Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 3 জীব বৈচিত্র্য

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 3 জীব বৈচিত্র্য Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 3 জীব বৈচিত্র্য Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 3 জীব বৈচিত্র্য Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 3 জীব বৈচিত্র্য

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

প্রথম ভাগ: ভূগোল
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। সম্পদ হিসেবে গণ্য হতে হলে উপাদানের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য কী কী? 

উত্তরঃ উপযোগিতা, কার্যকারিতা এবং গতিশীলতা।

২। অসমের কোথায় সর্বপ্রথম কয়লা আবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তরঃ১৮৬৫ সালে অসমের মাকুমে সর্বপ্রথম কয়লা আবিষ্কৃত হয়েছিল।

৩। অসমে কত সালে অপরিশোধিত তেলের ভাণ্ডার পাওয়া গিয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮২২ সালে অসমে অপরিশোধিত তেলের ভাণ্ডার পাওয়া গিয়েছিল।

৪। ভারতবর্ষের মোট অপরিশোধিত তেলের কত শতাংশ অসমে উৎপাদন করা হয়? 

উত্তরঃ ১৭ শতাংশ।

৫। প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ কতটুকু থাকে? 

উত্তরঃ প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৮০-৯০ শতাংশ থাকে।

৬। উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী (মার্চ, ২০১৯) অসমের কত শতাংশ বনভূমি পূর্ণ অবস্থায় দেখা যায়?

উত্তরঃ প্রায় ২১ শতাংশ।

৭। অসমের কার্বি আংলং জেলায় চুনাপাথর পাওয়া যায় এমন তিনটি স্থানের নাম লেখো।

উত্তরঃ ডিলাই, কৈলাজান এবং শিলভেটা।

৮। ‘বিশ্ব শিখর সম্মেলন’ কত সালে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯৯২ সালে ।রিও-ডি-জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

৯। শুধুমাত্র অসমে পাওয়া যায় এমন একটি বিরল প্রাণীর নাম লেখো যা আইইউসিএন এর লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত?

 উত্তরঃ নল-শূকর বা পিগমি হগ।

১০। অসমে বর্তমানে কটি রাষ্ট্রীয় উদ্যান এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য আছে? 

উত্তরঃ ৫টি রাষ্ট্রীয় উদ্যান এবং ১৮টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য আছে।

১১। মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রধান চারটি স্তম্ভ কী কী? 

উত্তরঃ সমতা, উৎপাদন, স্থায়িত্ব এবং অধিকার।

১২। কোচ রাজা নরনারায়ণ নির্মিত ‘গোহাঁই-কমল আলি’-র দুই প্রান্তের স্থান দুটির নাম কী?

উত্তরঃ কোচবিহার এবং নারায়ণপুর (লক্ষিমপুর)।

১৩। অসমের কোন শহরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত? 

উত্তরঃ গুয়াহাটির বোরঝাড়ে (লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)।

১৪। অসমের ব্রহ্মপুত্রের উপরে রজ্জুপথ (Ropeway) কোন দুটি স্থানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে? 

উত্তরঃ গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটির মধ্যে।

১৫। অসমের প্রধান তৈল শোধনাগারগুলি কোথায় কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ ডিগবয়, নুনমাটি, বঙাইগাঁও এবং নুমলীগড়।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। অসমের বনজ সম্পদের গুরুত্ব এবং এর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ অসমের বনজ সম্পদের গুরুত্ব:

(ক) অত্যধিক উদ্ভিদ বৈচিত্র্য: অসম ভারতের অন্যতম উদ্ভিদ সমৃদ্ধ অঞ্চল। উৎস অনুযায়ী, অসমে পাওয়া যায় এমন উদ্ভিদের সংখ্যা ভারতের মোট উদ্ভিদ প্রজাতির একটি বিশাল অংশ দখল করে আছে। 

উদাহরণস্বরূপ:

(i) অসমে ৩১৫টি প্রজাতির ফার্ন পাওয়া যায়, যা ভারতের মোট ফার্ন প্রজাতির ২৫.৪৫%।

(ii) ফার্ন এবং তার সহযোগী প্রজাতিগুলো একত্রে ভারতের মোট প্রজাতির ৩৫.৮৪% প্রতিনিধিত্ব করে।

