SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 4 মানের অসম আক্রমণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 4 মানের অসম আক্রমণ Solutions and select need one. SEBA Class 9 Social Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Social Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 4 মানের অসম আক্রমণ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Social Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
মানের অসম আক্রমণ
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। দ্বিতীয় ব্রক্ষযুদ্ধের পর পুরন্দর সিংহ, বুড়াগোঁহাই বরবরুয়া ও বড় গোঁহাই-এর পরিণতি কি হয়েছিল ?
উত্তরঃ পুরন্দর সিংহ ও বুড়াগোঁহাই ব্রিটিশ অধিকৃত অঞ্চলে পালান কিন্তু বরবরুয়া ও বড়গোঁহাই-এর প্রাণদণ্ড হয়।
প্রশ্ন ২। দ্বিতীয় বর্মীযুদ্ধের সময় ব্রক্ষদেশীয় বাহিনীর সেনাপতি কে ছিলেন ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় বর্মীযুদ্ধের সময় ব্রক্ষদেশীয় বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন আলুমিঙ্গি।
প্রশ্ন ৩। প্রথম বর্মী আক্রমণের সময় বুড়াগোঁহাই কে ছিলেন ?
উত্তরঃ পূর্ণানন্দ বুড়াগোঁহাই-এর মৃত্যুর পর রুচিনাথ বুড়াগোঁহাই।
প্রশ্ন ৪। বদনচন্দ্রকে কে কখন হত্যা করে ?
উত্তরঃ বদনচন্দ্রকে ১৮১৮ সালে হত্যা করে রূপ নামক এক সুবেদার।
প্রশ্ন ৫। চন্দ্রকান্তকে কেন একটি কান কেটে দেওয়া হয়েছিল ?
উত্তরঃ চন্দ্রকান্তকে একটি কান কেটে দেওয়া হয়েছিল যাতে তিনি আর আহোম সিংহাসন দাবী না করেন।
প্রশ্ন ৬। দ্বিতীয় বর্মী আক্রমণ কখন হয়েছিল ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় বর্মী আক্রমণ হয়েছিল ১৮১৯ সালে।
প্রশ্ন ৭। চন্দ্রকান্ত সিংহ দ্বিতীয়বার কখন গৌহাটীতে পালিয়ে যান ?
উত্তরঃ ১৮২১ সালের এপ্রিল মাসে।
প্রশ্ন ৮। তৃতীয় ব্রক্ষযুদ্ধের সময় ব্রক্ষদেশীয় সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি কে ছিলেন ?
উত্তরঃ মিহিমাঙ্গা বন্দুলা।
প্রশ্ন ৯। মহাগড়ের যুদ্ধ কাদের সঙ্গে হয়েছিল ?
উত্তরঃ চন্দ্রকান্ত সিংহ ও বর্মীদের মধ্যে।
প্রশ্ন ১০। প্রথম মান আক্রমণের সময় বুড়াগোঁহাই কে ছিলেন ?
উত্তরঃ পূর্ণানন্দ বুড়াগোঁহাই।
প্রশ্ন ১১। লংকাকাণ্ডের অসমীয়া অনুবাদ কে কোন্ আহোম রাজার আমলে করেছিলেন ?
উত্তরঃ শ্রীকান্ত সূর্য বিপ্র, রাজা কমলেশ্বর সিংহের আমলে।
প্রশ্ন ১২। গৌরীনাথ সিংহ কেন ইংরেজ সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন ?
উত্তরঃ মোয়ামরীয়া বিদ্রোহ দমনের জন্য।
প্রশ্ন ১৩। বদনচন্দ্র কেন ব্রক্ষদেশ গিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ ব্রক্ষদেশের রাজার নিকট সাহায্য প্রার্থনার জন্য।
প্রশ্ন ১৪। চন্দ্রসিংহ কেন গৌহাটীতে পালিয়ে গিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ মান সৈন্যদের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য।
প্রশ্ন ১। সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ :
(১) পূর্ণানন্দ বুড়াগোঁহাই : ঘনশ্যাম বুড়াগোঁহাইর পুত্র পূর্ণানন্দ গোঁহাই ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে বুড়াগোঁহাই পদে নিযুক্ত হন। তিনি ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। অসম ইতিহাসে তাঁর একটি বিশেষ স্থান আছে।
গৌরীনাথ সিংহের রাজত্বকালে মোয়ামরীয়া বিদ্রোহ শুরু হলে দূরদর্শী পূর্ণানন্দ বিদ্রোহের গুরুত্ব বুঝতে পেরে রাজাকে বিদ্রোহের সঙ্গে আপোস করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ হলে আহোমগণ চরম দুর্গতির হাত রক্ষা পায়। কিন্তু রাজা গৌহাটীতে পালালে রাজভক্ত পূর্ণানন্দ বিদ্রোহীগণকে ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দ হতে ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ পযর্ন্ত পথ অবরোধ করে রাখে। ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ সৈন্য আসায় বিদ্রোহীগণ পশ্চাদপসরণ করে।
এর পর তিনি বিধবস্ত রাজ্যে শাস্তি ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করেন। কিন্তু বদনচন্দ্রের সঙ্গে মতের অমিল হওয়ায় বদনচন্দ্র বর্মী সৈন্যকে অসম আক্রমণ করতে আহবান জানায়।
