SEBA Class 9 Science Important Chapter 12 শব্দ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 12 শব্দ Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 12 শব্দ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
শব্দ
Chapter: 12
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। শব্দ কিভাবে উৎপন্ন হয়?
উত্তরঃ জড় বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।
প্রশ্ন ২। O°C উষ্ণতায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত?
উত্তরঃ O°C উষ্ণতায় বায়ুতে শব্দের বেগ সেকেণ্ড 332 মিটার।
প্রশ্ন ৩। শব্দের কম্পাঙ্কের একক কী?
উত্তরঃ শব্দের কম্পাঙ্কের একক সাইকেলস/সেকেণ্ড বা হার্জ।
প্রশ্ন ৪। শব্দের কম্পাঙ্ক বেগ ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তরঃ শব্দের বেগ = তরঙ্গ × কম্পাঙ্ক।
প্রশ্ন ৫। একটি দোলক দুলতে থাকলে কোনো শব্দের উৎপত্তি হয় না কেন?
উত্তরঃ দোলকের দোলনে শব্দের সৃষ্টি হয়। কিন্তু উৎপন্ন শব্দের কম্পাঙ্ক 20 হার্জ এর কম বলে আমরা ওই শব্দ শুনতে পাই না।
প্রশ্ন ৬। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের একক কী?
উত্তরঃ সি. জি. এস. এবং এস. আই পদ্ধতিতে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের একক যথাক্রমে সেন্টিমিটার ও মিটার।
প্রশ্ন ৭। শীতকালের তুলনায় গরম কালে বায়ুতে শব্দের বেগ বেশি না কম?
উত্তরঃ গরমকালে বায়ুর তাপমাত্রা শীতকালের তুলনায় বেশি থাকে। তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুতে শব্দের বেগ বাড়ে। তাই শীতকালের তুলনায় গরমকালে বায়ুতে শব্দের বেগ বাড়ে।
প্রশ্ন ৮। একটি সুর শলাকার কম্পাঙ্ক 512 বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ একটি সুর শলাকার কম্পাঙ্ক 512 বলতে বোঝায় যে, কম্পিত সুরশলাকাটির একটি বাহু সেকেণ্ড 512 বার পূর্ণ কম্পন করে।
প্রশ্ন ৯। বায়ু ও লোহা এদের মধ্যে কোনটিতে শব্দের বেগ বেশি?
উত্তরঃ লোহার মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা বেশি।
প্রশ্ন ১০। শব্দের প্রতিফলনের একটি ব্যবহারিক প্রয়োগ উল্লেখ কর।
উত্তরঃ স্টেথোস্কোপ যন্ত্রে শব্দের প্রতিফলন ধর্মকে কাজে লাগানো হয়।
প্রশ্ন ১১। প্রতিধ্বনির দুইটি ব্যবহারিক প্রয়োগ উল্লেখ কর।
উত্তরঃ প্রতিধ্বনির ব্যবহারিক প্রয়োগ : শব্দের প্রতিধ্বনির সাহায্যে।
(i) সমুদ্রের গভীরতা মাপা যায় এবং
(ii) বায়ুতে শব্দের বেগ নির্ণয় করা যায়।
প্রশ্ন ১২। কোন এককে শব্দের তীব্রতা মাপা হয়?
উত্তরঃ বেল ডেসিবেল এককে শব্দের তীব্রতা মাপা হয়।
প্রশ্ন ১৩। শব্দের নিরাপদ প্রাবল্য মাত্রা কত?
উত্তরঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত শব্দের নিরাপদ প্রাবল্য মাত্রা হল 45 ডেসিবেল।
প্রশ্ন ১৪। কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় মাধ্যমের মধ্যে কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সব থেকে বেশি।
উত্তরঃ কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় মাধ্যমের মধ্যে কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সব থেকে বেশি।
প্রশ্ন ১৫। স্বরের মধ্যে সবচেয়ে কম কম্পাঙ্কের সুরকে উপসুর/ মূলসুর/ সমমেল বলে।
উত্তরঃ মূলসুর।
প্রশ্ন ১৬। 0°C উষ্ণতায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত?
