Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 7 আসামে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিদেশী সমস্যা

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 7 আসামে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিদেশী সমস্যা Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 7 আসামে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিদেশী সমস্যা Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 7 আসামে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিদেশী সমস্যা Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 7 আসামে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিদেশী সমস্যা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

দ্বিতীয় ভাগঃ ইতিহাস
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। মহাকাব্য রামায়ণে আসামকে কী বলে বর্ণনা করা হয়েছে? 

উত্তরঃ মহাকাব্য রামায়ণে আসামকে ‘গুটিপোকার দেশ’ বা রেশম কীট পালনের দেশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

২। আসামে বস্ত্র তৈরির জন্য প্রধানত কয়টি প্রজাতির গুটিপোকা পালন করা হতো?

উত্তরঃ  আসামে প্রধানত তিন প্রকারের গুটিপোকা পালন করা হতো— পাট, মুগা ও এড়ি।

৩। ‘খুপুরী’ বলতে কাদের বোঝানো হয়? 

উত্তরঃ  বয়ন শিল্প সম্পর্কে অনভিজ্ঞ অসমীয়া মেয়েদের সমাজে ‘খুপুরী’ বলা হতো।

৪। ‘কবচ কাপড়’ কী?

উত্তরঃ  অসমীয়া মহিলারা যুদ্ধের আগে তাঁদের স্বামীদের জন্য এক রাতের মধ্যে নিজের হাতে যে মন্ত্রপূত কাপড় তৈরি করতেন, তাকে ‘কবচ কাপড়’ বলা হয়।

৫। মোগলদের বিরুদ্ধে শরাইঘাটের নৌ-যুদ্ধে অসমীয়া নৌবাহিনীর নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ ১৬৭১ খ্রিস্টাব্দে শরাইঘাটের নৌ-যুদ্ধে বরসেনাপতি লাচিত বরফুকন অসমীয়া নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

৬। সোনিয়া বা সোনোয়ালরা সোনা সংগ্রহের জন্য নদীর বালিতে যে শিবির স্থাপন করতেন তাকে কী বলা হতো?

 উত্তরঃ সোনা সংগ্রহের জন্য স্থাপিত এই শিবিরকে ‘সোগ কামোরা’ বা ‘সোগ খপা’ বলা হতো।

৭। প্রাক-আসামে সোনা সংগ্রহের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হতো? 

উত্তরঃ বালি থেকে সোনা আলাদা করার জন্য ‘সোন কামোয়া’ নামক একটি বিশেষ কাঠের পাত্র বা চালনি ব্যবহার করা হতো।

৮। আহোম যুগে সোনা ও রুপা সংগ্রহের দায়িত্বে কোন গোষ্ঠী নিযুক্ত ছিল? 

উত্তরঃ সোনা সংগ্রহের জন্য ‘সোনোয়াল’ এবং রুপা সংগ্রহের জন্য ‘রুপোয়াল’ বা ‘বেন্ডাল’ গোষ্ঠী নিযুক্ত ছিল।

৯। আসামে লোহা উৎপাদনের সঙ্গে কোন কোন গোষ্ঠী বা খেল জড়িত ছিল? 

উত্তরঃ মধ্যযুগে আসামে ‘তিরোয়াল’ এবং ‘লোশলিয়া’ খেলের সদস্যরা লোহা উৎপাদন শিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

১০। কাাসার সামগ্রী প্রস্তুত করার বিখ্যাত কেন্দ্র কোনটি ছিল? 

উত্তরঃ কাসার বাসন ও সামগ্রী প্রস্তুত করার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে হাজো এবং সার্থেবারী বিশেষভাবে পরিচিত ছিল।

১১। ‘হীরা মাটি’ কাদের ব্যবহৃত মাটিকে বলা হতো? 

উত্তরঃ  হীরা কারিগররা কুমোরের চাকা ব্যবহার না করে যে মাটি দিয়ে পাত্র তৈরি করতেন, সেই মাটিকে ‘হীরা মাটি’ বলা হতো।

১২। রাজপ্রাসাদ বা ইটের দেওয়াল গাঁথতে কী ধরনের আঠালো মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো? 

