SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 12 অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলো Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 12 অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলো Solutions and select need one. SEBA Class 9 Social Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Social Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Social Science Important Chapter 12 অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলো
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Social Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলো
Chapter: 12
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। অর্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে কে পরিচিত ?
উত্তরঃ এডাম স্মিথ।
প্রশ্ন ২। কোন অর্থনীতিবিদ তাঁর কল্যাণ সংজ্ঞার জন্য বিখ্যাত ?
উত্তরঃ আলফ্রেড মার্শাল।
প্রশ্ন ৩। ‘অর্থনীতি সম্পদের বিজ্ঞান’—- এই উক্তিটির জন্য কোন অর্থনীতিবিদ বিখ্যাত ?
উত্তরঃ এডাম স্মিথ।
প্রশ্ন ৪। অর্থবিজ্ঞানে ‘দুষ্প্রাপ্যতা’ বলতে কি বুঝায় ?
উত্তরঃ চাহিদার তুলনায় কোনো বস্তুর যোগান কম হলে অর্থবিজ্ঞানে বস্তুটিকে দুষ্প্রাপ্য বলা হয়।
প্রশ্ন ৫। অর্থনীতি কি ?
উত্তরঃ অর্থনীতি হল সমাজবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ৬। উৎপাদনের উপাদান চারটি কি কি ?
উত্তরঃ উৎপাদনের চারটি উপাদান হল— ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন।
প্রশ্ন ৭। সরকারী বিত্ত বিজ্ঞান কি ?
উত্তরঃ সরকারী আয়, সরকারী ব্যয় ও সরকারী ঋণের আলোচনাই হল সরকারী বিত্ত বিজ্ঞান।
প্রশ্ন ৮। বস্তু বা সামগ্ৰী বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ মানুষের অভাব পূরণ করে সন্তুষ্টি প্রদান করতে পারা সকল সামগ্ৰী ও সেবাকার্যকে অর্থবিজ্ঞানে বস্তু বলা হয়। বস্তু দুই প্রকারের—ভৌতিক ও অভৌতিক। ভৌতিক বস্তুগুলি হল—ঘর-দুয়ার, যন্ত্রপাতি, খাদ্য, বস্ত্র ইত্যাদি। অভৌতিক বস্তু যেমন— শিক্ষক, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, আরক্ষী ইত্যাদির সেবা। বস্তুকে আরও দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। এই ভাগ দুটি হল মুক্ত বস্তু ও আর্থিক বস্তু।
প্রশ্ন ৯। মুক্ত বস্তু বা দ্রব্য বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ যে সকল দ্রব্যের যোগান চাহিদার তুলনায় অধিক অর্থাৎ যা প্রকৃতিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, উহা অর্থের বিনিময়ে কিনবার প্রয়োজন হয় না তাকে মুক্ত বস্তু বা দ্রব্য বলা হয়। যেমন—আলো, বাতাস, নদীর জল।
প্রশ্ন ১০। আর্থিক বা অর্থনৈতিক বস্তু বা দ্রব্য কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে সকল দ্রব্যের বা বস্তুর যোগান চাহিদার তুলনায় কম এবং যা অর্থের বিনিময়ে কিনবার প্রয়োজন হয় তাকে আর্থিক বা অর্থনৈতিক বস্তু বা দ্রব্য বলে। যেমন—- খাদ্য, কাপড়, চেয়ার, টেবিল ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১১। অর্থবিজ্ঞান কাকে বলে ?
উত্তরঃ মানুষের অভাব অসীম, কিন্তু অভাব মোচনের উপকরণগুলি সীমিত। এই সীমিত উপকরণের সাহায্যে মানুষ কিভাবে তার অনন্ত অভাব মিটাতে পারে—- এই তত্ত্ব যে বিজ্ঞানে আলোচিত হয়, তাকে অর্থবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ১২। অর্থবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু কি ?
উত্তরঃ মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়া-কলাপের মূলে আছে তার অভাববোধ মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করে এবং উপার্জিত অর্থ অভাব মোচনের জন্য ব্যয়-করে। এই অর্থ-উপার্জন ও অর্থ-ব্যয় সংক্রান্ত কাজকর্মগুলি হচ্ছে অর্থবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়বস্তু।
প্রশ্ন ১৩। উপযোগিতা বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ দ্রব্যের অভাব পূরণ করার গুণটিকে উপযোগিতা বলে। অর্থাৎ দ্রব্যের উপযোগিতা হল মানুষের অভাব পূরণ করতে পারার ক্ষমতা। যদি কোনো ব্যক্তি একটি দ্রব্য বা বস্তু পাওয়ার জন্য মূল্য দিতে হয় অথবা পরিশোধ করতে চায় , তাহলে বলা যায় যে দ্রব্যটির অভাব পূরণ করা ক্ষমতা আছে। যেমন—- খাদ্যদ্রব্য, কাপড়, ঘর ইত্যাদি উপযোগিতা। কারণ এই দ্রব্য বা বস্তুগুলি মানুষের অভাব পূরণ করতে পারে।
প্রশ্ন ৪। চাহিদা কাকে বলে ?
