Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক কাঠামো ও সম্ভাবনা

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক কাঠামো ও সম্ভাবনা Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক কাঠামো ও সম্ভাবনা Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক কাঠামো ও সম্ভাবনা Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক কাঠামো ও সম্ভাবনা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 4

প্রথম ভাগ: ভূগোল
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

 ১। মানচিত্র কাকে বলে? 

উত্তরঃ পৃথিবীর উপরিভাগের কোন একটি অঞ্চলের চিত্র অঙ্কন বা নির্দিষ্ট পরিমাপ সহ উপস্থাপনই হল মানচিত্র। 

২। মানচিত্রকার বা কার্টোগ্রাফার কাকে বলা হয়? 

উত্তরঃ যিনি মানচিত্র প্রস্তুত করেন তাঁকে মানচিত্রকার বা মানচিত্র নির্মাতা বলা হয়।

৩। মানচিত্রের প্রধান তিনটি উপাদান কী কী? 

উত্তরঃ মানচিত্রের সাথে জড়িত প্রধান তিনটি উপাদান হল— মাপ, সাংকেতিক চিহ্ন এবং গ্রীড।

৪। পরিমাপ বা স্কেল বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ ভূ-পৃষ্ঠে থাকা কোন দুটি নির্দিষ্ট বিন্দুর মধ্যে থাকা প্রকৃত দূরত্ব এবং মানচিত্রে দেখানো ওই একই দূরত্বের অনুপাতকে পরিমাপ বা স্কেল বলা হয়।

৫। নিরূপক ভগ্নাংশ কী? 

উত্তরঃ এই ধরনের পরিমাপে কোনো একক (যেমন সেমি বা ইঞ্চি) থাকে না; এটি ভগ্নাংশের মাধ্যমে মানচিত্রের দূরত্ব ও ভূমির দূরত্বের অনুপাত দেখায়। 

৬। কর্ণ বা তির্যক পরিমাপ কেন ব্যবহার করা হয়?

 উত্তরঃ সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ ও সূক্ষ্ম পরিমাপের জন্য রৈখিক পরিমাপের তৃতীয় বিভাজন হিসেবে কর্ণ বা তির্যক পরিমাপের সাহায্য নেওয়া হয়। 

৭। গ্রীডস্‌ কী? 

উত্তরঃ সমান ব্যবধানে সমান্তরালভাবে আঁকা কিছু কাল্পনিক অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমা রেখা যখন একে অপরকে ছেদ করে বর্গক্ষেত্র বা আয়তক্ষেত্র তৈরি করে, তখন তাকে গ্রীডস্‌ বলা হয়।

৮।  প্রচলিত সাংকেতিক চিহ্ন কেন অপরিহার্য? 

উত্তরঃ মানচিত্রের বিভিন্ন উপাদানের (যেমন জনসংখ্যা, বনভূমি বা রাস্তা) সঠিক প্রদর্শনের জন্য সাংকেতিক চিহ্নের ব্যবহার অপরিহার্য।

৯। ভূগোল বিজ্ঞানের জনক হিসেবে কে পরিচিত?

উত্তরঃ বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত ইরাটোস্থিনিস ভূগোল বিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত।

১০। প্রাচীনতম মানচিত্রটি কিসের ওপর তৈরি হয়েছিল? 

উত্তরঃ এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাচীনতম মানচিত্রটি পাথরের টুকরোয় তৈরি করা হয়েছিল। 

১১। মধ্যযুগের ‘T in O’ মানচিত্র বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ মধ্যযুগের মানচিত্রে জেরুজালেমকে কেন্দ্রে রেখে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশকে ‘T’ আকৃতিতে এবং চারপাশের সাগরকে ‘O’ আকৃতিতে দেখানো হতো।

১২। মানচিত্র অভিক্ষেপ কাকে বলে? 

উত্তরঃ গোলকের পৃষ্ঠে থাকা অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমা রেখাকে একটি সমতল ক্ষেত্রে প্রণালীবদ্ধভাবে রূপান্তরিত করাকে অভিক্ষেপ বলে।

১৩। জরীপ কাকে বলে? 

