SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 5 অসমে ব্রিটিশ প্রশাসনের সূচনা

SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 5 অসমে ব্রিটিশ প্রশাসনের সূচনা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 5 অসমে ব্রিটিশ প্রশাসনের সূচনা Solutions and select need one. SEBA Class 9 Social Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 5 অসমে ব্রিটিশ প্রশাসনের সূচনা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Social Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। অসমে প্রাক্-ব্রিটিশ বিরোধী যে কোন দুটি বিদ্রোহের উল্লেখ কর।

উত্তরঃ অসমে প্রাক্-ব্রিটিশ বিরোধী দুটি বিদ্রোহ হলো—

(ক) গোমধর কোঁওরের বিদ্রোহ। 

(খ) খাসি বিদ্রোহ।

প্রশ্ন ২। অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ বা সিপাহী বিদ্রোহের যে-কোনো দুটি কারণ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ বা সিপাহী বিদ্রোহের দুটি কারণ হলো-

(ক)১৮২৬ সালে অসমে ব্রিটিশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পর হতেই ইংরেজ বিরোধে নানা ষড়যন্ত্র গড়ে উঠতে থাকে।

(খ) অভিজাত সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্রিটিশ-বিরোধী অসন্তোষ দানা বাঁধতে থাকে।

প্রশ্ন ৩। অসমে সিপাহী বিদ্রোহ ব‍্যর্থ হওয়ার দুটি কারণ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ অসমে সিপাহী বিদ্রোহ ব‍্যর্থ হওয়ার দুটি কারণ হলো–

(ক) অসমে ব্রিটিশ সরকার মণিরাম দেওয়ানের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতেন। 

(খ) অসমের সাধারণ মানুষ বিদ্রোহের কারণ হৃদয়ঙ্গম করতে পারে নি।

প্রশ্ন ৪। ১৮৬৯ সালের ফুলগুড়ি যুদ্ধের দুটি কারণ লিখ।

উত্তরঃ ১৮৬৯ সালের ফুলগুড়ি যুদ্ধের দুটি কারণ–

(ক) ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পপি চাষ নিষিদ্ধকরণ। 

(খ) ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পান সুপারির উপর কর আরোপ।

প্রশ্ন ৫। ইয়াণ্ডাবু সন্ধির দুইটি শর্ত লিখ।

উত্তরঃ ইয়াণ্ডাবু সন্ধির দুটি শর্ত হলো : (ক) বর্মী রাজা আহোম, কাছাড়ী, জয়ন্তিয়া ও মণিপুর রাজ‍্যের উপর তার অধিকার ত‍্যাগ করেন। 

(খ) এই সন্ধির ফলে অসমে বর্মী শাসনের অবসান ক্রমে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন ৬। আহোম সমাজে কত শ্রেণির লোক ছিল এবং কী কী ?

উত্তরঃ আহোম সমাজে তিন শ্রেণির লোক ছিল—

(ক)অভিজাত।

(খ) কৃষক।ও 

(গ) দাস।

প্রশ্ন ৭। ঊনবিংশ শতকে অসমে নবজাগরণ বা রাজনৈতিক চেতনা বিকাশে দুইটি সামাজিক সংস্থার নাম উল্লেখ কর।

উত্তরঃ (ক) রাইজ মেল।

(খ) সার্বজনীন সভা।

প্রশ্ন ৮। ইয়াণ্ডাবু সন্ধি কখন ও কাদের মধ্যে সম্পাদিত হয় ?

উত্তরঃ ইয়াণ্ডাবু সন্ধি ১৮২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মানরাজা ও ইংরেজদের মধ্যে সম্পাদিত হয়।

প্রশ্ন ৯। ঊনবিংশ শতাব্দীতে সংগঠিত ব্রিটিশের বিরুদ্ধে অসমের দুটি উপজাতি বিদ্রোহ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ(ক) জয়ন্তিয়া বিদ্রোহ (১৮৬০-৬২) (খ) নাগা বিদ্রোহ (১৮৬৬)।

প্রশ্ন ১০। ব্রিটিশেরা অসমে আফিং চাষ বন্ধ করার দুটি কারণ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ ব্রিটিশেরা অসমে আফিং চাষ বন্ধ করার দুটি কারণ হলো—

