SEBA Class 9 Science Important Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ?
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ?
Chapter: 2
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। একটি ঊর্ধ্বক্ষেপ জাতীয় পদার্থের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ আয়োডিন।
প্রশ্ন ২। জল ও অ্যালকোহলের মিশ্রণকে কোন পদ্ধতিতে আলাদা করবে ?
উত্তরঃ আংশিক পাতন দ্বারা।
প্রশ্ন ৩। কালির উপাদানগুলিকে কোন পদ্ধতিতে পৃথক করবে।
উত্তরঃ ক্রোমাটোগ্রাফি দ্বারা।
প্রশ্ন ৪। একটি অর্ধভেদ্য পর্দার উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ মাছের পটকা।
প্রশ্ন ৫। জল ও কেরোসিনের মিশ্রণকে কোন পদ্ধতিতে পৃথক করা যায়।
উত্তরঃ বিয়োজি ফানেল দ্বারা।
প্রশ্ন ৬। এমন একটি মিশ্রণের নাম লেখো যার উপাদানগুলি ঊর্ধ্বপাতন দ্বারা পৃথক করা যায়।
উত্তরঃ বালি ও আয়োডিনের মিশ্রণ।
প্রশ্ন ৭। একটি সোদক কেলাসের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ তুঁতে।
প্রশ্ন ৮। দুটি অধাতব মৌলিক পদার্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ সালফার ও কার্বন।
প্রশ্ন ৯। দুটি ধাতব মৌলিক পদার্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ লোহা, তামা।
প্রশ্ন ১০। দুটি গ্যাসীয় মৌলের নাম লেখো।
উত্তরঃ অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন।
প্রশ্ন ১১। দুটি গ্যাসীয় যৌগের নাম লেখো।
উত্তরঃ অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড।
প্রশ্ন ১২। দুটি সমসত্ব মিশ্রণের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ জল ও চিনির দ্রবণ, জল ও লবণের দ্রবণ।
প্রশ্ন ১৩। দুটি অসমসত্ব মিশ্রণের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ বায়ু, লবণ ও বালির মিশ্রণ।
প্রশ্ন ১৪। উষ্ণতার সাথে দ্রাব্যতা কিভাবে পরিবর্তিত হয় ?
উত্তরঃ সাধারণত উষ্ণতা বাড়লে দ্রাব্যতা বাড়ে।
প্রশ্ন ১৫। কার্বনের দুটি রূপভেদের নাম লেখো।
উত্তরঃ হীরক ও গ্রাফাইট।
প্রশ্ন ১৬। দ্রবণ, প্রলম্বন এবং কলয়ড প্রত্যেকটির চারটি করে ধর্ম উল্লেখ কর।
উত্তরঃ দ্রবণের ধর্ম –
(ক) দ্রবণ হচ্ছে একটি সমসত্ব মিশ্রণ।
(খ) দ্রবণের কণাগুলির ব্যাস 1 নেনোমিটার (10⁻⁹ মিটার) থেকে কম। সেজন্য এগুলিকে খালি চোখে দেখা যায় না।
(গ) দ্রবণের কণাগুলির আকার খুব কম হওয়ার ফলে আলোক রশ্মি দ্রবণের ভিতর দিয়ে গেলেও বিচ্ছুরিত হয় না। সেজন্য দ্রবণে আলোক রশ্মির গতিপথ যায় না।
(ঘ) দ্রবণকে স্থির অবস্থায় রাখলেও দ্রাব্যের কণাগুলি পাত্রের নীচের দিকে জমা হয় না অর্থাৎ দ্রবণ হচ্ছে সুস্থির।
প্রলম্বনের ধর্ম –
(ক) প্রলম্বন হচ্ছে অসমসত্ব মিশ্রণ।
(খ) প্রলম্বনের কণাগুলিকে খালি চোখে দেখা যায়।
