Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 2 অসমে জনসংখ্যার বিন্যাস

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 2 অসমে জনসংখ্যার বিন্যাস Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 2 অসমে জনসংখ্যার বিন্যাস Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 2 অসমে জনসংখ্যার বিন্যাস Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 2 অসমে জনসংখ্যার বিন্যাস

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

প্রথম ভাগ: ভূগোল
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। ২০১১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী অসমের মোট জনসংখ্যা কত? 

উত্তরঃ ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী অসমের মোট জনসংখ্যা হলো ৩,১২,০৫,৫৭৬ জন।

২। ব্রিটিশ সরকার অসমে প্রথম কবে সরকারি লোকগণনা শুরু করে? 

উত্তরঃ ১৮৭২ সালে ব্রিটিশ সরকার অসমে প্রথম সরকারি লোকগণনা বা আদমশুমারি সংগঠিত করে।

৩। অসমের গড় জনঘনত্ব কত? 

উত্তরঃ ২০১১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী অসমের প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনবসতির গড় ঘনত্ব ৩৯৭ জন।

৪। অসমের কোন জেলায় জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? 

উত্তরঃ কামরূপ মহানগর (মেট্রো) জেলায় জনঘনত্ব সর্বাধিক, প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২,০১০ জন।

৫। অসমের কোন জেলায় জনঘনত্ব সবচেয়ে কম? 

উত্তরঃ ডিমা হাসাও জেলায় জনঘনত্ব সবচেয়ে কম, প্রতি বর্গকিলোমিটারে মাত্র ৪৪ জন।

৬। অসমের গড় সাক্ষরতার হার কত? 

উত্তরঃ ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী অসমের সাক্ষরতার হার ৭২.২ শতাংশ।

৭। অসমের মহিলা সাক্ষরতার হার কত? 

উত্তরঃ অসমের মহিলা সাক্ষরতার হার মাত্র ৬৬.৩ শতাংশ।

৮। অসমে নগরায়ন বা নগরবাসীদের হার কত শতাংশ? 

উত্তরঃ অসমে নগরায়ন প্রক্রিয়া অত্যন্ত মন্থর এবং মাত্র ১৪ শতাংশ লোক শহরে বাস করেন।

৯। অসমের জনসংখ্যার কত শতাংশ লোক প্রাথমিক বৃত্তিতে (কৃষি) নিয়োজিত?

 উত্তরঃ অসমের মোট কর্মরহিত জনসংখ্যার ৫২.৪ শতাংশ লোক প্রাথমিক বৃত্তির (কৃষি) সঙ্গে জড়িত।

১০। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (P g) নির্ণয় করার সূত্রটি কী? 

উত্তরঃ P g=(জন্মের হার−মৃত্যুর হার)+প্রব্রজন (অভিবাসন−দেশান্তর গমন)।

১১। অসমের তিনটি পাহাড়ি জেলার নাম কী কী? 

উত্তরঃ কার্বি আংলং, পশ্চিম কার্বি আংলং এবং ডিমা হাসাও।

১২। অসমে প্রথম শ্রেণীর নগর কয়টি ও কী কী? 

উত্তরঃ অসমে প্রথম শ্রেণীর নগর ৪টি— গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়, শিলচর এবং নগাঁও।

১৩। অসমের রাজস্ব চক্রের সংখ্যা কত? 

উত্তরঃ অসমে বর্তমানে ১৮৪টি রাজস্ব চক্র রয়েছে।

১৪। ঐতিহাসিক ‘অসম চুক্তি’ কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার, অসম সরকার এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে ‘অসম চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৫। পাহাড়ি এলাকায় জনবসতির প্রকৃতি কেমন হয়? 

উত্তরঃ পাহাড়ি এলাকায় প্রতিকূল ভূ-প্রকৃতির জন্য অত্যন্ত কম জনবসতি দেখা যায়, যাকে ‘বিরল বসতি’ বলা হয়।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১।  ১৯০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত অসমে অস্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলি আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ১৯০১ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত অসমের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

১৯০১ সালে অসমের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩২.৯ লক্ষ (৩.২৯ নিযুত), যা ২০১১ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩১২.১ লক্ষ (৩.১২ কোটি)। অর্থাৎ, এই ১১০ বছরে অসমের জনসংখ্যা প্রায় ৯.৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলি হলো:

