Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 9 ব্রিটিশ যুগে আসামের শিল্পদ্যোগ

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 9 ব্রিটিশ যুগে আসামের শিল্পদ্যোগ Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 9 ব্রিটিশ যুগে আসামের শিল্পদ্যোগ Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 9 ব্রিটিশ যুগে আসামের শিল্পদ্যোগ Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 9 ব্রিটিশ যুগে আসামের শিল্পদ্যোগ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

দ্বিতীয় ভাগঃ ইতিহাস
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। আসামে আধুনিক অর্থে শিল্পোদ্যোগ কোন যুগে শুরু হয়?

উত্তরঃ আসামে আধুনিক অর্থে শিল্পোদ্যোগ মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন যুগে আরম্ভ হয়েছিল।

২। আহোম রাজারা সোনা সংগ্রহকারীদের নিকট থেকে কী আদায় করতেন?

উত্তরঃ আহোম রাজারা সোনা সংগ্রহকারী ‘সোনোয়াল’ সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট থেকে রাজস্ব আদায় করতেন।

৩। কত খ্রিস্টাব্দে ভারতে চা শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ‘Tea Committee’ গঠন করা হয়েছিল?

উত্তরঃ লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের শাসনকালে ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দে ভারতে চা শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ‘Tea Committee’ গঠন করা হয়েছিল।

৪। আসামে উৎপন্ন হওয়া চা-গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?

উত্তরঃ আসামে উৎপন্ন হওয়া চা-গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Camelia Sinesis var. Assamica।

৫। এশিয়ার প্রথম তেল শোধনাগার কোনটি এবং এটি কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ এশিয়ার প্রথম তেল শোধনাগার হলো ডিগবৈ শোধনাগার, যা আসামের ডিগবইতে অবস্থিত।

৬। কত খ্রিস্টাব্দে আসামে প্রথম খনিজ তেলের প্রণালীবদ্ধ খনন প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে আসামে প্রথম খনিজ তেলের প্রণালীবদ্ধ খনন প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছিল।

৭। আসামে কবে প্রথম রেলপথ প্রবর্তিত হয় এবং তা কত মাইল দীর্ঘ ছিল?

উত্তরঃ ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে আসামে প্রথম রেলপথ প্রবর্তিত হয় এবং এটি ১৫ মাইল দীর্ঘ ছিল।

৮। আসামের প্রথম রেলপথটি কোন দুটি স্থানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল?

উত্তরঃ আসামের প্রথম রেলপথটি ডিব্রুগড়ের আমোলাপট্টি এবং দিনজানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল।

৯। ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দে আসামের কার নেতৃত্বে প্রথম কয়লার সন্ধান পাওয়া যায়?

উত্তরঃ ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দে ৪৬নং আসাম রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট উইলকক্স (Wilcox) ও তাঁর সঙ্গীদের নেতৃত্বে প্রথম কয়লার সন্ধান পাওয়া যায়।

১০। ‘ইনার লাইন’ (Inner Line) বা সীমান্তরেখা বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ব্রিটিশ শাসনকালে সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলের সাথে সমতলের রাজনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে যে সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তাকে ‘ইনার লাইন’ বলা হয়।

১১। আসামে প্রথম ছাপাখানা কার উদ্যোগে এবং কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডেভিড স্কটের আবেদনের ভিত্তিতে শ্রীরামপুর মিশনের উদ্যোগে গুয়াহাটিতে প্রথম একটি শাখা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ছাপাখানার সূচনা হয়েছিল।

১২। ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত আসামের প্রথম অসমীয়া মাসিক পত্রিকার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ আমেরিকান ব্যাপ্টিস্ট মিশনারীদের উদ্যোগে শিবসাগর থেকে প্রকাশিত আসামের প্রথম অসমীয়া মাসিক পত্রিকার নাম ছিল ‘অরুণোদয়’।

১৩। ‘অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা’ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় গঠিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় অধ্যয়নরত অসমীয়া ছাত্রদের উদ্যোগে ‘অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা’ গঠিত হয়েছিল।

১৪। কটন কলেজ (Cotton College) কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তরঃ কটন কলেজ ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে গুয়াহাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৫। আসামের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠনের নাম কী এবং এটি কবে গঠিত হয়?