(ক) ব্রিটিশদের মজুদকৃত আফিং বিক্রী করতে।এবং 

(খ) ব্রিটিশগণ নিজেরা আফিং চাষ করতে অসমের আফিং চাষীদের আফিং চাষ বন্ধ করে।

প্রশ্ন ১১। ১৮৫৮ ও ১৮৬১ সালের মধ্যে অসমে জারি করা দুই প্রকার করের উল্লেখ কর।

উত্তরঃ ১৮৫৮ ও ১৮৬১ সালের মধ্যে অসমে জারি করা দুই প্রকার কর হলো—–

(ক) লাইসেন্স কর।

(খ) পেশাকর।

প্রশ্ন ১২। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অসমে জাতীয় চেতনা বিকাশে অবদানকারী দুটি পত্রিকার নাম লিখ।

উত্তরঃ ঊনবিংশ শতাব্দীতে অসমে জাতীয় চেতনা বিকাশে আবদানকারী দুটি পত্রিকা হলো—

(ক) অরুণোদয়।

(খ) জোনাকী।

প্রশ্ন ১৩। অসমে ব্রিটিশ শাসনের যে কোন দুটি ফল লিখ।

উত্তরঃ(ক) ব্রিটিশ শাসনের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল হল অসমের দ্রুত বৈষয়িক উন্নতি। 

(খ) ব্রিটিশ শাসনে পাশ্চাত্য ভাবধারা প্রবাহের মাধ্যমে অসমে এক নূতন সমাজ গঠন শুরু হয়।

প্রশ্ন ১৪। ১৮১৯ ও ১৮২৪- এর মধ্যে মানেরা যে কয়জন আহোমকে অসমের রাজা করেছিল তাঁদের নাম লিখ।

উত্তরঃ (ক) চন্দ্রকান্ত সিং।

(খ) যোগেশ্বর সিং।

প্রশ্ন ১৫। কোন্ সালে এবং কোথায় আমাদের প্রথম ইংরাজী মাধ‍্যমের বিদ‍্যালয় স্থাপিত হয় ?

উত্তরঃ ১৮৩৫ সালে গৌহাটীতে আমাদের প্রথম ইংরাজী মাধ‍্যমের বিদ‍্যালয় স্থাপিত হয়।

প্রশ্ন ১৬। কখন এবং কার উদ্দেশ্যে Waste Land Grant Rule প্রবর্তিত হয় ?

উত্তরঃ অহমে চা চাষের বিকাশ ও বিস্তারের জন্য ব্রিটিশ সরকার সুলভ শর্তে চা চাষীদের পতিত ভূমি মঞ্জুর করেন। এই উদ্দেশ্যে জেনারেল জেনকিন্স ১৮৩৮ সালের মার্চ মাসে পতিত ভূমি মঞ্জুর বিধি প্রথমবারের মতো অসমে প্রবর্তন করেন।

প্রশ্ন ১৭। কখন এবং কোথায় চন্দ্রকান্ত সিংহকে মানেরা চুরান্তভাবে পরাস্ত করেছিল ?

উত্তরঃ ১৮২২ সালের ১৩ এপ্রিল যোড়হাটের কাছে মহাগড়ের যুদ্ধে চন্দ্রকান্ত সিংহকে মানেরা চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করেছিল।

প্রশ্ন ১৮। কাদের দেওলীয়া পাইক বলা হত ?

উত্তরঃ যে সকল পাইক মন্দির বা কোনো দেব স্থানের কার্যে নিয়োজিত ছিল তাদেরকে বলা হত দেওলীয়া পাইক।

প্রশ্ন ১৯ কোন সন্ধি অনুযায়ী এবং কখন অসমে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ?

উত্তরঃ বর্মীরাজা ও ইংরেজদের মধ্যে ইয়াণ্ডাবু সন্ধি অনুযায়ী ১৮২৬ সালে অসমে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন ২০। পুরন্দর সিংহকে কি শর্তে কোন কমিশনারের শাসনকালে সিংহাসনে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয় ?