উত্তরঃ 0°C উষ্ণতায় বায়ুতে শব্দের বেগ 332 মিটার/সেকেণ্ড।
প্রশ্ন ১৭। তরঙ্গ কী?
উত্তরঃ কোনো স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের কণাগুলির সমষ্টিগত কম্পনের ফলে যে আন্দোলনের সৃষ্টি হয় তাকে তরঙ্গ বলে। তরঙ্গ সাধারণত দুই প্রকার হয়।
(i) তির্যক তরঙ্গ।
(ii) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
প্রশ্ন ১৮। শব্দ দূষণের দুটি কারণ লেখো।
উত্তরঃ শব্দ দূষণের দুটি কারণ হল-
(i) মাইকের (120) শব্দ, মোটর গাড়ী, পটকাবাজির ইত্যাদি শব্দ থেকে শব্দদূষণ ঘটে।
(ii) মিন্টিং, মিছিল, শ্লোগান, ফ্যাক্টরির কল কব্জা থেকেও শব্দদূষণের সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ১৯। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি লেখো।
উত্তরঃ আইন ব্যবস্থা।
(a) 65 ডেসিবেলের বেশি শব্দ উৎপাদকগুলিকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
(b) হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি অঞ্চলে গাড়ির হর্ণ, মাইক বাজানো বন্ধ করতে হবে।
(c) আধুনিক যন্ত্রপাতি নির্মাণ – যেসব ইঞ্জিন বেশি শব্দ সৃষ্টি করে সেগুলিতে সাইলেন্সার ব্যবহার করতে হবে।
(d) ইয়ার প্ল্যাগ, ইয়ার মাফ, নয়েজ হেলমেট, মোম মাখানো তুলো ইত্যাদি ব্যবহার করেও শব্দের প্রারল্য কমানো যায়।
(e) পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে – গাছপালা শব্দ শোষণ করে, তাই রাস্তার দুপাশে বা বিভিন্ন স্থানে গাছপালা লাগিয়ে এই দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
(f) জনশিক্ষা – সবার ওপরে রয়েছে জনশিক্ষা, শব্দদূষণের কুফলকে টিভি, রেডিও, খবরের কাগজ ইত্যাদির মাধ্যমে জন সমক্ষে আনতে হবে ও এর বিরুদ্ধে জন সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
প্রশ্ন ২০। সব সমমেলই উপসুর কিন্তু সব উপসুর সমমেল নয় ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ কোনো স্বরে উপস্থিত মূল সুর ছাড়া অন্যান্য সুরগুলিকে উপসুর বলা হয়। উপস্থিত উপসুরগুলির মধ্যে যে সুরগুলির কম্পাঙ্ক মূল সুরের সরল গুণিতক তাদের সমমেল বলে। সবক্ষেত্রে উপসুরগুলি মূলসুরের সরল গুণিতক হয় না। তাই সব সমমেল উপসুর কিন্তু সব উপসুর সমমেল নয়।
প্রশ্ন ২১। ছোট ঘরে প্রতিধ্বনি শোনা যায় না কেন?
উত্তরঃ ছোটো ঘরের দেওয়ালগুলির মধ্যে দূরত্ব 16.6 মিটারের কম হয়। কোনো শব্দের প্রতিধ্বনি শুনতে হলে উৎস থেকে প্রতিফলকের দূরত্ব কমপক্ষে 16.6 মিটার হওয়া দরকার। ফলে ছোটো ঘরে কোনো শব্দ করলে সেই শব্দের প্রতিধবনি আমার শুনতে পাই না।
প্রশ্ন ২২। শব্দতরঙ্গের পর্যায়কাল কাকে বলে? পর্যায়কালের এস. আই. একক কি?
