SEBA Class 9 Science Important Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক

SEBA Class 9 Science Important Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.

SEBA Class 9 Science Important Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। বহুকোষী জীব কাকে বলে ?

উত্তরঃ বহু কোষ বিশিষ্ট জীবকে বহুকোষী জীব বলে।

প্রশ্ন ২। কোষতত্ত্বের আবিষ্কর্তা কে ?

উত্তরঃ স্লাইডেন ও সোয়ান।

প্রশ্ন ৩। সবচেয়ে ছোট কোষ ও বড়ো কোষের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ সবচেয়ে ছোট কোষ- মাইকোপ্লাজমা লেডলাই। সবচেয়ে বড়ো কোষ (আয়তনে)- উটপাখির ডিম।

প্রশ্ন ৪। মানবদেহের সবচেয়ে ছোট কোষ কোনটি ?

উত্তরঃ ছোটো লিম্ফোসাইট শ্বেত কণিকা।

প্রশ্ন ৫। মানবদেহের সবচেয়ে বড়ো কোষ কোনটি ?

উত্তরঃ স্নায়ুকোষ।

প্রশ্ন ৬। নিউক্লিয়য়েড কী ?

উত্তরঃ প্রোক্যারিওটিক কোষের নিউক্লিয়াসকে নিউক্লিয়য়েড বলে।

প্রশ্ন ৭। প্রোক্যারিওটিক ও ইউক্যারিওটিক কোষে কি ধরনের রাইবোজোম লক্ষ্য করা যায় ?

উত্তরঃ প্রোক্যারিওটিক কোষের রাইবোজোম- 70S প্রকৃতির। ইউক্যারিওটিক কোষের রাইবোজোম- 80S প্রকৃতির। [S = ভেদবার্গ একক]

প্রশ্ন ৮। কোষপর্দা কী দিয়ে তৈরী ?

উত্তরঃ প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে তৈরী।

প্রশ্ন ৯। রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরী বলে কেন ?

উত্তরঃ রাইবোজোম যেহেতু প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করে, সেজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরী বলে।

প্রশ্ন ১০। তিন প্রকার প্লাস্টিডের নাম লেখো ?

উত্তরঃ (i) ক্লোরোপ্লাসটিড। 

(ii) ক্রোমোপ্লাসটিড। 

(iii) লিউকোপ্লাসটিড।

প্রশ্ন ১১। বৃহত্তম প্রাণীকোষ কোনটি ?

উত্তরঃ উটপাখির ডিম।

প্রশ্ন ১২। দীর্ঘতম প্রাণীকোষটির নাম লেখ।

উত্তরঃ স্নায়ুকোষ।

প্রশ্ন ১৩। ব্যাপন প্রক্রিয়া বলতে কি বুঝ ?

উত্তরঃ পদার্থের অণুগুলি যখন বেশি ঘন স্থান থেকে কম ঘন স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে ব্যাপন প্রক্রিয়া বলে।

প্রশ্ন ১৪। অভিস্রবণ প্রক্রিয়া কাকে বলে ?

উত্তরঃ অর্ধভেদ্য পর্দার ভেতর দিয়ে দ্রাবকের বেশি পরিমাণযুক্ত স্থান থেকে দ্রাবকের কম পরিমাণযুক্ত স্থানে যাওয়াকে অভিস্রবণ বলে।

প্রশ্ন ১৫। যদি কোনও প্রাণীর কোষ বা উদ্ভিদের কোষকে চিনির জল বা লবণ জলে কিছুক্ষণ রেখে দেওয়া হয় তাহলে কি ঘটবে ?

উত্তরঃ নীচে দেওয়া তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্যে যে কোনো একটি ঘটতে পারে।

(ক) যদি কোষের বাইরের জলীয় মাধ্যম বেশি পাতলা হয় তবে অভিস্রবণ প্রক্রিয়াতে কোষের ভিতরে জল ঢুকবে।

(খ) যদি কোষের বাইরের এবং কোষের ভেতরের জলের ঘনত্ব সমান হয় তখন জল চলাচল করবে না।

(গ) যদি কোষের ভেতরের জলীয় মাধ্যম কোষের বাইরের মাধ্যম থেকে পাতলা হয় তবে অভিস্রবণ প্রক্রিয়াতে জল কোষের ভেতর থেকে বাইরের মাধ্যমে জল ঢুকবে।

প্রশ্ন ১৬। কি ঘটবে যখন-

(i) খোলাহীন একটি ডিমকে ঘন লবণ জলে 5 মিনিট রেখে দেওয়া হয়।

(ii) খোলাহীন একটি ডিমকে বিশুদ্ধ জলে 5 মিনিট রেখে দেওয়া হয়। (তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দেখাও।)