(ক) স্বাভাবিক বৃদ্ধি (জন্ম ও মৃত্যু হারের পার্থক্য): জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি সাধারণ কারণ হলো জন্ম ও মৃত্যু হারের পার্থক্য। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে আধুনিক কালে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু সেই তুলনায় জন্মের হার সেভাবে কমেনি। ফলে জনসংখ্যার একটি স্বাভাবিক বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। 

(খ) প্রব্রজন – প্রধান কারণ: উৎস অনুযায়ী, প্রব্রজনই হলো অসমের জনসংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির অন্যতম এবং প্রধান কারণ। 

একে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

(ক) বিদেশী অনুপ্রবেশ: পার্শ্ববর্তী দেশ যেমন— বাংলাদেশ, নেপাল এবং মায়ানমার থেকে প্রচুর সংখ্যক মানুষ বৈধ এবং অবৈধভাবে অসমে প্রবেশ করেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দারিদ্র্যের কারণে এই দেশগুলি থেকে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অসমে চলে আসে।

(খ)  অভ্যন্তরীণ প্রব্রজন: ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকেও প্রচুর সংখ্যক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কাজের সন্ধানে অসমে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, ব্রিটিশ আমলে চা বাগানে কাজের জন্য ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে আসা শ্রমিক এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে আসা ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

(গ) জেলাভিত্তিক অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, অসমের ১৬.৯৩% গড় বৃদ্ধির হারের তুলনায় বেশ কিছু জেলায় বৃদ্ধির হার অনেক বেশি ছিল। যেমন— ধুবড়ী (২৪.৪%), মরিগাঁও (২৩.৩%), মানকাচর (২৩.৩%), গোয়ালপাড়া (২২.৬%) এবং বরপেটা (২১.৪%)। 

(ঘ) সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব: প্রব্রজনের ফলে অসমে কেবল জনসংখ্যার পরিমাণই বাড়েনি, বরং ধর্মীয় এবং ভাষিক বুনোটেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। দেখা গেছে যে, নির্দিষ্ট কিছু জেলায় বাংলাভাষী এবং মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে,যা মূলত অনুপ্রবেশের কারণেই ঘটেছে বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে।

২। অসমের সমতল অঞ্চল এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনঘনত্বের পার্থক্যের কারণগুলি বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ অসমের সমতল অঞ্চল এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনঘনত্বের পার্থক্যের কারণগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(ক) ভূ-প্রকৃতি এবং জীবনযাত্রার মান: অসমের পার্বত্য অঞ্চলগুলোর ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত দুর্গম এবং প্রতিকূল। পাহাড়ের উচ্চতা এবং ঢালু ভূমির কারণে এখানে সাধারণ জীবনযাপন এবং যাতায়াত অত্যন্ত কঠিন। প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য এই অঞ্চলগুলোতে জনবসতি বিরল বা ছড়ানো-ছিটানো থাকে, যাকে ‘বিচ্ছিন্ন বসতি’ বলা হয়। 

(খ) কৃষি পদ্ধতি এবং জীবিকা: পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী কার্বি এবং ডিমাসা জনজাতির লোকেরা প্রধানত ঝুম চাষ বা স্থানান্তর কৃষির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই পদ্ধতিতে চাষ করার সুবিধার্থে তারা প্রতি ৫-৬ বছর অন্তর আবাসের পরিবর্তন করেন। স্থায়ীভাবে এক স্থানে বসবাস না করার এই প্রবণতা বড় বা ঘন জনবসতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। অন্যদিকে, ব্রহ্মপুত্র ও বরাক উপত্যকার সমতল ভূমির মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় সেখানে কৃষিকাজ সহজ এবং স্থায়ী বসতি গড়ে উঠেছে।

(গ) সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং অনুন্নত পরিকাঠামো: পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে উন্নত রাস্তাঘাট, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। প্রয়োজনীয় ন্যূনতম জিনিসপত্রের অভাবের কারণে এই অঞ্চলে জীবনধারণের মান উন্নত নয়। এর ফলে অনেক সময় পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ জীবিকার সন্ধানে পার্শ্ববর্তী শহরমুখী হতে বাধ্য হন, যা এই অঞ্চলগুলোকে আরও জনবিরল করে তোলে।

(ঘ) বসতির ধরণ: পার্বত্য অঞ্চলের গ্রামগুলো মূলত ‘পল্লী’ বা ‘ক্ষুদ্রগ্রাম’ জাতীয়, যেখানে প্রতিটি গ্রামে গড়ে মাত্র সাতটি করে পরিবার বাস করে। বিপরীতে, সমতলের গ্রামগুলোতে জনবসতি অনেক বেশি ঘন এবং প্রতিটি গ্রামে জনসংখ্যার গড় প্রায় ৮৮০ জন।

৩। অবৈধ অনুপ্রবেশ কীভাবে অসমের ধর্মীয় ও ভাষিক জনবিন্যাসে পরিবর্তন এনেছে? 