উত্তরঃ আসামের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠনের নাম ‘আসাম এসোসিয়েশন’, যা ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে গঠিত হয়েছিল।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। আসামে ব্রিটিশ আমলে চা শিল্পের বিকাশ এবং ‘আসাম চা কোম্পানি’ (Assam Tea Company) প্রতিষ্ঠার ইতিহাস আলোচনা করো।

উত্তরঃ চা কমিটির গঠন ও অনুসন্ধান: ব্রিটিশ আমলে চায়ের বিকল্প উৎসের সন্ধানে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের উদ্যোগে ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দে ‘Tea Committee’ গঠন করা হয়। এই কমিটির তত্ত্বাবধানে অসমীয়া অঞ্চলের সদিয়াতে চা-গাছ প্রত্যক্ষ করা হয় এবং পরে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় যে আসামের চা গুণগত দিক থেকে চীনের চায়ের সমতুল্য।

আসাম চা কোম্পানির প্রতিষ্ঠা: চা শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখে ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা ও লন্ডনে কিছু ব্রিটিশ ও ভারতীয় পুঁজিপতি মিলে যৌথ উদ্যোগ নেন। কলকাতায় ‘বেঙ্গল টি এসোসিয়েশন’ এবং ইংল্যান্ডে ‘Assam Company’ গঠিত হয়। পরবর্তীতে এই দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়ে ১৮৩৯ সালে মোট ৫ লক্ষ পাউন্ড স্টার্লিং বিনিয়োগের মাধ্যমে ‘Assam Tea Company’ গঠন করে। এই কোম্পানিতে প্রথম দেওয়ান হিসেবে মনিরাম দেওয়ান নিযুক্ত হন।

শিল্পের দ্রুত বিস্তার: পরবর্তীতে ১৮৫২ সালে ‘মাইজান টি কোম্পানি’ এবং ১৮৫৯ সালে জিলিয়ামসন ও রবার্টসনের যৌথ উদ্যোগে ‘যোরহাট টি কোম্পানি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। চা বাগানের এই অভূতপূর্ব বিস্তার আসামকে বিশ্বের বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী অঞ্চলে পরিণত করে।

২। আসামের খনিজ তেল শিল্পের সূচনা ও ডিগবৈ শোধনাগার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ প্রথম তেলের সন্ধান: ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সামরিক অফিসার ক্যাপ্টেন উইলকক্স প্রথম শিবসাগর জেলায় খনিজ তেলের উপস্থিতি লক্ষ্য করেন। পরবর্তীতে ১৮৩৮ সালে কমিশনার জেনকিন্স বরাহটের কাছে আরও কিছু তেলের উৎস চিহ্নিত করেন।

খননকার্যের ব্যর্থতা ও রেল কোম্পানির আগমন: ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে আসামে প্রথম প্রণালীবদ্ধ তেল খনন শুরু হয়। কিন্তু দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিক উদ্যোগগুলো বাণিজ্যিকভাবে সফল হতে পারেনি। অবশেষে ১৮৮২ সালে ‘আসাম রেলওয়ে অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি’ লখিমপুর জেলায় তেল উত্তোলনের লিজ পায় এবং ১৮৮৮ সালে ডিগবইতে সফলভাবে তেল উত্তোলন শুরু হয়।

আসাম অয়েল কোম্পানি ও শোধনাগার: ১৮৯৯ সালে ৩,১০,০০০ পাউন্ড স্টার্লিং মূলধন নিয়ে ‘আসাম অয়েল কোম্পানি’ গঠিত হয়। এই কোম্পানি ডিগবইতে এশিয়ার প্রথম আধুনিক তেল শোধনাগার স্থাপন করে। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৩,৯৩৬,১৬৩ গ্যালনে দাঁড়ায়, যা আসামের অর্থনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

৩। ব্রিটিশ শাসনকালে আসামে রেলপথের বিকাশ এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ রেলপথ স্থাপনের পটভূমি: আসামের উৎপাদিত চা-পাতা ও কয়লা কম খরচে এবং দ্রুত কলকাতা ও বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর জন্য উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার প্রয়োজন ছিল। লর্ড ডালহৌসির আমলে ভারতে রেলপথ চালুর সিদ্ধান্তের পর আসামেও এর প্রভাব পড়ে।

প্রথম রেলপথ নির্মাণ: ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে ‘আসাম রেলওয়ে অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি’ প্রথম ডিব্রুগড়ের আমোলাপট্টি থেকে দিনজান পর্যন্ত ১৫ মাইল দীর্ঘ রেলপথ স্থাপন করে। পরবর্তীতে ১৮৮৪ সালে এটি মারঘেরিটার কয়লাখনি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়।