উত্তরঃ (i) খোলাহীন একটি ডিমকে ঘন লবণ জলে’ 5 মিনিট রেখে দিলে ডিমটি কুঁচকে যাবে। কারণ বাইরের লবণ জল বেশি ঘন হওয়ায় অভিস্রবণ, প্রক্রিয়ায় ডিমে ভেতর থেকে জল বাইরে বেরিয়ে আসবে।

(ii) খোলাহীন একটি ডিমকে বিশুদ্ধ জলে 5 মিনিট রেখে দিলে ডিমটি ফুলে ওঠবে কারণ বাইরের বিশুদ্ধ জলের দ্রবণ বেশি পাতলা হওয়ায় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় ডিমের ভেতরে জল ঢুকবে।

প্রশ্ন ১৭। কয়েকটি শুষ্ক কিসমিস কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখলে কি ঘটবে ও কেন ঘটবে ?

উত্তরঃ শুষ্ক কিসমিসগুলোকে কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখলে সব কয়টি কিসমিস ফুলে ওঠবে কারণ কিসমিসের বাইরের জলীয় মাধ্যম বেশি পাতলা হওয়ায় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিসমিসের ভেতরে জল ঢুকবে।

প্রশ্ন ১৮। প্লাজমোলাইসিস কাকে বলে ?

উত্তরঃ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যখন জীবন্ত কোষের জল কমে যায় তখন কোষ সংকুচিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে প্লাজমোলাইসিস বা কোষদ্রব্য সংকোচন বলে।

প্রশ্ন ১৯। কোষের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়াস কে আবিষ্কার করেন ?

উত্তরঃ রবার্ট ব্রাউন (1831 খ্রিষ্টাব্দে)।

প্রশ্ন ২০। কোষের অর্ধতরল পদার্থটিকে ‘প্রোটোপ্লাজম’ নামে কে অভিহিত করেন? এবং কত খ্রিষ্টাব্দে ?

উত্তরঃ 1839 খ্রিষ্টাব্দে পারকিনজি কোষের অর্ধতরল পদার্থটিকে প্রোটোপ্লাজম নামে অভিহিত করেন।

প্রশ্ন ২১। কোষবাদ বা কোষতত্ত্ব কে প্রবর্তন করেছিলেন ?

উত্তরঃ স্নেইডেন (1838 খ্রিষ্টাব্দে) এবং সোয়ান (1839 খ্রিষ্টাব্দে) কোষবাদ বা কোষতত্ত্ব প্রবর্তন করেছিলেন।

প্রশ্ন ২২। “সকল নতুন কোষই পুরাতন কোষ থেকে জন্মায় বা সৃষ্টি হয়” -কোষবাদের এই নতুন তত্ত্বটি কে উদ্ভাবন করেন ?

উত্তরঃ “সকল নতুন কোষই পুরাতন কোষ থেকে জন্মায়” -কোষবাদের এই নতুন তত্ত্বটি 1855 খ্রিষ্টাব্দে ভিরচাউ (Virchow) উদ্ভাবন করেন।

প্রশ্ন ২৩। কয়েকটি এককোষী জীবের নাম লিখ।

উত্তরঃ কয়েকটি এককোষী জীবের নাম, যথা—অ্যামিবা, ক্ল্যামাইডোমনাস, প্যারামেসিয়াম, ইউগ্লিনা, ডায়াটম, ব্যাক্টেরিয়া ইত্যাদি।

প্রশ্ন ২৪। সকল প্রকার কোষে দেখতে পাওয়া যায় এমন তিনটি বৈশিষ্ট্যের নাম লিখ।

উত্তরঃ প্লাজমা মেমব্রেন বা কোষপর্দা, নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম।

প্রশ্ন ২৫। প্রাণীকোষের সবচেয়ে বাইরের আবরণ কোনটি ?

উত্তরঃ প্লাজমা মেমব্রেন বা কোষপর্দা।

প্রশ্ন ২৬। উদ্ভিদ কোষের সবচেয়ে বাইরের দিকে থাকা আবরণটির নাম লিখ।

উত্তরঃ কোষপ্রাচীর।

প্রশ্ন ২৭। কোষপ্রাচীর এবং কোষপর্দার কার্য উল্লেখ কর।

উত্তরঃ কোষপ্রাচীর-এর কাজ :-

(ক) কোষের প্রোটোপ্লাজম ও প্লাজমা পর্দাকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।

(খ) কোষকে দৃঢ় থাকতে সাহায্য করে।

(গ) কোষের আকৃতি প্রদান করে।

কোষপর্দার কাজ :- 

(ক) কোষপর্দা বা প্লাজমা মেমব্রেন নির্বাচনাত্মক ভেদ্য পর্দা হিসাবে কাজ করে এবং কোষের ভেতরের পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

(খ) কোষের ভেতরকার সজীব অংশকে রক্ষা করে।

(গ) পর্দাঘেরা কোষীয় অঙ্গাণু গঠনে অংশগ্রহণ করে।

প্রশ্ন ২৮। উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত ?

