SEBA Class 9 Science Important Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
জীবের বৈচিত্র্য
Chapter: 7
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। শ্রেণিবিন্যাসের মৌলিক এককটি কি ?
উত্তরঃ শ্রেণিবিন্যাসের মৌলিক এককটি হল প্রজাতি।
প্রশ্ন ২। প্রজাতির সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ একই উপায়ে জন্মায় এবং বৃদ্ধি পায় এরকম জীবের সমষ্টিকে প্রজাতি বলে। একই প্রজাতির জীবের মধ্যে প্রজনন হতে পারে।
প্রশ্ন ৩। জীবের বিবর্তনের ধারণা সর্বপ্রথম কে দেন ?
উত্তরঃ চার্লস ডারউইন ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে জীবের বিবর্তন সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
প্রশ্ন ৪। জীবের বিবর্তন সম্পর্কিত ধারণা দেওয়া চার্লস ডারউইনের প্রকাশিত বইটির নাম লিখ।
উত্তরঃ ‘অরিজিন অব্ স্পেসিস’ (Origin of Species)।
প্রশ্ন ৫। জীব বৈচিত্র্য বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ জীবমণ্ডলের কোনও একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের সবরকম জীবের বৈচিত্র্যকে এক সঙ্গে জীববৈচিত্র্য বলা হয়।
প্রশ্ন ৬। জীবজগতের পঞ্চরাজ্য পদ্ধতি কে প্রবর্তন করেছিলেন ? এই পদ্ধতি অনুসারে জীবজগতের বিভিন্ন রাজ্যসমূহের নাম লিখ।
উত্তরঃ জীবজগতের পঞ্চরাজ্য পদ্ধতি আমেরিকার জীববিজ্ঞানী রবার্ট, এইচ. হোয়াইটেকার প্রবর্তন করেছিলেন।
এই পদ্ধতি অনুসারে জীবজগতের পাঁচটি বিভিন্ন রাজ্যসমূহ হল-
(i) মোনেরা।
(ii) প্রোটিষ্টা।
(iii) ফানজাই বা ছত্রাক।
(iv) প্ল্যানটি বা উদ্ভিদ। এবং
(v) এ্যানিম্যালিয়া বা প্রাণী।
প্রশ্ন ৭। হায়ারআর্কি বলতে কি বুঝ ? শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতিতে হায়ার-আর্কির বিভিন্ন ধাপগুলির নাম লিখ।
উত্তরঃ শ্রেণিবিন্যাসের বিভিন্ন এককগুলিকে সর্বনিম্ন স্তর থেকে ক্রমপর্যায়ে সর্বোচ্চ স্তরে বিন্যস্ত করাকে হায়ারআর্কি বলে। হায়ারআর্কির বিভিন্ন ধাপগুলি হল- রাজ্য, পর্ব, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ বা জাতি এবং প্রজাতি।
প্রশ্ন ৮। মোনেরা রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলি লিখ। উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ মোনেরা রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলি –
(ক) এই শ্রেণির জীবের কোষে স্পষ্ট নিউক্লিয়াস বা অন্যান্য কোষ-অঙ্গাণু থাকে না। অর্থাৎ প্রক্যারিওটিক প্রকারের কোষ হয়।
(খ) এদের কারও বহুকোষী জীবের গঠন হয় না।
(গ) এদের কারো কারো কোষের কোষপ্রাচীর থাকে আবার কোনো কোনোটির থাকে না।
(ঘ) এই শ্রেণির জীবের পুষ্টির ধরনও আলাদা আলাদা। এদের কারো কারো নিজের খাবার তৈরি করার ক্ষমতা আছে, আবার কেউ কেউ খাদ্যের জন্য পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ – ব্যাক্টেরিয়া, নীল সবুজ শৈবাল বাসায়ানো ব্যাক্টেরিয়া এবং মাইকোপ্লাজমা।
প্রশ্ন ৯। প্রোটিষ্টা রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলি বর্ণনা কর। উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ প্রোটিষ্টা রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলি –
(ক) এরা এককোষী ইউক্যারিওটিক জীব।
(খ) এদের অনেকে চলাচলের জন্যে চুলের মতো দেখতে সিলিয়া অথবা চাবুকের আকৃতির ফ্লাজেলা ব্যবহার করে।
(গ) এদের পুষ্টিপদ্ধতি স্বপোষণ বা পরপোষণ হতে পারে।।
উদাহরণ – এককোষী শৈবাল (যেমন ক্ল্যামাইডোমোনাস, ক্লরেলা), ডায়াটম, প্রোটোজোয়া (যেমন অ্যামিবা, প্যারামিসিয়াম ইত্যাদি)।
প্রশ্ন ১০। সিলিয়া এবং ফ্লাজেলা থাকা প্রোটিষ্টার প্রত্যেকটির একটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ সিলিয়া থাকা প্রোটিষ্টার একটি উদাহরণ- প্যারামিসিয়াম।
ফ্লাজেলা থাকা প্রোটিষ্টার একটি উদাহরণ- ইউগ্লেনা।
