SEBA Class 9 Science Important Chapter 6 কলা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 6 কলা Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 6 কলা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
কলা
Chapter: 6
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। নিবেশিত ভাজক কলা কি ?
উত্তরঃ যে ভাজক কলা উদ্ভিদ অঙ্গের দুটি স্থায়ী কলাস্তরের মধ্যে অবস্থান করে তাকে নিবেশিত ভাজক কলা বলে।
প্রশ্ন ২। প্রোটাডার্ম কি ?
উত্তরঃ অগ্রস্থ ভাজক কলার যে অংশ বহিঃত্বক গঠন করে তাকে প্রোটাডার্ম বলে।
প্রশ্ন ৩। প্রোক্যাম্বিয়াম কি ?
উত্তরঃ অগ্রস্থ ভাজক কলার যে অংশ শিরাত্বক কলা গঠন করে তাকে প্রোক্যাম্বিয়াম বলে।
প্রশ্ন ৪। গ্রাউণ্ড মেরিস্টেম কাকে বলে?
উত্তরঃ অগ্রস্থ ভাজক কলার যে অংশ বহিঃস্তর ও মজ্জা গঠন করে তাকে গ্রাউণ্ড মেরিস্টেম বলে।
প্রশ্ন ৫। প্যারেনকাইমা কি ?
উত্তরঃ সেলুলোজ নির্মিত পাতলা কোষ প্রাচীর যুক্ত সরল কোষ সমষ্টিকে প্যারেনকাইমা বলে।
প্রশ্ন ৬। এরেনকাইমা কি ?
উত্তরঃ বৃহদ্ কোষান্তর রন্ধ্রযুক্ত প্যারেনকাইমা কলাকে এরেনকাইমা বলে।
প্রশ্ন ৭। ইডিওব্লাস্ট কাকে বলে ?
উত্তরঃ বর্জ্য বস্তু সম্বলিত প্যারেনকাইমা কোষকে ইডিওব্লাস্ট বলে।
প্রশ্ন ৮। পাটের তন্তু কি ধরনের তন্তু ?
উত্তরঃ স্ক্লেরেনকাইমা তত্ত্ব বা বাস্ট তন্তু।
প্রশ্ন ৯। স্ক্লেরাইড কি ?
উত্তরঃ কূপ নালিকাযুক্ত খর্ব স্ক্লেরেনকাইমা কোষকে ফ্লোরাইড বলে।
প্রশ্ন ১০। আবরণী কলা কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে কলা সকল অঙ্গের মুক্ত তলকে আচ্ছাদিত করে অবস্থিত থাকে তাকে আবরণী কলা বলে।
প্রশ্ন ১১। যোগকলা কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে কলা দুটি পৃথক কোষ বা কলাকে যুক্ত রাখে তাকে যোগকলা বলে।
প্রশ্ন ১২। পেশী কলা কাকে বলে ?
উত্তরঃ প্রাণীর দেহে অঙ্গ সঞ্চালন যে কলার সাহায্যে ঘটে থাকে, তাকে পেশী-কলা বলে।
প্রশ্ন ১৩। সরেখ ঐচ্ছিক পেশী কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে পেশী অনুপ্রস্থে রেখাংকিত থাকে এবং যার নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তির ইচ্ছাধীন তাকে সরেখ ঐচ্ছিক পেশী বলে।
প্রশ্ন ১৪। মসৃণ অনৈচ্ছিক পেশী কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে পেশী অনুপ্রস্থে রেখাঙ্কিত নহে এবং যার নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তি ইচ্ছাধীন নহে তাকে মসৃণ অনৈচ্ছিক পেশী বলে।
প্রশ্ন ১৫। হৃদপেশী বা সরেখ অনৈচ্ছিক পেশী কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে পেশার অনুপ্রস্থ রেখাঙ্কিত অথচ যার নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তির ইচ্ছাধীন নয়। তাকে হৃদপেশী রা সরেখ অনৈচ্ছিক পেশী বলে।
প্রশ্ন ১৬। স্নায়ুকলা কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে স্বতন্ত্র কলার মাধ্যমে প্রাণী উত্তেজনা গ্রহণ, পরিচালনা করে এবং আবেগে সাড়া দেয় সেই কলাকে স্নায়ুকলা বলে।
প্রশ্ন ১৭। স্নায়ুসন্ধি বা সাইন্যাপস্ কি ?
