SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 8 ভারতবর্ষের ভূগোল

SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 8 ভারতবর্ষের ভূগোল Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 8 ভারতবর্ষের ভূগোল Solutions and select need one. SEBA Class 9 Social Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 8 ভারতবর্ষের ভূগোল

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Social Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। ভারতবর্ষ কোন্ গোলার্ধে অবস্থিত এবং ইহা কোন্ মহাদেশের অন্তর্গত ?

উত্তরঃ ভারতবর্ষ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত এবং এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।

প্রশ্ন ২। উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমে ভারতবর্ষের বিস্তৃতি কত ?

উত্তরঃ উত্তর-দক্ষিণে ৩,২১৪ কি.মি. এবং পূর্ব-পশ্চিমে ২,৯৩৩ কি.মি.।

প্রশ্ন ৩। ভারতের মোট উপকূলভাগের দৈর্ঘ্য কত ?

উত্তরঃ ৬,১০০ কি.মি.।

প্রশ্ন ৪। ভারতের মোট স্থলসীমার দৈর্ঘ্য কত ? 

উত্তরঃ ১৫,২০০ কি.মি.।

প্রশ্ন ৫। আকারগত দিক দিয়া ভারতের স্থান কত ?

উত্তরঃ সপ্তম।

প্রশ্ন ৬। ব্রিটিশ যুক্তরাষ্ট্র অপেক্ষা ভারতবর্ষ করগুণ বড় ?

উত্তরঃ ১৩ গুণ বড়।

প্রশ্ন ৭। ভারতবর্ষের মোট কালির পরিমাণ কত ?

উত্তরঃ ৩,২৮৭,৬২৩ বর্গ কি.মি.।

প্রশ্ন ৮। ভারতবর্ষে মোট কয়টি রাজ‍্য এবং কয়টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আছে ?

উত্তরঃ ২৯ টি রাজ‍্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আছে।

প্রশ্ন ৯। উত্তর ভারতের দুইটি প্রধান নদীর নাম লিখ ?

উত্তরঃ গঙ্গা ও ব্রক্ষপুত্র।

প্রশ্ন ১০। দক্ষিণ ভারতের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নদীর নাম লিখ।

উত্তরঃ নর্মদা, তাপ্তী, মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা ও কাবেরী উল্লেখযোগ্য।

প্রশ্ন ১১। হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত ?

উত্তরঃ হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল দৈর্ঘ্যে ২,৫০০ কি.মি. এবং প্রস্থে ২৪০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. পযর্ন্ত।

প্রশ্ন ১২। সাগরপৃষ্ঠ হতে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের গড় উচ্চতা কত ?

উত্তরঃ৮০০০ কিলোমিটারেরও অধিক।

প্রশ্ন ১৩। রাজস্থানে অবস্থিত মরুভূমিটির নাম কি ?

উত্তরঃ থর।

প্রশ্ন ১৪। ব্রক্ষপুত্রের উত্তর পারের উপনদীগুলোর নাম লিখ।

উত্তরঃ সুবর্ণশিরি, জীয়াভরালী, ধনশ্রী, পুঠিমারী, পাগ্লাদিয়া, মানস, চম্পাবতী ইত‍্যাদি।

প্রশ্ন ১৫। ব্রক্ষপুত্র নদীর দক্ষিণ পারের উপনদীগুলির নাম লিখ।

উত্তরঃ বুঢ়ীদিহিং, দিচাং, দিখৌ, ধনশ্রী (দক্ষিণ), কপিলী, কৃষ্ণাই ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১৬। দাক্ষিণাত‍্য মালভূমি অঞ্চলের কয়েকটি পর্বতের নাম লিখ।

উত্তরঃ পর্বতগুলোর নাম হল— বিন্ধ‍্য, সাতপুরা, মহাদেব ও মহাকাল।

প্রশ্ন ১৭। ভারতবর্ষের দুইটি পশ্চিম বাহিনী নদীর নাম লিখ।

উত্তরঃ নর্মদা ও তাপ্তী।

প্রশ্ন ১৮। আন্দামান ও নিকোবর কত সংখ্যক দ্বীপ দ্বারা গঠিত ?