প্রশ্ন ১১। ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্গত জীবসমূহের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা উদাহরণসহ দাও।
উত্তরঃ ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্গত জীবদের বৈশিষ্ট্য-
(ক) এরা পরপোষী ইউক্যারিওটিক জীব। এরা পচে যাওয়া জৈব পদার্থ খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে।
(খ) এদের কোষে কাইটিন নামক শর্করা দিয়ে তৈরি কোষপ্রাচীর থাকে।
(গ) এদের মধ্যে অনেকে জীবনের কোনো একটি পর্যায়ে পৌঁছে এককোষী থেকে বহুকোষী জীবে পরিণত হয়।
উদাহরণ- ইষ্ট, ব্যাঙের ছাতা, মিউকর, এসপারজিলাস ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১২। একটি এককোষী ছত্রাকের নাম কর।
উত্তরঃ ইষ্ট।
প্রশ্ন ১৩। প্ল্যানটি বা উদ্ভিদ রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তরঃ প্ল্যানটি বা উদ্ভিজ্জ রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য-
(ক) এরা কোষপ্রাচীরযুক্ত বহুকোষী ইউক্যারিওট।
(খ) এরা স্বপোষী কারণ ক্লোরোফিলের সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে।
প্রশ্ন ১৪। এ্যানিম্যালিয়া বা প্রাণী রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।
উত্তরঃ এ্যানিম্যালিয়া বা প্রাণী রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য –
(ক) এরা কোষপ্রাচীরহীন বহুকোষী ইউক্যারিওট।
(খ) এরা পরপোষী।
প্রশ্ন ১৫। থ্যালোফাইটা বা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিজ্জ কি ? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সব উদ্ভিদের সুগঠিত দেহ থাকে না সেই সব উদ্ভিদ থ্যালোফাইটা বা সমাঈদেহী উদ্ভিদ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এই শ্রেণির উদ্ভিদকে সাধারণত শৈবাল বলা হয়। এদের বেশিরভাগ প্রজাতি জলজ।
উদাহরণ – স্পাইরোগাইরা, ক্ল্যাডোফোরা, ক্ল্যামাইডোমনাস, ভলভক্স ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১৬। টেরিডোফাইটা গোষ্ঠীর উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলি কি কি উদাহরণসহ লিখ।
উত্তরঃ টেরিডোফাইটা গোষ্ঠীর উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলি :- এই প্রকার উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড এবং পাতায় গঠিত এবং এদের দেহে জল বা অন্যান্য বস্তু সংবহন করার জন্য সংবহন কলা থাকে।
উদাহরণ – ফার্ন, মার্শেলিয়া, সিলাজিনেলা, হসটেইল ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১৭। সপুষ্পক উদ্ভিদ কাকে বলে ? বৈশিষ্ট্যসহ সপুষ্পক উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ কর। প্রত্যেকের দুটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সব উদ্ভিদের সুগঠিত প্রজনন অঙ্গ থাকে এবং বীজ ধারণ করে সেই সব উদ্ভিদকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। সপুষ্পক উদ্ভিদ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যথা- ব্যক্তবীজী ও গুপ্তবীজী।
ব্যক্তবীজী বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ – যেসব উদ্ভিদের বীজ অনাবৃত অবস্থায় থাকে তাদেরকে ব্যক্তবীজী বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে। এই শ্রেণির উদ্ভিদেরা চিরহরিৎ, বহুবর্ষজীবী এবং কাষ্ঠল হয়। উদাহরণ- সাইকাস, পাইন, দেবদারু ইত্যাদি।
গুপ্তবীজী উদ্ভিদ – যেসব উদ্ভিদের বীজ ফলের ভিতরে থাকে তাদেরকে গুপ্তবীজী উদ্ভিদ বলে। যেমন- আম, কাঁঠাল, সুপারী, নারিকেল, ধান ইত্যাদি।
গুপ্তবীজী উদ্ভিদ আবার দুই প্রকারের। যথা-
(ক) একবীজপত্রী। এবং
(খ) দ্বিবীজপত্রী।
একবীজপত্রী – যেসব গুপ্তবীজী উদ্ভিদের বীজের বীজপত্র একটি তাদেরকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। যেমন- ধান, সুপারী, নারিকেল ইত্যাদি।