উত্তরঃ ১৮৩৩ সালের ২৮ এপ্রিল কমিশনার রবার্টসনের শাসনকালে নিম্নলিখিত শর্ত অনুযায়ী অসমের সিংহাসনে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা হয়। এর বিনিময়ে পুরন্দর সিংহ— 

(ক) বার্ষিক ৫০ হাজার টাকা কর হিসাবে ইংরেজ সরকারকে দিতে হবে ; 

(খ) দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করা হবে এবং কোনো বিদেশী রাজার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যাবে না।

প্রশ্ন ২১। ১৮৫৭-এর নিয়ম চৌদ্দ (১৪ আইন) অনুসারে অসমে কাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল ?

উত্তরঃ মণিরাম দেওয়ান ও পিয়লী বরুয়া ১৮৫৭-এর নিয়ম চৌদ্দ অনুসারে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।

প্রশ্ন ২২।ব্রিটিশের খাসি রাজ‍্য অন্তর্ভুক্ত করার দুটি কারণ প্রদান কর। 

উত্তরঃ(ক) ১৮৩২ সালে জয়ন্তিয়া রাজা ব্রিটিশের একখণ্ড জমি দখল করলে জয়ন্তিয়া রাজা ও ব্রিটিশের মধ্যে বিবাদের সূচনা হয়।

(খ) জয়ন্তিয়া রাজার অধীনস্ত গোভার শাসক চারজন ব্রিটিশ বাসিন্দাকে ধৃত করে তাদের কালীর কাছে বলি দেন।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। ‘ইয়াণ্ডাবুর সন্ধি’ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।

উত্তরঃ বর্মী ও ইংরাজদের মধ্যে ইয়াণ্ডাবুর সন্ধি হয়। এই সন্ধির দ্বারা প্রথম ইঙ্গ-বর্মী যুদ্ধের অবসান হয়। ১৮২৬ সালে ২৪শে ফেব্রুয়ারী ইয়াণ্ডাবুর সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ইয়াণ্ডাবুর সন্ধির ফলে বর্মী রাজা আহোম, কাছাড়ী, জয়ন্তিয়া ও মণিপুর রাজ‍্যের উপর তাঁর অধিকার সম্পূর্ণ ত‍্যাগ করেন এবং এই সমস্ত রাজ‍্যে পুনরায় হস্তক্ষেপ হতে বিরত থাকবার প্রতিশ্রুতিও দেন। বর্মী রাজা অনিচ্ছা সত্ত্বেও সন্ধির শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হন। বর্মী রাজা মণিপুরের রাজা গম্ভীর সিংহকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হন। ইয়াণ্ডাবুর সন্ধির ফলে অসমে বর্মী শাসনের অবসান হয় এবং অসমে ব্রিটিশ আধিপত্য স্থাপনের পথ সুগম হয়।

প্রশ্ন ২। আহোম রাজ‍্যের পতনের প্রধান কারণসমূহ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ নিম্নলিখিত কারণে আহোম রাজ‍্যের পতন ঘটেছিল :

(১) সব জাতির প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মানুযায়ী কালক্রমে অবনতিগ্ৰস্ত হয় এবং আহোমদের ক্ষেত্রেও তা ঘটেছিল। 

(২) পরবর্তী আহোম রাজাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা আহোম সাম্রাজ্যের পতনের জন্য বিশেষ ভাবে দায়ী।

(৩) আহোম রাজাগণের অক্ষমতা এবং বিলাসিতার সুযোগে অভিজাত শ্রেণি প্রবল পরাক্রান্ত হয়ে উঠে। তাদের অত‍্যাচারে জনজীবনে অসন্তোষ ও বিক্ষোভ দেখা দেয় যা আহোম সাম্রাজ্যের ভিত্তি শিথিল করে দেয়।

(৪) মুসলমানদের সঙ্গে দীর্ঘকাল যুদ্ধ বিগ্ৰহের ফলে আহোম রাজকোষের শূন্যতা আহোম রাজ‍্যের অবনতির জন্য বহুলাংশে দায়ী।

(৫) আহোম রাজ‍্যের অবনতি ও পতনের মূল কারণ প্রকৃতপক্ষে আহোম জাতির চরিত্রের অবনতি ও যোগ‍্যতার হ্রাস।

(৬) আহোম সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা ও অক্ষমতা আহোম রাজ‍্যের পতনের জন্য অনেকাংশে দায়ী।

প্রশ্ন ৩। ডেভিড স্কটের শাসন সংস্কার সম্পর্কে কি জান ?

