Class 11 Advance Bengali Important Chapter 6 উত্তরাধিকার

Class 11 Advance Bengali Important Chapter 6 উত্তরাধিকার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Advance Bengali Important Chapter 6 উত্তরাধিকার Solutions and select need one. Class 11 Advance Bengali Additional Notes Download PDF.

Class 11 Advance Bengali Important Chapter 6 উত্তরাধিকার

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Advance Bengali Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Advance Bengali Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘উত্তরাধিকার’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তরঃ কবিতাটি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা।

২। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। 

৩। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তরঃ তাঁর কবিতার প্রধান লক্ষ্য ছিল রোমান্টিকতা।

৪। কত বছর পরে কবির প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয়?

উত্তরঃ পরিকল্পনা করার দীর্ঘ আট বছর পরে তাঁর প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয়। 

৫। কবির লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ কবির লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থ হলো— ‘একা এবং কয়েকজন’ ও ‘বন্দী জেগে আছো।

৬। কবি নবীন কিশোরকে কী দান করেছেন?

উত্তরঃ কবি নবীন কিশোরকে ভুবন ডাঙার মেঘলা আকাশ দান করেছেন। 

৭। কবিতায় শার্টটির বর্ণনা কেমন ছিল?

উত্তরঃ শার্টটি ছিল বোতামবিহীন এবং ছেঁড়া। 

৮। কবি নবীন কিশোরকে কোন ধরনের হাসি দিয়েছেন?

উত্তরঃ কবি নবীন কিশোরকে ফুসফুস ভরা হাসি দিয়েছেন।

১০। ‘আভরণ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘আভরণ’ শব্দের অর্থ হলো অলঙ্কার।

১১। ‘শিহরণ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘শিহরণ’ শব্দের অর্থ হলো রোমাঞ্চিত হওয়া। 

১২। কবি কখন পায়ে পায়ে ঘোরার কথা বলেছেন?

উত্তরঃ কবি দুপুর রোদে পায়ে পায়ে ঘোরার কথা বলেছেন। 

১৩। কবি নবীন কিশোরকে তাঁর নিজের কোন অনুভূতির ভাগ দিতে চেয়েছেন?

উত্তরঃ কবি তাঁর ‘দুঃখবিহীন দুঃখ’ এবং ‘ক্রোধ শিহরণ’ নবীন কিশোরকে দিতে চেয়েছেন।

১৪। কবি তাঁর পুরনো পোশাক সম্পর্কে কী বলেছেন?

উত্তরঃ কবি বলেছেন যে তাঁর পুরনো পোশাকগুলো এখন শরীরে আঁট হয়ে বসে এবং মানায় না। 

১৫। কবি নবীন কিশোরকে শেষ পর্যন্ত কী হতে সাধ প্রকাশ করেছেন?

উত্তরঃ কবি নবীন কিশোরকে তাঁর নিজের বয়সী করে গড়ে তোলার সাধ প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক পরিচয় সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তিনি ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। রোমান্টিকতাই ছিল তাঁর কবিতার প্রধান লক্ষ্য। পরিকল্পনা করার আট বছর পর তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘একা এবং কয়েকজন’, ‘নীল পদ্ম করতলে’, ‘হঠাৎ নীরার জন্য’ এবং ‘স্মৃতির শহর’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কবিতা ছাড়াও তিনি গল্প, উপন্যাস ও নাট্যকার হিসেবেও বিশ্বখ্যাত। 

২। ‘উত্তরাধিকার’ কবিতায় কবি নবীন কিশোরকে কী কী দান করেছেন এবং কেন?

উত্তরঃ ‘উত্তরাধিকার’ কবিতায় কবি নবীন কিশোরকে তাঁর জীবনের যাবতীয় অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি দান করেছেন। তিনি তাঁকে দিয়েছেন ভুবন ডাঙার মেঘলা আকাশ,বোতামবিহীন ছেঁড়া শার্ট এবং ফুসফুস ভরা হাসি। এছাড়া দুপুর রোদে ঘুরে বেড়ানো, রাত্রির মাঠে শুয়ে থাকা, দুঃখবিহীন দুঃখ এবং ক্রোধের শিহরণও তিনি নবীন কিশোরকে অর্পণ করেছেন। কবি চান তাঁর ফেলে আসা জীবনের সকল আবেগ ও সম্পদ তাঁর উত্তরসূরি নবীন কিশোর বহন করুক, তাই তিনি এগুলি দান করেছেন।

৩। “এ-সবই আমার পুরনো পোশাক মানায় না আর” — উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ কবি এখানে ‘পুরনো পোশাক’ বলতে তাঁর জীবনের ফেলে আসা যৌবনের স্মৃতি,আবেগ এবং অভিজ্ঞতাগুলোকে বুঝিয়েছেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়,তাই যৌবনের সেই আবেগগুলো বর্তমান সময়ে কবির কাছে অনুপযুক্ত মনে হচ্ছে। তিনি অনুভব করছেন যে এই স্মৃতি বা অভ্যাসগুলো এখন তাঁর জীবনে ‘আঁট হয়ে বসে’ অর্থাৎ তিনি এগুলোর ভার আর সইতে পারছেন না। তাই তিনি তাঁর এই পুরনো মানসিক ও আবেগীয় পোশাকগুলো নবীন কিশোরের হাতে তুলে দিতে চেয়েছেন। 

৪। “তোমাকে আমার তোমার বয়সী সব কিছু দিতে বড় সাধ হয়”— কবির এই সাধের কারণ কী?

উত্তরঃ কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর জীবনের সমস্ত রোমাঞ্চ,দুঃখ এবং অভিজ্ঞতার উত্তরাধিকার নবীন কিশোরের হাতে সঁপে দিতে চান। তিনি চান নবীন কিশোর যেন তাঁর ফেলে আসা সেই সোনালী দিনগুলোর স্বাদ পায়। কবির কাছে যা এখন পুরনো এবং অপ্রাসঙ্গিক,নবীন কিশোরের কাছে তা নতুন প্রাণের স্পন্দন হতে পারে। নবীন কিশোরকে নিজের জীবনের যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাকে নিজের অভিজ্ঞতার আলোয় আলোকিত করার লক্ষ্যেই কবির এমন সাধ হয়েছে। 

৫। ‘উত্তরাধিকার’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ ‘উত্তরাধিকার’ শব্দের অর্থ হলো উত্তরপুরুষের প্রাপ্ত সম্পদ বা অধিকার। কবিতায় দেখা যায় কবি তাঁর জীবনের যাবতীয় সঞ্চয়—মেঘলা আকাশ, ছেঁড়া শার্ট, হাসি, দুঃখ এবং ক্রোধ—সবকিছু একজন নবীন কিশোরকে দান করছেন। কবি যেমন তাঁর পূর্ববর্তীদের থেকে কিছু পেয়েছিলেন, তেমনই তিনি তাঁর জীবনের নির্যাস পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিনিধির হাতে তুলে দিচ্ছেন। এই আদান-প্রদান এবং উত্তরসূরির হাতে জীবনের ভার অর্পণের বিষয়টি কবিতায় মুখ্য হয়ে ওঠায় এর নামকরণ ‘উত্তরাধিকার’ অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top