(iii) সামগ্রিকভাবে, অসমের বিভিন্ন উদ্ভিদ গোষ্ঠী (জিম্নোস্পার্মস,ডাইকোলাইলেডনস্, মনোকোলাইলেডনস্ ইত্যাদি) ভারতের মোট উদ্ভিদ প্রজাতির ২২.৬৮%। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে ভারতের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় অসমের বনাঞ্চল কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

(খ) বাস্তুসংস্থানিক ভারসাম্য: উৎসে বর্ণিত আলফা, বিটা এবং গামা বৈচিত্র্য নির্দেশ করে যে অসমের বনাঞ্চল বিভিন্ন স্তরে জীবনের বৈচিত্র্য বজায় রাখে। এই বৈচিত্র্য মৃত্তিকা সংরক্ষণ, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ এবং অক্সিজেন সরবরাহে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

(গ) বন্যপ্রাণের আশ্রয়স্থল: অসমের বনজ সম্পদ অসংখ্য বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণের আবাসস্থল। কাজিরাঙা বা মানসের মতো বনাঞ্চলগুলি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

 অসমের বনজ সম্পদের বর্তমান অবস্থা:

(ক) সুরক্ষিত অঞ্চলের নেটওয়ার্ক: অসমের বনজ সম্পদ রক্ষার্থে একটি শক্তিশালী সুরক্ষিত অঞ্চল ব্যবস্থা বিদ্যমান। 

উৎসে থাকা মানচিত্র এবং তালিকা অনুযায়ী অসমে বর্তমানে:

(i) ৫টি জাতীয় উদ্যান: কাজিরাঙা, মানস, ডিব্রু-সৈখোয়া, ন্যামেরি এবং ওরাং রাজীব গান্ধী জাতীয় উদ্যান।

(ii) ১৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য: এর মধ্যে আমচাং, বড়াইল, দীপোর বিল,দেহিং পাটকাই,পাবিতরা এবং সোনাই-রূপাই উল্লেখযোগ্য।

(খ) বৈচিত্র্যের পরিমাপ: বর্তমানে অসমের বনজ সম্পদকে তিনটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা হয়:

(i) আলফা বৈচিত্র্য: একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভেতরের বৈচিত্র্য।

(ii) বিটা বৈচিত্র্য: পরিবেশগত পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে প্রজাতির পরিবর্তন।

(iii) গামা বৈচিত্র্য: একটি বৃহৎ ভৌগোলিক অঞ্চলের সামগ্রিক বৈচিত্র্য।

(গ) উদ্ভিদ পরিসংখ্যানের বর্তমান চিত্র: অসমের বনাঞ্চলে বর্তমানে ৩,৮৫৪টি বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২,৭৫২টি ডাইকোলাইলেডনস্ এবং ১,০৮০টি মনোকোলাইলেডনস্ প্রজাতি রয়েছে।

২। অসমের শিল্পোন্নয়নের মন্থর গতির পাঁচটি প্রধান ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ অসমের শিল্পোন্নয়ন মন্থর হওয়ার প্রধান কারণগুলি হলো: 

(ক) অসমের ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এবং এটি প্রায় চারদিক থেকে বিদেশি রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। 

(খ) অসমের ভূ-প্রকৃতি পার্বত্য ও অসমতল হওয়ার ফলে সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং বর্ষাকালে বন্যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। 

(গ) পর্যাপ্ত পুঁজি বা বিনিয়োগের অভাব এবং বড় বড় শিল্পপতিদের বিনিয়োগে অনীহা। 

(ঘ) শক্তির অভাব বা বিদ্যুৎ সরবরাহে অনিয়মিত ব্যবস্থা। 

(ঙ) উন্নত কারিগরি প্রযুক্তি এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাব ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে শিল্পোদ্যোগী মানসিকতার অভাব।

৩। অসমের খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ অসমের খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব:

(ক) পেট্রোলিয়াম বা খনিজ তেল: অসম ভারতের খনিজ তেল শিল্পের পথপ্রদর্শক। ১৮৮৯ সালে ডিগবয়ে ভারতের প্রথম তেলকূপ আবিষ্কৃত হয়। বর্তমানে ডিগবয়, নাহারকাটিয়া, মোরান এবং রুদ্রসাগর প্রধান তেল উৎপাদক অঞ্চল।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব: খনিজ তেল অসমের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তেল শোধনাগারগুলি (ডিগবয়, গুয়াহাটি, বঙাইগাঁও, নুমলীগড়) রাজ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং সরকার এখান থেকে প্রচুর পরিমাণে রয়্যালটি অর্জন করে।