উত্তরঃ ডেভিড স্কট ছিলেন রংপুরের কমিশনার। ১৮২৩ সালে তাঁকে সমগ্ৰ উত্তর-পূর্ব সীমান্তের গভর্নর জেনারেলের এজেন্ট ও প্রতিনিধি ও নিযুক্ত করা হয়। পরে তিনি পশ্চিম বা নিম্ন অসমের শাসনভার প্রাপ্ত হন। ডেভিড স্কট শাসক হিসাবে সুদক্ষ ছিলেন। শাসনকর্তা হিসাবে তিনি অসমের সীমান্তবর্তী পার্বত্য উপজাতি এবং দেশীয় রাজ‍্যগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। এই কাজে একজন সহকারী কমিশনার তাকে সাহায্য করতেন। যুদ্ধ বিধবস্ত নববিজিত অঞ্চলে সরকারের আয় বাড়ার জন্য স্কট রাজস্ব সংক্রান্ত কতকগুলি সংস্কার সাধন করেছিলেন। স্কট শারীরিক শ্রমের পরিবর্তে নগদ টাকার বেতন দেবার প্রথা প্রবর্তন এবং বিচার ব‍্যবস্থা ত্বরান্বিত করার জন্য নিজ দায়িত্বে তিনটি দেশীয় আদালত এবং নওগাঁওতে কয়েকটি পঞ্চায়েত আদালত স্থাপন করেছিলেন।স্কট আহোম অভিজাতদের অসন্তোষ নিবারণের জন্য উত্তর-পূর্ব অসমকে কোনো আহোম রাজকুমারকে প্রত‍্যর্পণের প্রস্তাব দেন। সেই অনুযায়ী ১৮৩৩ সালে পুরন্দর সিংহকে উত্তর-পূর্ব অসম প্রত‍্যার্পণ করা হয়। সমস‍্যাজর্জরিত নববিজিত অসমে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠা করতে স্কট যা করেছেন তা অতুলনীয়। তাঁর দূরদর্শিতার জন‍্যই অসমে ব্রিটিশ শাসন কায়েম হয়।

প্রশ্ন ৪। পুরন্দর সিংহ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।

উত্তরঃ পুরন্দর সিংহ শেষ স্বাধীন আহোম রাজা। তিনি ১৮১৮ সালের মার্চ মাসে সিংহাসন আরোহণ করেন। ১৮৯৯ সালে তিনি বর্মী কর্তৃক সিংহাসনচ‍্যুত হন। ১৮২৬ সালে ইয়াণ্ডাবুর সন্ধির মাধ্যমে বর্মী শাসনের অবসান ঘটে এবং সমগ্ৰ অসমে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আহোম অভিজাতদের মধ্যে অসন্তোষ ও নানা বিশৃঙ্খলা লক্ষ্য করে ডেভিড স্কট সমগ্ৰ উত্তর-পূর্ব অসমকে কোনো আহোম রাজপুত্রকে প্রত‍্যার্পণ করবার সুপারিশ করেন। স্কটের পর রবার্টসন অসমের কমিশনার ও গভর্নর জেনারেলের এজেন্ট নিযুক্ত হন। তিনি স্কটের উক্ত প্রস্তাবে সহমত হন। ১৮৩৩ সালে রবার্টসন আনুষ্ঠানিক ভাবে উত্তর-পূর্ব অসম পুরন্দর সিংহকে প্রত‍্যার্পণ করেন। কিন্তু পুরন্দর সিংহের শাসনে রাজ‍্যের অধিবাসীদের চরম দুর্গতি শুরু হয়। অধিকন্তু তিনি প্রতিশ্রুত বার্ষিক কর পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতেও অক্ষম হন। অবশেষে জেনারেল জেন্কিন্সের প্রস্তাব অনুসারে ১৮৩৮ সালে এক ঘোষণায় পুরন্দর সিংহকে সিংহাসনচ‍্যুত করা হয়।

