Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য

Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য and select needs one.

Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য for All Subject, You can practice these here..

আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য

               Chapter – 11

তৃতীয় খণ্ড – রাজনীতি বিজ্ঞান

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তর

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও 

প্রশ্ন ১। রাষ্ট্রসংঘ কেন গঠিত হয়েছিল ? 

উত্তরঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবর্ণনীয় ক্ষতি ও ধ্বংসলীলা ভবিষ্যতে আর যাতে অনুষ্ঠিত হতে না পারে সেই উদ্দেশ্যে ও একই সঙ্গে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য আবার নতুন করে একটি সংস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলতে থাকে । এই চেষ্টার ফলেই রাষ্ট্রসংঘের গঠন হয় । 

প্রশ্ন ২। রাষ্ট্রসংঘের দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো । 

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের দুটি উদ্দেশ্য হল— 

( ১ ) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা । 

( ২ ) পৃথিবীর জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উন্নয়ন সাধন করা ।

প্রশ্ন ৩। রাষ্ট্রসংঘের অঙ্গ কয়টির নাম লেখো । 

উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের ছয়টি অঙ্গ আছে । যথা— 

( ১ ) সাধারণ সভা ।

( ২ ) নিরাপত্তা পরিষদ ।

( ৩ ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ ।

( ৪ ) ন্যায়রক্ষী পরিষদ ।

( ৫ ) আন্তর্জাতিক বিচারালয় । ও 

( ৬ ) সচিবালয় । 

প্রশ্ন ৪। রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে জড়িত দুটি এজেন্সির নাম লেখো । 

উত্তরঃ ( ১ ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শ্রমিক সংঘ ( ILO ) ও 

( ২ ) বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ( WHO ) । 

প্রশ্ন ৫। নিরস্ত্রীকরণের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত দুটি চুক্তির নাম লেখো । 

উত্তরঃ নিরস্ত্রীকরণের সম্পর্কে সম্পাদিত হওয়া দুটি চুক্তি হল— 

( ১ ) রাষ্ট্রসংঘের তৎপরতায় ১৯৬৩ সনের ‘ আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি ’ ( Partial Nuclear Test Ban Treaty ) ।

( ২ ) ১৯৬৭ সনে ‘ বহিঃমহাকাশ চুক্তি ‘ ( Outer Space Treaty ) । ও

( ৩ ) ১৯৬৮ সনে ‘ পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি ‘ ( Nuclear Non Proliferation Treaty )।

প্রশ্ন ৬। মানব অধিকার মানে কী ? 

উত্তরঃ মানুষ সভ্য জগতে বেঁচে থাকার জন্য এবং সুস্থভাবে জীবন – যাপন করবার জন্য যে অধিকার ভোগ করে তাই মানব অধিকার । বিশ্বে শান্তির বাতাবরণ আনার উদ্দেশ্যে এবং রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হওয়া রাষ্ট্রসংঘই অতি গুরুত্বপূর্ণভাবে মানব অধিকার রক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছে । বিশ্বের প্রত্যেকজন ব্যক্তির মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন হওয়া কিছু সংখ্যক অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়ার অর্থে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা ১৯৪৮ সনের ১০ ডিসেম্বর তারিখে ৪৮ টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে মানব অধিকার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে । 

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন 

প্রশ্ন ১। রাষ্ট্রসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য এবং এর নীতিগুলি আলোচনা করো । 

উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘ গঠনের উদ্দেশ্যগুলি হল— 

( ১ ) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা । 

( ২ ) সমান অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে দেশসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা । 

( ৩ ) অর্থনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক এবং মানবীয় সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা সৃষ্টি করা এবং জাতি – ধর্ম – ভাষা – বর্ণ নির্বিশেষে সকল লোকে যাতে মানব অধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা । 

( ৪ ) উপরে উল্লেখ করা উদ্দেশ্যসমূহ কার্যকরী করার জন্য রাষ্ট্রসমূহের কাজের মধ্যে রাষ্ট্রসংঘই সমন্বয় রক্ষাকারী কেন্দ্র হিসাবে কর্ম সাধন করে । 

রাষ্টসংঘের প্রধান নীতিসমূহ নীচে উল্লেখ করা হ’ল–

( ১ ) সকল সদস্য রাষ্ট্রে সমান সার্বভৌম নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠা হবে ।

( ২ ) রাষ্ট্রসংঘের সদনে উল্লেখ করা নিয়মাবলী মেনে নিয়ে সকল সদস্যরাষ্ট্রকেই নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে । 