উত্তরঃ (i) দুটি স্নায়ুকোষের কার্যকরী যোগাযোগ বিন্দুকে স্নায়ুসন্ধি বলে।
(ii) যে সংযোগকারী বিন্দুর মাধ্যমে একটি স্নায়ুকোষ হতে অপর স্নায়ুকোষে আবেগ প্রেরিত হয় তাকে স্নায়ুসন্ধি বলে।
প্রশ্ন ১৮। উদ্ভিজ্জ কলার বিভাজন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তাদের দুটি প্রধান বিভাগের নাম লিখ।
উত্তরঃ ভাজক কলা এবং স্থায়ী কলা।
প্রশ্ন ১৯। অবস্থান অনুসারে ভাজক কলাকে কয়ভাগে ভাগ করতে পারি এবং কি কি ?
উত্তরঃ অবস্থান অনুসারে ভাজক কলাকে তিনভাগে ভাগ করা যায়, যথা-
(ক) অগ্ৰস্থ ভাজক কলা।
(খ) নিবেশিত ভাজক কলা।এবং
(গ) পার্শ্বস্থ ভাজক কলা।
প্রশ্ন ২০। কোন ধরনের ভাজক কলা উদ্ভিদের শিকড় ও কাণ্ডের বৃদ্ধি ঘটায় ?
উত্তরঃ অগ্রস্থ ভাজক কলা উদ্ভিদের শিকড় ও কাণ্ডের বৃদ্ধি ঘটায়।
প্রশ্ন ২১। কোন প্রকার ভাজক কলা কাণ্ড এবং শিকড়ের পরিধির আয়তন বাড়ায় ?
উত্তরঃ পার্শ্বস্থ ভাজক কলা নামক একপ্রকার প্রাথমিক ভাজক কলা উদ্ভিদের কাণ্ড এবং শিকড়ের পরিধির আয়তন বাড়ায়।
প্রশ্ন ২২। উদ্ভিদের পাতার নীচে এবং কাণ্ডের পর্বমধ্যে পাওয়া ভাজক কলাগুলোকে কি বলে ?
উত্তরঃ উদ্ভিদের পাতার নীচে এবং কাণ্ডের পর্বমধ্যে পাওয়া ভাজক কলাগুলোকে নিবেশিত ভাজক কলা বলে।
প্রশ্ন ২৩। স্থায়ী কলা কাকে বলে? স্থায়ী কলা কি কি প্রকারের হতে পারে ?
উত্তরঃ উদ্ভিদের ভাজক কলা থেকে উৎপত্তি হওয়া কোষসমূহের বিভাজন ক্ষমতা যখন হারিয়ে যায় তখন এই প্রকার কোষগুলি একটা নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি ধারণ করে স্থায়ী কোষে পরিণত হয়। এই ধরনের স্থায়ী কোষ দ্বারা গঠিত কলাকে স্থায়ী কলা বলে।
স্থায়ী কলার আকৃতি, প্রকৃতি, গঠন এবং কার্য সম্পাদনের ওপর ভিত্তি করে স্থায়ী কলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা- সরল কলা এবং জটিল কলা।
প্রশ্ন ২৪। উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে গঠনগত ও কার্যগত পার্থক্যগুলি লিখ।
উত্তরঃ
| উদ্ভিদ | প্রাণী |
| (ক) উদ্ভিদেরা স্থির, এরা চলতে পারে না। তাই এদের বেশি শক্তির প্রয়োজন হয় না। | (ক) প্রাণীরা তাদের খাদ্যসঙ্গী ও আশ্রয় ইত্যাদির খোঁজে চলাফেরা করে। তাই এরা উদ্ভিদের চেয়ে বেশি শক্তি খরচ করে। |
| (খ) উদ্ভিদ দেহের কলাসমূহ উদ্ভিদকে স্থিতিস্থাপকতা দেয় অর্থাৎ গঠনগত ক্ষমতা প্রদান করে। এদের বেশির ভাগ কলাগুলি মৃত। | (খ) প্রাণীদের বেশির ভাগ কলা বা কোষগুলি জীবিত এবং সজীব প্রোটোপ্লাজম থাকে। |
