করে নিয়ে যাবে। লেখক তাঁর ভয়কে অমূলক বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের সন্দেহ পুরোপুরি দূর করতে পারেননি, যা তাঁর অতিরিক্ত সতর্কতার দিকটি ফুটিয়ে তোলে।
৩। রহমতের কারাদণ্ড কেন হয়েছিল? সেই ঘটনাটি সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ রহমত প্রতি বছর মাঘ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফিরে যাওয়ার আগে পাওনা টাকা আদায় করতে বের হতো। একদিন এক প্রতিবেশী তার কাছ থেকে একটি রামপুরী চাদর কেনে কিন্তু পরে দাম দিতে অস্বীকার করে। এই নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রহমত তাকে একটি ছুরি বসিয়ে দেয়। এই সাংঘাতিক আঘাত করার অপরাধে রহমতের কয়েক বছর কারাদণ্ড হয়েছিল,এবং তাকে দীর্ঘ সময় জেলে কাটাতে হয়েছিল।
৪। গল্পের শেষে লেখক ও রহমতের মধ্যে যে মানসিক একতা তৈরি হয় তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ শুরুতে লেখক রহমতকে একজন সামান্য কয়েদি বা ফেরিওয়ালা হিসেবে দেখলেও,যখন রহমত তার নিজের মেয়ের হাতের ছাপ দেখায়, তখন লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। লেখক উপলব্ধি করেন যে রহমতও তাঁর মতোই একজন প্রবাসী পিতা,যে সুদূর আফগানিস্তানের পর্বতসংকুল দেশের বাড়িতে থাকা তার মেয়ের জন্য ব্যাকুল। এই পিতৃত্বের সার্বজনীন বন্ধন লেখক ও রহমতকে এক সূত্রে বেঁধে দেয়,এবং লেখক নিজের মেয়ের বিয়ের বাজেটে কাটছাঁট করে রহমতের পিতৃ-মিলনের সুযোগ করে দেন।
৫। রহমতের কাছে থাকা কাগজের টুকরোটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ রহমতের জামার পকেটে থাকা এক টুকরো ময়লা কাগজ ছিল তার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাতে তার নিজের ছোট মেয়ের হাতের একটি কালি-মাখা ছাপ ছিল। এটি কোনো সুন্দর ফটোগ্রাফ ছিল না,বরং তার কন্যার হাতের প্রত্যক্ষ স্পর্শের এক চিহ্ন। রহমত প্রতি বছর এই কাগজের টুকরোটি বুকে নিয়ে কলকাতায় আসত মেওয়া বেচতে। এই কাগজটি প্রমাণ করে যে রুক্ষ চেহারার রহমত আসলে এক স্নেহশীল পিতা,যে বিদেশের মাটিতেও নিজের সন্তানের স্মৃতি সম্বল করে বেঁচে থাকে।

