Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 1 উত্তরপূর্ব ভারতে অসমের অবস্থান পরিবেশ

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 1 উত্তরপূর্ব ভারতে অসমের অবস্থান পরিবেশ Question Answer Bengali Medium As Per The New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 1 উত্তরপূর্ব ভারতে অসমের অবস্থান পরিবেশ Notes and select need one. AHSEC Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 1 উত্তরপূর্ব ভারতে অসমের অবস্থান পরিবেশ Solutions Download PDF. HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Swadesh Adhyayan Important Chapter 1 উত্তরপূর্ব ভারতে অসমের অবস্থান পরিবেশ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. ASSEB Class 12 Swadesh Adhyayan Important Notes Bengali Medium are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Swadesh Adhyayan Extra Solutions Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

প্রথম ভাগ: ভূগোল
ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর নাম কী কী?

উত্তরঃ অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর, মিজোরাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, সিকিম এবং অসম।

২। উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন বিদেশী রাষ্ট্রগুলো কী কী?

উত্তরঃ নেপাল, ভুটান, চীন, মায়ানমার এবং বাংলাদেশ।

৩। অসমের ভৌগোলিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ) উল্লেখ করো।

উত্তরঃ অসম ২৪°০৭’ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৮°০’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৫’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯৬°১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।

৪। অসমের জলবায়ু কোন প্রকৃতির?

উত্তরঃ অসমের জলবায়ু আর্দ্র উপক্রান্তীয এবং প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রকৃতির।

৫। ২০১১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী অসমের মোট জনসংখ্যা কত ছিল?

উত্তরঃ ২০১১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী অসমের জনসংখ্যা ছিল ৩,১২,০৫,৫৭৬ জন।

৬। ব্রহ্মপুত্র নদ পৃথিবীর কততম বৃহত্তম নদী?

উত্তরঃ ব্রহ্মপুত্র নদ পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম নদী।

৭। পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ কোনটি?

উত্তরঃ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ হলো ‘মাজুলী’, যা ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে অবস্থিত।

৮। ব্রহ্মপুত্রকে কবে জাতীয় জলপথ নং ২ হিসেবে ঘোষণা করা হয়?

উত্তরঃ ১৯৮৮ সালে ভারত সরকার শদিয়া থেকে ধুবরী পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের ৮৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ পথকে জাতীয় জলপথ হিসেবে ঘোষণা করে।

৯। উত্তর-পূর্ব পরিষদ কত সালে গঠিত হয়?

উত্তরঃ এই পরিষদ ১৯৭১ সালে গঠিত হয়েছিল।

১০। ঐতিহাসিক ‘ইয়াণ্ডাবু সন্ধি’ কবে সম্পাদিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮২৬ সালে ইংরেজ এবং ব্রহ্মদেশের (মায়ানমার) মধ্যে এই সন্ধি হয়েছিল।

১১। চরিত্রের ভিত্তিতে অসমের মাটিকে ক’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তরঃ অসমের মাটিকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: পলি মাটি, পাহাড়ি মাটি, পাহাড়ের পাদদেশের পাথুরে বালি মাটি (কঁকরযুক্ত মাটি) এবং লালমাটি বা লেটারাইট মাটি।

১২। পলি মাটির দুটি প্রধান প্রকার কী কী?

উত্তরঃ প্রাচীন পলি মাটি এবং নবীন পলি মাটি।

১৩। অসমের জলবায়ুকে মূলত ক’টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তরঃ অসমের জলবায়ুকে মূলত চারটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে: বর্ষা, শীত, শরৎ এবং বসন্ত।

১৪। ব্রহ্মপুত্র নদের উৎস কোথায়?

উত্তরঃ এটি হিমালয়ের কৈলাশ পর্বতমালা থেকে ‘আরলুং সাংপো’  নামে উৎপন্ন হয়েছে।

১৫। বরদৈচিলা’ কী?

উত্তরঃ এপ্রিল মাসে অসমে যে প্রবল মানসুনি ঝড়বৃষ্টি হয়, তাকে স্থানীয়ভাবে ‘বরদৈচিলা’ বলা হয়।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূ-প্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূ-প্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

(ক) পার্বত্য অঞ্চলের আধিপত্য:

(i) উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূ-প্রকৃতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর পার্বত্য অঞ্চলের ব্যাপকতা। সমগ্র অঞ্চলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই (২/৩) পার্বত্য এলাকা।