উত্তরঃ সাধারণ অর্থে চাহিদা বলতে কোনো একটি দ্রব্য অথবা সেবা পাওয়ার ইচ্ছাকে বুঝায়। কিন্তু অর্থবিজ্ঞানে চাহিদার অর্থ থেকে পৃথক। কোনো একজন ব্যক্তির কোনো একটি দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার ইচ্ছা বা আগ্ৰহ থাকার সঙ্গে সেই দ্রব্য বা সেবাটির জন্য মূল্য পরিশোধ করার ইচ্ছা এবং ক্ষমতা থাকাকেই বস্তুগুলির চাহিদা বলা হয়।
প্রশ্ন ১৫। যোগান বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ কোনো স্থানে কোনো সময়ে বিক্রেতা বা উৎপাদন যখন কোনো নিদিষ্ট দামে বিভিন্ন পরিমাণের সামগ্ৰী এবং সেবা সরবরাহ করে তখন তাকে দ্রব্য বা সেবার যোগান বলা হয়। আমাদের দেশে সামগ্ৰীর যোগানের জন্য যোগান বিভাগ আছে। এর বিভাগীয় মন্ত্রীও থাকে। ভারতীয় খাদ্য নিগম (Food Corporation of India) সংক্ষেপে (F. C. I.) এইটি দেশে খাদ্য মজুত ও যোগানের একটি সংস্থা।
প্রশ্ন ১৬। অভাব বলতে কি বোঝ ?
উত্তরঃ অভাব বলতে কোনও বাহ্যিক ভোগ্যদ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছাকে বুঝায়। কিন্তু শুধু ইচ্ছা থাকলেই চলতে পারে না, দ্রব্যটি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ করবার ইচ্ছা ও সামর্থ্য থাকা চাই।
প্রশ্ন ১৭। সম্পদ এবং কল্যাণের মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ সম্পদ বলতে উপযোগিতা, দুষ্প্রাপ্যতা, হস্তান্তর যোগ্যতা, বাহ্যিকতা ইত্যাদি গুণ থাকা দ্রব্যকে বুঝায়। সম্পদ মানুষের অভাব দূর করে ও মানুষের কল্যাণ সাধন করে। সম্পদ হল অর্থনৈতিক দ্রব্যসমূহ।
অপরদিকে কল্যাণ বলতে মানুষের দৈহিক, মানসিক ও নৈতিক অবস্থার উন্নতি বুঝায়। কল্যাণ বহু উপাদানের উপর নির্ভরশীল। তার মধ্যে সম্পদও একটি। কিন্তু সম্পদ বাড়লেই মানুষের কল্যাণ বৃদ্ধি হয় না। অর্থবিজ্ঞানে মদ সম্পদ। কিন্তু মদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে মানুষের কল্যাণ সাধিত হয় না।
প্রশ্ন ১৮। বিনিয়োগ বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ মূলধন যখন উৎপাদন কার্যে ব্যবহার করা হয় তাকে বিনিয়োগ বলে। মূলধন হল এক মজুত (Stock) ধারণা এবং বিনিয়োগ (Investment) হল এক প্রবাহ (Flow) ধারণা। ব্যাঙ্কে একলাখ টাকা মজুত বা জমা থাকলে ইহা মূলধন হবে। যখন এই টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি কিনে বস্তু উৎপাদনের একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে তখন ইহা বিনিয়োগ করা হবে। এই বিনিয়োগ হতে নিয়মিত উৎপাদন ও উপার্জন হবে। সেইজন্য একে প্রবাহ বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৯। বাজার বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ সাধারণত বাজার বলতে এমন একটি স্থান বুঝায় যেখানে বস্তুর ক্রয়- বিক্রয় করা হয়। কিন্তু অর্থবিজ্ঞানে বাজারকে কেবল কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানকে বুঝায় না। অর্থবিজ্ঞানে বাজারকে এমন একটি ব্যবস্থা বুঝায় যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে কোনো একটি বস্তুর গ্ৰাহক (ক্রেতা) ও বিক্রেতার মধ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্রয়-বিক্রয় হয়। উদাহরণ স্বরূপ গুয়াহাটির ফেন্সী বাজার, পানবাজার, শপিং মল ইত্যাদি বাজার। কিন্তু বাজার অনলাইন বাজার ইত্যাদিও বাজারের উদাহরণ।
প্রশ্ন ২০। মূলধন বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ উৎপাদিত সম্পদের যে অংশ পুনরায় উৎপাদনের কার্যে ব্যবহার করা হয়, তাকে মূলধন বলে। সুতরাং মূলধন হচ্ছে সম্পদের অংশ এবং মানুষের সৃষ্ট। কল-কারখানা, যন্ত্র- পাতি, কাঁচামাল, শ্রমিকের জন্য মজুত খাদ্য ইত্যাদি মূলধনের অন্তর্গত।
প্রশ্ন ২১। সঞ্চয় কাকে বলে ?