অর্থনৈতিক রূপান্তর: চা ও কয়লা শিল্পের সুবিধার্থে ধীরে ধীরে আসামের ব্রহ্মপুত্র ও বরাক উপত্যকায় রেল নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয় এবং আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের মাধ্যমে এটি পশ্চিমবঙ্গের সাথে যুক্ত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর যোগাযোগে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও ‘শিলিগুড়ি করিডোর’ বা ‘চিকেনস নেক’-এর মাধ্যমে পুনরায় রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। রেলপথের এই বিকাশ আসামের খনিজ ও কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি সহজ করে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক কাঠামো বদলে দিয়েছিল।

৪। ব্রিটিশ আমলে আসামে কয়লা শিল্পের সূচনা এবং এর বিকাশের বিবরণ দাও।

উত্তরঃ কয়লার আবিষ্কার: ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দে ৪৬নং আসাম রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট উইলকক্স ও তাঁর সঙ্গীরা প্রথম কয়লার পাতলা স্তরের সন্ধান পান। এরপর ১৮২৮ সালে ডেভিড স্কটের নির্দেশে দিশৈ নদী থেকে সংগৃহীত কয়লা পরীক্ষা করে দেখা যায় যে এর মান ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত কয়লার সমতুল্য।

সরকারি ও বেসরকারি লিজ: কয়লা উত্তোলনের জন্য ১৮৬০-এর দশক থেকে বিভিন্ন বেসরকারি চুক্তি শুরু হয়। ১৮৮২ সালে ‘আসাম রেলওয়ে অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি’ জয়পুর ও মাকুম কয়লাক্ষেত্রের ৩০ বর্গমাইল এলাকা ২০ বছরের জন্য লিজ লাভ করে। শর্তানুযায়ী প্রতি বর্গমাইলের জন্য ৫০ টাকা খাজনা এবং প্রতি টন কয়লায় ৩ টাকা রয়্যালটি ধার্য করা হয়।

উৎপাদন ও কয়লাখনি: ১৮৮২ সালে লিডু কয়লাখনিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৮৮৪ সালে প্রথম কয়লাবাহী ট্রেন চলাচল আরম্ভ করে। নামডাঙ্গ, মাকুম, তিরপ, এবং বরগোলাই কয়লাখনি থেকে উন্নত মানের কয়লা উত্তোলিত হতে থাকে, যা রেল ইঞ্জিন ও চায়ের ফ্যাক্টরিগুলোর জ্বালানির চাহিদা মেটাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

৫। ব্রিটিশ শাসনাধীনে আসামের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনে শিল্পায়নের প্রভাব আলোচনা করো।

উত্তরঃ জনসংখ্যা ও সামাজিক পরিবর্তন: চা বাগান, তেল শোধনাগার এবং কয়লা খনিতে কাজের জন্য বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের আসামে আগমন ঘটে। এর ফলে আসামের জনসংখ্যা ১৮৭২ সালে প্রায় ১৫ লাক্ষে পৌঁছায় এবং আসামে একটি বহু-সাংস্কৃতিক সমাজ গঠিত হয়।

ভাষা ও শিক্ষা বিস্তার: ১৮৩৬ সালে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলা প্রবর্তিত হলেও স্থানীয় প্রতিবাদের মুখে ১৮৭৩ সালে পুনরায় অসমীয়া ভাষা আদালতে ও বিদ্যালয়ে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খ্রিস্টান মিশনারীদের উদ্যোগে গুয়াহাটিতে ছাপাখানা স্থাপন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং ১৮৪৬ সালে প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘অরুণোদয়’ প্রকাশ অসমীয়া বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজকে জাগ্রত করে।

জাতীয়তাবাদী ও রাজনৈতিক চেতনা: পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে অসমীয়া ছাত্রদের উদ্যোগে ১৮৮৮ সালে ‘অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা’ এবং ১৮৮৯ সালে ‘জোনাকী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ১৯০১ সালে কটন কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং ১৯০৩ সালে প্রথম রাজনৈতিক দল ‘আসাম এসোসিয়েশন’ গঠন অসমীয়া যুবকদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলে, যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আসামকে যুক্ত করতে সাহায্য করেছিল।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top