প্রশ্ন ৫। রবার্টসন সম্পর্কে একটি টীকা লিখ।

উত্তরঃ ডেভিড স্কটের পর ১৮৩১ সালে রবার্টসন অসমের কমিশনার ও গভর্নর জেনারেলের এজেন্ট নিযুক্ত হন। স্কটের শাসনকালে যে খাসি বিদ্রোহ হয়েছিল ১৭৩৪ সালে রবার্টসন এর অবসান ঘটান। তাঁর সময়ে ১৮৩২ সালে কাছাড়ী রাজ‍্যের সমতল অঞ্চল ব্রিটিশ শাসনাধীন হয়। রবার্টসন স্কটের আমলের কয়েকটি ব‍্যবস্থারও পরিবর্তন করেন। তিনি স্কটের আমলের কয়েকটি কর বিলোপ করেন এবং ভূমি কর ও মাথাপিছু কর, এই দুটি কর রাজয় রাখেন। রবার্টসন শাসনের সুবিধার জন্য নিম্ন অসমকে কয়েকটি জেলায় ভাগ করেন এবং প্রত‍্যেক জেলায় একজন “প্রিন্সিপাল অ্যাসিস্ট‍্যাণ্ট” ও “জুনিয়র অ্যাসিস্টাণ্ট নিযুক্ত করেন।

প্রশ্ন ৬। ইংরেজদের জয়ন্তীয়া রাজ‍্য অধিকার বিষয়ে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা বঙ্গদেশের দেওয়ানী অর্থাৎ খাজনা আদায়ের ক্ষমতা লাভ করে। শ্রীহট্ট সেই সময়ে বঙ্গদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। শ্রীহট্টে ইংরেজ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে শ্রীহট্টের উত্তর অবস্থিত জয়ন্তীয়া রাজ‍্যের সঙ্গে ইংরেজের রাজনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়। সীমানার প্রশ্ন নিয়ে জয়ন্তীয়াদের সঙ্গে ইংরেজদের প্রায় বিরোধ হত। এইরূপ একটি সুযোগ নিয়ে ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা জয়ন্তীয়া রাজ‍্য আক্রমণ করে অধিকার করে। পরে জয়ন্তীয়ারাজ ছত্র সিংহ ইংরেজদের জরিমানা দিলে তাঁকে সিংহাসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দের পর পঞ্চাশ বৎসরকাল ইংরেজদের সঙ্গে জয়ন্তীয়াদের কোনো বিরোধ হয় নি। কিন্তু বর্মী যুদ্ধের অবসানের পর সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চিত অবস্থার সুযোগ নিয়ে জয়ন্তীয়ারাজ আহোম রাজ‍্যভুক্ত নগাঁওয়ের একটি অংশ অধিকার করে নিলেন। ইংরেজরা বার বার এই দখলীকৃত এলাকা ফিরিয়ে দিতে বলা সত্ত্বেও জয়ন্তীয়ারাজ দ্বিতীয় রাম সিংহ নানা অজুহাতে ইংরেজদের এই নির্দেশ উপেক্ষা করতে থাকেন। এই সমস্যা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্ৰহণের আগেই আরেকটি ঘটনায় জয়ন্তীয়াদের উপর ইংরেজরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে জয়ন্তীয়ারাজ আশ্রিত গোভা রাজ‍্যের রাজা জয়ন্তীয়ারাজের প্ররোচনায় চারজন প্রজাকে ধরে নিয়ে তিনজনকে কালী মন্দিরে বলি দেন। চতুর্থ ব‍্যক্তি কোনো মতে পলায়ন করে এই নৃশংস হত‍্যাকাণ্ডের কথা ইংরেজ কর্তৃপক্ষের কর্ণগোচর করে। ইতিমধ্যে রাম সিংহের মৃত্যু ঘটে এবং তাঁর ভাগিনেয় রাজেন্দ্র সিংহ জয়ন্তীয়ার রাজা হন। এই নৃশংস হত‍্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের ইংরেজদের হস্তে অর্পণ করবার দাবী নিয়ে দুই বৎসর যাবৎ রাজেন্দ্র সিংহের সঙ্গে ইংরেজ সরকার আলাপ আলোচনা চালিয়ে ব‍্যর্থ হলে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে ক‍্যাপ্টেন লিষ্টারের নেতৃত্বে একদল সৈন্য পাঠিয়ে ইংরেজরা জয়ন্তীয়া রাজ‍্য দখল করে নেয়। এর অল্প কয়েকদিন পরে গোভা রাজ‍্যও ইংরেজরা অধিকার করে। রাজস্ব আদায়ের মূল উৎস ‘জয়ন্তীয়াপুর’ ইংরেজদের দখলে চলে যাওয়ায় রাজেন্দ্র সিংহ পার্বত্য অঞ্চলও স্বেচ্ছায় ইংরেজদের হাতে অর্পণ করেন।