( ৩ ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শান্তি , নিরাপত্তা ও ন্যায়ে কোনো আঘাত না হয়ে সকল সদস্য রাষ্ট্রকেই সব ধরনের বিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করতে হবে। 

( ৪ ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষা করার স্বার্থে কোনো সদস্য রাষ্ট্রই শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে না । 

( ৫ ) সদনে উল্লেখ করা মতে রাষ্ট্রসংঘ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সদস্য রাষ্ট্রসমূহে রাষ্ট্রসংঘকে সহায়তা করতে হবে এবং রাষ্ট্রসংঘ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাষ্ট্রকে সহায়তা করতে পারবে না । 

( ৬ ) রাষ্ট্রসংঘ সদস্য রাষ্ট্রসমূহের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। 

প্রশ্ন ২। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ওপর একটি টীকা লেখো । 

উত্তৰঃ রাষ্ট্রসংঘের অতিগুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিই হল নিরাপত্তা পরিষদ । ১৫ জন সদস্য নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত । এর মধ্যে ৫ জন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্য । ১০ জন অস্থায়ী সদস্য সাধারণত ২ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন । প্রত্যেক সদস্যের একটি করে ভোট আছে । নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগণকে সাধারণ সভা নির্বাচিত করে। স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলি হল— আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র , গ্রেট ব্রিটেন , ফ্রান্স , রাশিয়া ও চীন । কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্থায়ী পাঁচজন সদস্য সহ মোট ৯ জন সদস্যের সম্মতি থাকতে হবে । প্রত্যেক সদস্যের ‘ ভেটো ’ নামে একটি ভোটাধিকার আছে । এর সাহায্যে নিরাপত্তা পরিষদের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারা যায় । 

নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান কাজ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা । বিশ্ব – শান্তি ভঙ্গ হলে নিরাপত্তা পরিষদ বিবদমান রাষ্ট্রগুলিকে আলাপ – আলোচনা বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিতে পারে । এই পরামর্শ ব্যর্থ হলে পরিষদ সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে । সামরিক বিষয় তদন্ত করবার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের একটি সামরিক বিভাগ আছে ।  

প্রশ্ন ৩। বিশ্বশান্তির জন্য রাষ্ট্রসংঘ দ্বারা গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ আলোচনা করো । 

উত্তৰঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯৪৫ সনে প্রতিষ্ঠা হওয়া রাষ্ট্রসংঘের বয়স ৭০ ( সত্তর ) বৎসর হল । এই সুদীর্ঘ সময়ে সমস্যা জর্জরিত বিশ্বে শান্তির বার্তাবরণ এনে সকল ধরনের সমস্যাকে বোঝাপড়া ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে রাষ্ট্রসংঘের ভূমিকা নিশ্চয়ই আশাপ্রদ ও ইতিবাচক । 

নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে যুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি না করার অর্থে রাষ্ট্রসংঘের পূর্বের দিনগুলিতে নেওয়া পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ । ১৯৫২ সনের জানুয়ারী মাসে রাষ্ট্রসংঘই নিরস্ত্রীকরণ আয়োগ গঠন করে। রাষ্ট্রসংঘের তৎপরতায় বা চেষ্টায় ১৯৬৩ সনে ‘ আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি ’ , ১৯৬৭ সনে ‘ বহিঃমহাকাশ চুক্তি ’ , ১৯৬৮ সনে ‘ পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি ‘ , ১৯৭১ সনে‘ সমুদ্রতল নিয়ন্ত্রণ চুক্তি , ১৯৭২ সনে ‘ সল্ট -১ চুক্তি ’ , ১৯৭৯ সনে ‘ সল্ট -২ চুক্তি ’ , ১৯৯৩ সনে ‘ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি , ১৯৯১ ও ১৯৯৩ সনে ‘ Start – 1 ও Start – 2 ’ , ১৯৯৬ সনে ১৫৮ টি রাষ্ট্রের সমর্থনে সম্পাদিত হওয়া ‘ পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ‘ – কে ধরে বর্তমান সময় পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার ঘটনা নিশ্চয়ই বিশ্বে শান্তির বাতাবরণ আনতে বিশেষ অবদান যুগিয়েছে। ২০০৭ সনের জুন মাসে রাষ্ট্রসংঘের গ্রহণ করা ‘ প্রতিরোধমূলক কূটনীতি’র সহায়তায় বিবাদ মীমাংসা ও শান্তির পরিবেশ আনতে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ । 