উত্তরঃ মাধ্যমের ঘনত্বে একটি সম্পূর্ণ কম্পন বা দোলনের জন্য যে সময় লাগে তাকে শব্দতরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কাল T প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।
পর্যায়কালের এস. আই. একক হল সেকেণ্ড।
প্রশ্ন ২৩। কোনো এক বিশেষ মাধ্যমে সব কম্পনাংকের জন্য শব্দের বেগ একই থাকে কি?
উত্তরঃ একই ভৌতিক অবস্থায় কোনো বিশেষ মাধ্যমে সব কম্পনাংকের জন্য শব্দের বেগ প্রায় একই থাকে।
প্রশ্ন ২৪। অনুপ্রস্থ তরঙ্গ কাকে বলে? অনুপ্রস্থ তরঙ্গের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে তরঙ্গের ক্ষেত্রে তরঙ্গের বিস্তারের দিকে লম্বভাবে মাধ্যমের কণাসমূহ নিজ অবস্থানের উপরে নীচে উঠা নামা করে তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। আলোক একপ্রকারের অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
প্রশ্ন ২৫। যখন কোনো মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দতরঙ্গ গতি করে তখন কিভাবে মাধ্যমের ঘনত্ব ও চাপের পরিবর্তন ঘটে তার লৈখিক রূপ দেখাও।
উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দূরত্ব সাপেক্ষে গড় ঘনত্ব ও চাপের থেকে উপরে এবং নীচে কোনো মাধ্যমের ঘনত্ব ও চাপের পরিবর্তন ঘটে। কোনো

মাধ্যমে শব্দতরঙ্গের বিস্তারের সময় ঘনত্ব ও চাপের বিভিন্নতা নীচের চিত্রে দেখানো হল। সংকোচন হল সেই অঞ্চল যেখানে মাধ্যমের কণাগুলি ঘন সন্নিবিষ্ট। চিত্রে বক্রলেখের উপরের অংশ সেই অঞ্চল নির্দেশ করে। বক্রলেখের শীর্ষ বা চূড়া সর্বাধিক সংকোচন নির্দেশ করে। অতএব সংকোচন হল সেই অঞ্চল যেখানে ঘনত্ব এবং চাপ বেশি। প্রসারণ হল নিম্নচাপ অঞ্চল যেখানে কণিকাসমূহের মধ্যে দূরত্ব অধিকতর, চিত্রে বক্রলেখের নীচের অংশ প্রসারণ নির্দেশ করে। চিত্র (c)-তে দেখানো প্রতিটি তরঙ্গের উচ্চতম বিন্দুকে তরঙ্গ শীর্ষ এবং নিম্নতম বিন্দুকে তরঙ্গ পাদ বলে।
প্রশ্ন ২৬। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কাকে বলে? শব্দতরঙ্গের প্রকৃতি কি ধরনের?