| (গ) উদ্ভিদের বৃদ্ধি কোনও কোনও নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ থাকে। আবার উদ্ভিদের কোনও কোনও কলা সারা জীবন ধরে বিভাজিত হয়। তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি সারা জীবন ধরে চলে। | (গ) প্রাণীদেহে কোষের বৃদ্ধি সমভাবে হয়। তাই প্রাণীর দেহে বিভাজন বা অবিভাজন বলে কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল থাকে না। প্রাণীদেহের বৃদ্ধি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। |
প্রশ্ন ২৫। ভাজক কলার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।
উত্তরঃ ভাজক কলার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য – ভাজক কলার কে ষগুলোতে ঘন সাইটোপ্লাজম, পাতলা কোষপ্রাচীর এবং সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস থাকে। কোষে সাধারণত গহ্বর বা ভ্যাকুওল থাকে না। কোষগুলি ঘনসন্নিবিষ্ট হওয়ায় কোষগুলির মধ্যে কোনো ফাঁকা স্থান থাকে না। ভাজক কলাগুলি সব সময় বিভাজিত হয়ে নতুন অপত্য কোষ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ২৬। অবস্থান অনুসারে ভাজক কলার একটি চিহ্নিত চিত্র অংকন কর এবং প্রত্যেক প্রকার ভাজক কলার কার্য উল্লেখ কর।
উত্তরঃ অবস্থান অনুসারে ভাজক কলাকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা- অগ্রস্থ ভাজক কলা, পার্শ্বস্থ ভাজক কলা এবং নিবেশিত ভাজক কলা।

অগ্রস্থ ভাজক কলা – অগ্রস্থ ভাজক কলা শিকড় ও কাণ্ডের অগ্রভাগে থাকে এবং শিকড় ও কাণ্ডের বৃদ্ধি ঘটায়।
পার্শ্বস্থ ভাজক কলা – কাণ্ড এবং শিকড়ের পরিধির দিকে থাকা ভাজক কলাকে পার্শ্বস্থ ভাজক কলা বলে। কাণ্ড এবং শিকড়ের প্রস্থে বা পরিধিতে বৃদ্ধি ঘটানো এই প্রকার কলার কাজ।
নিবেশিত ভাজক কলা – উদ্ভিদের পাতার নীচে বা কাণ্ডের পর্বমধ্যে থাকা ভাজক কলাকে নিবেশিত ভাজক কলা বলে। এই ধরনের কলা কক্ষমুকুল ও ডালের সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ২৭। চিত্রসহ বিভিন্ন সরল কলার গঠনের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ একই ধরনের গঠন, আকৃতি এবং একই ধরনের কাজ করা স্থায়ী কোষের সমষ্টিকে সরল কলা বলে। সরল কলা তিন প্রকারের হয়। যথা-
(ক) প্যারেনকাইমা।
(খ) কোলেনকাইমা।
(গ) স্কেরেনকাইমা।
(ক) প্যারেনকাইমা কলার গঠন –

প্যারেনকাইমা কোষগুলি সজীব এবং কোষপ্রাচীর পাতলা। কোষগুলির মধ্যে কোষ মধ্যবর্তী স্থান বা ফাঁকা জায়গা থাকে। এই প্যারেনকাইমা জাতীয় কোষগুলি নানাভাবে রূপান্তরিত হয়। বিশেষ কোনও কোনও জায়গায় এই কলার কোষে ক্লোরোফিল নামক সবুজ কণা থাকে এবং এগুলি সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। ক্লোরোফিল থাকা এই জাতীয় প্যারেনকাইমা কোষকে: ক্লোরেনকাইমা বলে। জলজ উদ্ভিদের প্যারেনকাইমা কলার কোষের মধ্যে বায়ুগহ্বর থাকে। এই বায়ুগহ্বরগুলি জলজ উদ্ভিদকে জলে ভেসে থাকতে সাহায্য করে। বায়ুগহ্বর থাকা এই জাতীয় প্যারেনকাইমা কোষকে বায়ুকলা বলে।