উত্তরঃ ভূ-পৃষ্ঠের কোনো একটি অংশকে ভালোভাবে অধ্যয়ন করার জন্য মানচিত্র প্রস্তুত করাকে জরীপ বলা হয়। 

১৪। দূর সংবেদন প্রযুক্তি কী? 

উত্তরঃ এটি এমন এক প্রযুক্তি যার দ্বারা কোনো স্থান বা বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে না থেকেও সংবেদনযুক্ত সেন্সরের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। 

১৫। GIS-এর জনক কাকে বলা হয়? 

উত্তরঃ রোজার টমলিনসনকে ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা বা GIS-এর জনক বলা হয়। 

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। মানচিত্রের অপরিহার্য উপাদানগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ মানচিত্রের অপরিহার্য উপাদানগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(ক) শিরোনাম: মানচিত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো এর শিরোনাম। এটি মানচিত্রটি কোন বিষয় বা কোন অঞ্চলের উপর ভিত্তি করে তৈরি, তা নির্দেশ করে। আপনার উৎসে থাকা মানচিত্রগুলিতে নির্দিষ্ট শিরোনাম ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন— “অসমের খনিজ সম্পদ,”অসমের জাতীয় রাজপথ) এবং”অসমের রেলসেবা পথ।

(খ) মানদণ্ড বা স্কেল: মানচিত্রের উপর দুটি স্থানের দূরত্ব এবং ভূমিতে সেই দুটি স্থানের প্রকৃত দূরত্বের অনুপাতকে স্কেল বলা হয়। সঠিক ভৌগোলিক পরিমাপের জন্য এটি অপরিহার্য। উৎসে থাকা জাতীয় সড়ক এবং রেলপথের মানচিত্রগুলিতে রৈখিক স্কেল ব্যবহার করা হয়েছে (যেমন- ০ ৫০ ১০০ কিমি), যা মানচিত্রের দূরত্ব অনুযায়ী প্রকৃত দূরত্ব বুঝতে সাহায্য করে।

(গ) সূচক বা সংকেত: মানচিত্রে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বা সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য (যেমন— খনিজ ক্ষেত্র, রাস্তা, সীমানা ইত্যাদি) বোঝাতে কিছু প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এই প্রতীকগুলোর অর্থ বোঝার জন্য ‘সূচক’ থাকা বাধ্যতামূলক। যেমন:

(i) অসমের খনিজ সম্পদের মানচিত্রে ‘INDEX (MINERAL’ এবং ‘LEGEND’ ব্যবহার করে কয়লা, তেল, চুনাপাথর এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সীমানা (আন্তর্জাতিক, রাজ্য ও জেলা সীমানা) নির্দেশ করা হয়েছে।

(ii) রেলপথের মানচিত্রে ব্রডগেজ ও মিটার গেজ আলাদাভাবে বোঝাতে বিশেষ সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে।

(ঘ) অবস্থান বা স্থানাঙ্ক: কোনো স্থানের সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ ব্যবহার করা হয়। 

(ঙ)  সীমানা: একটি অঞ্চলের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সীমা নির্ধারণের জন্য মানচিত্রে সীমানা রেখা অপরিহার্য। উৎসগুলিতে অসমের সাথে প্রতিবেশী রাষ্ট্র (যেমন- বাংলাদেশ, ভুটান) এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির (যেমন- অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়) সীমানা স্পষ্টভাবে রেখাচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।

২। পরিমাপ বা স্কেল প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ পরিমাপ বা স্কেল প্রকাশের প্রধান পদ্ধতিগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(ক) বর্ণনামূলক পদ্ধতি: এটি স্কেল প্রকাশের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মানচিত্রের দূরত্ব এবং ভূমির দূরত্বকে কথার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। যেমন— ‘১ সেন্টিমিটারে ১০ কিলোমিটার। এর অর্থ হলো মানচিত্রের ১ সেমি দূরত্ব ভূমির ১০ কিমি দূরত্বকে নির্দেশ করছে। 