উত্তরঃ গতির দিকে মাধ্যমের কণাসমূহের সংকোচন প্রসারণের দ্বারা বিস্তার লাভ করা তরঙ্গকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে। শব্দতরঙ্গ অনুদৈর্ঘ্য প্রকৃতির।
প্রশ্ন ২৭। শব্দের পিচ কিসের উপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ শব্দের পিচ কম্পনাংকের উপর নির্ভর করে। শব্দের কম্পন যত দ্রুত হয় কম্পনাংক এবং পিচ তত বেশি হয়। কম পিচের শব্দের কম্পনাংক কম এবং বেশি পিচের শব্দের কম্পনাংক বেশি।
প্রশ্ন ২৮। অনুপ্রস্থ এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের প্রভেদ উল্লেখ কর।
উত্তরঃ অনুপ্রস্থ এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের মধ্যে পার্থক্য নীচে দেখানো হল-
| অনুপ্রস্থ তরঙ্গ | অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ |
| (i) অনুপ্রস্থ তরঙ্গ মাধ্যমের কম্পমান কণাগুলির সঙ্গে লম্বভাবে অগ্রসর হয়। | (i) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ মাধ্যমের কম্পমান কণাগুলির সঙ্গে সমান্তরাল ভাবে অগ্রসর হয়। |
| (ii) অনুপ্রস্থ তরঙ্গের মাধ্যমের কণাগুলির সরণের ফলে তরঙ্গশীর্ষ এবং তরঙ্গ পাদ গঠিত হয়। | (ii) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে মাধ্যমের কণাগুলির সরণের ফলে মাধ্যমে সংকোচন এবং প্রসারণের সৃষ্টি হয়। |
প্রশ্ন ২৯। স্বর ও সুরের মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তরঃ একক কল্পনাংকবিশিষ্ট শব্দকে স্বর (tone) বলে। অপরদিকে, বিভিন্ন কম্পনাংকের মিশ্রণে উৎপন্ন শব্দকে সুর (note) বা সঙ্গীত বলা হয়।
প্রশ্ন ৩০। একটি শব্দতরঙ্গের কল্পনাংক 2KHz এবং তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 45 cm। 1.8 km. অতিক্রম করতে এই শব্দতরঙ্গের কত সময় লাগবে?
উত্তরঃ এখানে,
কম্পনাংক, v = 2 KHz = 2000 Hz (হার্টজ)
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ = 45 cm = 0.45m.
আমরা জানি,
শব্দতরঙ্গের বেগ, v = তরঙ্গ দৈর্ঘ্য x কম্পনাংক
= v = λ x v
= v = 0.45 m x 2000 Hz
= v = 900 ms⁻¹
এখানে অতিক্রম করা দূরত্ব, d = 1.8 km
= 1.8 x 1000
= 1800m
∴ সময়, t = d/V
= 1800m/900 ms⁻¹
= 2 সেকেণ্ড (s)
অতএব 1.8 km. দূরত্ব অতিক্রম করতে শব্দতরঙ্গটির সময় লাগবে 2 সেকেণ্ড (s)।
প্রশ্ন ৩১। শব্দের প্রতিফলনের সূত্রটি লিখ।
উত্তরঃ শব্দের প্রতিফলনের সূত্র : শব্দের প্রতিফলক তলের আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত, অভিলম্বের সঙ্গে শব্দের আপতনের দিক এবং প্রতিফলনের দিকের মধ্যবর্তী কোণ সমান এবং এই তিনটি একই সমতলে অবস্থান করে।

প্রশ্ন ৩২। শব্দের বেগ কিসের উপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ শব্দ বহনকারী মাধ্যমের প্রকৃতি এবং তাপমাত্রার উপর শব্দের বেগ নির্ভর করে। শব্দ কঠিন থেকে গ্যাসীয় মাধ্যমের দিকে যেতে থাকলে শব্দের বেগ কমতে থাকে। যে কোনো মাধ্যমের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। যেমন বায়ুতে 0°C -এ শব্দের বেগ 331 ms⁻¹ এবং 25°C -এ শব্দের বেগ 346ms⁻¹
প্রশ্ন ৩৩। শব্দ গর্জন বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কোনো বস্তুর বেগ শব্দের চেয়ে অধিকতর হলে বস্তুটি আধিশাব্দিক বেগে গতি করছে বলা হয়ে থাকে। যখন কোনো শব্দ উৎপাদনকারী উৎস শব্দের চেয়ে দ্রুতবেগে গতি করে তখন বায়ুতে অভিঘাত তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। এই অভিঘাত বা শক্ তরঙ্গ (shock wave) অতি বৃহৎ পরিমাণ শক্তি বহন করে। বায়ুর চাপের বিভিন্নতা শক্ তরঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আকস্মিকভাবে উচ্চ মাত্রার শব্দ সৃষ্টি করে। একে শব্দ গর্জন বলে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