১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে বর্মী সৈন্যর কাছে আহোম সৈন্য পরাজিত হয়। এর পর পূর্ণানন্দের মৃত্যু হয়। তাঁর মত নিঃস্বার্থ কর্মী বিপদের সময় অসম হারাল।
(২) লতাকাটা রণ : রাজা রাজেশ্বর সিংহের রাজত্বকালে বর্মীগণ মণিপুরের রাজা জয়সিংহকে বিতাড়িত করেছিল। তাঁকে সাহায্য করতে রাজেশ্বর সিংহ একদল সৈন্য পাঠান। এই সৈন্যদল নাগাপাহাড়ের মধ্য দিয়ে মণিপুরের দিকে অগ্ৰসর হয়। কিন্তু নাগাপাহাড়ের দুর্গম ও দুর্ভেদ্য অরণ ভেদ করে বেশি দূর অগ্ৰসর হতে না পেরে তারা ফিরে আসে। কোনো যুদ্ধ না করে শুধুমাত্র জঙ্গলের লতাপাতা কেটেছিল বলে এই ঘটনা লতাকাটা রণ নামে পরিচিত।
(৩) কীর্তিচন্দ্র বরবরুয়া : কীর্তিচন্দ্র বরবরুয়া গেন্ধেলা বরবরুয়া নামেও পরিচিত। রাজেশ্বর সিংহের রাজত্বকালে তাঁর ক্ষমতা বাড়ে। রাজার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তিনি নিজের ক্ষমতা অসম্ভব রকম বাড়ান।
কীর্তিচন্দ্রের এইরূপ অভাবনীয় প্রতিপত্তি দেখে অনেক কর্মচারী মনে মনে তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। নুমলী বরগোঁহাই এইরূপ একজন অসন্তুষ্ট রাজকর্মচারী। তিনি একটি বুরঞ্জী বের করে কীর্তিচন্দ্রের বংশগৌরব সম্বন্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেন। কীর্তিচন্দ্র বেশ কয়েকখানি বুরঞ্জী এনে পরীক্ষা করে আপত্তিকর কথাগুলিকে পুড়িয়ে ফেলেন। এতে অনেক ক্ষতি সাধিত হয়। তাঁর চেষ্টায় রাজেশ্বর সিংহের পর লক্ষীসিংহ রাজা হন। মোয়ামরীয়া বিদ্রোহ হলে তাঁর অদূরদর্শীতার জন্য মোয়ামরীয়াগণ রাজাকে বন্দী করে এবং তাঁকে সপরিবারে বধ করে।
(৪) বদনচন্দ্র বরফুকন : হরনাথ সেনাপতির পুত্র বদনচন্দ্র। তিনি কলিয়া-ভোমরার মৃত্যুর পর বরফুকন পদ লাভ করেন। বদনচন্দ্র ছিলেন অত্যাচারী। তিনি পূর্ণানন্দ বুড়াগোঁহাইর প্রতি বিদ্বেষী ছিলেন। বদনচন্দ্রের অত্যাচার ও পূর্ণানন্দের বিরোধিতার জন্য তাঁকে বন্দী করা হবে বলে স্থির হয়। এটা জানতে পেরে বদনচন্দ্র কলিকাতায় পালান। সেখানে ইংরেজের সাহায্য প্রার্থনা করে ব্যর্থ হলে ব্রক্ষদেশে গিয়ে বর্মীরাজার সাহায্য প্রার্থনা করেন। ব্রক্ষদেশের রাজা বড়োপারা অসম আক্রমণের ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। বদনের আমন্ত্রণে তিনি ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দে বদনের সঙ্গে একদল সৈন্য পাঠান। যুদ্ধের আগেই পূর্ণানন্দের মৃত্যু হয়েছিল। বর্মী সৈন্য আহোম সৈন্যদের পরাজিত করে যোড়হাট দখল করে। চন্দ্রকান্ত সিংহকে রাজপদে রেখে বদনচন্দ্রকে বরফুকন করা হয়। এর পর বর্মীসৈন্য অসম ত্যাগ করলে বদনচন্দ্রই রাজ্যের সর্বেসর্বা হয়ে উঠেন।তাঁর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে রাজমাতা, বরবরুয়া ও বরগোঁহাই প্রভৃতিরা বদনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে বদনকে নিহত করে। বদন অসমের যে ক্ষতি করেছিলেন তা অপূরণীয়।
(৫) লালুকসোলা বরফুকন : যে সকল লোক আহোম রাজ্যের দুর্ভাগ্য ডেকে এনেছিলেন তাঁদের মধ্যে লালুকসোলা অন্যতম। তিনি মোমাই তামুলী বরবরুয়ার পুত্র ও লাচিত বরফুকনের ভ্রাতা। লাচিত বরফুকনের মৃত্যুর পর লালুকসোলাকে গৌহাটীতে বরফুকন করে পাঠানো হয়। তিনি ছিলেন স্বার্থপর স্বার্থসিদ্ধির জন্য যে-কোন কাজ করতে তিনি দ্বিধা করতেন না। নিজে ক্ষমতালাভ করবার জন্য লালুক বাংলার সুবাদার আজমতারার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে বিনা যুদ্ধে গৌহাটি মোগলের হাতে তুলে দেন। গৌহাটী হস্তচ্যুত হওয়ার সংবাদ পেয়ে আতা বুড়াগোঁহাই সৈন্য নিয়ে অগ্ৰসর হলেন কিন্তু লালুক সৈন্যদলকে হাত করে বুড়োগোঁহাইকে বন্দী করে রাখলেন দুইমুনি শিলায়। এর পর লালুক রাজধানীতে গিয়ে পর্বতীয়া রাজা চুফৈফাকে হত্যা করে ১৪ বৎসর বয়স্ক চুলিকফাকে সিংহাসনে বসালেন। নূতন রাজাকে হাতের পুতুল করে লালুক রাজ্যের সর্বেসর্বা হয়ে পড়লেন। লালুকের আদেশে আতা বুড়াগোঁহাইকে হত্যা করা হয়।
রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। অসমে বর্মী আক্রমণের ফল কি হয়েছিল ?