উত্তরঃ রাজপ্রাসাদ বা সেতু নির্মাণে ইট জোড়া দেওয়ার জন্য ‘করাল’ নামক এক ধরনের আঠালো মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো।

১৩। ‘সাঁচিপাত’ কী থেকে তৈরি করা হতো? 

উত্তরঃ সাঁচিপাত’ তৈরির জন্য পরিপক্ব সাঁচি গাছের বাকল নির্দিষ্ট মাপে কেটে ব্যবহার করা হতো।

১৪। লবণ তৈরির সঙ্গে যুক্ত আহোম খেলকে কী বলা হতো?

উত্তরঃ লবণ বা নুন তৈরির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত খেলের সদস্যদের ‘লুনা-পুরিয়া’ বলা হতো।

১৫। আহোম আমলে বারুদ তৈরির দায়িত্বে কারা ছিলেন?

উত্তরঃ আহোম আমলে ‘খারঘরীয়া’ এবং ‘জঘরীয়া’ প্রভৃতি খেলের সদস্যরা বারুদ তৈরির তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। প্রাক-ব্রিটিশ যুগে আসামের বয়ন শিল্পের একটি বিস্তারিত বিবরণ দাও। 

উত্তরঃ প্রাক-ব্রিটিশ যুগে আসামের বয়ন শিল্পের একটি বিস্তারিত বিবরণ:

(ক) পারিবারিক ঐতিহ্য: প্রাক-ব্রিটিশ যুগে আসামে বয়ন শিল্প ছিল প্রতিটি পরিবারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রায় প্রতিটি হিন্দু এবং মুসলিম পরিবারেই তাঁত (তাতশাল) ছিল এবং নারীরা বয়ন কার্যে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। 

(খ) রেশম শিল্প (মুগা, এড়ি ও পাট): আসাম তার অনন্য রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল। বিশেষ করে সোনালী রঙের মুগা রেশম ছিল আসামের নিজস্ব সম্পদ। এ ছাড়া এড়ি এবং পাট রেশমের কাপড়ও ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হতো। 

(গ) রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা: আহোম রাজারা এই শিল্পের বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। রাজকীয় ব্যবহারের জন্য উন্নত মানের রেশম বস্ত্র তৈরির জন্য নির্দিষ্ট দক্ষ কারিগরদের নিয়োগ করা হতো। রাজকীয় পোশাকের জন্য বিশেষ নকশা ও গুণমান বজায় রাখা হতো। 

২। নদীর বালি থেকে সোনা সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি আলোচনা করো। 

উত্তরঃ নদীর বালি থেকে সোনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া:

(ক) উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: সোনা সংগ্রহের জন্য প্রধানত সুবনশিরি, ডিব্রু, দিহং ও ভড়লী নদীর বালি ব্যবহার করা হতো। এর মধ্যে সুবনশিরি নদী সোনার পরিমাণের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল।

(খ) বালু ও নুড়ি সংগ্রহ: সোনোয়ালরা নদীর পাড় থেকে বালি ও ছোট ছোট পাথরের মিশ্রণ সংগ্রহ করতেন যেখানে সোনার রেণু থাকার সম্ভাবনা থাকত।

(গ) ধোলাই প্রক্রিয়া (দরুণী): সংগৃহীত বালি একটি বিশেষ ধরনের লম্বাটে কাঠের পাত্রে রাখা হতো, যাকে ‘দরুণী’ বলা হতো। এরপর অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নদীর পানি দিয়ে সেই বালি ধোলাই করা হতো। পানির স্রোতে বালির হালকা অংশ ভেসে যেত এবং সোনার ভারী কণাগুলো পাত্রের নিচে থিতিয়ে পড়ত।