প্রশ্ন ৭। গোমধর কোঁয়রের বিদ্রোহ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তরঃ ইয়াণ্ডাবু সন্ধির পর চিরকাল স্বাধীন হয়ে থাকা অসম ইংরেজের পরাধীন হয়। কিন্তু স্বাধীনচেতা অসমের মানুষ সহজে ইংরেজের বশ‍্যতা স্বীকার করতে রাজি ছিলেন না। বিশেষভাবে আহোম রাজপরিবার এবং অন‍্যান‍্য অভিজাত সম্প্রদায়ের লোকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁরাই ইংরেজের বিরুদ্ধে অগ্ৰণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে আহোম রাজপরিবারের অন‍্যতম সম্ভ্রান্ত ব‍্যক্তি ফেনা কোঁওরের পুত্র গোমধর কোঁওর অসমে ইংরেজের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র বিদ্রোহ আরম্ভ করেন এবং নিজেকে রাজা বলে ঘোষণা করেন। গোমধর কোঁওরকে এই বিদ্রোহে ধনঞ্জয় পিয়ালীয়া বরগোঁহাই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন। কিন্তু লেফটেনেণ্ট বুথার ফর্জের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ সৈন‍্যবাহিনী শুরুতেই এই বিদ্রোহ দমন করেন। গোমধর এবং ধনঞ্জয়কে বন্দী করে সাত বৎসরের জন্য বঙ্গদেশের রংপুর কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কিছুদিন পর ধনঞ্জয় কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়ে মটক রাজ‍্যে আশ্রয় নেন। কিন্তু রংপুরের কারাগার থেকে গোমধর কোঁওর কোথায় গেলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায় নি। গোমধর কোঁওরের মৃত্যু যেভাবেই হোক না কেন, অসমের মানুষ এই স্বাধীনতা সংগ্ৰামীকে শহীদের মর্যাদা দিয়ে এসেছেন।

প্রশ্ন ৮। পাইক প্রথার বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত রচনা লিখ।

উত্তরঃ আহোম রাজ‍্যের অর্থনৈতিক ভিত্তির মূল উৎস ছিল এর মাটি ও মানুষ। অর্থাৎ মাটি বা ভূমির মাধ্যমে যে উৎপাদন হত সেটি ছিল রাজ‍্যের মূল পরিচালিকা শক্তি। আহোম রাজ‍্যে কোনো স্থায়ী সেনাবাহিনী ছিল না। কিন্তু মধ‍্যযুগে অসমে যুদ্ধবিগ্ৰহ লেগেই থাকত। রাজ‍্যের অবস্থিতি ও ভৌগোলিক সম্প্রসারণের জন্য একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর আবশ্যক ছিল।নিয়মিত সেনাবাহিনীর অভাবে রাজ‍্যের সকল কর্মঠ কৃষক প্রজাকে সেনাবাহিনীর কাজে লাগানো হত। এই ভাবে রাজ‍্যের অর্থনৈতিক ও সামরিক কার্যে কৃষকদের ব‍্যবহার করার ব‍্যবস্থাকে বলা হয় আহোম রাজের পাইক ব‍্যবস্থা বা “পাইক প্রথা”।

পাইক শব্দের অর্থ : “পাইক” শব্দের অর্থ পদাতিক সেনা বা সাধারণ শ্রেণির কৃষক ও কারিগর।