উত্তরঃ। অসম বর্মীদের অধীনে সাময়িকভাবে চলে গিয়েছিল। বর্মী আক্রমণে অসমের বহু জনপদ জনশূন্য হয়, বহু লোক নিহত হয় এবং বন্দী হয়। বর্মী আক্রমণের অন্যতম প্রধান ফল হল প্রথম ইঙ্গবর্মী যুদ্ধ। বর্মীরা অসম জয় করে বঙ্গদেশ আক্রমণের চেষ্টা চালায়। ইংরেজগণ বর্মীদের সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি বন্ধ করতে অসমে প্রবেশ করেন এবং বর্মীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন অসমে আহোম রাজত্বের অবসান হয় বর্মী আক্রমণের ফলে।
বর্মী আক্রমণ প্রতিহত করতে ইংরেজ অসমে প্রবেশ করে, কিন্তু যুদ্ধ শেষ হলে অসম দখল করে নেয়।
প্রশ্ন ২। অসমে বর্মীসৈন্যের দ্বিতীয় ও তৃতীয় আক্রমণ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ বদনচন্দ্র বুড়োগোঁহাই হয়ে পূর্ণানন্দের সমর্থকদের উপর অত্যাচার শুরু করেন। তখন রাজমাতা, বরবরুয়া ও বরগোঁহাই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন এবং এর অল্পদিন মধ্যে বদনচন্দ্র রূপসিং সুবেদার নামক এক সিপাহীর হাতে নিহত হন। এই সংবাদ পেয়ে রুচিনাথ ব্রজনাথ নামক একজন রাজকুমারকে সঙ্গে নিয়ে জোড়হাট পৌঁছে ব্রজনাথকে সিংহাসনে বসাতে চান। কিন্তু ব্রজনাথের শরীরে ক্ষত থাকায় তাঁর পুত্র পুরন্দরসিংহকে রাজপদে বসালেন। ইতিমধ্যে চন্দ্রকান্ত রংপুরে পালান।
বদনচন্দ্র ও চন্দ্রকান্তের রাজ্যচ্যুতির সংবাদ পেয়ে বর্মীরাজ আলামিঙ্গির নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার অসমে অভিযান প্রেরণ করেন (১৮১৯)। আহোম সৈন্য নাজিরাতে পরাজিত হয়, পুরন্দরসিংহ গৌহাটিতে পালান। আলামিঙ্গি চন্দ্রকান্তকে আবার রাজপদে বসায়। বর্মীরা গৌহাটি আক্রমণ করলে পুরন্দর সিংহ ও রুচিনাথ ব্রিটিশ রাজ্যে আশ্রয় নেয়। আলামিঙ্গি মিঙ্গিমাহ নামক সেনাপতির নেতৃত্বে একদল সৈন্যবাহিনী রেখে নিজে ব্রক্ষদেশে ফিরে যান। এইবার আক্রমণে অসমে প্রকৃতপক্ষে বর্মী শাসন স্থাপিত হয়। আহোম রাজা বর্মীদের হাতে পুত্তলি হন।
বর্মী কর্তৃত্বে অসহ্য হয়ে চন্দ্রকান্ত জয়পুরের নিকট দুর্গ নির্মাণ করতে থাকেন। এই সংবাদ পেয়ে বর্মী রাজ আহোম সৈন্যকে পরাজিত করলে চন্দ্রকান্ত ব্রিটিশ অধিকৃত অঞ্চলে আশ্রয় নেন। বর্মীরা যোগেশ্বর সিংহকে আহোম সিংহাসনে নামেমাত্র বসাল। সমগ্ৰ ব্রক্ষপুএ উপত্যকা বর্মীদের হস্তগত হয়। এর পর চতুর্থবার বর্মী আক্রমণ। চন্দ্রকান্ত গৌহাটি দখল করে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