রাষ্ট্রসংঘকে শক্তিশালীরূপে প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব সদস্য রাষ্ট্রসমূহের । এই রাষ্ট্রসমূহের সদিচ্ছা , সহযোগিতা ও আনুগত্যই রাষ্ট্রসংঘকে বলিষ্ঠ করতে পারবে এবং বিশ্বশান্তির দিকটি বা বিষয়টি আশাব্যঞ্জক হবে । 

প্রশ্ন ৪। ভারতবর্ষের রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগ সম্পর্কে একটি টীকা লেখো । 

উত্তৰঃ ভারতের মানব অধিকার আয়োগ ১৯৯৩ সনে গঠিত হয় । ১৯৯৪ সনের ৮ ই জানুয়ারী তারিখে এই আইনের বিধেয়কটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে আইনে পরিণত হয় । এই আইন মতে রাজ্যগুলিতেও রাজ্যিক মানব অধিকার আয়োগ গঠন করা হয় । 

রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগের পাঁচজন সদস্য আছে । 

( ১ ) উচ্চতম ন্যায়ালয়ের অবসরপ্রাপ্ত একজন মুখ্য ন্যায়াধীশ এর অধ্যক্ষ বা সভাপতি হবে ।

( ২ ) উচ্চতম ন্যায়ালয়ের আরও একজন অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য ন্যায়াধীশ সদস্য হবে । 

( ৩ ) যে – কোন একজন উচ্চ ন্যায়ালয়ের অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য ন্যায়াধীশ এর সদস্য হবে ।

( ৪ ) উপরোক্ত ব্যক্তিগণ ব্যতীতও দুইজন মানব অধিকারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকা লোককে এর সদস্যরূপে নির্বাচিত করবে । 

তদুপরি রাষ্ট্রীয় সংখ্যালঘু আয়োগের সভাপতি , অনুসূচিত জাতি এবং জনজাতির রাষ্ট্রীয় আয়োগের সভাপতি ও রাষ্ট্রীয় মহিলা আয়োগের সভাপতিও আয়োগের সদস্যপদে থাকবে । সকল সদস্যকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ৫ বৎসরের জন্য নিযুক্ত করেন । 

ভারতবর্ষে মানব অধিকার উলংঘনের সকল দিক পর্যালোচনা করে তার বিহিত ব্যবস্থার জন্য সরকারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগ এই দিকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা নেয় । 

প্রশ্ন ৫। মানব অধিকার সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা আলোচনা করো । 

উত্তৰঃ পৃথিবীতে বা বিশ্বে শান্তির বাতাবরণ আনার উদ্দেশ্যে এবং রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হওয়া রাষ্ট্রসংঘই অতি গুরুত্বপূর্ণভাবে মানব অধিকার রক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। বিশ্বের প্রত্যেক ব্যক্তির মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজন হওয়া কিছু সংখ্যক অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়ার অর্থে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা ১৯৪৮ সনের ১০ ডিসেম্বর তারিখে ৪৮ টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে মানব অধিকার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে । সেইজন্য আজও ১০ ডিসেম্বর দিনটি ‘ মানব অধিকার দিবস ‘ হিসেবে পালন করা হয় । একটি প্রস্তাবনা ও ৩০ টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত এই ঘোষণাপত্র মূলত দুটি উদ্দেশ্য সাধন করেছে । 

( ১ ) বিশ্বের জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় অধিকারসমূহ এই ঘোষণাপত্রে সন্নিবিষ্ট হয়েছে । 

( ২ ) এই ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত অধিকার সমূহকে সদস্য রাষ্ট্রসমূহ স্বীকৃতি দিয়েছে ।

উল্লেখযোগ্য যে এই ঘোষণাপত্রে উল্লেখ থাকা অধিকারসমূহে রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর উপরে কিছু সীমাবদ্ধতা এসেছে।কারণ নীতিগতভাবে কোনো রাষ্ট্রই এই অধিকার সমূহকে অগ্রাহ্য করতে পারবে না । দেশের নাগরিকগণকে এই অধিকার হতে বঞ্চিত করে আন্তঃরাষ্ট্রীয় শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করাটি যে সম্ভব নয় তাকে রাষ্ট্রসংঘ এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছে । বিশ্বের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানদণ্ড উন্নত করা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনের পথ খুলে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রসংঘের মানব অধিকার সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপ নিশ্চয় করে আশাব্যঞ্জক । 

যদিও মানব অধিকার ঘোষণাপত্র কোনো চুক্তি নয় যে এর দ্বারা সদস্য রাষ্ট্রকে বাধ্য করা হয়েছে , তথাপি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সদিচ্ছার উপরে ভিত্তি করে এই ঘোষণাপত্র বিশ্বের মানব সমাজকে সর্বদিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুবিধা দিয়েছে । 

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top