(গ) আলোক রশ্মি প্রলম্বনের মধ্যে পড়লে প্রলম্বনের কণাগুলি আলোক রশ্মিকে বিচ্ছুরিত করে এবং এর ফলে আলোক রশ্মির গতিপথ দেখা যায়।
(ঘ) প্রলম্বনকে স্থিরভাবে রেখে দিলে দ্রাব্য কণাগুলি ধীরে ধীরে পাত্রের নীচে অধঃক্ষিপ্ত হয় অর্থাৎ প্রলম্বন সুস্থির নয়।
কলয়ডের ধর্ম –
(ক) কলয়ড অসমসত্ব মিশ্রণ।
(খ) কলয়ডের কণাগুলি এত ছোট যে এগুলিকে খালি চোখে দেখা যায় না।
(গ) কলয়ডের কণাগুলি কলয়ডের মধ্য দিয়ে যাওয়া আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত করতে পারার মতো বড় আকারের হয়, ফলে আলোক রশ্মির গতিপথ দেখা যায়।
(ঘ) কলয়ডকে স্থির অবস্থায় রেখে দিলে কলয়ডের কণাগুলি পাত্রের নীচে জমা হয় অর্থাৎ কলয়ড অনেকটা সুস্থির।
প্রশ্ন ১৭। দ্রবণ বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ দ্রবণ হচ্ছে দুই বা ততোধিক দ্রব্যের সমসত্ব মিশ্রণ। যেমন লেমোনেড, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি। যে তরলে কঠিন, তরল বা গ্যাস দ্রবীভূত হয়ে থাকে তাকেই আমরা সাধারণত দ্রবণ বলে মনে করি। কিন্তু তাছাড়াও কঠিন দ্রবণ যেমন সংকর ধাতু, গ্যাসীয় দ্রবণ, বায়ু ইত্যাদি আছে। দ্রবণের কণাস্তরে সমসত্বতা পরিলক্ষিত হয়।
প্রশ্ন ১৮। দ্রাব্য ও দ্রাবক কাকে বলে ?
উত্তরঃ দ্রবণের যে উপাদানটি দ্রাবকে দ্রবীভূত হয় এবং যার পরিমাণ কম তাকে দ্রাব্য বলে। দ্রবণের যে উপাদান অন্য উপাদানকে দ্রবীভূত করে ও যেটির পরিমাণ বেশি সেই উপাদানটিকে দ্রাবক বলা হয়।
প্রশ্ন ১৯। দ্রবণের কয়েকটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ দ্রবণের কয়েকটি উদাহরণ নিম্নে দেওয়া হল-
(ক) জলে চিনির দ্রবণটি হচ্ছে কঠিন তরল দ্রবণ। এই দ্রবণে চিনি হচ্ছে দ্রাব্য এবং জল হচ্ছে দ্রাবক।
(খ) সোডা ওয়াটারের মতো গ্যাসপূর্ণ পানীয়গুলি হচ্ছে তরলে গ্যাস থাকা দ্রবণ। এগুলোতে দ্রাব্য হচ্ছে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (গ্যাস) এবং দ্রাবক হচ্ছে জল (তরল)।
(গ) বায়ু হচ্ছে গ্যাসে গ্যাস থাকা মিশ্রণ। বায়ু কতকগুলি গ্যাসের সমসত্ব মিশ্রণ।
প্রশ্ন ২০। টিন্ডেল প্রভাব কি ? নীচের কোনগুলি টিন্ডেল প্রভাব প্রদর্শন করে ?
(ক) দুধ।
(খ) জলের দ্রবণ।
(গ) কপার সালফেটের দ্রবণ।
উত্তরঃ কলয়ডীয় কণাগুলি এত ছোট যে সেগুলিকে চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এগুলি আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত করতে পারে। আলোক রশ্মির এই বিচ্ছুরণকে টিন্ডেল প্রভাব (Tyndall effect) বলে।
(ক) দুধ। ও
(খ) জলের মিশ্রণ টিন্ডেল প্রভাব প্রদর্শন করে।
প্রশ্ন ২১। ঘন অরণ্যের চন্দ্রাতপের মধ্য দিয়ে যখন সূর্যরশ্মি গতি করে তখন টিন্ডেল প্রভাব দেখা যায় কেন ?