(ii) সিকিম বাদ দিলে উত্তর-পূর্বের বাকি রাজ্যগুলো প্রধানত উঁচু পাহাড় ও পর্বতমালা দ্বারা পরিবেষ্টিত। মেঘালয় মালভূমি, নাগাল্যান্ডের নাগা পাহাড়, মিজোরামের মিজো পাহাড় এবং মণিপুরের মণিপুর পাহাড় এই অঞ্চলের প্রধান পাহাড়ি রূপরেখা গঠন করেছে।

(খ) চরম উচ্চতার তারতম্য:

(i) এই অঞ্চলের ভূ-ত্বকের উচ্চতার মধ্যে ব্যাপক বৈচিত্র্য দেখা যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র কয়েক মিটার উচ্চতার সমতল উপত্যকা থেকে শুরু করে উত্তর অংশে প্রায় ৭০০০ মিটার বা তারও বেশি উচ্চতার পর্বতশ্রেণী এখানে বিদ্যমান।

(ii) সিকিম এবং নেপালের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা (৮,৫৮৬ মিটার) এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিন্দু।

(গ) সুউচ্চ হিমালয়ের প্রাচীর সদৃশ অবস্থান:

(i) উত্তর-পূর্ব ভারতের উত্তর সীমান্তে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা একটি বিশাল প্রাকৃতিক প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে আছে।

(ii) এই পর্বতমালা উত্তর দিক থেকে আসা তীব্র ঠাণ্ডা ও প্রবল শৈত্যপ্রবাহকে বাধা দিয়ে সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে রক্ষা করে।

(ঘ) নদী উপত্যকা ও সমভূমি:

(i) উত্তর-পূর্ব ভারতে সমতল ভূমির পরিমাণ অত্যন্ত সীমিত। মূলত আসামের বিশাল ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা এবং দক্ষিণে অবস্থিত বরাক উপত্যকা এই অঞ্চলের প্রধান ও সমতল ভূমি। আসামই একমাত্র রাজ্য যার বেশিরভাগ অংশই সমতল।

(ii) আসাম ব্যতীত অন্যান্য পার্বত্য রাজ্যগুলোর মধ্যবর্তী অংশেও কিছু কিছু সমতল এলাকা রয়েছে, যার মধ্যে মণিপুর উপত্যকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

২। ব্রহ্মপুত্র নদের বৈশিষ্ট্য এবং অসমের জনজীবনে এর প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ ব্রহ্মপুত্রকে অসম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জীবনরেখা বলা হয়। এর অববাহিকা অঞ্চল অত্যন্ত বিশাল এবং এটি প্রচুর পরিমাণে পলি বহন করে আনে। এই নদ ‘গুঁফিত নদী’ হিসেবে পরিচিত, যার ফলে মাজুলীর মতো অসংখ্য নদী দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি যেমন কৃষি ও পরিবহনের জন্য সহায়ক, তেমনি প্রতি বছর বন্যা ও নদী ভাঙনের ফলে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও ডেকে আনে।

৩। অসমের জলবায়ু এবং এর ওপর মৌসুমি বায়ুর প্রভাব বর্ণনা করো।

উত্তরঃ অসমের জলবায়ু মূলত মৌসুমি বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যার ফলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। রাজ্যে চারটি প্রধান ঋতু লক্ষ্য করা যায়, যার মধ্যে বর্ষা ও শীতকাল অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ হয়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়, যা কৃষি এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে।

৪। অসমের বিভিন্ন প্রকার মাটি এবং তাদের কৃষিগত উপযোগিতা আলোচনা করো।

উত্তরঃ অসমের মাটিকে চার ভাগে ভাগ করা যায়: পলি মাটি যা উপত্যকা অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং অত্যন্ত উর্বর; পাহাড়ি মাটি যাতে নাইট্রোজেন ও জৈব পদার্থ বেশি থাকে; কঁকরযুক্ত মাটি যা হিমালয়ের পাদদেশে ভাবর ও তরাই অঞ্চলে দেখা যায় এবং লাল বা লেটারাইট মাটি যা মূলত ডিমা হাসাও ও কার্বি মালভূমি অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং এতে লোহার পরিমাণ বেশি থাকে। এই মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করেই রাজ্যের প্রধান ফসলগুলোর চাষ নির্ভর করে।

৫। উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যের প্রেক্ষিতে অসমের কৌশলগত ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার এবং এর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাকি সাতটি রাজ্যের সাথে ভারতের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা (সিলিগুরি করিডোর) অসমের ওপর দিয়েই পরিচালিত হয়। এছাড়া অসমের সমতল ভূমি এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা (রেল, সড়ক ও জলপথ) একে সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করেছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top