মধ‍্যযুগে অসমের বাইরেও পাইক ব‍্যবস্থা মণিপুর, বাংলাদেশ প্রভৃতিতে ছিল কিন্তু অসমে থাকা পাইক প্রথার সঙ্গে অন‍্যান‍্য স্থানের পাইক প্রথার কোনো মিল নেই। এই প্রথা অনুযায়ী ১৬ বছর হতে ৫০ বছর পযর্ন্ত প্রত‍্যেকটি লোককে বলা হত “পাইক”। রাজেশ্বর সিংহের সময় তিন জন পাইক এনে একটি “গোট” সৃষ্টি হয়। এদের মূল, দেরাল এবং তেরাল বলা হত। এরা পালাক্রমে রাজগৃহে ৩/৪ মাস বেগার খাটত। পাইকরা বিনা করে ক্ষেত্রের জমি ভোগ করত। পাইক প্রথার ফলে সৈন‍্যদের চাহিদাও পূরণ হত।

পাইক প্রথার পরিচালনা : তিন চার জন কর্মঠ মানুষকে নিয়ে একটি গোট তৈরি করা হত, কয়েকটি গোটের সমষ্টিকে ‘খেল’ বলা হত। ফলে নাওসাজা খেল, সোনা কামোরা খেল প্রভৃতি নানা প্রকার খেল দেখা যেত।

প্রতিটি খেল পরিচালনার জন্য ছিল একজন বিষয়া ছিল। তাঁকে বলা হত ‘খেলদার’। উচ্চতম আধিকারিকের আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলদার তার অধীনস্থ খেলদের সরকারী কাজে নিয়োজিত করত। প্রতিটি খেলে থাকত ১০০০হতে ৩০০০ পাইক। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা খেলদার যেমন—-নাওশলীয়া, খাবখরীয়া, — প্রভৃতি খেলগণ ‘ফুকন’ বা ‘রাজখোয়া’ জাতীয় সামরিক আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে রাখা হত। ছোট খেলকে একজন বরুয়ার তত্ত্বাবধানে রাখা হত।

পাইকের উপর রাজার শাসন ছিল কঠোর। ১৬০৯ সালে মোমাই তামূলী পাইকদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন। তিনি ২০জন পাইকের উপর একজন ‘বরা’, ১০০ জন পাইকের উপর একজন ‘শইকীয়া’, ১০০০জন পাইকের উপর একজন “হাজারিকা”, ৩০০০ জনের উপর একজন “রাজখোয়া” এবং ৬০০০ জনের উপর একজন ‘ফুকন’ নিযুক্ত করেছিলেন। আহোম রাজ‍্যে নিয়মিত সৈন‍্যবাহিনী না থাকাতে পাইক দ্বারা যুদ্ধ চালানো হত। পাইকরা করমুক্ত জমি ভোগ করলেও জমির উপর তাদের কোনো স্বত্ব ছিল না। পাইকের বয়স ৫০ বৎসর হলে তার জমি অন্য পাইককে দেওয়া হত।

পাইক প্রথার প্রভাব বা গুরুত্ব : সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পাইক প্রথার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। পাইক ব‍্যবস্থার ফলে রাজ‍্যের সকল কাজ সময়মত এবং নিদ্ধারিত ভাবে করা হত। পাইকদের সাহায্যে শত শত রাস্তা, পুকুর, ময়দান, দেবালয়, রাজপ্রাসাদ প্রভৃতি গড়ে উঠেছিল। সকলের জন্য প্রয়োজনমত খাদ‍্যদ্রব‍্য উৎপাদন হত। এর ফলে রাজ‍্যে একদিকে যেমন দরিদ্র ভিখারী ছিল না, তেমনি কোনো সরকারী কাজ অসমাপ্ত ছিল না।