উত্তরঃ অরণ্যের কুয়াশাতে থাকা জলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলি কলয়ডের কণার মতো কাজ করে। এই কণাগুলি আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত করতে পারার মতো যথেষ্ট বড়। সেজন্য ঘন অরণ্যের চন্দ্রাতপের মধ্য দিয়ে যখন সূর্যরশ্মি গতি করে তখন টিন্ডেল প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
প্রশ্ন ২২। কোন ঘরের ছোট একটি ছিদ্রের মধ্য দিয়ে আলোক রশ্মি প্রবেশ করলে টিন্ডেল প্রভাব দেখা যায়। এর কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ কোন ঘরের ছোট একটি ছিদ্রের মধ্য দিয়ে আলোক রশ্মি প্রবেশ করলে টিন্ডেল প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এর কারণ হল বাতাসে থাকা ধূলিকণা ও ধোঁয়ার কণা আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত করে।
প্রশ্ন ২৩। নীচে কতকগুলো কলয়ডের উদাহরণ দেওয়া হল। এই কলয়ডগুলির বিস্তারিত প্রাবস্থা, বিস্তারণ মাধ্যম ও ধরন উল্লেখ করে একটি তালিকা প্রস্তুত কর।
ঘন কুয়াশা, মেঘ, ধোঁয়া, শেভিং ক্রীম, দুধ, মুখে লাগানো ক্রীম, মিল্ক অফ মেগনেসিয়া, ফেনা, স্পঞ্জ, জেলী, চীজ, মাখন, রঙীন রত্নমণি, অস্বচ্ছ কাচ।
উত্তরঃ

প্রশ্ন ২৪। মিশ্রণের উপাদানগুলি পৃথকীকরণের প্রয়োজনীয়তা কেন ?
উত্তরঃ প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ পদার্থ খুবই বিরল। একটি মিশ্রণে যে কোনো অনুপাতে মিশ্রিত একাধিক পদার্থ থাকে। উপযুক্ত পৃথকীকরণ পদ্ধতির সাহায্যে মিশ্রণকে বিশুদ্ধ দ্রব্যে পৃথক করা যায়। মিশ্রণের উপাদানগুলি পৃথকীকরণ করলে মিশ্রণের প্রতিটি উপাদান সম্বন্ধে জানা যায় ও সেগুলি ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্ন ২৫। অসমসত্ব মিশ্রণগুলিকে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সাধারণ ভৌতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা তাদের উপাদানগুলিতে পৃথক করা যায় সেই ভৌতিক প্রক্রিয়াগুলো কি কি ?
উত্তরঃ অসমসত্ব মিশ্রণের উপাদানগুলি পৃথকীকরণ করতে ব্যবহৃত কতকগুলি ভৌতিক প্রক্রিয়া হল- হাত দিয়ে বাছা, চালনি দিয়ে চালা, পরিস্রাবণ ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২৬। অপকেন্দ্রণ প্রক্রিয়া কি ?
উত্তরঃ কখনও তরলে থাকা কঠিন কণাগুলি এত ছোটো হয় যে এগুলিকে পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ার দ্বারা পৃথক করা যায় না। অপকেন্দ্রণ প্রক্রিয়ার দ্বারা এই মিশ্রণগুলিকে পৃথক করা সম্ভবপর হয়। এই প্রক্রিয়ার মূল নীতি হচ্ছে অপকেন্দ্রীকরণ যন্ত্রের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে নির্দিষ্ট গতিতে মিশ্রণটির ঘূর্ণনের ফলে ভারী কণাগুলি নীচে চলে আসে এবং হাল্কা কণাগুলি উপরেই থেকে যায়।
প্রশ্ন ২৭। জল ও কেরোসিন তেলের মিশ্রণকে কি পদ্ধতি দ্বারা পৃথক করা যায় তা চিত্রসহ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ পৃথকীকরণ ফানেলের সাহায্যে জল ও কেরোসিন তেলের মিশ্রণকে পৃথক করা যায়। এই দুটি অমিশ্রণীয় তরলকে একটি পৃথকীকরণ ফানেলে ঢালি। এটাকে কিছু সময়ের জন্য স্থির অবস্থায় রেখে দিলে তেল ও জলের পৃথক স্তর সৃষ্টি হয়। এখন পৃথকীকরণ ফানেলের স্টপ কক খুলে দিলে নীচের স্তরে জমা হওয়া বেশী ঘনত্বের তরল জল প্রথমে নির্গত হয়। যখন তেল স্টপ ককের কাছে পৌঁছে যায় তখন স্টপ ককটি বন্ধ করি। ফলে কম ঘনত্বের তেল ফানেলেই থেকে যায়। এভাবে জল ও কেরোসিন তেলের মিশ্রণ থেকে জল ও কেরোসিন তেল পৃথক করা হয়। এই প্রক্রিয়ার মূল নীতি হচ্ছে অমিশ্রণীয় তরল উপাদানগুলি তাদের ঘনত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর সৃষ্টি করে।