(খ) সংখ্যাসূচক বা ভগ্নাংশ পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে মানচিত্রের দূরত্ব এবং ভূমির প্রকৃত দূরত্বকে একটি অনুপাত বা ভগ্নাংশের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এখানে মানচিত্রের দূরত্বকে সর্বদা ‘১’ (লব) হিসেবে ধরা হয়। যেমন— ১:৫০,০০০। এর সুবিধা হলো এটি এককবিহীন, অর্থাৎ যে কেউ তার দেশের প্রচলিত একক (ইঞ্চি বা সেমি) অনুযায়ী এটি ব্যবহার করতে পারে। 

(গ) রৈখিক বা লৈখিক স্কেল: মানচিত্রে একটি সরলরেখাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মেপে কয়েকটি প্রাথমিক ও গৌণ ভাগে ভাগ করে যে স্কেল তৈরি করা হয়, তাকে রৈখিক স্কেল বলে। আপনার প্রদত্ত উৎসে থাকা মানচিত্রগুলোতে এই পদ্ধতিটিই ব্যবহার করা হয়েছে।

(i) অসমের জাতীয় রাজপথের মানচিত্রে (চিত্র ৪.২) একটি রেখাচিত্রের মাধ্যমে ‘Scale 0 50 100 Km’ লিখে দূরত্ব দেখানো হয়েছে।

(ii) একইভাবে অসমের রেলপথের মানচিত্রেও রৈখিক স্কেল ব্যবহার করে মানচিত্রের দূরত্বকে প্রকৃত দূরত্বে (কিলোমিটার এককে) রূপান্তর করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো মানচিত্রটি যদি ফটোকপি করে ছোট বা বড় করা হয়, তবে স্কেলটিও সেই অনুপাতে ছোট বা বড় হয়, ফলে পরিমাপ নির্ভুল থাকে।

৩। মানচিত্র অভিক্ষেপ কত প্রকার ও কী কী? বেলনাকার অভিক্ষেপ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো। 

উত্তরঃ মানচিত্র অভিক্ষেপ প্রধানত তিন প্রকার: 

(১) বেলনাকার অভিক্ষেপ।  

(২) শঙ্কু সদৃশ অভিক্ষেপ।  

(৩) শীর্ষকেন্দ্রিক অভিক্ষেপ। 

বেলনাকার অভিক্ষেপ: এই পদ্ধতিতে কল্পনা করা হয় যে একটি সিলিন্ডার বা বেলন আকৃতি দিয়ে পৃথিবীকে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখাগুলি পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করে গ্রিড তৈরি করে। এটি নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির জন্য খুবই উপযোগী। মারকেটর অভিক্ষেপ এই শ্রেণির একটি জনপ্রিয় উদাহরণ।

৪। দূর সংবেদন প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুরুত্ব আলোচনা করো। 

উত্তরঃ দূর সংবেদন প্রযুক্তি ব্যবহার ও গুরুত্ব আলোচনা:

(ক) খনিজ সম্পদের সন্ধান ও পরিমাণ নির্ধারণ: অসম একটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ রাজ্য। এই সম্পদের সঠিক অবস্থান এবং ভূ-গর্ভে এর মজুতের পরিমাণ নির্ণয় করতে দূর সংবেদন প্রযুক্তি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

(i) সঠিক তথ্য সংগ্রহ: ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক জরীপ বিভাগ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূ-গর্ভে থাকা খনিজ ভাণ্ডারের সন্ধান, নির্দিষ্ট স্থান এবং তার পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।

(ii) তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান: ভারতীয় তেল নিগম এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আয়োগ – এর মতো সংস্থাগুলি আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তি ও দূর সংবেদন পদ্ধতির মাধ্যমে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডারের প্রকৃত সন্ধান এবং মজুতের পরিমাণ বের করতে সক্ষম হয়েছে।