উত্তরঃ আন্দামান অঞ্চলে ২০৪টি ও নিকোবর অঞ্চলে ১১টি। মোট সংখ্যা ২১৫ টি।

প্রশ্ন ১৯। চেরাপুঞ্জিতে বৎসরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত ?

উত্তরঃ ১,২৫০ সে.মি.।

প্রশ্ন ২০। ভারতে কি কি ঋতু দেখা যায়।

উত্তরঃ ভারতে প্রধানত চারটি ঋতু পরিলক্ষিত হয়। ঋতুগুলো হল—- 

(ক) শীতকাল।

(খ) প্রাক্ বর্ষাকাল।

(গ) বর্ষাকাল।

(ঘ) প্রাক্ শীতকাল।

প্রশ্ন ২১। ভারতের উদ্ভিদসমূহকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় এবং কি কি ?

উত্তরঃ ভারতের উদ্ভিদসমূহকে প্রধানত ছয় ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন—- চিরহরিৎ বৃক্ষ বা চিরসবুজ বৃক্ষ, মৌসুমীয় উদ্ভিদ, কাঁটা যুক্ত মরু উদ্ভিদ, তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ, ব-দ্বীপীয় উদ্ভিদ এবং পার্বত্য উদ্ভিদ।

প্রশ্ন ২২। মৌসুমী অঞ্চলের কয়েকটি গাছের নাম লিখ।

উত্তরঃ শাল,সেগুন, শিরিষ, শিশু, অর্জুন, শিমূল এবং বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ।

প্রশ্ন ২৩। ব-দ্বীপ অঞ্চলের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গাছের নাম লিখ।

উত্তরঃ সুন্দরী বৃক্ষ,তাল এবং নারকেল গাছই প্রধান।

প্রশ্ন ২৪। ভারতবর্ষে মূলত কোন্ কোন্ জনগোষ্ঠীয় লোকের সংমিশ্রণ ঘটেছে ?

উত্তরঃ অষ্ট্র-এশীয়, মংগোলীয়, আর্য এবং দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর লোকের সংমিশ্রণ ঘটেছে।

প্রশ্ন ২৫। ভারতের কোন্ রাজ‍্যে জনসংখ্যা সর্বাধিক এবং কত ?

উত্তরঃ উত্তর প্রদেশে। এখানকার জনসংখ্যা ১৯,৯৫,৮১,৪৭৭ জন।

প্রশ্ন ২৬। অসম রাজ‍্যের জনসংখ্যা কত ?

উত্তরঃ৩,১১,৬৯,২৭২ জন।

প্রশ্ন ২৭। ভারতবর্ষের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমা অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহ হতে আসা প্রব্রজনকারীদের একটি তালিকা প্রস্তুত কর।

উত্তরঃ ভারতবর্ষের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহ হতে আসা প্রব্রজনকারীদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এসেছে ৩নিযুক্ত, পাকিস্তান থেকে প্রায় ০.৯ নিযুক্ত, নেপাল থেকে প্রায় ০.৫ নিযুক্ত এবং শ্রীলঙ্কা থেকে প্রায় ০.১ নিযুক্ত।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। ভারতীয় অর্থনীতিতে কৃষিখণ্ডের উপর গুরুত্বের কারণ কি ?

উত্তরঃ ভারতীয় অর্থনীতিতে কৃষিখণ্ডের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কারণগুলো হল—–

(ক) দেশটির জনসাধারণের খাদ্য আহরণের জন্য কৃষিখণ্ডের উপর নির্ভরশীলতা।

(খ) দেশের কর্মক্ষম লোকের ৬০% এর অধিক লোক কৃষিখণ্ডে নিয়োজিত হয়ে আছে।

(গ) দেশের আয়ের সর্বাধিক অংশ কৃষিখণ্ড থেকে আসে।

(ঘ) কৃষি থেকে লাভ করা কাঁচামালের ভিত্তিতে দেশের বহুসংখ্যক উদ‍্যোগ গড়ে উঠেছে এবং এর সাথে কৃষিকার্যে ব‍্যবহৃত যন্ত্র- পাতি ও সাজ-সরঞ্জাম তৈরি করার জন‍্যও অনেক উদ‍্যোগ গড়ে উঠেছে।