প্রশ্ন ২৮। সাধারণ লবণ এবং এমোনিয়াম ক্লোরাইডের মিশ্রণকে কিভাবে পৃথক করা যায় তা চিত্রসহ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ ঊর্ধপাতন প্রক্রিয়ায় উদ্বায়ী পদার্থ এমোনিয়াম ক্লোরাইডকে অনুদ্বায়ী পদার্থ সাধারণ লবণ থেকে পৃথক করা যেতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় একটি পোর্সেলিনের ‘বেসিনে সাধারণ লবণ (নুন) এবং এমোনিয়াম ক্লোরাইডের মিশ্রণ লই। এবার বেসিনটি একটি ফানেলের সাহায্যে ঢেকে উত্তপ্ত করলে উদ্বায়ী এমোনিয়াম ক্লোরাইড সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়ে ফানেলটির ভিতর দিকে গিয়ে জমা হয়। তারপর ফানেলটি সরিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করলে আবার আগের সম পরিমাণে কঠিন এমোনিয়াম ক্লোরাইড পাওয়া যায়। অপরদিকে অনুদ্বায়ী সাধারণ লবণ বা নুন বেসিনে পড়ে থাকে। এভাবে সাধারণ লবণ এবং এমোনিয়াম ক্লোরাইডের মিশ্রণ থেকে সাধারণ লবণ (নুন) এবং এমোনিয়াম ক্লোরাইড পৃথক করা হয়।

প্রশ্ন ২৯। কালো কালিতে থাকা রঞ্জকগুলি দুই বা ততোধিক উপাদানের মিশ্রণ তা প্রদর্শন করতে একটি পদ্ধতি বর্ণনা কর।
উত্তরঃ বর্ণ লিখন পদ্ধতি দ্বারা কালো কালিতে থাকা রঞ্জকগুলিকে পৃথকীকরণ – প্রথমে ফিল্টার পেপারের একটি সরু ফিতে কেটে নিই। ফিতেটির নীচের প্রান্ত থেকে প্রায় 3 সে.মি. উপরে একটি রেখা আঁকি। রেখাটির ঠিক মাঝখানে ফাউন্টেন পেন থেকে এক ফোঁটা কালি রাখি এবং সেটি শুকাতে দেই। এখন একটি বিকারে বা জারে জল নিয়ে ফিতেটিকে এমনভাবে ডুবাই যাতে কালির ফোঁটাটি জলের উপরে থাকে। এটিকে স্থিরভাবে রেখে দিলে দেখা যাবে যে জল ধীরে ধীরে ফিল্টার কাগজের উপরের দিকে উঠছে। কালো কালিতে থাকা রঞ্জকগুলি দুই বা ততোধিক রঙের মিশ্রণ। রঙিন উপাদান যেটি বেশি দ্রবণীয় সেটি দ্রুত উপরের দিকে উঠে এবং এভাবে কালিতে থাকা রঞ্জকগুলি পৃথক হয়ে যায়। মিশ্রণের উপাদানগুলি এভাবে পৃথকীকরণের পদ্ধতিকে বর্ণ লিখন বা ক্রোমাটোগ্রাফি (Chromatography) বলা হয়।

প্রশ্ন ৩০। আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার মূলনীতি কি ? আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার দুটি ব্যবহারিক প্রয়োগ উল্লেখ কর।
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক মিশ্রণীয় তরলের মিশ্রণের উপাদানগুলির স্ফুটনাংকের পার্থক্য যদি 25k থেকে কম হয় তাহলে আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার দ্বারা উপাদানগুলিকে পৃথক করা হয়।
ব্যবহারিক প্রয়োগ – আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার দ্বারা (ক) বায়ুতে থাকা বিভিন্ন গ্যাস পৃথক করতে (ক) পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ থেকে বিভিন্ন অংশ পৃথক করতে ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন ৩১। এসিটোন ও জলকে তাদের মিশ্রণ থেকে কিভাবে পৃথক করা যায় তা বর্ণনা কর।
উত্তরঃ এসিটোন ও জলকে তাদের মিশ্রণ থেকে পৃথক করতে প্রথমে মিশ্রণটিকে একটি পাতন ফ্লাস্কে লই। ফ্লাস্কের মুখে একটি থার্মোমিটার লাগাই।

মিশ্রণটিকে ধীরে ধীরে গরম করি ও থার্মোমিটারের দিকে লক্ষ্য রাখি। মিশ্রণের উষ্ণতা এসিটোনের স্ফুটনাংকে পৌঁছানো মাত্র এসিটোন বাষ্পীভূত হয় ও শীতকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ঘনীভূত হয়। শীতকের নির্গম নল থেকে এটাকে সংগ্রহ করা হয়। জল পাতন ফ্লাস্কে থেকে যায়। এভাবে এসিটোন ও জলকে তাদের মিশ্রণ থেকে পাতন প্রক্রিয়ার দ্বারা পৃথক করা যায়।
প্রশ্ন ৩২। পাতন প্রক্রিয়ার দ্বারা কি প্রকারের মিশ্রণকে তাদের উপাদানগুলিতে পৃথক করা হয় ?