(ঘ) পারদ বা পারার ব্যবহার: বালির মধ্যে থাকা অতি সূক্ষ্ম সোনার কণাগুলোকে একত্রিত করার জন্য কারিগররা পারদ ব্যবহার করতেন। পারদ সোনার কণাগুলোকে নিজের সাথে আটকে ফেলে একটি পিণ্ড তৈরি করত।

(ঙ) সোনা নিষ্কাশন: সবশেষে সেই পারদ মিশ্রিত সোনার পিণ্ডটিকে আগুনে পোড়ানো বা উত্তপ্ত করা হতো। এতে পারদ বাষ্পীভূত হয়ে উড়ে যেত এবং পাত্রে খাঁটি সোনা অবশিষ্ট থাকত।

৩। আসামের লৌহ উৎপাদন এবং অস্ত্র নির্মাণ শিল্পের গুরুত্ব বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ আসামের লৌহ উৎপাদন এবং অস্ত্র নির্মাণ শিল্পের গুরুত্ব: 

(ক) আকরিক লোহার সহজলভ্যতা ও উৎপাদন: আসামের পাহাড়ী অঞ্চলে (বিশেষ করে নাগা পাহাড়ের পাদদেশে) প্রচুর পরিমাণে আকরিক লোহা পাওয়া যেত। স্থানীয় কারিগররা মাটি খুঁড়ে এই আকরিক সংগ্রহ করতেন এবং বিশেষ পদ্ধতিতে চুল্লিতে গলিয়ে খাঁটি লোহা তৈরি করতেন। 

(খ) সামরিক স্বনির্ভরতা ও মোগলদের প্রতিরোধ: আসামকে মোগল আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এই শিল্পের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। আহোম সেনারা তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কামান, বন্দুক (হিলৈ) এবং তলোয়ার (হেংদান) ব্যবহার করতেন। 

(গ) কামার ও দক্ষ কারিগর গোষ্ঠী: অস্ত্র তৈরির জন্য আহোম প্রশাসনে একটি সুনির্দিষ্ট বিভাগ ছিল। দক্ষ কামারদের বিশেষ মর্যাদাও দেওয়া হতো। তারা লোহার পাত তৈরি থেকে শুরু করে তাতে খোদাই করার কাজে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন। 

(ঘ) বিবিধ ব্যবহার: কেবল যুদ্ধাস্ত্রই নয়, কৃষি ও গৃহস্থালির কাজে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (যেমন—দা, কোদাল, লাঙলের ফলা) তৈরিতেও এই লৌহ শিল্প বড় ভূমিকা পালন করত। এটি আসামের তৎকালীন গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলেছিল।

৪। প্রাক-ব্রিটিশ আসামে মৃৎশিল্প ও ইট নির্মাণ পদ্ধতির বর্ণনা দাও। 

উত্তরঃ প্রাক-ব্রিটিশ আসামে মৃৎশিল্প ও ইট নির্মাণ পদ্ধতি: 

(ক) মৃৎশিল্প: প্রাক-ব্রিটিশ যুগে আসামের মৃৎশিল্প ছিল অত্যন্ত উন্নত এবং এটি মূলত দুটি প্রধান সম্প্রদায়ের দ্বারা পরিচালিত হতো—’কুমার’ এবং ‘হীরা’।

(i) কুমার সম্প্রদায়: তারা মূলত চাকা বা ‘চাক’ ব্যবহার করে মাটির পাত্র তৈরি করতেন। হাঁড়ি,কলসি, সরা ইত্যাদি তারা তৈরি করতেন।

(ii) হীরা সম্প্রদায়: এদের পদ্ধতি ছিল অনন্য। হীরা নারীরা চাকা ব্যবহার না করে কেবল হাতের কারুকার্যে মাটির পিণ্ড দিয়ে স্তরে স্তরে পাত্র তৈরি করতেন।

(iii) ব্যবহার: দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজের পাশাপাশি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও মাটির পাত্রের ব্যাপক ব্যবহার ছিল।