(খ) বনজ সম্পদ ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ: বনাঞ্চলের বর্তমান অবস্থা এবং সময়ের সাথে সাথে বনের পরিবর্তনের খতিয়ান রাখতে এই প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।

(i) বনভূমির আয়তন নির্ণয়: উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য-চিত্র বা রিমোট সেন্সিং ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, ২০১৯ সালের মার্চ মাস নাগাদ অসমের প্রায় ২১ শতাংশ স্থান বনভূমিতে পূর্ণ ছিল।

(ii) অতীত ও বর্তমানের তুলনা: ১৯৭০ সালে অসমের বনাঞ্চলের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৮ শতাংশ, যা বর্তমানে কমে ২১ শতাংশ হয়েছে। এই তুলনামূলক তথ্য বা পরিসংখ্যান কেবল দূর সংবেদন প্রযুক্তির মাধ্যমেই নির্ভুলভাবে পাওয়া সম্ভব হয়েছে।

(গ) অর্থনৈতিক উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির আবশ্যকতা: অসমের অনেক দুর্গম অঞ্চলে এখনও প্রচুর খনিজ সম্পদ আছে যেগুলি দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আহরণ করা সম্ভব হয়নি।

(i) অব্যবহৃত সম্পদ চিহ্নিতকরণ: উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তির উপযুক্ত প্রয়োগের অভাবেই অনেক ক্ষেত্রে সম্পদের প্রকৃত ভাণ্ডার আজ অবধি নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এখানে দূর সংবেদন প্রযুক্তির আরও উন্নত ব্যবহার অসমের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে পারে।

(ঘ) সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন: মানচিত্রের নির্ভুলতা বজায় রাখতে দূর সংবেদন প্রযুক্তির সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করা হয়। এটি বিভিন্ন প্রশাসনিক সীমানা এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করে, যা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার জন্য জরুরি।

৫। ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা বলতে কী বোঝো? এর মূল উপাদানগুলি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ সাধারণভাবে, GIS এমন একটি ব্যবস্থা যা ভূ-পৃষ্ঠের কোনো নির্দিষ্ট স্থানের অবস্থান এবং সেই স্থান সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যকে (যেমন— সেখানে কী সম্পদ আছে, তার পরিমাণ কত ইত্যাদি) মানচিত্রের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।

(i) খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান: ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক জরীপ বিভাগ এবং অন্যান্য গবেষণা সংস্থাগুলি অত্যাধুনিক ভৌগোলিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূ-গর্ভে মজুদ থাকা খনিজ ভাণ্ডারের সঠিক সন্ধান, অবস্থান এবং তার পরিমাণ সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।

(ii) তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস: খনিজ তেলের প্রকৃত সন্ধান, তার বিস্তৃতি এবং মজুতের পরিমাণ নির্ণয়ে আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তির অংশ হিসেবে GIS ব্যবহার করা হচ্ছে।

GIS-এর মূল উপাদানগুলি:

(ক) তথ্য বা উপাত্ত: এটি GIS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক তথ্য (যেমন— অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ) এবং সেই এলাকা সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য (যেমন— খনিজ তেলের পরিমাণ, বনাঞ্চলের আয়তন) সংগ্রহ করা হয়। 

(খ) হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রাংশ: GIS পরিচালনার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, স্ক্যানার (মানচিত্র ডিজিটাল করার জন্য), এবং জিপিএস যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত চিত্রগুলো প্রসেস করার জন্য আধুনিক হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

(গ) সফটওয়্যার: সংগৃহীত তথ্যগুলিকে বিশ্লেষণ করার জন্য বিশেষ ধরণের সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়। এই সফটওয়্যারগুলি ভৌগোলিক তথ্যগুলিকে সংরক্ষণ করে এবং ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। যেমন— অসমের জাতীয় রাজপথ বা রেলপথের মানচিত্র তৈরিতে এই ধরণের প্রযুক্তির ভূমিকা থাকতে পারে।

(ঘ) দক্ষ জনশক্তি বা কর্মী: GIS প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য দক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষের প্রয়োজন। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top