উত্তরঃ অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলে অসমের জনবিন্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ১৯৭১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে অসমের হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ৮০% বৃদ্ধি পেলেও মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৫০%। বিশেষ করে ধুবড়ী, মরিগাঁও, নগাঁও এবং গোয়ালপাড়ার মতো জেলাগুলিতে এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ভাষাগত দিক থেকেও পরিবর্তন এসেছে; প্রব্রজনের ফলে বহু জেলায় বাংলাভাষী মানুষের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই পরিবর্তনের ফলে আদিম অধিবাসী বা খিলঞ্জীয়াদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে পড়ছে বলে সূত্রটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

৪। অসমের বৃত্তিমূলক কাঠামো এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে একটি টীকা লেখো।

উত্তরঃ অসমের কর্মরহিত জনসংখ্যার বড় অংশই কৃষিনির্ভর। তথ্যানুযায়ী, ৫২.৪% লোক প্রাথমিক বৃত্তিতে (৪০% কৃষক ও ১২.৪% কৃষি শ্রমিক) নিয়োজিত। শিল্প ও বাণিজ্যে (দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃত্তি) উন্নতির হার আশানুরূপ না হওয়ায় রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্থর। মানব সম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অসম পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার হার ৭২.২% হলেও নারী শিক্ষার হার (৬৬.৩%) এখনও সন্তোষজনক নয়। সরকারি নানা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সঠিক ‘দক্ষতা বিকাশের’ অভাবে রাজ্যের প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তার সঠিক ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে না।

৫। এন.আর.সি এবং অসম চুক্তির গুরুত্ব অসমের প্রেক্ষাপটে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ অসমের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং জনতাত্ত্বিক ইতিহাসে অসম চুক্তি এবং এন.আর.সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়। এই দুটির গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(ক) ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও অসম চুক্তি: অসমের আদিবাসীদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নৃতাত্ত্বিক এবং ভাষিক অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার, অসম সরকার এবং আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের মধ্যে এই ঐতিহাসিক ‘অসম চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ‘নন-অসমীয়া’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া এবং তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো। 

(খ) এন.আর.সি বা রাষ্ট্রীয় নাগরিকপঞ্জী: অসম চুক্তির শর্তাবলি কার্যকর করার অন্যতম প্রধান পদক্ষেপ হলো রাষ্ট্রীয় নাগরিকপঞ্জী। এটি মূলত একটি তালিকা যার মাধ্যমে অসমের প্রকৃত নাগরিক এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আলাদা করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিতাড়নের ব্যবস্থা করা এবং রাজ্যের প্রকৃত বাসিন্দাদের অধিকার সুরক্ষিত করা।

(গ)  অসমের প্রেক্ষাপটে এগুলোর গুরুত্ব:

(i) খিলঞ্জীয়া বা আদিবাসীদের সুরক্ষা: প্রব্রজনের ফলে অসমের আদিবাসীদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল। এন.আর.সি এবং অসম চুক্তির মাধ্যমে এই খিলঞ্জীয়া জনগণের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

(ii) অনুপ্রবেশ রোধ ও ভূমি অধিকার রক্ষা: উৎস অনুযায়ী, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা অসমের প্রায় ১৪টি জেলা এবং ব্রহ্মপুত্রের চর অঞ্চলে জমি দখল বা আগ্রাসনে লিপ্ত হয়েছে। এন.আর.সি-র মাধ্যমে এই জনজাতীয় ও প্রকৃত নাগরিকদের জমির অধিকার পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

(iii) জনতাত্ত্বিক ভারসাম্য বজায় রাখা: ১৯৫১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে অস্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং নির্দিষ্ট কিছু জেলায় ধর্মীয় ও ভাষিক বুনোটের দ্রুত পরিবর্তন অসমের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অসম চুক্তি এই জনতাত্ত্বিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top