প্রশ্ন ২। ভারতীয় অর্থনীতিতে উদ‍্যোগ খণ্ডের সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ ভারতীয় অর্থনীতিতে উদ‍্যোগ খণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। এর কারণগুলো হল—-

(ক) স্বাধীনতার পরবর্তীকাল থেকে ভারতীয় অর্থনীতিতে উদ‍্যোগ খণ্ডের অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২০০৯-১০ বর্ষে ভারতবর্ষের নিজস্ব উৎপাদনের ২৮% উদ‍্যোগ খণ্ডের অবদান। স্বাধীনতার সময় উদ‍্যোগ খণ্ডের অবদান ছিল মাত্র ১৪%। বর্তমানে বিকাশের হারের বৃদ্ধির মূল কারণ হল উদ‍্যোগের সংখ্যা ও উৎপাদন বৃদ্ধি।

(খ) ভারতবর্ষের মতো বেকার সমস্যা জর্জরিত একটি দেশের জন্য উদ‍্যোগ খণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। উদ‍্যোগখণ্ড এই দেশের বহুসংখ্যক লোককে কর্মসংস্থাপন দিতে সক্ষম হয়েছে।

(গ) আন্তঃগাথনি উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। এক্ষেত্রে দেশের উদ‍্যোগ খণ্ড দেশের আন্তঃগাথনি উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা করেছে। অবশ্য উদ‍্যোগ সমূহের মধ্যে গুরু উদ‍্যোগ সমূহ বিশেষ ভূমিকা গ্ৰহণ করেছে।

(ঘ) দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিত‍্য নৈমিত্তিক ব‍্যবহার্য প্রয়োজনীয় ভোগ‍্য সামগ্ৰীর চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঔদ‍্যোগিক বিকাশ এই সামগ্ৰী তৈরির ক্ষেত্রে সাহায্য প্রদান করেছে।  ঔদ‍্যোগিকরণের মাধ্যমে আমরা খাদ্য, বস্ত্র, অন‍্যান‍্য সাজ-সরঞ্জাম ও নানা ধরনের ভোগ‍্য সামগ্ৰী লাভ করতে সক্ষম হয়েছি।

প্রশ্ন ৩। যাতায়াত খণ্ড ভারতীয় অর্থনীতিতে কিরূপ ভূমিকা পালন 

করেছে ?

উত্তরঃ স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথের ভাল যাতায়াত ব‍্যবস্থা ভারতীয় অর্থনীতিতে এক বিশেষ ভূমিকা গ্ৰহণ করেছে। কৃষি, উদ‍্যোগ, বাণিজ্য, যোগাযোগ ইত‍্যাদির বিকাশের জন্য দক্ষ যাতায়াত ব‍্যবস্থার বিশেষ প্রয়োজন। মোটর পরিবহণ ও রেলপথ ভারতের বিভিন্ন স্থানের সাথে যোগাযোগ অব‍্যাহত রেখেছে।

প্রশ্ন ৪। হিমালয়ের উৎপত্তির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ শিলাস্তরে প্রধানত ভাঁজ পড়ে হিমালয় পর্বতের উৎপত্তি হয়েছে। সেইজন্য হিমালয়কে ভঙ্গিল জাতীয় পর্বতশ্রেণি বলা হয়। আজ যেখানে হিমালয় পর্বত দাঁড়িয়ে আছে, প্রায় দশ কোটি বছর আগে সেখানে টেথিস নামে এক অগভীর সাগর ছিল। এই সাগরের উত্তরে ও দক্ষিণে যথাক্রমে আঙ্গারাল‍্যাণ্ড ও গণ্ডোয়ানাল‍্যাণ্ড নামে দুটি প্রাচীন স্থলভাগ ছিল। এই স্থলভাগ থেকে উৎপন্ন নদনদীগুলি প্রচুর পলিমাটি নিয়ে এসে ওই সাগরের তলায় জমা করতে থাকে। কালক্রমে টেথিস সাগরের তলায় সঞ্চিত সেই পলিমাটি শিলায় পরিণত হয়।