দ্বিবীজপত্রী – যেসব গুপ্তবীজী উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে তাদেরকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। যেমন- মটর, ছোলা, সীম, আম, সরিষা, ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১৮। অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিগুলির বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ লিখ।
উত্তরঃ অমেরুদণ্ডী প্রাণীসমূহকে নিম্নলিখিত পর্বে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) পোরিফেরা।
(খ) সিলেন্টেরেটা।
(গ) প্লাটিহেলমিনথিস।
(ঘ) নিমাটোডা।
(ঙ) এ্যানিলিডা।
(চ) আর্থ্রোপোডা।
(ছ) মোলাস্কা।
(জ) ইকাইনোডারমাটা।
(ক) পোরিফেরা –
(i) এদের দেহে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র থাকে।
(ii) এই প্রকার প্রাণীর দেহ একটা শক্ত আবরণ বা কঙ্কাল দিয়ে আবৃত থাকে।
(iii) এদের দেহের গঠনে কোনও বিশেষ কলা, বা তন্ত্র দেখা যায় না।
উদাহরণ – সাইকন, স্পঞ্জিলা ইত্যাদি।
(খ) সিলেন্টেরেটা –
(i) দেহ দুটি কোষস্তর দিয়ে গঠিত অর্থাৎ ডিপ্লোব্লাষ্টিক।
(ii) দেহের ভেতরে একটি গহ্বর থাকে।
(iii) এদের দেহের গঠন অনেক আকৃতিযুক্ত।
উদাহরণ – হাইড্রা, জেলিফিশ, সি-এ্যানিমোন ইত্যাদি।
(গ) প্লাটিহেলমিনথিস –
(i) দেহ দ্বি-পার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম।
(ii) এদের দেহ ত্রিস্তর কোষবিশিষ্ট অর্থাৎ ট্রিপ্লোব্লাষ্টিক।
(iii) এদের দেহ চ্যাপ্টা।
(iv) এরা স্বাধীনভাবে থাকে বা পরজীবী হয়ে থাকে।
উদাহরণ – প্ল্যানেরিয়া, যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি ইত্যাদি।
(ঘ) নিমাটোডা –
(i) এদের দেহ ত্রিস্তর কোষযুক্ত এবং দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম।
(ii) দেহে কলা আছে কিন্তু কোনও প্রকৃত অঙ্গ নেই।
(iii) এদের প্রকৃত সিলোম না থাকলেও ছদ্ম বা সিউডোসিলোম থাকে।
(iv) এরা পরজীবী কৃমি হিসাবে পরিচিত এবং রোগ সৃষ্টি করে।
উদাহরণ – গোল কৃমি, ফাইলেরিয়া কৃমি ইত্যাদি।
(ঙ) এ্যানিলিডা বা বলয়ী প্রাণী –
(i) এদের দেহ দ্বিপার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম এবং ত্রিস্তর কোষযুক্ত।
(ii) প্রকৃত দেহগহ্বর আছে এবং এই গহ্বরে দেহের অঙ্গ গুলি উপস্থিত থাকে।
(iii) এদের দেহ অনেকগুলি ছোট ছোট খণ্ড দিয়ে গঠিত।
(iv) এদের দেহের আলাদা আলাদা অঙ্গ আছে। এই পৃথক পৃথক অঙ্গগুলি দেহের বিভিন্ন খণ্ডে অবস্থিত থাকে।
উদাহরণ – কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।
(চ) আর্থ্রোপোডা বা সন্ধিপদী –
(i) এই পর্বের প্রাণীরা দ্বিপার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম এবং দেহ খণ্ডযুক্ত।
(ii) এদের সংবহনতন্ত্র মুক্ত, সেজন্য এদের দেহে রক্ত কোনও সুনির্দিষ্ট রক্তবাহিকা নালী দিয়ে প্রবাহিত হয় না।
(iii) এদের সিলোমে রক্ত থাকে এবং তাকে ‘হিমোসিল’ বলে।
(iv) এদের পদ বা পাগুলি সন্ধি দ্বারা যুক্ত, সেজন্য এদেরকে সন্ধিপদী বলা হয়।
উদাহরণ – চিংড়ি মাছ, মশা, মাছি, মাকড়শা, বিছা, কাঁকড়া, প্রজাপতি ইত্যাদি।
(ছ) মোলাস্কা –
(i) এদের দেহ দ্বিপার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম।
(ii) দেহ খুব নরম এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেহ খোলক দ্বারা আবৃত থাকে।
(iii) দেহগহ্বর ছোট, দেহে অল্পবিস্তর খণ্ড থাকে।
(iv) এদের মুক্ত সংবহনতন্ত্র এবং বৃক্কের মতো রেচন অঙ্গ আছে।
উদাহরণ – শামুক, ঝিনুক, অক্টোপাস ইত্যাদি।
(জ) ইকাইনোডারমাটা বা কণ্টকচর্মী –
(i) এদের দেহের ত্বকে চূণ নির্মিত কাঁটা বা শক্ত আবরণের মতো গঠন থাকে যেগুলি কঙ্কাল হিসাবে কাজ করে।
(ii) এরা সামুদ্রিক জলজ প্রাণী।
(iii) এদের দেহ ত্রিস্তর কোষযুক্ত এবং দেহগহ্বর আছে,
(iv) দেহে বিভিন্ন প্রকার নলির সাহায্যে জল পরিবহন তন্ত্র আছে যার সাহায্যে এরা চলাফেরা করতে পারে।
উদাহরণ – তারা মাছ, সমুদ্র সজারু, সমুদ্র শশা ইত্যাদি।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