(খ) ইট নির্মাণ পদ্ধতি: আহোম যুগে বড় বড় প্রাসাদ (যেমন—কারেং ঘর, তালাতল ঘর) এবং মন্দির (যেমন—শিবদৌল) নির্মাণের জন্য এক বিশেষ পদ্ধতিতে ইট ও সিমেন্ট তৈরি করা হতো।

(i) ইটের আকার: সেই সময়ে ইটগুলো আধুনিক ইটের চেয়ে কিছুটা পাতলা এবং চ্যাপ্টা আকৃতির হতো। এগুলোকে স্থানীয়ভাবে ‘লাড়ু ইট’ বা এই জাতীয় নামে ডাকা হতো।

(ii) আঠালো মিশ্রণ: আহোম যুগের ইট গাঁথুনির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো তাদের তৈরি বিশেষ আঠা বা মশলা, যাকে ‘করাল’ বলা হতো। 

এই আঠা তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো:

(i) আঠালো চটচটে চাল (বোরা চাউল)।

(ii) হাঁসের ডিম। 

(iii) মাগুর মাছ।

(iv) চুন এবং গুড়।

পাথর চুন ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান। এই মিশ্রণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, শত শত বছর পরেও আহোম আমলের স্থাপত্যগুলো আজও অটুট রয়েছে।

(গ) শিল্পের গুরুত্ব: আহোম রাজারা দক্ষ কারিগরদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে দিতেন (যেমন—কুমাৰকুছি)। তারা কারিগরদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতেন যাতে স্থাপত্য ও শিল্পের মান বজায় থাকে।

৫। নৌকা নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে লেখো। 

উত্তরঃ আসামে নৌকা নির্মাণ শিল্পের বিকাশ ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব:

শিল্পের বিকাশ ও প্রযুক্তি:উপযুক্ত কাঠ: 

(ক) আসামের বনে পাওয়া যাওয়া আজার, শাল, চম্পা এবং উিয়াম জাতীয় টেকসই কাঠ নৌকা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হতো।

(খ) নৌকার প্রকারভেদ: বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের নৌকা তৈরি করা হতো। যেমন—’খেল নাও’ (দ্রুতগামী যুদ্ধ নৌকা), ‘হোলং নাও’ (পণ্যবাহী বড় নৌকা), এবং সাধারণ পারাপারের জন্য ছোট নৌকা।

(গ) নির্মাণ শৈলী: একটি আস্ত বড় গাছের গুড়ি কুঁদে ‘চিল নাও’ তৈরি করা হতো, যা অত্যন্ত মজবুত ছিল। আবার তক্তা জুড়ে তৈরি করা নৌকাও প্রচলিত ছিল।

 ঐতিহাসিক গুরুত্ব:

(ক) সামরিক প্রতিরক্ষা: আসামের ইতিহাসে নৌকা নির্মাণ শিল্পের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব ছিল এর সামরিক অবদান। ১৬৭১ খ্রিস্টাব্দে মোগলদের বিরুদ্ধে শরাইঘাটের যুদ্ধে জয়লাভের প্রধান কারণ ছিল আহোমদের শক্তিশালী নৌ-বাহিনী এবং তাদের দ্রুতগামী ও কৌশলী যুদ্ধ নৌকা।

(খ) অর্থনীতি ও বাণিজ্য: সড়কপথের তুলনায় জলপথ তখন বেশি নিরাপদ ও সাশ্রয়ী ছিল। চা, কাঠ, রেশম এবং কৃষি পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য নৌকাই ছিল একমাত্র ভরসা। 

(গ) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক: নৌকা কেবল যাতায়াতের মাধ্যম ছিল না, এটি ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। রাজপরিবার এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষভাবে সজ্জিত নৌকা তৈরি করা হতো। আজও আসামের বিভিন্ন উৎসবে (যেমন—বিহু) ‘নাও খেল’ বা নৌকা বাইচ একটি জনপ্রিয় ঐতিহ্য।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top