(খ) কোলেনকাইমা কলার গঠন – এই প্রকার কলার কোষগুলি সজীব, লম্বা, আবার কোণগুলি স্থূল হতে দেখা যায়। কোষের মধ্যে কোষ মধ্যবর্তী ফাঁক খুব কম পরিমাণে থাকে। সাধারণত পাতার বহিঃস্তরের নীচে এই প্রকার কলা দেখতে পাওয়া যায়।

(গ) স্কেরেনকাইমা কলার গঠন – এই প্রকার কলার কোষগুলি মৃত। এরা লম্বা ও সরু, কোষপ্রাচীর লিগনিনযুক্ত হওয়ায় দৃঢ় ও মোটা হয়। কোষপ্রাচীর এত স্থূল হয় যে কোষ মধ্যবর্তী কোনও ফাঁক থাকে না। এই প্রকার কলা উদ্ভিদের কাণ্ডে, নলিকা বাণ্ডিলে, পাতার শিরায় এবং বীজ ও বাদামের আবরণে থাকে।

প্রশ্ন ২৮। পত্ররন্ধ্র কি ? এর একটি প্রধান কাজ উল্লেখ কর।
উত্তরঃ উদ্ভিদের পাতার বহিঃস্তকে অনেকগুলি ছোট ছোট ছিদ্র দেখতে পাওয়ায় এই ছিদ্রগুলোকে পত্ররন্ধ্র বলে। প্রতিটি পত্ররন্ধ্রের দুপাশে এক জোড়া বিশেষ কোষ থাকে যাকে রক্ষীকোষ বলা হয়। পত্ররন্ধ্রের ছিদ্র খুলে যাওয়া এবং বন্ধ হওয়া এই রক্ষীকোষ দুটি নিয়ন্ত্রণ করে। উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্র এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন ২৯। জটিল কলা কাকে বলে? জটিল কলা কত প্রকারের ও কি কি ?
উত্তরঃ গঠন এবং আকৃতিতে ভিন্নতা থাকা এবং একই বা ভিন্ন কাজ করা কোষের সমষ্টিকে জটিল কলা বলে।
জটিল কলা দুই প্রকারের হয়। যথা- জাইলেম ও ফ্লোয়েম।
প্রশ্ন ৩০। সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।
(ক) সংবহণ কলা।
(খ) জাইলেম।
(গ) ফ্লোয়েম।
উত্তরঃ (ক) সংবহন কলা – উদ্ভিদের সংবহন গুচ্ছে থাকা জটিল কলাকে সংবহন কলা বলে। জাইলেম এবং ফ্লোয়েম উদ্ভিদ দেহের একপ্রকার সংবহন কলা ৷
(খ) জাইলেম – জাইলেম উদ্ভিদ দেহের একপ্রকার সংবহন কলা। জাইলেম কলা ট্রাকিড, বাহিকা, জাইলেম প্যারেনকাইমা এবং জাইলেম তত্ত্ব এই চারপ্রকার কোষ দিয়ে গঠিত। এই কোষগুলোর প্রাচীর পুরু মোটা এবং জাইলেম প্যারেনকাইমা ছাড়া জাইলেম কলার সকল কোষই মৃত। ট্রাকিড এবং বাহিকাগুলো নলাকার এবং এরা জল ও খনিজ পদার্থ বহন করে। প্যারেনকাইমা কোষ খাদ্যসঞ্চয় করে এবং পাশাপাশিভাবে জল পরিবহন করে। প্যারেনকাইমা তন্তু উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে।

(গ) ফ্লোয়েম – ফ্লোয়েম উদ্ভিদ দেহের একপ্রকার সংবহন কলা। এই ধরনের কলা চারপ্রকার কোষ দিয়ে গঠিত। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। ফ্লোয়েম তন্তু ছাড়া ফ্লোয়েম কলার সকল কোষই জীবিত। ফ্লোয়েম কলার মাধ্যমে উদ্ভিদের পাতায় প্রস্তুত হওয়া খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবাহিত হয়।

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