উত্তরঃ আয়ের যে অংশ ভোগকার্যে ব্যয় করা হয় না তাকে সঞ্চয় বলা হয়।তাই আয়=ভোগ ব্যয়+সঞ্চয় বলে বলা হয়। সঞ্চয় হদ মূলধন সৃষ্টির একটি ভাল উপায়।
প্রশ্ন ২২। অর্থবিজ্ঞান পাঠের সার্থকতা কি ?
উত্তরঃ মানুষের বেঁচে থাকবার জন্য একমাত্র খাদ্যগ্ৰহণই যথেষ্ট নয়। তার জীবনে আরও অনেক মহৎ উদ্দেশ্য এবং উন্নততর জীবন যাপনের ইচ্ছা থাকতে পারে। কিন্তু এইসব কিছুর জন্যই তার অর্থের প্রয়োজন। কিভাবে এই ধন-সম্পদ উৎপাদন এবং তার সদব্যবহার করা যায়—অর্থবিজ্ঞান পাঠে আমরা তা জানতে পারি। এইজন্য অর্থবিজ্ঞান পাঠের ও আলোচনার যথেষ্ট সার্থকতা আছে। এছাড়া অর্থবিজ্ঞানে নানা জটিল তথ্য ও সমস্যাবলী আলোচিত হয়। সুতরাং অর্থবিজ্ঞান পাঠ বা অধ্যয়ন আমাদের মানসিক বিকাশের জন্য একান্ত প্রয়োজন।
প্রশ্ন ২৩। স্মিথের সংজ্ঞাটি হতে মার্শেলের সংজ্ঞাটিকে উন্নত বলে বলা হয় কেন ?
উত্তরঃ স্মিথের সংজ্ঞাটি হতে মার্শেলের সংজ্ঞাটি বহু ক্ষেত্রে উন্নত। অথচ মার্শেলের সংজ্ঞাটি গ্ৰহণযোগ্য আখ্যা পায় নাই। কারণ মার্শালে কেবল পার্থিব কল্যাণের কথাই উল্লেখ করেছেন। অপার্থিব কল্যাণ যেমন শিক্ষক, চিকিৎসকের সেবা ইত্যাদির কথা উল্লেখ করেন নাই। তদুপরি বস্তু সকল ধরনের কল্যাণ সাধন করতে নাও পারে। উদাহরণ স্বরূপ, মদ, ভাং, গাঁজা, সিগারেট সেবনে মানবজাতির কল্যাণ সাধন করে না। অথচ এইগুলি সামগ্ৰীর উৎপাদন, উপভোগ, ভিতরণ সম্পর্ক অর্থবিজ্ঞান আলোচনা করা হয়।
রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। সম্পদের বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্ষেপে আলোচনা কর ?
উত্তরঃ সম্পদের চারটি বৈশিষ্ট্য ; যেমন—–
(১) উপযোগিতা।
(২) দুষ্প্রাপ্যতা।
(৩) হস্তান্তরযোগ্যতা।এবং
(৪) বাহ্যিকতা।
(১) উপযোগিতা : সম্পদের প্রথম বৈশিষ্ট্য হল উপযোগিতা বা অভাব মিটাবার ক্ষমতা। যে দ্রব্য অভাব মিটাতে পারে না, তার চাহিদা থাকে না। সুতরাং তাকে সম্পদ বলা যায় না। একজন শিক্ষিত ব্যক্তির নিকট বই বা কলম সম্পদ, কিন্তু একজন অশিক্ষিত ব্যক্তির নিকট উহা সম্পদ নহে।
(২) দুষ্প্রাপ্যতা : সম্পদের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য দুষ্প্রাপ্যতা। চাহিদা অনুপাতে এর যোগান সীমিত হতে হবে এবং যা পেতে হলে মূল্য দিতে হয়। নদীর জল, সূর্যের আলো ইত্যাদি সম্পদ নয়, কারণ এর যোগান চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি এবং এদের জন্য কোনো মূল্য দিতে হয় না।
(৩) হস্তান্তরযোগ্যতা : সম্পদের তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হস্তান্তর যোগ্যতা। যে সকল দ্রব্যের মালিকানা হস্তান্তর করা যায়, একমাত্র সেই সকল দ্রব্যই অর্থবিজ্ঞানে সম্পদরূপে বিবেচিত হয়। কবির প্রতিভা, শিল্পীর নৈপুণ্য ইত্যাদির মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর করা যায় না। সুতরাং এরা সম্পদ নহে।
(৪) বাহ্যিকতা : সম্পদের চতুর্থ বৈশিষ্ট্য বাহ্যিকতা। যার বাহ্যিকতা নেই অর্থাৎ যা মানুষের আভ্যন্তরীণ গুণ অথবা ব্যক্তিগত ক্ষমতা, তা সম্পদ নয়। কবির প্রতিভা, গায়কের কণ্ঠমাধুর্য ইত্যাদি মানুষের আভ্যন্তরীণ গুণ, এদের হস্তান্তর করা যায় না। সুতরাং এগুলি সম্পদ নহে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