(খ) কয়লা: অসমের কয়লা প্রধানত ‘টারশিয়ারি’ যুগের। মাকুম, নজিরা এবং কার্বি আংলং অঞ্চলে উচ্চমানের (তবে সালফার যুক্ত) কয়লা পাওয়া যায়।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব: অসমের চা শিল্প, ইটের ভাটা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে এই কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি রাজ্যের শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

(গ) প্রাকৃতিক গ্যাস: খনিজ তেলের পাশাপাশি অসমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। আপার অসমের তেল ক্ষেত্রগুলো থেকে এই গ্যাস সংগ্রহ করা হয়।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই গ্যাস নামরূপের সার কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র (বিভিএফসিএল) এবং বিভিন্ন শিল্পে কাঁচামাল ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখে।

(ঘ) চুনাপাথর: দিমা হাসাও এবং কার্বি আংলং জেলায় বিশাল চুনাপাথরের ভাণ্ডার রয়েছে।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই খনিজটি অসমের সিমেন্ট শিল্পের প্রধান ভিত্তি। বোকাজান এবং উমারাংশুর সিমেন্ট কারখানাগুলি এই খনিজের ওপর নির্ভরশীল।

(ঙ) অন্যান্য খনিজ: এছাড়া অসমে খুব সামান্য পরিমাণে সিলিম্যানাইট, কাদা মাটি এবং নদীর বালিতে সোনার কণা পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে।

৪। অসমের পরিবহন ব্যবস্থার সমস্যাগুলি আলোচনা করো। 

উত্তরঃ অসমের পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান সমস্যাসমূহ:

(ক) ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা: অসম ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এবং এটি একটি মাত্র সরু পথ (শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন’স নেক) দিয়ে বাকি ভারতের সাথে যুক্ত। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পণ্য পরিবহন এবং যাতায়াতে অনেক সময় ও খরচ বেশি হয়।

(খ) বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: অসমের পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান শত্রু হলো বার্ষিক বন্যা। প্রতি বছর বর্ষাকালে ব্রহ্মপুত্র ও বরাক নদীর বন্যায় রাস্তাঘাট এবং রেলপথ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক সময় কালভার্ট ও ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

(গ) দুর্গম পাহাড়ি ভূ-প্রকৃতি: অসমের একটি বড় অংশ পাহাড়ি এলাকা (যেমন- ডিমা হাসাও এবং কার্বি আংলং)। এই অঞ্চলগুলোতে স্থায়ী এবং উন্নতমানের সড়কপথ বা রেলপথ নির্মাণ করা অত্যন্ত কঠিন ও ব্যয়বহুল। ভূমিধসের কারণে বর্ষাকালে এই অঞ্চলের যোগাযোগ প্রায়ই বন্ধ হয়ে যায়।

(ঘ) জীর্ণ পরিকাঠামো: অসমের অনেক গ্রামীণ রাস্তা এখনো কাঁচা বা জীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জাতীয় সড়কগুলোর অবস্থা আগের চেয়ে উন্নত হলেও অনেক জায়গায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়, যা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

(ঙ) রেলপথের সীমাবদ্ধতা: যদিও বর্তমানে রেলপথের উন্নতি হচ্ছে, তবুও অসমের অনেক অঞ্চল এখনো ব্রডগেজ রূপান্তরের সুফল পুরোপুরি পায়নি। এছাড়া ডাবল ট্র্যাকিং বা দ্বৈত রেলপথের অভাব ট্রেন চলাচলের গতি ধীর করে দেয়।

৫। অসমের কুটির শিল্প হিসেবে রেশম শিল্প ও কাঁসা-পিতল শিল্পের ওপর একটি টীকা লেখো। 

উত্তরঃ রেশম শিল্প অসমের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যার মধ্যে এরি, মুগা এবং পাট শিল্প আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। বিশেষ করে শুয়ালকুচিতে উৎপাদিত মুগা কাপড় অসমের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, সার্থেবারী ও হাজো কাঁসা-পিতল শিল্পের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন বাসন ও অলংকার তৈরি হয়। তবে এই শিল্পগুলি বর্তমানে সমস্যার সম্মুখীন; যেমন—কাঁচামালের অভাব, কারিগরদের মজুরি বৃদ্ধি এবং আধুনিক মেশিনে তৈরি সস্তা ও নিম্নমানের বিদেশি সামগ্রীর সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া। সরকারের উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা এবং আধুনিক বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে এই শিল্পগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top