উত্তরঃ দুটি মিশ্রণীয় তরল যদি তাদের স্ফুটনাংকে বিয়োজিত না হয় এবং যদি তাদের স্ফুটনাংকের যথেষ্ট প্রভেদ থাকে তাহলে তাদের মিশ্রণকে উপাদানগুলিতে পৃথক করতে পাতন প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন ৩৩। পদার্থের ভৌতিক পরিবর্তন বলতে কি বুঝ উদাহরণসহ লেখ।
উত্তরঃ কোনো পদার্থের বিভিন্ন অবস্থার মধ্যে যে পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌতিক পরিবর্তন বলে। কারণ এই পরিবর্তনের সময় পদার্থটির সংযুতি বা রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। যেমন- বরফ, জল ও জলীয়বাষ্প এই তিনটির ভৌতিক ধর্ম ভিন্ন কিন্তু রাসায়নিক দিক থেকে এরা একই।
প্রশ্ন ৩৪। রাসায়নিক পরিবর্তন বলতে বুঝ কি ? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে পরিবর্তনে পদার্থের ধর্মের আমূল পরিবর্তন হয় ও নতুন পদার্থ সৃষ্টি করে তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। এই প্রক্রিয়ায় একটি পদার্থ আরেকটির সাথে ক্রিয়া করে এবং এর ফলে তাদের রাসায়নিক সংযুতির পরিবর্তন হয়।
রাসায়নিক পরিবর্তনের কয়েকটি উদাহরণ, যথা-
(ক) লোহায় মরিচা ধরা।
(খ) গোটা চূণ গলে যাওয়া।
(গ) জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ করা।
প্রশ্ন ৩৫। নিম্নোক্তগুলো ভৌতিক না রাসায়নিক পরিবর্তন ?
(ক) গাছ কাটা।
(খ) পাত্রে মাখন গলানো।
(গ) আলমারীতে মরিচা ধরা।
(ঘ) জল ফুটিয়ে বাষ্পে পরিণত করা।
(ঙ) জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ করা।
(চ) জলে নুন দ্রবীভূত করা।
(ছ) কাঁচা ফল দিয়ে ফলের স্যালাড তৈরি করা।
(জ) কাগজ এবং কাঠের দহন।
উত্তরঃ (ক) গাছ কাটা – ভৌতিক পরিবর্তন।
(খ) পাত্রে মাখন গলানো – ভৌতিক পরিবর্তন।
(গ) আলমারীতে মরিচা ধরা – রাসায়নিক পরিবর্তন।
(ঘ) জল ফুটিয়ে বাষ্পে পরিণত করা – ভৌতিক পরিবর্তন।
(ঙ) জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ করা – রাসায়নিক পরিবর্তন।
(চ) জলে নুন দ্রবীভূত করা – ভৌতিক পরিবর্তন।
(ছ) কাঁচা ফল দিয়ে ফলের স্যালাড তৈরি করা – ভৌতিক পরিবর্তন।
(জ) কাগজ এবং কাঠের দহন – রাসায়নিক পরিবর্তন।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