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। পূর্বের আহোম রাজ‍্যকে কেন্দ্র করে ইংরাজ কর্তৃক গড়ে তোলা অসম সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তরঃ অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ‍্য থেকে আহোম রাজাদের অবনতি শুরু হয়। সম্ভবত প্রথম দিকে ইস্ট-ইণ্ডিয়া কোম্পানীর অসমে আধিপত্য স্থাপনের কোনো ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু অসমের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রক্ষার জন্য ব্রিটিশ অসমে আধিপত্য বিস্তারে মনোনিবেশ করে। মশ্বাগড়ের যুদ্ধে আহোম রাজা চন্দ্রকান্ত সিংহ পরাজিত হওয়ায় বর্মীরা অসমের অন্তর্গত ব্রিটিশ অধিকৃত উত্তর-বঙ্গ, গোয়ালপাড়া, শ্রীহট্ট এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্রিটিশ প্রজাদের উপর আক্রমণ চালাতে থাকায় ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড আমহাস্ট এর প্রতিবাদ করলে বর্মীরা তাতে কর্ণপাত করে নি।

সামরিক শাসনে অসম : ১৮২৪ সালের ১৩ই মার্চ ব্রক্ষপুত্র উপত‍্যকা থেকে তাড়ানোর উদ্দেশ্যে ইংরেজ সৈন্য অসমে প্রবেশ করে ২৪শে মার্চ গুয়াহাটী উপস্থিত হয়। বর্মীরা ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়ে উজান অসমের মরামুখে পালায়। গুয়াহাটীতে ইংরেজ সৈন্য অবস্থানকালে ডেভিড্ স্কট্ নগাঁও, রজা ও কলিয়াবর অধিকার করে। কিন্তু শেষ অবধি তাদের পশ্চাদপসারণ করতে হয়। ১৮২৫ সালের জানুয়ারী মাসের প্রথমদিকে ইংরেজ মরামুখে দখল করে জোড়হাট অধিকার ও রংপুর আক্রমণ করে। বর্মীরা ব্রক্ষপুত্র উপত‍্যকা ত‍্যাগ করে চলে যায়।ব্রিটিশ সেনাপতি রিচার্ডস অসমের যুগ্ম কমিশনার নিযুক্ত হন। ডেভিড স্কট ও রিচার্ডস নিম্ন অসম এবং উত্তর-পূর্ব অসমের শাসনভার প্রাপ্ত হলে আহোমরা ইংরেজ সামরিক শাসনাধীন হয়।

চিংফৌর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ অভিযান : বর্মী সৈন‍্যরা চিংফৌর পক্ষ সমর্থন করেছিল। বরসেনাপতির অনুরোধে ব্রিটিশ ক‍্যাপ্টেন নিউভেল সৈন্য পাঠিয়ে চিংফৌদের দমন করে ছয় হাজার আহোম দাসকে মুক্ত করেন।

কাছাড় ও মণিপুর থেকে বর্মী বিতাড়ন : এর পর কাছাড় থেকে বর্মীদিগকে তাড়িয়ে দিয়ে ইংরেজ মণিপুরের গম্ভীর সিংহের সাহায্যে মণিপুর থেকেও বর্মীদিগকে তাড়িয়ে দিয়েছিল।

ইয়াণ্ডাবুর সন্ধি : ১৮২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইংরেজ সৈন্য আরাকান জয় করে ব্রক্ষদেশের রাজধানী রেঙ্গুনের কাছে উপস্থিত হয়। স‍্যার ক‍্যাম্পবেল ১৮২৫ সালে রেঙ্গুন জয় করেন। ১৮২৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে বর্মী এবং ইংরেজদের মধ্যে “ইয়াণ্ডাবুর সন্ধি” হয়। এই সন্ধির ফলে অসমে ব্রিটিশ আধিপত্য স্থাপিত হয়।

নিম্ন অসমে ইংরেজ আধিপত্য বিস্তার : নিম্ন অসমের রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে ইস্ট- ইণ্ডিয়া কোম্পানী নিম্ন অসমে আধিপত্য বিস্তারে মনোনিবেশ করে। অসমের রাজ‍্যগুলিতে ব্রিটিশরা নিজেরা শাসনকার্য পরিচালনা না করে সেই সকল অঞ্চলের রাজাদের উপর শাসনভার অর্পণ করে। মণিপুরের গম্ভীর সিংহকে এভাবে তারা স্কীকৃতি দিয়েছিল। জয়ন্তীয়া রাজাকেও তারা এভাবে ১৮২৪ সালে সুরমা এবং উত্তর- পূর্ব পর্বত এবং পাহাড়ী অঞ্চলের রাজা হিসাবে স্বীকৃতি দান করে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top