ক্রমাগত পলল ও পাললিক শিলা সঞ্চিত হওয়ায় তাদের ভারে সাগরের তলায় এক নিম্নমুখী চাপের সৃষ্টি হয়। সেই নিম্নমুখী চাপে ও অন‍্যান‍্য প্রাকৃতিক কারণে উত্তরদিকের আঙ্গারাল‍্যাণ্ড ও দক্ষিণদিকের গণ্ডোয়ানাল‍্যাণ্ড উভয়ে উভয়ের দিকে সরতে থাকে। ফলে এই দুই স্থলভূমির মাঝখানে অবস্থিত টেথিস সাগরের তলায় দুইদিক থেকে চাপ পড়তে থাকে এবং সেখানকার শিলায় ভাঁজ পড়তে শুরু করে। ক্রমে ক্রমে ভাঁজে ভাঁজে সেই শিলাস্তর উঁচু হয়ে হিমালয় পর্বতের রূপ ধারণ করেছে।  ভূবিদ্গণের মতে, হিমালয় পর্বত এখনও উঠছে।

প্রশ্ন ৫। হিমালয়ের কয়েকটি গিরিপথের নাম লিখ।

উত্তরঃ হিমালয়ের গিরিপথ : দুর্ভেদ্য হিমালয়ের মধ্যে আছে সংকীর্ণ গিরিপথ। যথা—বানিহাল, বুর্জিল, জোজিলা, রোটাং, বড়লাচা, সিপকি, নিতি, নাথুলা,বুমলা, সে-লা প্রভৃতি।

প্রশ্ন ৬। হিমালয় পর্বতমালা ভারতীয় ভূখণ্ডকে কিভাবে সহায়তা করেছে বর্ণনা কর।

উত্তরঃ ভারতের উত্তরে হিমালয় পর্বতের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। হিমালয় পর্বতমালা নানাভাবে ভারতকে সহায়তা করেছে :

(১) হিমালয় পর্বতমালা ভারতের উত্তর সীমান্ত বরাবর দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে বহিঃশক্রর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করেছে।

(২) সুবিশাল এই পর্বতমালার অবস্থানের জন্য মধ্য এশিয়ার শীতল ও শুষ্ক বাতাসের প্রকোপ ভারতে ঢুকতে পারে না। ফলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার হাত থেকে ভারত রক্ষা পায়।

(৩) সাগর থেকে আগত জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমিবায়ু হিমালয় পর্বতমালা প্রতিহত হয়ে ভারতে বৃষ্টিপাত ঘটায়। ফলে ভারত সুজলা-সুফলা হয়ে উঠেছে।

(৪) তুষার-হিমাদ্রি থেকে শত শত নদনদীর জন্ম। এইসব নদী ভারতের মাটিতে প্রাণসঞ্চার করেছে। উত্তর ভারতের সমভুমি এইসব নদনদীর পলিমাটি দিয়ে গঠিত।

(৫) হিমালয়ের অরণ্য ভারতের এক অতুলনীয় সম্পদ। এই অরণ্য থেকে প্রচুর কাঠ,ভেষজ গুণসম্পন্ন গাছ-গাছড়া, বনৌষধি, মধু, মোম, নানারকম ফল প্রভৃতি পাওয়া যায়।

(৬) হিমালয়ের পার্বত্য উপত্যকায় ও পর্বতের গায়ে যে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি জন্মায় সেখানে প্রচুর মেষ, ছাগল প্রভৃতি পালন করা হয়।

(৭) হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল কৃষির অনুকূল না হলেও সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশে উৎকৃষ্ট শ্রেণির চা ও সুমিষ্ট ফলের চাষ হয়।

(৮) হিমালয়ের নিসর্গ প্রকৃতির শোভা ও মনোরম জলবায়ুর জন্য বহু শৈলনিবাস ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।

(৯) ভারতীয়দের জীবনের ওপর হিমালয়ের দান অনন্য। ভারতের ধর্ম, পুরাণ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে হিমালয় পর্বতমালা এক অসামান্য স্থান অধিকার করে আছে। এদেশের ভৌগোলিকী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্য বিধানে হিমালয়ের প্রভাব অপরিসীম।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top