উত্তরঃ উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ২৯। প্লাজমা মেমব্রেন কি দিয়ে গঠিত ?

উত্তরঃ প্লাজমা মেমব্রেন বা কোষপর্দা প্রোটিন ও লিপিড নামক জৈবিক অণু দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ৩০। কোষ অঙ্গাণু কাকে বলে ?

উত্তরঃ প্রতিটি কোষে অতি সূক্ষ্ম কতকগুলি গঠন বা অঙ্গ থাকে সেগুলিকে কোষ অঙ্গাণু বলে। প্রত্যেক কোষ অঙ্গাণু নির্দিষ্ট কাজ করে যেমন- কোষে নতুন উপাদান প্রস্তুত করা, কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করা, কোষের ভেতরের বর্জ্য পদার্থ বের করে দেওয়া ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩১। উদ্ভিদ কোষে থাকা কিন্তু প্রাণী কোষে না থাকা এরকম অঙ্গ ঋণুর নাম লিখ।

উত্তরঃ কোষ প্রাচীর, প্লাষ্টিড ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩২। প্রাণী কোষ ও উদ্ভিদ কোষে থাকা একটা পর্দা বা আবরণের নাম লিখ।

উত্তরঃ প্লাজমা মেমব্রেন বা কোষপর্দা।

প্রশ্ন ৩৩। আবরণহীন এক প্রকার কোষ অঙ্গাণুর নাম লিখ।

উত্তরঃ রাইবোজোম, ভ্যাকুণ্ডল।

প্রশ্ন ৩৪। প্রাণী কোষ ও উদ্ভিদ কোষ উভয়ে থাকা এরকম মুখ্য অঙ্গাণুর নাম লিখ।

উত্তরঃ মাইটোকন্ড্রিয়া, গল্‌গি বডি, এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা, রাইবোজোম ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩৫। এণ্ডোপ্লাজমিক জালিকা কয়প্রকার এবং কি কি ?

উত্তরঃ এণ্ডোপ্লাজমিক জালিকা দুই প্রকারের হয়, যথা- অমসৃণ এণ্ডোপ্লাজমিক জালিকা এবং মসৃণ এণ্ডোপ্লাজমিক জালিকা।

প্রশ্ন ৩৬। ভ্যাকুওল বা কোষগহ্বরকে ঘিরে রাখা আবরণটাকে কি বলে ?

উত্তরঃ টোনোপ্লাষ্ট।

প্রশ্ন ৩৭। নিউক্লিয়াস-এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াস সাধারণত ডিম্বাকার হয়। ইহা কোষের মধ্যে সাইটোপ্লাজমে ডুবে থাকে। নিউক্লিয়াস নিউক্লিয়ার পর্দা নামক দ্বিস্তর বিশিষ্ট আবরণ দিয়ে ঘেরা থাকে। নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আছে যেগুলি কোষের বিভাজনের আগে রড আকৃতির হয়। এই ক্রোমোজোম ডি.এন.এ. এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত। যেসব কোষ বিভাজনের জন্য। তৈরি নয় সেই সব কোষে ডি এন. এ. ক্রোমাটিন সূত্র আকারে থাকে। নিউক্লিয়াসের মধ্যে স্বচ্ছ, গোলাকার একটি অঙ্গাণু থাকে যেটিকে নিউক্লিওলাস বা অতিকেন্দ্র বলা হয়।

প্রশ্ন ৩৮। নিউক্লিয়াসের প্রধান কার্যগুলি বর্ণনা কর।

উত্তরঃ নিউক্লিয়াসের প্রধান কার্যগুলি হল-

(i) নিউক্লিয়াস কোষের সমস্ত জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

(ii) কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(iii) নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকা ক্রোমোজোমগুলি জীবের বংশগতিমূলক চরিত্র বহন করে।

প্রশ্ন ৩৯। ক্রোমোজোম কি দিয়ে গঠিত ?

উত্তরঃ ক্রোমোজোম ডি. এন. এ. এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ৪০। জিন কি ?

উত্তরঃ DNA-এর কার্যগত অংশকে জিন বলে। জিনগুলি বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহকরূপে কাজ করে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top